date
stringclasses
5 values
title
stringlengths
6
64
subtitle
stringlengths
3
47
author
stringlengths
4
56
comment
stringlengths
1
3
ref
stringlengths
109
465
section
stringclasses
15 values
media
stringclasses
2 values
page
int64
1
5
tags
stringlengths
4
118
content
stringlengths
295
16.5k
article_id
int64
1.57M
1.57M
2019-01-03
অধিনায়ক তামিমকে ভালো লাগে ইমরুলের
null
ক্রীড়া প্রতিবেদক
https://www.prothomalo.com/sports/article/1573106/%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%95-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0
sports
online
1
ইমরুল কায়েস|কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস|ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|তামিম ইকবাল
তামিমের অধীনে খেলতে ইমরুলের অনেক ভালো লাগে। অধিনায়ক যে তাঁকে বোলিং করতে দেন। ইমরুল কায়েসকে কখনো বোলিং করতে দেখেছেন? মনে করাটা একটু কঠিনই। অফ স্পিনার হিসেবে টেস্টে বোলিং করেছেন ৪ ওভার। ওয়ানডে কিংবা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি কখনোই নয়। ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে এক টুর্নামেন্টেই তাঁকে বোলিং করতে দেখে গেছে। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে বিজয় দিবস টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে। সেবার খেলেছিলেন ইউসিবি বিসিবি একাদশে। আর এই দলের অধিনায়ক ছিলেন তামিম ইকবাল। তামিমের অধিনায়কত্বে বোলিং করার সুযোগ পেয়েছেন. সেটি ভীষণ আপ্লুত করে ইমরুলকে। গত বিপিএল থেকে তামিমের অধীনে কুমিল্লায় খেলছেন বাঁহাতি ওপেনার। এবারও খেলছেন। তামিমের অধীনে খেলাটা তিনি ভীষণ উপভোগ করেন. কেন জানেন? অধিনায়ক তাঁকে বোলিং করতে দেন বলে. ‘(তামিমের অধীনে খেলতে) আমি সব সময় উপভোগ করি। এর আগেও ওর অধীনে খেলেছি। ভালো লাগে। বিশেষ করে ও আমাকে বোলিং দেয়।’ নিতান্তই রসিকতা করে বলা। ‘ও আমাকে বোলিং দেয়’ বলতে ২০১৩ সালে বিজয় দিবস টি-টোয়েন্টিতেই। ৩ ইনিংসে বোলিং করার সুযোগ পেয়েছিলেন. মোট ৫ ওভার করে ৩৩ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য। বোলিংয়ে তাঁর প্রতি দলের খুব একটা প্রত্যাশা নেই। প্রত্যাশা ব্যাটিংয়ে. তিনি খাঁটি ব্যাটসম্যান। দলে. দলের বাইরে ব্যাটিংয়ে তাঁর অনেক প্রতিদ্বন্দ্বী। চ্যালেঞ্জটা আবারও নিচ্ছেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে গত ওয়ানডে সিরিজে দুর্দান্ত খেলা ইমরুল. ‘অবশ্যই নিজের সেরাটা দেব।’ এরপর যোগ করলেন. ‘ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। আপনি যদি দেখেন বিপিএল থেকে কিন্তু আমাদের অনেক তরুণ প্রতিভাবান ক্রিকেটার উঠে আসছে। প্রতি বিপিএলেই আমাদের স্থানীয় ক্রিকেটাররা সেরা পাঁচে থাকে। এটি অবশ্যই আমাদের ক্রিকেটের জন্য একটি ভালো দিক। আশা করি. এ বছরও সেরা পাঁচে থাকবে আমাদের স্থানীয় ক্রিকেটাররা। আর এত বড় বড় ক্রিকেটারের সঙ্গে খেললে এবং ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করলে অনেক অভিজ্ঞতা হয়।’ হয় না. হয় না কুমিল্লা দলটা শেষ পর্যন্ত তারকা ঠাসা হয়েছে। তামিম. স্টিভ স্মিথ. ইমরুল. মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন. আবু হায়দার. এনামুল হক (বিজয়). শহীদ আফ্রিদি. এভিন লুইস. শোয়েব মালিককে নিয়ে কুমিল্লা এখন শিরোপার দাবিদার। শুরু থেকেই কুমিল্লার হয়ে খেলা ইমরুলের আশা. এবার তাঁরা ভালো কিছুই উপহার দেবেন. ‘গত বছরটা দুর্ভাগ্যজনক ছিল। প্রথম রাউন্ড দেখেছিলেন যে আমরা বেশ ভালোভাবে শেষ করেছি। দুটি ম্যাচ দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা হেরে গিয়েছি। আমাদের সব সময় লক্ষ্য থাকে ভালো কিছু করার। কুমিল্লায় আমি গত চার-পাঁচ বছর খেলেছি. প্রতিবছরই লক্ষ্য থাকে ফাইনালে খেলা। এই বছরও আমাদের সবার লক্ষ্য ফাইনালে খেলা। ওভাবেই মানসিকভাবে প্রস্তুত আছে সবাই। এবারের টুর্নামেন্টে কুমিল্লা ভালো একটি দল তৈরি করেছে। দলের সবাই আশাবাদী যে ভালো কিছু করতে পারব।’ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস: তামিম ইকবাল (অধিনায়ক). স্টিভ স্মিথ. ইমরুল কায়েস. মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন. আবু হায়দার. এনামুল হক (বিজয়). মেহেদী হাসান. জিয়াউর রহমান. মোশাররফ হোসেন. মোহাম্মদ শহীদ. শামসুর রহমান. সানজিৎ সাহা. শহীদ আফ্রিদি. এভিন লুইস. শোয়েব মালিক. লিয়াম ডসন. থিসারা পেরেরা. ওয়াকার সালমাখাই ও আমির ইয়ামিন।
1,573,106
2019-01-03
নতুন সরকার গঠনে শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
null
বাসস. ঢাকা
১৩
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573105/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%A0%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8
bangladesh
online
1
সরকার|শেখ হাসিনা|রাষ্ট্রপতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে জয়লাভ করায় নতুন সরকার গঠন করতে দলের সভাপতি শেখ হাসিনাকে আহ্বান জানিয়েছেন। শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের প্রধান নির্বাচিত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাসসকে বলেন. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে বঙ্গভবনে পৌঁছান। প্রেস সচিব বলেন. রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের ঐতিহাসিক বিজয়ে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন. ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ মুক্তিযুদ্ধের এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনার ও দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পক্ষে রায় দিয়েছে। তিনি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।
1,573,105
2019-01-03
সাইবেরিয়া থেকে আমেরিকা. কেউ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেনি: সিইসি
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
১০৭
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573104/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%89-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8
bangladesh
online
1
নির্বাচন|সিইসি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|নির্বাচন কমিশন
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন. সাইবেরিয়া থেকে ইউরোপ. আমেরিকাসহ পৃথিবীর কোনো দেশ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান কিংবা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে মন্তব্য করেনি। এটি ইসি সচিবালয়সহ সংশ্লিষ্ট সবার সফলতা। একাদশ সংসদ নির্বাচন শেষে ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের ‘ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে’ এই মন্তব্য করেন সিইসি নূরুল হুদা। সিইসি বলেন. ‘সংসদ নির্বাচন জাতির জন্য বড় একটা কাজ। নির্বাচন যখন শেষ হলো তারপর পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গা থেকে. বিভিন্ন কমিউনিটি আমাদের এই নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করেছে। তারা তাদের অভিমত ব্যক্ত করেছে। এই নির্বাচনকে তারা সফল হিসেবে উল্লেখ করেছে। নির্বাচন কেউ প্রত্যাখ্যান করেনি। সাইবেরিয়া থেকে শুরু করে ভলগা নদীর পাড় দিয়ে. প্রশান্ত মহাসাগর হয়ে আমেরিকা. ইউরোপ—সর্বত্র নির্বাচনের বার্তা আমরা পৌঁছে দিয়েছি। সেখান থেকে শীতের হাওয়ায় ঢেউয়ে ঢেউয়ে আমাদের কাছে এখানে চলে এসেছে।’ এ সময় সিইসি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে জানতে চান. ‘কি. আসেনি? এসেছে?’ উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উত্তর. ‘হ্যাঁ।’ আবারও সিইসির প্রশ্ন. ‘সেটা কেমন করে হলো? পৃথিবীর কোনো দেশ. কোনো সংস্থা নির্বাচনের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছে? কমিশনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলেছে?’ কর্মকর্তাদের সম্মিলিত উত্তর. ‘না।’ এবার সিইসি বলেন. ‘কারণ এটা আপনাদের বিজয়। এটা আপনাদের সার্থকতা। এটা আপনাদের সাফল্য. সকলের সাফল্য।’
1,573,104
2019-01-03
৫ মাস আগেই ইংল্যান্ডে ‘ফাইনাল’!
null
খেলা ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/sports/article/1573101/%E0%A7%AB-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%87%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87-%E2%80%98%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E2%80%99
sports
online
1
ফুটবল|লিভারপুল|ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
নতুন বছরে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি ম্যানচেস্টার সিটি ও লিভারপুল। সিটি হেরে গেলে তাদের শিরোপাস্বপ্ন ধূসর হয়ে যাবে। কারও কারও চোখে আজকের ম্যাচটাই ফাইনাল! বাংলাদেশ সময় রাত ২টা শুরু হবে ম্যাচটি। দেখাবে স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ওয়ান এই ম্যাচের পর আরও ১৭টি করে ম্যাচ বাকি থাকবে দুই দলের। আরও ৫ মাস। তা যত ম্যাচই বাকি থাক. লিগে আবার ফাইনাল কী? কিন্তু ইতিহাদ স্টেডিয়ামে আজ যখন লিভারপুলকে আতিথ্য দেবে ম্যানচেস্টার সিটি. ম্যাচটি কার্যত হয়ে দাঁড়াবে প্রিমিয়ার লিগের ‘ফাইনাল’। হয়তো শিরোপা কোনো দলের হাতে উঠবে না. তবে অনেকের চোখে ইংলিশ লিগ শিরোপার নিষ্পত্তি করে দেবে এই ম্যাচই। তবে উল্টোটাও হতে পারে. লিগ শিরোপার দৌড় হতে পারে আরও বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। জয়-পরাজয় এখানে এতটাই পার্থক্য গড়ে দেওয়ার মতো. ৩ পয়েন্ট এখানে এতটাই মূল্যবান। জয়ী দল ৩ পয়েন্ট পেলেও এই ধরনের ম্যাচগুলোকে ‘সিক্স পয়েন্টার’ বলা হয়। লিগে এখনো অপরাজিত লিভারপুল ২০ ম্যাচে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে. তিনে থাকা সিটির পয়েন্ট ৪৭। পরশু কার্ডিফ সিটিকে ৩-০ গোলে হারানো টটেনহাম এক পয়েন্ট এগিয়ে দুইয়ে. যদিও ম্যাচ খেলেছে একটি বেশি। তা আজ জিতলে সিটির চেয়ে ১০ পয়েন্ট এগিয়ে যাবে লিভারপুল. আর হারলে সিটি ব্যবধানটা নামিয়ে আনবে ৪ পয়েন্টে। ‘সিক্স পয়েন্টার’ তো আর এমনি এমনি বলা হচ্ছে না! এই ম্যাচের আগে সিটির ওপরই চাপ বেশি। লিভারপুলের মাঠে মৌসুমে দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎটি ছিল গোলশূন্য ড্র. এবারও ড্র হলে লিভারপুল কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ খুব অসন্তুষ্ট হবেন না। কিন্তু সিটিকে জিততেই হবে। চাপটা স্বীকার করে নিয়েছেন সিটির পর্তুগিজ মিডফিল্ডার বার্নার্দো সিলভাও. ‘জানি চাপটা আমাদের ওপরই বেশি। না জিতলে এরপর ওদের ধরা কঠিন হয়ে যাবে। সাত পয়েন্ট আর চার পয়েন্টে পিছিয়ে থাকার পার্থক্যটা অনেক।’ প্রায় একই সুর গার্দিওলারও। লিগে সর্বশেষ ম্যাচে সাউদাম্পটনের মাঠে জেতার পর লিভারপুলকে সর্বোচ্চ সম্মানই দিয়েছিলেন সিটি কোচ. ‘শিরোপাদৌড়ে আমাদের প্রতিপক্ষ দলটা (লিভারপুল) এই মুহূর্তে ইউরোপের—হয়তো বিশ্বেরও—সেরা। সে কারণেই আগামী বৃহস্পতিবার (আজ) ম্যাচটা জেতা আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ. যাতে শিরোপা লড়াইটা শেষ পর্যন্ত নেওয়া যায়। লিভারপুল যে অবস্থায় আছে. তাতে আমরা পয়েন্ট হারানো মানেই দৌড় শেষ।’ এ যে শুধুই গার্দিওলার মনস্তাত্ত্বিক খেলা নয়. তার প্রমাণ পেতে আরেকটু পিছিয়ে যেতে হবে। গত মাসেই একটা অনুষ্ঠানে বই পড়া নিয়ে কথা বলতে গিয়ে গার্দিওলা বলেছিলেন. ‘আমি বই পড়তে শুরু করি আর তখনই মাথায় চলে আসে “লিভারপুল আর ইয়ুর্গেন ক্লপ”। এরপর আর মনোযোগ দিতে পারি না।’ গত মৌসুমে সিটির যাত্রা নিয়ে তৈরি প্রামাণ্যচিত্রেও লিভারপুলকে নিয়ে গার্দিওলার কথাটা ছিল. ‘ওদের ভয় পাই আমি। ওরা ভয়ংকর. আমি মন থেকেই বলছি এটা।’ কোচিং ক্যারিয়ারে ১০ বছরে ২৪ শিরোপাজয়ী. তর্ক সাপেক্ষে সময়ের সবচেয়ে উদ্ভাবনী কোচকে ভয় ধরানো কম কথা নয়। এমনিতে গার্দিওলার কোচিং ক্যারিয়ারে ‘নেমেসিস’ হয়ে আছেন ক্লপ। অন্তত ১০ বার মুখোমুখি হয়েছেন. এমন কোচদের মধ্যে শুধু ক্লপের বিপক্ষেই জয়ের চেয়ে গার্দিওলার হার বেশি (১৫ ম্যাচে ৫ জয়. ৮ হার)। তবে উল্টো দিকে ক্লপও এসব রেকর্ড আর এই মৌসুমের ফর্ম নিয়ে তৃপ্তি নিয়ে বসে নেই। সিটির চেয়ে ৭ পয়েন্ট এগিয়ে থাকা নিয়ে ভাবছেন না লিভারপুল কোচ. ‘এই ব্যবধান নিয়ে আমরা ভাবি না. একটা সেকেন্ডের জন্যও না।’ গার্দিওলা আর তাঁর দলকে দারুণ সমীহ করছেন. ‘সিটি অসাধারণ একটা দল। আর সিটির মাঠে যাওয়ার আগে কোন দল ভাববে যে. ‘হয়তো আমরাই জিতব? বিশ্বের কোনো দলই না।’ দুই কোচের এত সমীহা. কিন্তু রেফারির বাঁশির পরই যে দুটি দল ‘ফুটবল-যুদ্ধে’ নামবে. তা নিয়ে সংশয় সামান্যই। লিগের শিরোপাদৌড়ে উঁকি দিতে থাকা টটেনহামের কোচ মরিসিও পচেত্তিনো পর্যন্ত সব ভুলে একটা ‘ফুটবল প্রদর্শনী’র আশায় আছেন. ‘আমি নিরপেক্ষ থেকেই ম্যাচটা উপভোগ করব। ফল নিয়ে ভাবছি না. আমি শুধু প্রদর্শনীটা উপভোগ করতে চাই।’
1,573,101
2019-01-03
বিদেশেও ভালো দল হয়ে উঠবে বাংলাদেশ
null
তারেক মাহমুদ. ঢাকা
https://www.prothomalo.com/sports/article/1573100/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%A6%E0%A6%B2-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A0%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6
sports
online
1
ক্রিকেট|সাকিব আল হাসান|বাংলাদেশ ক্রিকেট
বিশ্বকাপের বছরে দেশের বাইরে অনেক খেলা। সাকিব আল হাসানের প্রত্যাশা. এবার বিদেশের মাটিতেও ‘ভালো দলে’র পরিচিতি পাবে বাংলাদেশ। ২০১৯ সালে সাকিব আল হাসানের জন্য কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? মেয়ে আলাইনার স্কুলে ভর্তি হওয়া নাকি ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ?প্রশ্ন শুনে মৃদু হেসে ক্ষণিকের জন্য চিন্তার সাগরে হারিয়ে গেলেন টেস্টের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের খোলা চত্বরে একবার দৃষ্টি ঘুরিয়ে এনে সাকিব যেন খুঁজে পেলেন উত্তর. ‘দুটিই বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বাবা হিসেবে মেয়ের স্কুলে ভর্তিটা গুরুত্বপূর্ণ. আর খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ।’'গত নভেম্বরে তিন পেরিয়ে চারে পা দিয়েছে সাকিবকন্যা আলাইনা। গুলশানের একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে মেয়েকে ভর্তি করিয়ে দিয়ে বাবা সাকিব বেশ রোমাঞ্চিত। বছরটাও রোমাঞ্চকর হয়ে উঠতে পারে ক্রিকেটার সাকিবের কাছে। সে জন্য ২০১৯ সাল নিয়ে যে স্বপ্নটা তিনি দেখছেন. পূরণ হতে হবে সেটি।এ বছর বাংলাদেশ দল দেশের বাইরেই খেলবে বেশি। এ মাসের শেষ দিকে নিউজিল্যান্ড সফর দিয়ে শুরু। এরপর আয়ারল্যান্ড সফর ও ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ। সম্ভাব্য সূচিতে আছে ভারত ও শ্রীলঙ্কা সফরও। বিদেশের মাটিতে বেশি খেলা—সাকিবের চোখে বাংলাদেশের জন্য এটিই বছরের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আর চ্যালেঞ্জের পিঠেই থাকে নতুন উচ্চতায় ওঠার হাতছানি। একেকটি চ্যালেঞ্জ জেতা মানেই হলো নিজেদের আরেক ধাপ ছাড়িয়ে যাওয়া। ২০১৯ সেই সম্ভাবনার দুয়ারই কি খুলে দিচ্ছে না বাংলাদেশ দলের সামনে! সাকিব অন্তত সেভাবেই নিচ্ছেন নতুন বছরটাকে. ‘বছরটা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং...আমি বলব অনেক বেশিই চ্যালেঞ্জিং হবে। কারণ বিশ্বকাপসহ বেশির ভাগ খেলাই আমাদের দেশের বাইরে খেলতে হবে’—এটুকু বলে জানালেন চ্যালেঞ্জ জয়ের লক্ষ্যের কথাও. ‘এটা একটা সুযোগ আমাদের জন্য। বাইরের কন্ডিশনে আমরা কখনো ভালো করিনি। ব্যক্তিগত কিছু ভালো পারফরম্যান্স হয়তো আছে. কিন্তু দেশের বাইরে দল হিসেবে ভালো ফলাফল খুব একটা করিনি। এবার যেহেতু বাইরে অনেক ম্যাচ খেলব. সেগুলোতে ভালো ফলাফল পেলে আমাদের জন্য খুবই ভালো হবে।’ ভিন্ন কন্ডিশনের প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াইয়ে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টির অধিনায়কের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফিটনেস। আঙুলের সামান্য চোট কী মারাত্মক ভোগান্তিতে ফেলতে পারে. সেটি তো নিজেই দেখেছেন গত বছর! বছরের শুরুতে তাই দলের সবার উদ্দেশে বলেছেন. ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সবাইকে ফিট থাকতে হবে এবং খুব ভালো অবস্থায় থাকতে হবে। ভালো খেলার জন্য এটাই সবার আগে দরকার।’ সঙ্গে মাথায় রাখতে বলেছেন ভিন্ন কন্ডিশনে যাঁর যাঁর দুর্বলতার কথাও. ‘আমাদের সব জায়গায়ই উন্নতি করতে হবে। বিদেশের মাটিতে আমরা ভালো খেলি না. সেদিক দিয়ে চিন্তা করলে উন্নতির অনেক জায়গাই আছে। আমি মনে করি ব্যক্তিগতভাবেও সবাইকে যার যার মতো প্রস্তুতি নিতে হবে। বাইরের কন্ডিশনে ভালো খেলার জন্য যার যেখানে উন্নতি করা দরকার. সেভাবে কাজ করতে পারলে দল হিসেবেও আমরা সেটার সুফল পাব।’ বছর শুরু হবে নিউজিল্যান্ড সফর দিয়ে। অনেকের ধারণা. বাংলাদেশের জন্য বিশ্বকাপের চেয়েও কঠিন হতে পারে এই সফর। নিউজিল্যান্ডে সর্বশেষ সফরের অভিজ্ঞতাও সেই শঙ্কা জাগায়। কিছু ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স বাদ দিলে সফরটা ছিল তিক্ত অভিজ্ঞতার। তবে পুরোনো স্মৃতি মনে করে এখনই ‘ব্ল্যাক ক্যাপ’ জুজুতে আক্রান্ত হতে রাজি নন সাকিব. ‘নিউজিল্যান্ড সফর আমাদের জন্য সব সময় চ্যালেঞ্জিং থাকে. এবারও হয়তো তা–ই হবে। তারপরও ভালো করার আশা তো থাকবেই।’ সাকিবের আশাটা বিশ্বকাপ নিয়েই বেশি। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা আগেই বলেছেন. ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে অন্তত সেমিফাইনালে খেলার লক্ষ্য থাকবে বাংলাদেশের। কাল সাকিবও বলছিলেন. ‘ছয়টা ম্যাচ জিতলে খুবই ভালো. তবে সেমিফাইনালে খেলতে হলে আমাদের কমপক্ষে পাঁচটি ম্যাচ তো জিততেই হবে। চেষ্টা থাকবে যেন ছয়টি ম্যাচ জিততে পারি। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলতে পারলে খুবই ভালো অর্জন হবে আমাদের জন্য।’ সে যাত্রায় নিজের সেরাটা ঢেলে দেওয়ার প্রতিজ্ঞা সাকিবের। ২০১৯ সালে ব্যক্তিগত কোনো লক্ষ্য না থাকলেও দলের সাফল্যে অবদান রাখতে পারাটাই তাঁর কাছে হবে বড় অর্জন! বছরটা যা দিয়ে শুরু হচ্ছে. সেই বিপিএল নিয়েও ঢাকা ডায়নামাইটসের সাকিবের আছে বড় স্বপ্ন. ‘আন্দ্রে রাসেল. সুনীল নারাইনের মতো টি-টোয়েন্টি বিশেষজ্ঞ আছে আমাদের। স্থানীয় এবং বিদেশিদের নিয়ে দলটা বেশ ভারসাম্যপূর্ণ। আমরা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।’ কাল শেষ বিকেলে একাডেমি মাঠে ঢাকা ডায়নামাইটসের খেলোয়াড়দের বৃত্তে মধ্যমণি হয়ে সাকিব হয়তো সে আশার কথাই শোনাচ্ছিলেন। আশা আছে আরও। ২০১৯ সালে বিদেশের মাঠে উজ্জ্বল বাংলাদেশের ছবি ফুটিয়ে তুলবেন সাকিব-মাশরাফিরা।
1,573,100
2019-01-03
সাংবাদিক হেদায়েতের জামিন
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. খুলনা
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573099/%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8
bangladesh
online
1
সাংবাদিক|আইন ও বিচার|একাদশ সংসদ নির্বাচন
রিমান্ডে অসুস্থ হয়ে পড়ায় ১১ দিনের জামিন পেয়েছেন খুলনার সাংবাদিক হেদায়েত হোসেন মোল্লা। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটায় তিনি খুলনা কারাগার থেকে মুক্তি পান। এর আগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হেদায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছিল। আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে. আজ সকালে তাঁর রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। এরপর পরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে দুই দফায় আদালত ঘুরে তাঁর এই জামিন মঞ্জুর হয়। খুলনা জেলা ও দায়রা জজ মশিউর রহমান চৌধুরী হেদায়েতকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন এই জামিন দিয়েছেন। হেদায়েতের আইনজীবী মাসুম বিল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন. সকালে রিমান্ড শুরু হলে হেদায়েত অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন তাঁকে বটিয়াঘাটা উপজেলা-স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তারপর তাঁকে সংশ্লিষ্ট জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এ (যে আদালত তাঁর রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন) পাঠানো হয়। তখন ওই আদালতের বিচারক নয়ন বিশ্বাস তাঁকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পরে তাঁর অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে বিকেলের দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারকের কাছে জামিনের আবেদন করা হয়। ওই আদালতের বিচারক মশিউর রহমান তাঁর ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। হেদায়েত হোসেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের খুলনা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। তিনিসহ দৈনিক মানবজমিনের খুলনার নিজস্ব প্রতিবেদক রাশিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ. তাঁরা দুজন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লিখিত ফলাফলের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে সংবাদ করেছিলেন। এই অভিযোগে বটিয়াঘাটা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেবাশীষ চৌধুরী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ওই দুজনের নামে মামলা করেন। রাশিদুল ইসলাম পলাতক।
1,573,099
2019-01-03
আপিল বিভাগে দুটি বেঞ্চ গঠন
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
null
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573098/%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B2-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A-%E0%A6%97%E0%A6%A0%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87
bangladesh
online
1
আইন ও বিচার|আদালত|সুপ্রিম কোর্ট
বিচারকাজ পরিচালনায় আগামী রোববার থেকে আপিল বিভাগে দুটি বেঞ্চ বসবেন। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন আজ বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের এই বেঞ্চ গঠন করে দেন। সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও স্পেশাল অফিসার মো. সাইফুর রহমান আজ প্রথম আলোকে বলেন. আপিল বিভাগে বর্তমানে সাতজন বিচারপতি আছেন। এক বছরের বেশি সময় ধরে আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চে বিচারকাজ চলছিল। এখন আপিল বিভাগে মামলার সংখ্যা ১৯ হাজারের বেশি। এ অবস্থায় মামলা জট নিরসনে প্রধান বিচারপতি দুটি বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছেন। আপিল বিভাগের এক নম্বর ও দুই নম্বর কোর্টে ৬ জানুয়ারি থেকে বিচারকাজ পরিচালিত হবে। এ অনুসারে কার্যতালিকা প্রস্তুতও করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে আজ প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়. প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন. বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী. বিচারপতি জিনাত আরা ও বিচারপতি মো. নূরুজ্জামানের সমন্বয়ে এক নম্বর কোর্ট এবং বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী. বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকীর সমন্বয়ে দুই নম্বর কোর্টে বিচারকাজ পরিচালিত হবে বলে প্রধান বিচারপতি সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. বদরুল আলম ভূঞা স্বাক্ষরিত আরেকটি বিজ্ঞপ্তির ভাষ্য. আপিল বিভাগের মামলা সংক্রান্ত জরুরি বিষয়াদি নিষ্পত্তির জন্য পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নূরুজ্জামানকে নিয়মিত চেম্বার জজ হিসেবে মনোনীত করেছেন প্রধান বিচারপতি। তথ্যানুসন্ধ্যানে জানা যায়. আপিল বিভাগে তিন বিচারপতি নিয়োগের পর ২০১৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা আপিল বিভাগের দুটি বেঞ্চ গঠন করে দেন। তখন আপিল বিভাগে নয়জন বিচারপতি ছিলেন। ২০১৭ সালের নভেম্বরে প্রধান বিচারপতি সিনহার পদত্যাগ করার আগ পর্যন্ত আপিল বিভাগে দুটি বেঞ্চে বিচার কাজ চলে। তবে ওই বছরের শুরুতে আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি মারা যান. দুজন বিচারপতির অবসরে যান এবং বছরের শেষ দিকে পদত্যাগ করেন বিচারপতি সিনহা। আর গেল বছরের ফেব্রুয়ারিতে আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি পদত্যাগ করেন. যার মধ্য দিয়ে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়ায় চারে। এরপর গত বছরের অক্টোবরে তিনজন বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়. যার মধ্য দিয়ে বিচারপতির সংখ্যা হয় সাত।
1,573,098
2019-01-03
এবার ‘গার্ড অব অনার’ পাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ
null
খেলা ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/sports/article/1573097/%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%85%E0%A6%AC-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E2%80%99-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A6
sports
online
1
ফুটবল|রিয়াল মাদ্রিদ|আন্তর্জাতিক ফুটবল
‘গার্ড অব অনার’ শব্দটা নিয়ে কম কথা হয়নি গত মৌসুমে। ক্লাব বিশ্বকাপ জিতে এসে পরের ম্যাচে বার্সেলোনাকে পেয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তাই বার্সার খেলোয়াড়েরা দুই পাশে দাঁড়িয়ে অভ্যর্থনা জানাবেন. আর তারা মাঠে ঢুকবেন—এমন কিছু আশা করেছিল রিয়াল। কিন্তু সেটায় রাজি হয়নি বার্সেলোনা। এবারও ক্লাব বিশ্বকাপ জিতে আজই প্রথম মাঠে নামছে রিয়াল। ভিয়ারিয়াল অবশ্য বার্সেলোনার মতো কিছু করছে না। রিয়াল মাদ্রিদকে বৈশ্বিক এক শিরোপা জয়ের সম্মান জানাবে তারা। চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়কে ছেলে খেলা বানিয়ে ফেলেছে রিয়াল। ঘরোয়া ফুটবলে অস্বস্তিকর ফলকে ভুলিয়ে দিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছে তারা। টানা ক্লাব বিশ্বকাপও জেতা হয়ে গেছে লস ব্লাঙ্কোরা। এর মাঝে দ্বিতীয়টি জয়ের পরই এক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। ২৩ ডিসেম্বরের সে ম্যাচের আগে ‘গার্ড অব অনার’ চেয়েছিল রিয়াল। কিন্তু বার্সেলোনা রাজি হয়নি। তারা বলেছিল. যে প্রতিযোগিতা তারা খেলেনি. সেটার জন্য এমন সম্মান তারা দেবে না। গত মৌসুমের শেষ দিকেই আবার উঠে এসেছিল ‘গার্ড অব অনার’ প্রসঙ্গ। লিগ জয় প্রায় নিশ্চিত করেই বার্সেলোনা পরের এল ক্লাসিকো খেলতে এসেছিল বার্নাব্যুতে। তখন আবার উঠে এসেছিল ‘গার্ড অব অনার’! তখন রিয়াল ঠায় মানা করে দিয়েছিল। এবার অবশ্য ভিয়ারিয়াল অত আলোচনায় যায়নি। কারণ. গতবার বার্সেলোনা লিগ জেতার পর ভিয়ারিয়াল ‘গার্ড অব অনার’ দিয়েছিল কাতালানদের। স্প্যানিশ ফুটবলের রীতি অনুযায়ী. কোনো ক্লাব লিগ শিরোপা আগেই নিশ্চিত করে ফেললে সেই দল মৌসুমের বাকি ম্যাচগুলোয় প্রতিপক্ষের মাঠে ‘গার্ড অব অনার’ পায়। তবে এটি মূলত একটি প্রথা. কোনো বাধ্যগত নিয়ম নয়। লিগের বাইরেও গার্ড অব অনার দেওয়ার কেতা আছে। ২০০৯ সালে এই ভিয়ারিয়ালই বার্সেলোনাকে ক্লাব বিশ্বকাপ জেতার কারণে ‘গার্ড অব অনার’ দিয়েছিল। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে ভ্যালেন্সিয়ার কাছে গার্ড অব অনার পেয়েছিল সেবার ক্লাব বিশ্বকাপ জেতা রিয়াল। ঠিক তার পরের মৌসুমেই বার্সেলোনাকে এই সম্মান দেখিয়েছিল রিয়াল বেটিস. বার্সাও সেবার ক্লাব বিশ্বকাপ জিতে খেলতে নেমেছিল লিগে। তবে ২০১৬ ক্লাব বিশ্বকাপ জিতে লিগে গ্রানাডার বিপক্ষে খেলতে নেমে ‘গার্ড অব অনার’ পায়নি রিয়াল।
1,573,097
2019-01-03
বাঘের সঙ্গে লড়ে ফিরলেন তিনি!
null
প্রতিনিধি. বাগেরহাট
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573096/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9B-%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%96%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AE
bangladesh
online
1
দুর্ঘটনা|সুন্দরবন
সুন্দরবনে মাছ ধরতে গিয়ে বাঘের আক্রমণের মুখে পড়েন মাসুম হাওলাদার (৩০)। কিন্তু আত্মসমর্পণ করেননি তিনি। উল্টো বাঘের সঙ্গে লড়াই করে ফিরিয়ে এনেছেন নিজের জীবন। এখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন মাসুম। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের ধানসাগর স্টেশনের তাম্বুলবুনিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ দিন সন্ধ্যার কিছু আগে আহত মাসুমকে উদ্ধার করে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বাঘের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে ফেরা মাসুম হাওলাদার বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামের আব্দুল জলিল হাওলাদারের ছেলে। তিনি সুন্দরবনে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। মামুনের ভাই জাহিদুল হাওলাদার প্রথম আলোকে বলেন. বুধবার সকালে বন বিভাগের ধানসাগর স্টেশন থেকে বনে প্রবেশের অনুমতি নিয়ে নৌকায় করে সুন্দরবনের তাম্বলবুনিয়া খাল এলাকায় বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন তাঁরা দুই ভাই। দুপুর দুইটার দিকে বড়শীর আধার সংগ্রহের জন্য তিনি খালে জাল ফেলে মাছ ধরছিলেন। ওই সময় মাসুম খালের পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। জাহিদুল বলেন. বনের ভেতরে থাকা একটি বাঘ হঠাৎ পেছন থেকে মাসুমের ওপর আক্রমণ করে। বাঘটি তাঁর ডান পায়ে থাবা দেয়। মাসুম চিৎকার দিয়ে লাথি মারলে বাঘটি পা ছেড়ে হাতে থাবা দিয়ে টেনে তাঁকে বনের ভেতর নিয়ে যায়। পরে মাসুমের সঙ্গে বাঘটির ধস্তাধস্তি হয়। প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে ধস্তাধস্তি চলে জানিয়ে জাহিদুল বলেন. একপর্যায়ে তিনি চিৎকার শুরু করলে আশপাশের অন্য জেলেরা লাঠিসোঁটা নিয়ে ছুটে আসে। পরে মাসুমকে ছেড়ে বাঘ গভীর বনে ঢুকে যায়। বাঘের আক্রমণে গুরুতর আহত হয়েছেন মাসুম। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থান বাঘের নখ ও দাঁতের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়। পরে মাসুমকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। জাহিদুলের দাবি. পূর্ণবয়স্ক বাঘটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ ফুট। বাঘটি কেয়াবনের মধ্য দিয়ে শ্যালা নদীর চরে এসে অপেক্ষা করছিল। সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় তথ্য অনুয়ায়ী. ২০০১ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত সুন্দরবনে ৩৫টি বাঘের প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে দুষ্কৃতকারীদের হাতে ১০টি. লোকালয়ে ঢুকে পড়লে জনতার হাতে ১৪টি. বার্ধক্যজনিত কারণে ১০টি এবং ২০০৭ সালের সিডরে একটি বাঘ মারা যায়। এই সময়ে বাঘের পাল্টা আক্রমণে প্রায় ৩০০ জেলে. বাওয়ালি. মৌয়াল এবং গ্রামবাসী মারা গেছেন। শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক অসীম কুমার সমাদ্দার প্রথম আলোকে বলেন. বাঘের আক্রমণে আহত জেলে মাসুমকে বুধবার সন্ধ্যায় ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর বাম হাতে বাঘের নখের আঁচড় এবং ডান পায়ে দাঁতের কামড়ের চিহ্ন রয়েছে। তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মাসুম এখন শঙ্কামুক্ত। সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মাহমুদুল হাসান বলেন. সুন্দরবনের ভেতরে যাওয়া জেলেদের নিরাপদে থেকে সংঘবদ্ধভাবে মাছ ধরতে বন বিভাগ থেকে সতর্ক করা হয়।
1,573,096
2019-01-03
আইনজীবী মইনুলকে বিএসএমএমইউতে ভর্তির নির্দেশ
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573095/%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A6%8F%E0%A6%AE%E0%A6%8F%E0%A6%AE%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6
bangladesh
online
1
আইন ও বিচার
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা মইনুল হোসেনকে অবিলম্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করে চিকিৎসাসেবা দিতে কারা কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আইনজীবী মইনুল ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার ওই আদেশ দেন। মইনুল হোসেনকে হাসপাতালে ভর্তির জন্য নির্দেশনা চেয়ে তাঁর স্ত্রীর সাজু হোসেনের করা এক আবেদনের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেওয়া হয়। আদালতে মইনুল হোসেনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন. সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আবদুর রহিম ও এম মাসুদ রানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী জিনাত হক। আদেশের বিষয়টি জানিয়ে আইনজীবী আবদুর রহিম প্রথম আলোকে বলেন. বিএসএমএমইউতে ভর্তির পর মইনুল হোসেনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা সেবা শেষে শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক হলে—এই বিষয়টি আদালতকে অবহিত করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ২৯ নভেম্বর হাইকোর্ট এক আদেশে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠনের মাধ্যমে বিএসএমএমইউতে মইনুল হোসেনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে আদালতে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। এর ধারাবাহিকতায় ওই প্রতিবেদন জমা পড়ে। আবদুর রহিম জানান. বোর্ডের ওই প্রতিবেদনে মইনুল হোসেনকে হাসপাতালে ভর্তি করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সুপারিশ ছিল। এরপর ওই নির্দেশনা চেয়ে গতকাল বুধবার আবেদনটি করা হয়। গত ১৬ অক্টোবর একাত্তর টেলিভিশন চ্যানেলের একটি টক শোতে আলোচনার একপর্যায়ে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে ‘চরিত্রহীন’ বলে মন্তব্য করেন মইনুল হোসেন। তাঁর এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ ঘটনায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এখন পর্যন্ত ২২টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ২০টি মানহানির মামলা এবং অপর ২টি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলা। এর মধ্যে রংপুরে মানহানির অভিযোগে করা এক মামলায় ২২ অক্টোবর রাতে রাজধানীর উত্তরায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রবের বাসা থেকে মইনুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
1,573,095
2019-01-03
অস্ট্রেলিয়ায় স্বল্প দক্ষ কর্মীদের স্থায়ী ভিসার সুযোগ
null
কাউসার খান. সিডনি (অস্ট্রেলিয়া)
https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1573093/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA-%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%80-%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0
durporobash
online
1
null
যেসব কাজে কম দক্ষতা প্রয়োজন. এমন কাজের পেশাদারদের জন্য নতুন বছরের শুরুতেই সুখবর আনছে অভিবাসন খ্যাত দেশ অস্ট্রেলিয়া। দেশটিতে তাদের জন্য স্থায়ী বসবাসের সুযোগ দিয়ে রাজ্যভিত্তিক নতুন ভিসা চালু করছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। শুধু তাই নয়. ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা কম হলেও এ ভিসায় আবেদন করা যাবে। দেশটির ফেডারেল সরকার ইতিমধ্যেই নর্দান টেরিটরি ও ভিক্টোরিয়া রাজ্য সরকারের সঙ্গে ভিসা সংক্রান্ত চুক্তি সাক্ষর করেছে। অন্য রাজ্যের সঙ্গেও এই চুক্তি হতে পারে। ‘Designated Area Migration Agreements (DAMA)’ নামের প্রকল্পের আওতায় নতুন ভিসাটি অনেকটা দেশটির সাবক্লাস ৪৮২ কর্মভিসার মতোই। এই ভিসার চাহিদার পেশা তালিকায় ১১৭টি পেশা রয়েছে। পেশাগুলো প্রধানত কৃষি ও আতিথেয়তা শিল্পকে কেন্দ্র করে। পেশাগুলোর জন্য উচ্চকর্ম ও ইংরেজি ভাষা দক্ষতার প্রয়োজন নেই। ভিসার আবশ্যিক শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে. যে রাজ্যের জন্য ভিসা মঞ্জুর হবে. ভিসার ধরনের ওপর নির্ভর করে সেই রাজ্যে দুই ও চার বছর পর্যন্ত বসবাস ও কাজ করতে হবে। রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শ্রমের ঘাটতি পূরণে সহজ শর্তের এই ভিসা চালু করছে সরকার। যদিও ভিসাটির আবশ্যিক শর্ত ও আবেদন প্রক্রিয়া এখনো প্রকাশ করেনি অভিবাসন বিভাগ। চলতি বছরের মাঝামাঝির মধ্যেই নতুন ভিসাটির আবেদন প্রক্রিয়া চালুর কথা জানিয়েছেন দেশটির অভিবাসন মন্ত্রী ডেভিড কোলম্যান। ‘সরকার দেশের নির্দিষ্ট অঞ্চলের প্রয়োজন পূরণ করতে অভিবাসন কার্যক্রমকে আরও উন্নতও করার চেষ্টা করছে’. বলেন কোলম্যান। দেশটির প্রধান শহরে জনসংখ্যার চাপ কমাতে নতুন অভিবাসীদের বিভিন্ন অঞ্চলে ভাগ করে দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যের শ্রম বাজারের ঘাটতি পূরণেই সরকার নতুন প্রকল্প চালু করেছে বলে জানান তিনি। ডিএএমএ প্রকল্পটির যেকোনো তথ্য রাজ্যভিত্তিক অভিবাসন বিভাগের ওয়েবসাইটে হালনাগাদ করবে সরকার। কাউসার খান: অভিবাসন আইনজীবী. সিডনি. অস্ট্রেলিয়া। ইমেইল: <[email protected]>
1,573,093
2019-01-03
২২০ কেজি গাঁজা জব্দ. কারাগারে ৪
null
প্রতিনিধি. কসবা. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
null
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573094/%E0%A6%95%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%B9-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%9C%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%A6-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A7%AA
bangladesh
online
2
অপরাধ|মাদক|ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় প্রায় ২২০ কেজি ভারতীয় গাঁজাসহ আজ বৃহস্পতিবার ভোরে একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় ওই ভ্যানের চালকসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। কারাগারে পাঠানো ব্যক্তিরা হলেন সাতক্ষীরার কলারোয়া থানার গদখালী গ্রামের আবদুর রাজ্জাক (৩৬). নেত্রকোনার চানগাও গ্রামের আবদুল আউয়াল. কসবা উপজেলার মরাপুকুর গ্রামের শফিক মিয়া (৪৫) ও শরীফ (১৯)। পুলিশ বলছে. তাঁরা মাদক ব্যবসায়ী। পুলিশ জানায়. এক সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার কুটি-নয়নপুর সড়কের পৌর এলাকার টি আলী বাড়ি মোড়ে ওই কাভার্ড ভ্যানে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এ সময় ১১টি বস্তায় প্রায় ২২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে কাভার্ড ভ্যানের চালকসহ চারজনকে আটক করা হয়। এই ঘটনায় কসবা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহাম্মদ বাদী হয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। সেই মামলায় আটক চারজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিচারিক হাকিমের আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আবদুল মালেক বলেন. ২২০ কেজি গাঁজা ও একটি কাভার্ড ভ্যানসহ চার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। মামলাটির তদন্ত করছেন তিনি।
1,573,094
2019-01-03
শবরীমালা বিতর্কে উত্তাল কেরালা
null
প্রতিনিধি. নয়াদিল্লি
https://www.prothomalo.com/international/article/1573091/%E0%A6%B6%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE
international
online
2
ভারত|মন্দির|বিজেপি
ভারতের কেরালার রাজনীতি এই মুহূর্তে শবরীমালা মন্দির ঘিরে আবর্তিত। হিন্দু দেবতা ‘আয়াপ্পা’-এর মন্দিরে নারী প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনীতি ও সমাজ দ্বিধাবিভক্ত। নারী প্রবেশের প্রতিবাদে বিজেপিসহ দক্ষিণপন্থীদের ডাকা হরতাল আংশিক সফল। বামপন্থী মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই এই হরতালকে সংবিধান ও সুপ্রিম কোর্টের বিরোধিতা হিসেবে বর্ণনা করে বলেছেন. মন্দিরে নারী প্রবেশে সহায়তা করে সরকার তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করেছে। এই দায়িত্ব পালনে সরকার বদ্ধপরিকর। গতকাল বুধবার কাকভোরে মধ্যবয়সী ঋতুমতী দুই নারী প্রশাসনিক সহায়তায় শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ করে প্রার্থনা সারেন। মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন আজ বৃহস্পতিবার বলেছেন. ওই দুই নারী বিন্দু ও কনকদূর্গা দীর্ঘ পথ হেঁটে মন্দিরে প্রবেশ করেছেন। তাঁদের উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়নি। দীর্ঘ এই যাত্রা পথে এবং মন্দিরে প্রবেশের সময় তাঁদের কেউ বাধা দেননি। কেউ প্রতিবাদও করেননি। অথচ এর প্রতিবাদে হরতালের ডাক দেওয়া হয়েছে। এই কারণে হরতালের ডাক দেওয়ার অর্থ সুপ্রিম কোর্টের বিরোধিতা করা। ঋতুমতী নারীদের প্রবেশের পর মন্দিরের প্রধান পুরোহিত মন্দির বন্ধ করে দেন। ধোয়া-মোছার মধ্য দিয়ে ‘অপবিত্রতা’ দূর করেন। মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন এই কাজেরও সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন. পুরোহিতদের এই কাজও সুপ্রিম কোর্টের অবমাননা। মন্দির সম্পর্কিত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখতিয়ার প্রধান পুরোহিতের নেই। সেই এখতিয়ার রয়েছে একমাত্র দেবাসম বোর্ডের। কেরালা হাইকোর্টের ১৯৯১ সালের নির্দেশ অনুযায়ী ১০ থেকে ৫০ বছরের ঋতুমতী নারী ওই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারেন না। সন্দেহজনক নারীদের মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে বয়সের প্রমাণপত্র দাখিল করতে হয়। এই প্রথার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যে মামলা হয়. গত সেপ্টেম্বর মাসে সর্বোচ্চ আদালত তার রায়ে সেই বৈষম্য দূর করেন। সেই থেকে একাধিকবার মন্দির দর্শনে গেলেও কোনো ঋতুমতী নারী সফল হননি। কখনো সাধারণ দর্শনার্থী. কখনো মন্দির কর্তৃপক্ষ তাঁদের বাধা দিয়েছেন। গত বুধবার ভোরে বিন্দু ও কনকদূর্গা সেই অসাধ্যসাধন করেন। বিতর্ক ও রাজনৈতিক তরজা তা নিয়েই। বুধবারের ঘটনার পর রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বামপন্থীদের সঙ্গে বিজেপি সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। সেই সংঘর্ষে চন্দ্রন উন্নিথন নামে এক ব্যক্তি আহত হন। আজ বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবারের হরতালের ডাক দেয় শবরীমালা কর্ম সমিতি ও অন্তঃ রাষ্ট্রীয় হিন্দু পরিষদ। তাদের প্রত্যক্ষ মদদ দিয়েছে বিজেপি. আরএসএস ও দক্ষিণপন্থী কিছু সংগঠন। আংশিকভাবে হরতাল সফলও। বিভিন্ন শহরে পথ অবরোধ করা হয়। সরকারি বাসে ভাঙচুর করা হয়। সিপিএম-বিজেপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষও বাধে। তিনজন ছুরিকাহত হন বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করেছে। লিঙ্গবৈষম্য সত্ত্বেও শবরীমালা মন্দির কর্তৃপক্ষর পাশে দাঁড়িয়েছে বিজেপি। অথচ নারী বৈষম্য দূর করতে তিন তালাক বিলকে আইনে পরিণত করতে বিজেপি মরিয়া। এই স্ববিরোধিতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন. তিন তালাক হলো নারীর অধিকার ও মর্যাদার প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন. শবরীমালা মন্দির বিশ্বাসের।
1,573,091
2019-01-03
ইসিতে ঐক্যফ্রন্টের যেসব অভিযোগ
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
৫২
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573092/%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%90%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97
bangladesh
online
2
নির্বাচন|নির্বাচন কমিশন|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট|বিএনপি
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় ‘ভোট ডাকাতি’ ও ‘তাণ্ডব’ হয়েছে—এ অভিযোগসহ মোট ১৭টি অভিযোগ-সংবলিত স্মারকলিপি নির্বাচন কমিশনে দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। নিজেদের প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে আজ বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটার পর নির্বাচন কমিশনে (ইসি) যায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) পাঁচ পৃষ্ঠার স্মারকলিপি দেওয়া হয়। এতে জোটের নেতারা ভোটের দিন ও তার আগের দিনের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় সরকারদলীয় লোকজনের ‘ভোট ডাকাতি ও তাণ্ডবের’ চিত্র তুলে ধরেন। তাঁদের প্রায় প্রতিটি অভিযোগেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দায়ী করা হয় এবং বলা হয়. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকে তাঁরা প্রতিকার পাননি বরং এই বাহিনী হামলা-মামলায় অংশ নিয়েছিল। এ ছাড়া সেনাবাহিনীকে নিষ্ক্রিয় করে রাখার অভিযোগ এনে ঐক্যফ্রন্ট বলেছে. সেনাবাহিনী নামার পর বিএনপি/ঐক্যফ্রন্টের নেতা-কর্মীদের ওপর নির্যাতন. হামলা-মামলা বেড়ে যায়। অভিযোগের কিছু অংশ হলো. নির্বাচনের আগের রাতে দেশে ভুতুড়ে পরিবেশ তৈরি করে ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ ভোট দিয়ে ব্যালট বাক্স ভরে রাখা. ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের যেতে বাধা প্রদান ও ভয় দেখানো. পোলিং এজেন্টদের ভয় দেখানো. কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়াসহ কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া ও মারধর. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় জাল ভোট দেওয়া ও ভোটারদের নৌকায় সিল মারতে বাধ্য করা. বেআইনিভাবে মধ্যাহ্নবিরতি. জুডিশিয়াল ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের নির্বাচনী দায়িত্বে নিষ্ক্রিয় রাখা. অসংখ্য ভোটকেন্দ্রে শতভাগ ভোট কাস্ট. পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীদের দেখানোর জন্য অন্য এলাকা থেকে লোক এনে লাইনে দাঁড় করানো. আওয়ামী লীগের পদধারী নেতাদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ—এসব অনিয়মে নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ না থাকা। এসব অভিযোগের বাইরেও তফসিল ঘোষণার পর থেকে ঐক্যফ্রন্টের নেতা-কর্মীদের ওপর বিভিন্ন পর্যায়ে হয়রানি. হামলা-মামলা ও নির্বাচন কমিশনের সরকারের প্রতি ‘পক্ষপাতমূলক আচরণের’ বিবরণ দেয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ইসিকে দায়ী করে ঐক্যফ্রন্ট জানায়. তফসিল ঘোষণা পেছানোসহ নির্বাচন পেছানোর দাবিও কমিশন প্রত্যাখ্যান করে. নির্বাচনের দুই মাস আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিধানের বাইরে গিয়ে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ করে সরকারদলীয় লোকজনদের নিয়োগ দেয়. দলীয় মনোনয়ন বিতরণকালে ইসি সচিব ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষপাতমূলক আচরণ করে. ঐক্যফ্রন্টের ১৮ জনের প্রার্থিতা বাতিলে নির্বাচন কমিশনের রহস্যজনক ভূমিকা. গায়েবি মামলা. গ্রেপ্তার. হয়রানি ও প্রার্থীদের আটকে কমিশনের পদক্ষেপ না নেওয়া. দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের নিরুৎসাহিত করা. প্রচারণায় বাধা. প্রশাসন ও পুলিশে রদবদল না করা. গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ. সরকারি দলের আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ সব জায়গায়ই তারা ইসির নীরব ভূমিকা দেখতে পেয়েছিল। ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে স্মারকলিপি দিতে ইসিতে যান কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী. জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব. নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না. বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান এবং গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু।
1,573,092
2019-01-03
শিশুসহ ১৭ রোহিঙ্গা আটক
null
প্রতিনিধি. কসবা. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
null
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573090/%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%B9-%E0%A7%A7%E0%A7%AD-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%9F%E0%A6%95
bangladesh
online
2
অপরাধ|রোহিঙ্গা সমস্যা|কুমিল্লা
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় বেশ কয়েক জন শিশুসহ ১৭ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আটক করা হয়েছে। উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের বাগড়া এলাকা থেকে তাঁদের আটক করে পুলিশ। পরে তাঁদের কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠায় কুমিল্লা জেলা প্রশাসন।স্থানীয় থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়. বাগড়া বাজারে গাড়ির জন্য রোহিঙ্গাদের একটি দল অপেক্ষা করছে. এমন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে শিশুসহ ১৭ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আটক করে। আটক রোহিঙ্গারা হলেন নুরুল আমিন (৩৯). শফিকা বেগম (২৬). আবদুল্লাহ (২৭). নূর কালিমা (৬). রোকেয়া বিবি (০৪). নুর কায়দা (৩). হোসনামা বেগম (২৫). আবদুর রহমান (৬). আশরফা (৮). মো. আমিন (২৫). জাহেদা বেগম (২৩). মো. ইয়াছিন (৪). মো. রফিক (২৮). আমিনা বেগম (২৪). নূর কালিমা (৫). মো. শফিক (৩) ও মো. রশিদ (২)। ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এ এম শাহজাহান কবির প্রথম আলোকে বলেন. আটক ওই রোহিঙ্গারা জানিয়েছেন. তাঁরা কসবার পুটিয়া-শ্যামপুর সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। তাঁদের বাড়ি মিয়ানমারের আকিয়াব ও বুচিডং এলাকায়।
1,573,090
2019-01-03
প্রখ্যাত সাহিত্যিক দিব্যেন্দু পালিত চলে গেলেন
null
প্রতিনিধি. কলকাতা
null
https://www.prothomalo.com/international/article/1573089/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8
international
online
2
ভারত|সাহিত্য|লেখক
প্রখ্যাত সাহিত্যিক দিব্যেন্দু পালিত আর নেই। আজ বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি প্রয়াত হন। গতকাল বুধবার শ্বাসকষ্ট নিয়ে তিনি ওই হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।১৯৩৯ সালের ৫ মার্চ বিহারের ভাগলপুরে দিব্যেন্দু পালিতের জন্ম। স্কুল-কলেজের পাঠ সেখানেই।বাবার মৃত্যুর পর ভাগলপুর থেকে স্নাতক পাস করে জীবন ও জীবিকার সন্ধানে চলে আসেন কলকাতায়। বাঁচার জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। না খেয়ে শিয়ালদহ স্টেশনে রাতও কাটিয়েছেন। কিন্তু লেখালেখি ছাড়েননি। কলকাতায় এসে তিনি তুলনামূলক সাহিত্য নিয়ে ১৯৬১ সালে এমএ পাস করেন। কর্মজীবনও শুরু হয় এই ১৯৬১ সাল থেকে।দিব্যেন্দু পালিত প্রথম কর্মজীবন শুরু করেন কলকাতার ইংরেজি দৈনিক হিন্দুস্তান স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকায় সহসম্পাদক হিসেবে। পরবর্তী সময় তিনি যোগ দেন বিজ্ঞাপন সংস্থায়। কাজ করেন ক্লারিয়ন ম্যাকান অ্যাডভারটাইজিং সংস্থাসহ আনন্দবাজার ও স্টেটসম্যানে। পরে তিনি কাজ করেন আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদকীয় বিভাগে।ভাগলপুর কলেজে পড়াশোনার সময় থেকে দিব্যেন্দু পালিত লেখালেখি শুরু করেন। তাঁর প্রথম গল্প ‘ছন্দপতন’ প্রকাশিত হয় আনন্দবাজার পত্রিকার রবিবাসরীয় ক্রোড়পত্রে ১৯৫৫ সালের ৩০ জানুয়ারি। দিব্যেন্দু পালিতের তখন বয়স ছিল ১৬ বছর। ১৯৫৬ সালে দেশ পত্রিকায় ছাপা হয় গল্প ‘নিয়ম’। ২০ বছর বয়সে প্রথম উপন্যাস ‘সিন্ধু বারোয়াঁ’ প্রকাশিত হয় ১৯৫৯ সালে। একজন ঔপন্যাসিক. ছোটগল্পকার. কবি. প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন দিব্যেন্দু পালিত। পাশাপাশি তিনি হয়ে ওঠেন একজন সাংবাদিকও। দিব্যেন্দু পালিতের লেখা গল্প-উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘ঘরবাড়ি’. ‘সোনালী জীবন’. ‘ঢেউ’. ‘সহযোদ্ধা’. ‘আমরা’. ‘অনুভব’. ‘জেটল্যাগ’. ‘গাভাসকার’. ‘হিন্দু’. ‘জাতীয় পতাকা’. ‘ত্রাতা’. ‘ব্রাজিল’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। ১৯৮৪ সালে তিনি পেয়েছিলেন আনন্দ পুরস্কার। এ ছাড়া পেয়েছেন সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার. বঙ্কিম পুরস্কারসহ আরও অনেক পুরস্কার ও সম্মান। তাঁর লেখা ইংরেজিসহ ভারতের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তাঁর লেখা নিয়ে চলচ্চিত্র হয়েছে। হয়েছে রেডিও. টেলিভিশনে নাটকও ।
1,573,089
2019-01-03
মৃণাল সেন: সিনেমার মহান কারিগর
null
রিয়াজ মাহমুদ. টরন্টো (কানাডা) থেকে
null
https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1573088/%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%97%E0%A6%B0
durporobash
online
2
null
একটা পরিপূর্ণ জীবন তিনি অতিবাহিত করে চলে গেলেন। তিনি মৃণাল সেন। সিনেমার অবিসংবাদিত কারিগর। বয়স হয়েছিল পঁচানব্বই। প্রায় শত বছরের জীবন। কত দীর্ঘ পরিভ্রমণ শেষে কত যুগ যুগান্তের অভিজ্ঞতাময় একজন মানুষ ইতিহাস হলেন। ফরিদপুর থেকে কলকাতায় গিয়েছিলেন উনিশ শ চল্লিশের দিকে। তারপর প্রেমে পড়লেন কলকাতার। নিজেকে কখনো রিফিউজি ভাবতেন না। শহর কলকাতা তাঁকে নিবিড় করে নিয়েছিল। তিনিও কলকাতাকে ভালোবাসলেন। মানুষকে জানতে ও বুঝতে সেই নতুন শহরে মার্কসবাদী রাজনীতি. সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে জড়ালেন নিজেকে। বহুজনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হলো। সলিল চৌধুরী. সত্যজিৎ রায়. ঋত্বিক ঘটক. তাপস সেন. উৎপল দত্ত ও বংশী চন্দ্রগুপ্ত তাঁর বন্ধু হলেন। আড্ডার ও শিল্পের সহযোগী হলেন। নস্টালজিয়া কখনো তাঁকে তাড়িত করেনি। সেই যে. বাংলাদেশের ফরিদপুর ছেড়ে কলকাতায় গিয়েছিলেন. তারপর প্রায় পঞ্চাশ বছর পর ফরিদপুর গিয়েছিলেন সস্ত্রীক। সবকিছুই প্রায় ভুলে গিয়েছিলেন ফরিদপুরের। কিন্তু যখন ফরিদপুরের পথে গোয়ালন্দ রুটে অগ্রসর হচ্ছিলেন এক এক করে স্মৃতির জানালার দুয়ার সব খুলে যাচ্ছিল। পথে যেতে যেতে দুই পাশের জল. জনপদ আর মানুষ সব যেন চেনা অতীত হয়ে বুকের মধ্যে আছড়ে পড়ছিল। পাঁচ বছর বয়সী সেই যে. ছোট বোনটি পানিতে ডুবে মারা গিয়েছিল। প্রায় পঞ্চাশ বছর পর তার সমাধিচিহ্নের কাছে এসে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলেন না। পুরোপুরি ভেঙে পড়লেন। ছেলে কুনাল সেনের কাছে বলে চলেন সেই স্মৃতিকথা। সিনেমা তিনি করবেন এ রকম ভাবেননি। বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে পদার্থবিদ্যা. রসায়ন আর অঙ্ক এসব নিয়েই কাটিয়ে দিতে পারতেন জীবনের বাকি দিনগুলো। সেই তিনিই সিনেমায় মহিরুহ হলেন। ইম্পিরিয়াল লাইব্রেরিতে সিনেমা বিষয়ে বইপত্র পড়তে পড়তে ঢুকে পড়লেন সিনেমায়। যেমন ভ্লাদিমির নিলসেনের দ্য সিনেমা এজ আ গ্রাফিক আর্ট বইটি তাঁকে যেমন সিনেমার টেকনিক্যাল দিকগুলো জানতে সাহায্য করেছিল. তেমনি ছোটবেলায় দেখা চার্লি চ্যাপলিনের দ্য কিড সিনেমাটি তাঁকে সিনেমার প্রতি প্রবল আগ্রহী করে তুলেছিল। যে মহান শিল্পী চার্লি চ্যাপলিনের সিনেমা তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছিল ছোটবেলায় জীবনের পরিক্রমায়. সেই মহান চ্যাপলিনের সঙ্গেই ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে মৃণাল সেন উৎসব মঞ্চ শেয়ার করেছিলেন। মৃণালের নিজের ভাষায়. ‘সবাই যখন চ্যাপলিনকে দাঁড়িয়ে করতালিতে শ্রদ্ধা জানাচ্ছিল. আমারও সৌভাগ্য হয়েছিল সেখানে থাকবার। আমি চাইছিলাম এগিয়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরে বলি আপনার সিনেমা আমি ভালোবাসি। আপনার সিনেমা দেখে দেখে আমি সমৃদ্ধ করছি নিজেকে।’ কাকদ্বীপে গিয়ে ভেবেছিলেন শুটিং করবেন প্রথম সিনেমার। যে জন্য লিখেছিলেন প্রথমবারের মতো চিত্রনাট্য। সলিল চৌধুরী করবেন সংগীত। ঋত্বিক ঘটক করবেন পরিচালনা। হৃষীকেশ মুখার্জি ও তাপস সেনও ছিলেন দলে। কিন্তু কাকদ্বীপে আর যাওয়া হলো না। সকল পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছিল পুলিশের নজরদারিতে। পুলিশের তল্লাশি হবে জানতে পেরে চিত্রনাট্য ছিঁড়ে হাওয়ায় মিলিয়ে দেওয়ার পর উপলব্ধি করেছিলেন. ওই সিনেমা না হয়ে বরং ভালো হয়েছে। নিজের লেখা প্রথম চিত্রনাট্য কেমন যেন মনে ধরছিল না। বলছিলেন জীবনের গল্প। নিজের কথা। রিলিজিয়নের সংস্কার কখনো স্পর্শ করেনি তাঁকে। পুজো পার্বণ. পাপ পুণ্যের হিসাব করে জীবনকে নিরানন্দ করেননি। দেশভাগের প্রভাবেও প্রভাবিত হয়ে মলিন থাকেননি। বরং মানুষের দিকে তাকিয়ে দেখেছেন। কোথায় কেমন করে পৃথিবীর মানুষ ক্ষুধা. দারিদ্র্যয় ধুঁকছে অমানবিকতার কাছে. অপরিসীম বঞ্চনার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। এ রকম বৈশ্বিক প্রেক্ষিত থেকে মানুষের জীবনের সংকটকে অনুভব করতে করতে অগ্রসর হলেন এক বিন্দুর দিকে। সেই বিন্দুটির নাম সিনেমা। সৃষ্টির শুরুতেই নিজের কাজকে বিচার করে সিদ্ধান্ত নিলেন সিনেমা তৈরি করা তাঁর কাজ নয়। তারপর আবার করলেন আবার মুখ ফেরালেন। এই যে ঘটনাবহুল অধ্যায় সেটিই মৃণাল সেনের সিনেমার পথ পরিক্রমার সফল সূচনা। রাতভোর থেকে আমার ভুবন পর্যন্ত পাড়ি দিয়েছেন মাইলের পর মাইল পথ। সে পথে কুড়িয়ে নিয়েছেন কত কত নতুন নতুন মুখ। পাদপ্রদীপের শিখায় ঝলমল করা সেসব মুখ আজ আর কারও অচেনা নয়। যেমন ভুবন সোম সিনেমায় ভয়েস ওভার আর্টিস্ট সেই ছেলেটির কথা। খুঁজে বের করেছিলেন সেই নতুনকে যে আজ অমিতাভ বচ্চন। ভুবন সোমের ভয়েস রেকর্ডিং করে মৃণাল সেন তাঁকে যখন তিন শ টাকা দিয়েছিলেন. আনন্দে উদ্ভাসিত অমিতাভ বলেছিলেন. ‘দাদা. এ আমার সিনেমা থেকে প্রথম উপার্জন’। মৃগয়া সিনেমায় সাঁওতাল যুবকের জন্য কে কে মহাজনকে লিখেছিলেন একটি যুবকের বিবরণ দিয়ে একটি চিঠি। বিবরণে জানা যায়. পুনায় এক ছাত্র রয়েছে যার দৈহিক গড়ন অনেকটা সেই সাঁওতাল যুবকের মতো। সেই ছাত্রের নামের প্রথম অক্ষর ম। কে কে মহাজন অনুমান করলেন। খুঁজে পেলেন সেই তাকে। মৃগয়া সিনেমায় সেই ছেলেটি অভিনয় করলেন। জীবনের প্রথম সিনেমা করলেন বিখ্যাত পরিচালক মৃণাল সেনের সঙ্গে। তার ওপর সে বছরেই ভূষিত হলেন ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডে। মিঠুন চক্রবর্তী বলছিলেন তাঁর ক্যারিয়ার শুরুর সেই কথা। বলছিলেন মৃণাল দার মধ্যে তিনি নিজের অস্তিত্বকে খুঁজে পান। তেমন করে অভিনয়ের জন্য নিয়েছিলেন প্রায় অচেনা রঞ্জিত মল্লিক. অঞ্জন দত্ত কিংবা সুহাসিনী মুলে. নন্দিতা দাস. কৌশিক সেন এঁদেরকে। আজকে তাদের সকলেই বিখ্যাত সেলিব্রেটি। এর পাশাপাশি ভারতীয় সিনেমা জগতের বিখ্যাত অভিনেতা অভিনেত্রীদের অনেকেই যেমন নাসিরউদ্দিন শাহ. ওম পুরী. শাবানা আজমি. পঙ্কজ কাপুর. আন্নু কাপুর. সিমি গাড়োয়াল. ডিম্পল কাপাডিয়া. মমতা শংকর. মাধবী মুখোপাধ্যায়. অপর্ণা সেন. সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়. উৎপল দত্ত. ধৃতিমান চ্যাটার্জি এঁদের নিয়েও কাজ করেছেন। কাজ করেছেন ভারতীয় গণনাট্য সংস্থার থিয়েটার শিল্পীদের নিয়েও। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন অরুণ মুখোপাধ্যায়. বিভাস চক্রবর্তী. বিজন ভট্টাচার্য ও জ্ঞানেশ মুখার্জির মতো অভিনয় শিল্পীরা। মৃণাল সেন সিনেমার। সিনেমা মৃণাল সেনের। মৃণাল সেনের বহু সিনেমার অভিনয়শিল্পী স্ত্রী গীতা সেন। গীতা সেন ছায়ার মতো আগলে রেখেছিলেন তাঁকে আজীবন। গীতা সেনের নিজের কথায়. ‘ছবির মধ্যে যখন ডুবে থাকেন সে সময় মৃণাল সেন অসম্ভব স্বার্থপর ও সংসারের প্রতি ভীষণ উদাসীন এবং সেটা আমি মেনে নেই কারণ আমি বুঝি তাঁর সেই ভেতরের মানুষটিকে যেখানে তিনি ধ্যানী একজন শিল্পী’। সিনেমার নন্দনতত্ত্বকে জেনে বুঝে তারপর সিনেমা করতে শুরু করেছিলেন মৃণাল সেন। সে সময়টায় তাঁর সিনেমা বিষয়ে শিক্ষার পদ্ধতিটিই ছিল সিনেমা দেখা ও বই পড়া। সিনেমার বই. সাহিত্যের বই. দর্শনের বই. হাতের কাছে যখন যা পেতেন সেসব বই। এভাবে পড়তে পড়তে সিনেমা। দেখতে দেখতে সিনেমা। বানাতে বানাতে সিনেমা। নিজের কাজকে দেখে দেখে ভুল বের করে সংশোধন করতেন নিজেকে। যাতে পরের সিনেমা আরও নিখুঁত হয়। তিনি নিজেই জানালেন সে কথা এভাবে. ‘আমি যদি আমার সিনেমাগুলো আবার বানাতে পারতাম তবে হয়তো আরও নিখুঁত করে বানাতে পারতাম।’ এমনি পরিশীলিত সিনেমামনস্ক ছিলেন বলেই সৃষ্টি করেছেন তাঁর কালজয়ী সিনেমা ভুবন। ভুবন সোম. বাইশে শ্রাবণ. একদিন প্রতিদিন. আকালের সন্ধানে. খারিজ. কলকাতা ’৭১. ইন্টারভিউ. পদাতিক. তেলেগু ভাষায় ওকা উরি কথা. হিন্দি ভাষায় খণ্ডহর. একদিন আচানক. কিংবা জেনেসিস যেন একেকটি মাস্টারপিস। সময়ের পরিক্রমায় মৃণাল সেনের সিনেমা আন্তর্জাতিক হয়ে উঠেছে। তিনি একজন মানবতাবাদী চলচ্চিত্রকার ও প্রথার বিপরীতে নতুন ধারার সিনেমার নির্মাতা। বৈশ্বিক সিনেমার পরিমণ্ডলে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন কারিগর। নান্দনিক শিল্প ও শিল্পী হয়েই চিরকাল বেঁচে থাকবেন মৃণাল সেন। বেঁচে থাকবে তাঁর সিনেমা। (২ জানুয়ারি. ২০১৮)
1,573,088
2019-01-03
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ সোমবার
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573087/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%AA%E0%A6%A5-%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0
bangladesh
online
2
সরকার|একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ|বিএনপি|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ আগামী সোমবার অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন বিকেল সাড়ে তিনটায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করবেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে প্রধানমন্ত্রী. এরপর মন্ত্রী. প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা শপথ নেবেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ নতুন মন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন।মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম আজ বৃহস্পতিবার শপথের সময়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পায় আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসনে জয়লাভ করে। আওয়ামী লীগ একাই জিতেছে ২৫৭টি আসনে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় দলটি টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭টি আসন। বিএনপি এককভাবে পেয়েছে ৫ টি। নির্বাচনে এককভাবে ২২টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হয়েছে জাতীয় পার্টি। বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠানে শুরুতে শপথ নেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। পরে সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। শপথ নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা। এঁদের মধ্যে সাজেদা চৌধুরী. মতিয়া চৌধুরী. আমির হোসেন আমু. তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ ছিলেন। পরে সাংসদেরা শপথের কাগজে সই করেন। আওয়ামী লীগের সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর জাসদ. ওয়ার্কার্স পার্টি. তরিকত ফেডারেশন. জাতীয় পার্টি-জেপির সদস্যরা শপথ নেন। এরপর জাতীয় পার্টির সদস্যরা শপথ নেন। জাতীয় সংসদে যোগ দিচ্ছে না বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
1,573,087
2019-01-03
বেসামরিক বিমানের প্রকৌশলীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573085/%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%8C%E0%A6%B6%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%B8%E0%A6%B9-%E0%A6%9B%E0%A7%9F%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE
bangladesh
online
2
দুদক|অপরাধ|আইন ও বিচার
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়ক ও নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আগামী সপ্তাহে এ মামলা করবে। আজ বৃহস্পতিবার কমিশনের নিয়মিত সভায় এ মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়।দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান. আগামী সপ্তাহে সংস্থার চট্টগ্রাম কার্যালয়ের উপপরিচালক মাহবুবুল আলম এ মামলা করবেন। দুদক সূত্র জানায়. অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা. জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে নিজেরা লাভবান হয়ে অন্যকে লাভবান করার উদ্দেশ্যে প্রকল্পের প্রাক্কলন অনুযায়ী জেনারেটর সরবরাহ করেননি। উপরন্তু ৬০ লাখ ৫০ হাজার টাকা তুলে নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। তাই তাঁদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ছয়টি ধারায় অভিযোগ এনে মামলার অনুমোদন দিয়েছে কমিশনের সভা। মামলায় যাঁদের আসামি করা হচ্ছে তাঁরা হলেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পিঅ্যান্ডডি/কিউএস সার্কেল. কুর্মিটোলা) মো. শহীদুল আফরোজ. নির্বাহী প্রকৌশলী মিহির চাঁদ দে. কক্সবাজার বিমানবন্দরের সাবেক ব্যবস্থাপক (বর্তমানে রাডার অ্যাপ্রোচ কন্ট্রোলার. শাহ আমানত বিমানবন্দর) মো. হাসান জহির. কক্সবাজার বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের কার্যালয়ের সাবেক সিনিয়র উপসহকারী প্রকৌশলী (বর্তমানে খান জাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্পে কর্মরত) শহীদুল ইসলাম মণ্ডল. সাবেক সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) ভবেশ চন্দ্র সরকার এবং মেসার্স ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডার্সের মো. শাহাবুদ্দিন।
1,573,085
2019-01-03
দেশে ফিরল চার শিশু-কিশোর
null
প্রতিনিধি. বিরামপুর. দিনাজপুর
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573084/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%B2-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%B0
bangladesh
online
2
অপরাধ|ভারত|বাংলাদেশ|শিশু|কিশোর
ভারতের শিশু শোধনাগারে বিভিন্ন মেয়াদে আটক থাকার পর দিনাজপুরের হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছে চার শিশু-কিশোর। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের উপস্থিতিতে ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ শিশু-কিশোরদের বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে ইমিগ্রেশন পুলিশ শিশু-কিশোরদের তাদের অভিভাবকদের কাছে বুঝিয়ে দেয়। দেশে ফেরত আসা শিশু-কিশোরেরা হলো জামালপুরের উদনাপাড়ার মেহেদি হাসান. কক্সবাজারের চকরিয়ার রবিউল আলম. জয়পুরহাট সদরের জহন মার্ডি এবং কুমিল্লার লাকসামের জাফর ইকবাল। হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সবুর বলেন. এই শিশু-কিশোরেরা বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধপথে ভারতে প্রবেশের সময় সে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হয়। পরে আদালত তাদের ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট শিশু শোধনাগারে রাখার নির্দেশ দেন। সেখানে তারা ১৪ থেকে ২৪ মাস পর্যন্ত ছিল। পরে ভারত-বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ে চিঠি আদান-প্রদানের পর শিশু-কিশোরদের ফেরত পাঠানো হয়।
1,573,084
2019-01-03
‘সিনিয়র’দের অধিনায়ক হয়ে কেমন লাগছে মিরাজের
null
ক্রীড়া প্রতিবেদক
https://www.prothomalo.com/sports/article/1573082/%E2%80%98%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%B0%E2%80%99%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%95-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%A8-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0
sports
online
2
ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|মেহেদী হাসান মিরাজ|রাজশাহী কিংস
আজ আনুষ্ঠানিকভাবে মেহেদী হাসান মিরাজকে অধিনায়ক ঘোষণা করেছে রাজশাহী কিংস। তাঁর ডেপুটি সৌম্য সরকার। বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা থাকলেও সিনিয়রদের অধিনায়ক হচ্ছেন এই প্রথম। মেহেদী হাসান মিরাজ বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন টানা চার বছর। ২০১৬ যুব বিশ্বকাপে তাঁর নেতৃত্বে তৃতীয় হয় বাংলাদেশ। বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে এখনো পর্যন্ত এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাফল্য। বয়সভিত্তিক ক্রিকেট পেরিয়ে মিরাজ জাতীয় দলে পা রেখে দ্রুত নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে। তবু আজ নতুন এক পর্ব শুরু হলো তাঁর। বিপিএলে রাজশাহী কিংস তাদের অধিনায়ক হিসেবে আজ ঘোষণা করেছে মিরাজের নাম। প্রথমবারের মতো কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি দল তো বটেই. বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের বাইরে প্রথম অধিনায়ক হওয়ার অভিজ্ঞতাও হলো তাঁর। দলে তরুণ খেলোয়াড়ের তুলনায় স্থানীয়-বিদেশি অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের সংখ্যা বেশি। সিনিয়রদের অধিনায়ক হয়ে মিরাজের চোখেমুখে যে আনন্দের ছটা. সেটিই দেখা গেল শীতের এ পড়ন্ত বিকেলে। রাজধানীর হাতিরঝিলে রাজশাহীর জার্সি উন্মোচন ও অধিনায়ক ঘোষণার অনুষ্ঠান শেষে ২১ বছর বয়সী অলরাউন্ডার বললেন. ‘এটি আমার জন্য অনেক বড় একটি সুযোগ। এত বড় টুর্নামেন্টে আমার এর আগে কখনো অধিনায়কত্ব করা হয়নি। আপনারা জানেন যে আমি অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে অধিনায়কত্ব করেছি অনেক দিন। সেখানে নির্দিষ্ট বয়সের খেলোয়াড় ছিল। এখানে কিন্তু অনেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটার থাকে। বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটার থাকে. স্থানীয় ক্রিকেটার থাকে । আমার জন্য এটি একটি ভালো সুযোগ এটি। চেষ্টা করব শতভাগ দিতে। আগের যে অভিজ্ঞতা আছে. অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে. সেটি কাজে লাগবে আশা করি।' স্থানীয় খেলোয়াড়েরা তো আছেনই। মিরাজকে সামলাতে হবে বিদেশি খেলোয়াড়দেরও। তবে কাজটা মোটেও কঠিন মনে হচ্ছে না তাঁর. ‘কাজটা সহজ হয়ে যাবে। আপনারা জানেন যে কোচ আছে. (ল্যান্স) ক্লুজনার। তিনি দুর্দান্ত একজন ক্রিকেটার ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকা দলে। এখন অনেক ভালো কোচ। আর আমাদের যে সিনিয়র ক্রিকেটাররা আছে. টিম ম্যানেজমেন্টে যারা আছেন. তাঁরা অনেক অভিজ্ঞ। এটি আমার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে। তাঁরা আমাকে সাহায্য করবে। শুধু আমি একাই সিদ্ধান্ত নেব তা নয়। সকলের সমন্বয়ে সিদ্ধান্ত হবে। আমরা হয়তো এক সিদ্ধান্তে থাকতে পার। সবার একটি সিদ্ধান্ত নিয়েই কাজ করা হবে. শুধু আমার সিদ্ধান্ত কিংবা কোচের সিদ্ধান্তে হবে না। সবার সিদ্ধান্তকেই প্রাধান্য দেওয়া হবে বলে আমার মনে হয়।’ ২০১৬ বিপিএলে ফাইনাল খেলেছে রাজশাহী। গত বিপিএলে অবশ্য শেষ চারেই উঠতে পারেনি দলটি। অধিনায়ক মিরাজ তাই এখনই দূরের স্বপ্ন দেখছেন না। আপাতত তাঁর লক্ষ্য. সেরা চার নিশ্চিত করা. ‘অবশ্যই সবার স্বপ্ন থাকে ফাইনাল খেলার। আমাদের আপাতত লক্ষ্য পরের পর্বে যাওয়া (শেষ চারে ওঠা)। যদি যেতে পারি আশা করি ফাইনাল খেলতে পারব।’ রাজশাহী কিংস:মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক). সৌম্য সরকার (সহ অধিনায়ক). মুমিনুল হক. মোস্তাফিজুর রহমান. শাহরিয়ার নাফীস. কামরুল ইসলাম. ফজলে রাব্বি. জাকির হাসান. আরাফাত সানি. আলাউদ্দিন বাবু. মার্শাল আইয়ুব. ক্রিস্টিয়ান জঙ্কার. ইসুরু উদানা. লরি ইভান্স. রায়ান টেন ডেসকাট. শেকুগে প্রসন্ন. মোহাম্মদ সামি ও কায়েস আহমেদ।
1,573,082
2019-01-03
মর্মান্তিক!
null
প্রতিনিধি. সখীপুর. টাঙ্গাইল
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573083/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%87%E0%A6%9A-%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0
bangladesh
online
2
দুর্ঘটনা|শিশু|টাঙ্গাইল
টেলিভিশন দেখার জন্য বিদ্যুতের সুইচ চাপতে গিয়েছিল শিশুটি। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে তার। আজ বৃহস্পতিবার সকালে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটেছে টাঙ্গাইলের বাসাইলে পূর্ব নয়াপাড়ায়। মারা যাওয়া শিশুটির নাম জিহাদ হাসান (৭)। সে ওই এলাকার মহর আলীর ছেলে ও বাসাইল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে পড়ত। জিহাদের চাচা কুরবান আলী বলেন. সকাল সাড়ে নয়টার দিকে টেলিভিশন দেখতে বিদ্যুতের সুইচ চাপতে গিয়ে জিহাদ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বাসাইল পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শাহানুর রহমান বলেন. জিহাদ ১ জানুয়ারি বই উৎসবে যোগ দেয়। ওই দিনই সে বাসাইল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিকে (শিশু শ্রেণি) ভর্তি হয়ে নতুন বই নিয়ে বাড়ি ফিরে। গতকাল বুধবারও সে নতুন বই নিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়েছিল। আজ এমন দুর্ঘটনা—মর্মান্তিক!
1,573,083
2019-01-03
বিকল্পধারা শেখ হাসিনার পাশে থাকবে: বি চৌধুরী
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
১৯
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573081/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80
bangladesh
online
2
নির্বাচন|শেখ হাসিনা|রাজনীতি|বি. চৌধুরী|বিকল্পধারা|একাদশ সংসদ নির্বাচন
বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী টানা তৃতীয়বারের মতো মহাবিজয়ের রেকর্ড সৃষ্টির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বিকল্পধারার নব নির্বাচিত সাংসদ এবং দলের মহাসচিব আবদুল মান্নান ও প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহী বি. চৌধুরীকেও অভিনন্দন জানান। বি চৌধুরী আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তার বারিধারার বাসভবনে বিকল্পধারার বিশেষ যৌথসভায় এ অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন. একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোট প্রার্থীরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিপুল বিজয় অর্জন করেছেন। এ কৃতিত্ব শেখ হাসিনার। তিনি পরপর তৃতীয়বারের মতো একটি মহাবিজয়ের রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন। সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন. বিকল্পধারা বাংলাদেশ আশা করে. শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের বিস্ময়করধারা বাংলাদেশকে পৃথিবীর অগ্রগামী দেশগুলোর কাতারে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাবে। উন্নয়নের পাশাপাশি সুশাসন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শেখ হাসিনার অব্যাহত অবদান তাঁকে স্মরণীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করবে। এই লক্ষ্য অর্জনে বিকল্পধারা বাংলাদেশ সব সময় শেখ হাসিনার পাশে থাকবে। আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এ ছাড়া সভায় বিকল্পধারার ইশতেহারে ঘোষিত প্রাদেশিক সরকার ব্যবস্থা এবং দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইন সভার প্রস্তাবসহ অন্যান্য প্রস্তাব বাস্তবায়নে দেশব্যাপী প্রচারণা এবং বিকল্পধারার সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করার জন্য সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে বিকল্পধারার নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য আবদুল মান্নান ও মাহী বি. বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান দলের নেতা-কর্মীরা। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিকল্পধারার মহাসচিব আবদুল মান্নান. প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহী বি চৌধুরী. সমশের মবিন চৌধুরী. প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যুক্তফ্রন্টের প্রধান সমন্বয়ক গোলাম সারোয়ার মিলন. প্রেসিডিয়াম সদস্য মজহারুল হক শাহ চৌধুরী. আবদুর রউফ মান্নান. মুহম্মদ ইউসুফ. ও আনোয়ারা বেগম. বিকল্পধারার কেন্দ্রীয় নেতা মাহবুব আলী. মুনিরুল ইসলাম. ওবায়েদুর রহমান মৃধা. শ্রিপা রহিম. যুবধারার সভাপতি আসাদুজ্জামান বাচ্চু. ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান ঝান্টু. মহিলা নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস প্রমুখ।
1,573,081
2019-01-03
উদীচী ফ্রান্সের সম্মেলন ও কার্যকরী কমিটি
null
অনুপম বড়ুয়া. প্যারিস (ফ্রান্স) থেকে
https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1573086/%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%9A%E0%A7%80-%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E0%A6%93-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF
durporobash
online
2
null
বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ফ্রান্স সংসদের সপ্তম দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কার্যকরী পরিষদ গঠন করা হয়েছে। দুই বছরের (২০১৯-২০) জন্য কিরণময় মণ্ডলকে সভাপতি ও সাখাওয়াত হোসেন হাওলাদারকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ২১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যকরী পরিষদ গঠন করা হয়। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হন শম্পা বড়ুয়া। গত ৩০ ডিসেম্বর রোববার এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংগীতের সঙ্গে দুই দেশের জাতীয় পতাকা ও সংগঠনের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের কার্যক্রম শুরু হয়। পতাকা উত্তোলন করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মূকাভিনয় শিল্পী পার্থ প্রতিম মজুমদার. উবারভিলিয়ে শহরের প্রথম সহকারী মেয়র অন্তনী দাগে ও সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল মালিক। স্বাগত বক্তব্য দেন সম্মেলন প্রস্তুতি পরিষদের চেয়ারম্যান সাগর বড়ুয়া। প্রথম পর্বে বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক আহাম্মেদ আলীর সঞ্চালনা ও সভাপতি কিরণময় মণ্ডলের সভাপতিত্বে সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি আজিজুল মালিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উদীচী যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী জীবন বিশ্বাস. ফ্রান্সপ্রবাসী চলচ্চিত্র নির্মাতা আমিরুল আরহাম. ডা. উত্তম বড়ুয়া ও সমাজকর্মী হাসনাত জাহান। দ্বিতীয় পর্বে সম্মেলন প্রস্তুতি পরিষদের আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন হাওলাদারের সঞ্চালনায় সাংগঠনিক অধিবেশনের শুরুতে সাধারণ সম্পাদক বিষয় নির্বাচনী কমিটি প্রস্তাব আকারে সকলের সামনে তুলে ধরেন। এরপর সাধারণ সম্পাদক শোক প্রস্তাব পাঠ করেন। শোক প্রস্তাবের পর বিগত দুই বছরের কার্যক্রম পাঠ করে শোনানো হয়। অর্থনৈতিক রিপোর্ট পেশ করেন কোষাধ্যক্ষের পক্ষে সাখাওয়াত হোসেন হাওলাদার। এরপর শুরু হয় নির্বাচনী কমিটির সভা। এ কমিটি পরবর্তী দুই বছরের জন্য ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যকরী পরিষদের নাম প্রস্তাব আকারে তুলে ধরার পর সর্বসম্মতিক্রমে ২১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যকরী পরিষদ গঠিত হয়। এ সময় আজিজুল মালিক. জীবন বিশ্বাস. আমিরুল আরহাম ও ডা. উত্তম বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন। নবনির্বাচিতদের শপথ পাঠ করান আজিজুল মালিক। তৃতীয় ও শেষ পর্বে সম্মেলনে পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উদীচী যুক্তরাষ্ট্র সংসদের কোষাধ্যক্ষ সাবিনা হাই উর্বি এবং বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন ফ্রান্স শাখা. অক্ষর. চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ফ্রান্স শাখা. তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ফ্রান্স শাখার প্রতিনিধিরা। এ পর্বে উদীচী ফ্রান্স সংসদ পরিচালিত বাংলা ভাষা সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কিশোর কিশোরী ও ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের সঙ্গে নিয়ে উদীচী শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন। এ ছাড়া. সংগীত পরিবেশন করেন জীবন বিশ্বাস। নৃত্য পরিবেশন করেন যুক্তরাষ্ট্রের বাংলা স্কুলের নৃত্য প্রশিক্ষক ও উদীচী কর্মী উদিতা তন্বী।
1,573,086
2019-01-03
মোদির সভায় কালো পোশাক নয়
null
প্রতিনিধি. কলকাতা
null
https://www.prothomalo.com/international/article/1573080/%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%95-%E0%A6%A8%E0%A7%9F
international
online
2
নরেন্দ্র মোদি|ভারত|বিজেপি
আগামী শনিবার ভারতের বিজেপি শাসিত রাজ্য ঝাড়খন্ডে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি রাজ্যের পালামৌতে বিজেপি আয়োজিত এক জনসভায় যোগ দেবেন। এই জনসভায় যাঁরাই আসবেন. তাঁরা কোনো কালো পোশাক পরে আসতে পারবেন না। এ নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। ঝাড়খন্ড সরকার নির্দেশ দিয়েছে. মোদির জনসভায় যোগ দিতে হলে কালো রঙের পোশাক. বিশেষ করে শাল. ট্রাউজার. শার্ট. কোট. সোয়েটার. মাফলার. টুপি. মোজা. টাই. ব্যাগ ও জুতা পরে আসা যাবে না। তবে শেষ মুহূর্তে ঝাড়খন্ড সরকার ছাড় দিয়েছে কালো রঙের জুতোকে। তবে সবাইকে সচিত্র বৈধ পরিচয়পত্র নিয়ে ঢুকতে হবে এই জনসভাস্থলে। ঝাড়খন্ড সরকার মোদির এই জনসভায় রাজ্যে চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োজিত ৮০ হাজার প্যারা টিচার যাতে কোনো বিক্ষোভ দেখাতে না পারেন. সে জন্য এই নির্দেশ জারি করেছে। পালামৌ জেলার পুলিশ সুপার ইন্দ্রজিৎ মাহাত বলেছেন. ৫ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদির জনসভায় যোগ দিতে ইচ্ছুক ঝাড়খন্ডবাসী কালো পোশাক পরে আসতে পারবেন না। ওই দিন প্যারা টিচাররা এই জনসভায় যোগ দিয়ে যাতে কোনো বিক্ষোভ বা কালো পতাকা দেখাতে না পারেন. তাই আগাম সতর্কতা হিসেবে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। গত মাসে ঝাড়খন্ডের রাজধানী রাঁচিতে মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসের এক অনুষ্ঠানে প্যারা টিচাররা যোগ দিয়ে কালো পতাকা উঁচিয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন। দাবি তুলেছিলেন অন্য সরকারি শিক্ষকদের মতো তাঁদেরও বেতনসহ অন্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার। এই কারণেই রাজ্য সরকারের নির্দেশে পুলিশ সুপার এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।
1,573,080
2019-01-03
খোলা আকাশের নিচে শিশুদের খেলাধুলার ব্যতিক্রমী আয়োজন
null
অনলাইন ডেস্ক
null
https://www.prothomalo.com/economy/article/1573079/%E0%A6%96%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A7%80
economy
online
2
অর্থনীতি|প্রতিষ্ঠানের খবর
বর্তমানে রাজধানীর শিশুরা মোবাইল গেমস যতটা খেলে. ক্রিকেট-ফুটবল ততটা নয়। এক কথায় দৌড়ানো. সাইকেল চালানো ও ক্রিকেট-ফুটবল খেলার মতো সুষ্ঠু পরিবেশই তারা পাচ্ছে না। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে গত এক বছর ধরে ব্যতিক্রমী একটি কর্মসূচি পালন করছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)। গত মাস থেকে এর সঙ্গে সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যুক্ত হয়েছে ইউনিলিভার বাংলাদেশের অন্যতম স্বনামধন্য ব্র্যান্ড সার্ফ এক্সেল। সার্ফ এক্সেলের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে. সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহযোগিতায় ২০১৭ সালের ১০ নভেম্বর থেকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ সড়কের প্রায় ২০০ মিটার অংশে প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই তিন ঘণ্টা সময় শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সী মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এখানে নিজের মতো খেলাধুলা. শরীরচর্চা. ব্যায়াম. সাইকেল চালানো. আড্ডাসহ নানারকম সামাজিক কার্যক্রমে অংশ নেন। এখানে আসার জন্য কোনো ধরনের নিবন্ধন বা টিকিট কাটতে হয় না। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে. আগামীকাল ৪ জানুয়ারি বরাবরের মতোই এই কর্মসূচির ১৪তম আসর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে। ওই দিন স্বাভাবিক কর্মসূচির সঙ্গে ইউনিলিভারের ব্র্যান্ড সার্ফ এক্সেলের পক্ষ থেকে শিশু-কিশোরদের জন্য বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার আয়োজন থাকবে। এ আয়োজন সম্পর্কে ইউনিলিভার বাংলাদেশের মার্কেটিং ডিরেক্টর তানজিন ফেরদৌস আলম বলেন. খেলাধুলা শিশুদের অন্যতম প্রধান অধিকার। এই বিশ্বাস থেকে সার্ফ এক্সেল মনে করে. প্রতিভা বিকাশে শিশুদের এই অধিকার রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ খেলার মাধ্যমেই শিশুরা অনেক কিছু শেখে। আর এভাবে শিখতে গেলে কাপড়ে কঠিন দাগ লাগতেই পারে। সেই দাগ দূর করে শিশুদের আবার তাদের জগতে ফিরে যেতে সাহায্য করে সার্ফ এক্সেল। ডিটিসিএ-এর নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রাকিবুর রহমান বলেন. ২০০৬ সাল থেকে প্রতি বছর ২২ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবস পালন করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের এই দিবস পালনের অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের সড়ক মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ মাসে অন্তত একটি দিন গাড়িমুক্ত রাখার ঘোষণা দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সেই ঘোষণা অনুযায়ী ওই বছরের নভেম্বরে প্রথম এই কর্মসূচি পালন করা হয়েছিল। এরপর থেকে প্রতি মাসের প্রথম শুক্রবার এ কর্মসূচি পালিত হয়ে আসছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়. এ কর্মসূচিতে গড়ে প্রায় পাঁচ শ লোক সমবেত হচ্ছেন। শিশু-কিশোর. নারী-পুরুষ. প্রবীণ. প্রতিবন্ধী নির্বিশেষে সব ধরনের মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। বাংলাদেশে নতুন হলেও বিশ্বের অনেক দেশেই এমন ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চলছে।
1,573,079
2019-01-03
‘আমার কিছু বলার নেই’
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
২৪
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573078/%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE
bangladesh
online
2
খালেদা জিয়া|আইন ও বিচার|রাজনীতি|দুর্নীতি
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হুইল চেয়ারে করে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয় আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা ১২ মিনিটে। তাঁর পরনে ছিল গোলাপি রঙের শাড়ি। খালেদা জিয়া আসার তিন মিনিট পর ১২ টা ১৫ মিনিট বিচারক এজলাসে আসেন। এরপর শুরু হয় নাইকো দুর্নীতি মামলার বিচারিক কার্যক্রম। এজলাস কক্ষে পুলিশ বাহিনীর উপস্থিতি বেশি দেখে ক্ষুব্ধ হন খালেদা জিয়া। আদালতকে উদ্দেশ্য করে খালেদা জিয়া বলেন. ‘আদালতে এত পুলিশ কেন?’।খালেদা জিয়া বলেন. ‘লইয়ারদের তো বসতে দিতে হবে।’ তখন দুদকের পিপি মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন. ‘আদালত কক্ষে চেয়ার আছে’তখন খালেদা জিয়া কাজলকে উদ্দেশ্য করে বলেন. ‘কোথায় আছে চেয়ার।’ ডায়াসে দাঁড়ানো মামলার আসামি মওদুদ আদালতকে উদ্দেশ্য করে বলেন. ‘এভাবে কী ফেয়ার ট্রায়াল হতে পারে?’তখন খালেদা জিয়া আদালতকে উদ্দেশ্য করে বলেন. ‘এ রকম জায়গায় কোনো মামলা চলতে পারে না। আমি আর আসব না।’ এরপর ক্ষুব্ধকণ্ঠে খালেদা জিয়া আবারও বলেন. ‘আমি আর এই কোর্টে আসতে পারব না। আমাদের লোকদের আসতে দেওয়া হয় না। ’ কাজল তখন খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে বলেন. এটা উন্মুক্ত আদালত। এখানে সবাই আসতে পারেন। কাউকে বাধা দেওয়া হয় না। খালেদা জিয়া তখন ফের বলেন. ‘সাজা দেওয়ার জন্যই আনছেন। সাজা দিয়েছেন। সাজা দেবেন। এখানে আমি আর আসব না।’খালেদা জিয়ার কথা শেষে মওদুদ তখন আদালতের উদ্দেশ্যে বলেন. ‘ইজ ইট এ্যা পাবলিক ট্রায়াল?’ আইনজীবীদের নাম রেজিস্ট্রি করে এখানে আসতে হয়।’ এরপর মওদুদ ফের বলেন. এটা কী উন্মুক্ত আদালত? মওদুদ তখন বিচারককে জানান. আগের বিচারককে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। তখন তিনি জানিয়েছেন. বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন। তখন বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান মওদুদকে উদ্দেশ্য করে বলেন. ‘আমিও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব।’ অবশ্য শুনানি চলার সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান আদালত কক্ষে আসেন। তিনিও খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলেন। নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানির পরবর্তী তারিখ ১৩ জানুয়ারি ধার্য করে এজলাস ছেড়ে যান বিচারক। এরপর হুইল চেয়ারে বসা খালেদা জিয়ার কাছে যান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ। খালেদা জিয়া কথা বলতে শুরু করেন মওদুদের সঙ্গে। নিম্ন আদালতে বিচারাধীন নাইকো মামলার বিষয়সহ নানা বিষয়ে খালেদা জিয়া মওদুদের সঙ্গে কথা বলেন। তখন এজলাসে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা খালেদা জিয়াকে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেন।তখন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ আহমেদ তালুকদার পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন. দেখছেন না উনি (খালেদা) কথা বলছেন। খালেদা জিয়া মওদুদের সঙ্গে কথা বলেই চলেন। একপর্যায়ে পুলিশ বাহিনীর এক সদস্য খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিয়ে যাওয়ার জন্য হুইল চেয়ার টান দেন। তখন খালেদা জিয়া রাগান্বিত হন। নিজের পায়ের দিকে তাকিয়ে পুলিশ সদস্যের উদ্দেশ্যে খালেদা বলেন. ‘আমার পায়ের যদি কিছু হয়….।’কথা বলার একপর্যায়ে খালেদা জিয়া মওদুদকে বলেন. ‘খোকন কোথায় খোকন।’ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন তখন খালেদা জিয়ার সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। খোকন তখন খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন। খোকন আর খালেদা জিয়ার কথোপকথন চলে প্রায় ৫ মিনিট। খোকনের সঙ্গে কথা বলার পর খালেদা তাঁর আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন। খালেদা জিয়া সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলীকে বলেন. ‘কাগজপত্র পেয়েছেন কী না?’ মওদুদসহ তিনজনের সঙ্গে কথা বলে চলে যাওয়ার সময় সাংবাদিকেরা খালেদা জিয়ার কাছে জানতে চান. ‘আপনার কিছু বলার আছে কি না।’ খালেদা জিয়া সাংবাদিকদের বলেন. ‘আমার কিছু বলার নেই।’ মওদুদ আহমেদ ও মাহবুব উদ্দিন খোকনের কাছে সাংবাদিকেরা জানতে চান. খালেদা জিয়া তাঁদের কী বলেছেন? মওদুদ অবশ্য দাবি করেন. নির্বাচন কিংবা রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। প্রায় একই কথা বলেন খোকনও। অবশ্য শুনানির আগে মওদুদ আহমেদ বিএনপিপন্থী এক আইনজীবীর সঙ্গে নির্বাচনসহ সাম্প্রতিক রাজনীতির নানা বিষয় নিয়ে একান্তে কথা বলেন। খালেদা জিয়া এর আগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত-৫ এ বলেছিলেন. তিনি অসুস্থ। তাঁর পক্ষে আদালতে আসা সম্ভব নয়। তিনি ন্যায়বিচারও পাচ্ছেন না। এরপর খালেদা জিয়া আর আদালতে হাজির হননি। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত বছরের অক্টোবর মাসে খালেদা জিয়ার সাত বছরের কারাদণ্ড হয়। আর গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি মাসে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫। সেদিন পুরান ঢাকার আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ এই আদালত থেকে পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে খালেদা জিয়াকে রাখা হয়। সেই থেকে তিনি এই কারাগারে আছেন। অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৩ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এ চলছে নাইকো দুর্নীতি মামলার বিচারকাজ। মামলাটি অভিযোগ গঠনের শুনানির পর্যায়ে রয়েছে। আজ অভিযোগ গঠন বিষয়ে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন মোশাররফ হোসেন কাজল। খালেদা জিয়াসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তিনি পড়ে শোনান। আসামি মওদুদ আহমেদ তিনি শুনানি শুরু করেন। নাইকো দুর্নীতির সঙ্গে মওদুদ আহমেদ জড়িত নন সে ব্যাপারে যুক্তি তুলে ধরেন।বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা জিয়া গ্রেপ্তার হওয়ার পর ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) । ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় দুদক। মামলায় অভিযোগ করা হয়. ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর হাতে ‘তুলে দেওয়ার’ মাধ্যমে আসামিরা রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি করেছেন।আসামিপক্ষ মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করলে হাইকোর্ট ওই বছরের ৯ জুলাই এ মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং রুল দেন। প্রায় সাত বছর পর ২০১৫ সালের ১৮ জুন হাইকোর্ট রুল নিষ্পত্তি করেন। একই সঙ্গে খালেদা জিয়াকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। পরে ওই বছরের ডিসেম্বরে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক আমিনুল ইসলাম ওই আবেদন মঞ্জুর করেন।
1,573,078
2019-01-03
গত বছর গণধর্ষণের শিকার ১৮২ জন
মহিলা পরিষদের তথ্য
অনলাইন ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573076/%E0%A6%97%E0%A6%A4-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A7%A7%E0%A7%AE%E0%A7%A8-%E0%A6%9C%E0%A6%A8
bangladesh
online
2
নারী|নারী নির্যাতন|ধর্ষণ|যৌন হয়রানি
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তথ্য বলছে. গত বছর মোট ধর্ষণের ঘটনা ঘটে ৯৪২টি। এর মধ্যে গণধর্ষণের শিকার হন ১৮২ জন নারী ও শিশু। আর ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় ৬৩ জনকে। বছরটিতে যৌন নির্যাতনের শিকার হন ১৪৬ জন। যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার ২১২ জনের মধ্যে শুধু এ কারণে হত্যা করা হয় ১০২ জনকে। মহিলা পরিষদের লিগ্যাল এইড উপপরিষদে সংরক্ষিত ১৪টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে গত বছরের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের এ তথ্য দেওয়া হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী. বছরটিতে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন ২৮১ জন। ১৯৩টি বাল্যবিবাহের ঘটনার মধ্যে ৫২টি সম্পন্ন হয় এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা হয় ১৪১টি। মহিলা পরিষদ এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে. বছরটিতে উদ্বেগজনক হারে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মোট ৩ হাজার ৯১৮টি নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন নির্যাতনের কারণে ৩০৫ জন আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন। মোট ৪৮৮ জন নারী ও শিশুকে হত্যা করা হয়। হত্যার চেষ্টা করা হয় ৩৯ জনকে। গৃহকর্মী নির্যাতনের শিকার ৮৭ জনের মধ্যে হত্যা করা হয় ৫৮ জনকে। বছরটিতে নির্যাতনের কারণে চারজন গৃহকর্মী আত্মহত্যা করেন। উত্ত্যক্তের শিকার ১৭১ জনের মধ্যে ১৪ জন আত্মহত্যা করেন। ৩৭৭ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। গত বছর অন্যান্য নির্যাতনের মধ্যে অ্যাসিড সন্ত্রাসের শিকার হওয়া ১৯ জনের মধ্যে মারা যান ৩ জন। বছরটিতে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ১৪৫টি। পাচারের শিকার হন ৪১ জন নারী ও শিশু। তাঁদের মধ্যে যৌনপল্লিতে বিক্রি করা হয় ১৫ জনকে।
1,573,076
2019-01-03
পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ
খাসোগি হত্যাকাণ্ড
অনলাইন ডেস্ক
১২
https://www.prothomalo.com/international/article/1573075/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8C%E0%A6%A6%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%AA%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7
international
online
2
আরব বিশ্ব|সৌদি আরব
সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার সন্দেহভাজন ১১ জনের মধ্যে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন সৌদি আরবের সরকারি কৌঁসুলি। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানী রিয়াদে এ মামলার প্রথম শুনানির দিন আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে এ আবেদন জানান রাষ্ট্রীয় কৌঁসুলি। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে। বিয়ের কাগজপত্র সংগ্রহ করতে গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত সৌদি কনস্যুলেটে গিয়ে নিখোঁজ হন সাংবাদিক জামাল খাসোগি। একসময় সৌদি রাজপরিবারের ঘনিষ্ঠ খাসোগি পরে তাদের কট্টর সমালোচকে পরিণত হন। যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত খাসোগি ওয়াশিংটন পোস্টের কলাম লেখক ছিলেন। তুরস্ক শুরু থেকেই এ ঘটনার জন্য সৌদি আরবকে দায়ী করলেও দেশটি প্রথমে তা অস্বীকার করে। ঘটনার দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো সৌদি স্বীকার করে ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতর কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে নিহত হয়েছেন খাসোগি। তবে আন্তর্জাতিক মহল সৌদির এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে প্রকৃত সত্য জানানোর আহ্বান জানায়। শেষ পর্যন্ত সৌদি আরব স্বীকার করে. খাসোগিকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। সৌদি আরব ঘটনা খতিয়ে দেখতে তদন্ত দল গঠন করে। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সৌদি আরবের আলোচিত যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের দিকে অভিযোগের তির যায়। তবে সৌদি আরব বারবার এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলে. ঘটনার সঙ্গে যুবরাজের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই। এ ধরনের অভিযোগ কেউ করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তুরস্ক দাবি করে. ঘটনার দিন বিশেষ উড়োজাহাজে করে সৌদি থেকে ১৫ সদস্যের দল কনস্যুলেটে গিয়ে খাসোগিকে হত্যার পর ওই দিনই ফিরে যায়। শুধু তা-ই নয়. মরদেহ অ্যাসিডে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ায় ঘটনার এত দিন পরও খাসোগির মরদেহ পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া এ হত্যাকাণ্ডের বহু প্রমাণ তাদের কাছে থাকার দাবিও করে তুরস্ক। তবে আজ অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন. তুরস্কের কাছে থাকা তথ্য-প্রমাণ সৌদিকে দেওয়ার জন্য দুবার আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করেছে তারা। তবে তুরস্কের পক্ষ থেকে সাড়া মেলেনি। আদালতে আজ হাজির করা ১১ আসামির নাম প্রকাশ করেনি সৌদি কর্তৃপক্ষ।
1,573,075
2019-01-03
লক্ষ্মীপুরে পুলিশ–যুবলীগ সংঘর্ষে মামলা. গ্রেপ্তার ৬
null
প্রতিনিধি. রায়পুর. লক্ষ্মীপুর
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573074/%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E2%80%93%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0
bangladesh
online
2
পুলিশ|যুবলীগ|লক্ষ্মীপুর|মামলা|অপরাধ
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে পুলিশের সঙ্গে যুবলীগ নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এতে সদর (পূর্ব) যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রূপম হাওলাদারসহ ৭৪জন নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়। এঁদের মধ্যে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে আজ বৃহস্পতিবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।লক্ষ্মীপুর সদর থানার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল আলিম বাদী হয়ে গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে থানায় মামলা করেন। এতে রূপম হাওলাদারসহ ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৫০-৬০জনকে আসামি করা হয়। পুলিশ ও যুবলীগ সূত্র বলেছে. লাহারকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমানকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি যুবলীগ কর্মী দেলোয়ার হোসেন গত মঙ্গলবার জামিনে মুক্তি পান। গতকাল সকালে তিনি ধারালো অস্ত্র নিয়ে আবদুর রহমানের ওপর হামলা চালান। পরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা দেলোয়ারকে মারধর করে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ আবদুর রহমান ও দেলোয়ারকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে আবদুর রহমানকে দেখতে হাসপাতালে যান জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম সালাহ উদ্দিন। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা লোকজন দেলোয়ারকে মারধর করেন। এতে বাধা দিতে গেলে তাঁরা পুলিশের ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে যুবলীগের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে চার পুলিশ সদস্যসহ অন্তত দশজন আহত হয়েছেন। জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্ল্যাহ আল মামুন বলেন. ‘যুবলীগের নেতা-কর্মীদের সাথে পুলিশের ভুল বোঝাবুঝিতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে শহরের তমিজ মার্কেটে জেলা যুবলীগের কার্যালয় ঘেরাও করে পুলিশ। নেতা-কর্মীদের পিটিয়ে আহত করে। এখন উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।’ লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বলেন. হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একজনের ওপর হামলার চেষ্টা করে যুবলীগ নেতা-কর্মীরা। এ সময় বাধা দিলে তারা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়েছে। ৬জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
1,573,074
2019-01-03
ওরাও থাকুক ভালোবাসার ওমে
null
বন্ধুসভা ডেস্ক
null
https://www.prothomalo.com/bondhushava/article/1573077/%E0%A6%93%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%93-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%95-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%93%E0%A6%AE%E0%A7%87
bondhushava
online
2
null
‘ওরাও থাকুক ভালোবাসার ওমে’ শিরোনামে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র উপহার দিয়েছে আমার চুয়াডাঙ্গা নামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।১ জানুয়ারি. ২০১৯ মঙ্গলবার চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দিগড়ী গ্রামে অসহায় দরিদ্র মানুষের মাঝে এবং দিগড়ী কওমি মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের ছাত্রদের মাঝে শীতবস্ত্র উপহার দিয়েছে সংগঠনটি।এ সময় উপস্থিত ছিলেন আসিফ আনজুম পিয়াস. আবদুল্লাহ আল মামুন. সুজন মাহমুদ বিহাল. বিজয় আহমেদ. প্রদীপ কুমার. আবদুল ওহাব. পার্থ দাস নিখিলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।তরুণদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় সমাজসেবক মো. খাইরুল বিশ্বাস বলেন. ‘এই কন কনে শীতে দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমার চুয়াডাঙ্গা সংগঠনের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।’এ কর্মসূচির সমন্বয়ক আবদুল ওহাব বলেন. ‘চুয়াডাঙ্গা জেলায় শীতের প্রভাব বেশি। গ্রামের দরিদ্র. অবহেলিত মানুষগুলো যাতে শীতে কষ্ট না পায়. এ জন্যই আমাদের এই ক্ষুদ্র উদ্যোগ। হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতায় আমরা এই আয়োজন করেছি।’‘আমার চুয়াডাঙ্গা’ মূলত একটি ফেসবুক ভিত্তিক সংগঠন জেলার তরুণদের দ্বারা পরিচালিত হয়। জেলা সদরের দিগড়ী গ্রামের বিলপাড়ার তরুণদের দ্বারা এটি পরিচালিত হয়। বর্তমানে তাঁরা সাংগঠনিকভাবে উন্নয়নমুখী নানা কাজে নিজেদের যুক্ত রেখেছেন।
1,573,077
2019-01-03
২০১৯ সালে যেসব রেকর্ড ডাকছে মেসিকে
null
খেলা ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/sports/article/1573072/%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AF-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87
sports
online
3
ফুটবল|মেসি|বার্সেলোনা|আন্তর্জাতিক ফুটবল
এ মৌসুমে সম্ভাব্য সব শিরোপা জেতার চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন লিওনেল মেসি। টানা তিন বছর চ্যাম্পিয়নস রিয়াল মাদ্রিদকে জিততে দেখার পর ইউরোপিয়ান সেরার ট্রফিটা খুব করেই চাচ্ছেন বার্সেলোনা তারকা। সে সঙ্গে ঘরোয়া দাপটও ধরে রাখতে চাইছেন। সেটা করতে পারলে দলীয় অর্জন তো হবেই। সে সঙ্গে ব্যক্তিগত সব মাইলফলকও ছোঁয়া হবে তাঁর। গিগসের ট্রফি রেকর্ড বার্সেলোনার জার্সিতে ৩৩টি ট্রফি জিতেছেন লিওনেল মেসি। নিঃসন্দেহে অসাধারণ এক অর্জন। কিন্তু এক ক্লাবের হয়ে সবচেয়ে বেশি শিরোপা জেতার রেকর্ড এখনো গড়া হয়নি তাঁর। ৩৬টি শিরোপা জিতে সে রেকর্ড রায়ান গিগসের। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কিংবদন্তি রেড ডেভিলদের হয়ে প্রায় দুই দশকে অর্জন করেছেন তিন ডজন শিরোপা। মেসি এ মৌসুমেই গিগসকে ছুঁতে চাইলে আরেকটি ট্রেবল জিততে হবে বার্সাকে। গত মৌসুমে লা লিগা ও কোপা দেল রে জিতেছে বার্সেলোনা। কিন্তু তিন মৌসুম ধরে চ্যাম্পিয়নস লিগ ছোঁয়া হচ্ছে না তাদের। এ মৌসুমে তাই এমনিতেই এ ট্রফিতে বাড়তি নজর দিচ্ছেন মেসিরা। ইনিয়েস্তার মাঠে নামার রেকর্ড বার্সেলোনার জার্সিতে ৬৫৭টি ম্যাচ খেলে ফেলেছেন মেসি। কাতালান জার্সিতে তার চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন মাত্র দুজন। দুই প্রিয় সতীর্থ আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা ও জাভি হার্নান্দেজই শুধু এগিয়ে। এ বছরই জাপানে পাড়ি জমানো ইনিয়েস্তা বার্সেলোনা ক্যারিয়ারে ৬৭৪টি ম্যাচ খেলেছেন। আর মাত্র ১৮টি ম্যাচ খেললেই তাঁকে ছাড়িয়ে যাবেন মেসি। এ মৌসুমেই তাই বার্সেলোনার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড হয়ে যাবে মেসির। শীর্ষে থাকা জাভি অবশ্য এখনো নাগালের বাইরে (৭৬৭)। বার্সেলোনাতেই পুরো ক্যারিয়ার কাটানোর ইচ্ছা আছে মেসির। অন্তত কাতালান ক্লাবের কর্মকর্তারা তেমনটাই আশা করেন। সেটা হলে রেকর্ডটা মেসিরই হবে একদিন। লা লিগায় সবচেয়ে বেশি জয় চার বছর হলো রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে পোর্তোতে গেছেন ইকার ক্যাসিয়াস। কিন্তু সবচেয়ে বেশি লা লিগা ম্যাচ জয়ের রেকর্ড এখনো দখলে আছে তাঁর। রিয়াল কিংবদন্তি ৩৩৪ ম্যাচ শেষ করেছেন জয়ের আনন্দ নিয়ে। আর ১২টি ম্যাচ জিতলেই মেসি তাঁকে টপকে জেতে পারবেন। বার্সেলোনা এ বছর লা লিগা জিতলে এ রেকর্ডটাও তাই হয়ে যাবে মেসির। সোনার জুতা গত দুই বছর ধরেই লা লিগার পিচিচি ট্রফি বিজয়ী মেসি। স্প্যানিশ লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কারের পোশাকি নাম এটি। ইউরোপিয়ান সোনালি জুতাও জিতেছেন বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড। এবারও সে কীর্তি গড়তে পারলে হ্যাটট্রিক হয়ে যাবে তাঁর। এখনো পর্যন্ত কেউ ইউরোপের সোনার জুতা জেতার হ্যাটট্রিক গড়তে পারেননি। লা লিগায় অবশ্য এ কীর্তি গড়েছেন আরও চারজন—তেলমো জারা. আলফ্রেডো ডি স্টেফানো. কুইনি. হুগো সানচেজ। লা লিগায় পিচিচি জেতার জারার রেকর্ডও (৬) ছুঁয়ে ফেলবেন মেসি। হ্যাটট্রিকের ফিফটি ক্যারিয়ারে ৪৯টি হ্যাটট্রিক করা মেসি এখন আছেন অনন্য এক অর্জনের অপেক্ষায়। মাত্র এক ম্যাচেই তিনটি গোল করলেই হয়ে যাবে হ্যাটট্রিকের ফিফটি।
1,573,072
2019-01-03
কৃষ্ণা কাবেরী হত্যায় একমাত্র আসামির মৃত্যুদণ্ড
null
আদালত প্রতিবেদক. ঢাকা
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573073/%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1
bangladesh
online
3
অপরাধ|আইন ও বিচার|আদালত|ফাঁসি
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কলেজশিক্ষিকা কৃষ্ণা কাবেরী বিশ্বাস হত্যা মামলার একমাত্র আসামি কে এম জহিরুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে নিহত কৃষ্ণা কাবেরীর স্বামী এবং দুই মেয়েকে আঘাতের অভিযোগে আসামিকে পৃথক ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন। কৃষ্ণা আদাবরের মিশন ইন্টারন্যাশনাল কলেজের সমাজকল্যাণ বিভাগের প্রভাষক ছিলেন। আর জহিরুল ইসলাম ব্রোকারেজ হাউজ হাজী আহমেদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপক ছিলেন। এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সরকারি কৌঁসুলি আবু আবদুল্লাহ ভূইয়া প্রথম আলোকে বলেন. হাইকোর্ট থেকে জামিনে ছিলেন জহিরুল। আপিল বিভাগ তাঁর জামিন বাতিল করার পর থেকে তিনি পলাতক। আদালত জানিয়েছেন. আসামি গ্রেপ্তার বা আত্মসমর্পণের তারিখ থেকে এ রায় কার্যকর হবে। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়. ২০১৫ সালের ৩০ মার্চ রাতে কৃষ্ণা কাবেরীর স্বামী সিতাংশু শেখর বিশ্বাসকে কেক ও ফুল নিয়ে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে তাঁর মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের বাসায় যান সিতাংশুর পূর্বপরিচিত কে এম জহিরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি। জহিরুল একপর্যায়ে সিতাংশু (৪৮). কৃষ্ণা কাবেরী (৩৫) ও দুই মেয়ে শ্রোভনা বিশ্বাস (১৫) ও অদ্বিতীয়া বিশ্বাসকে (৮) হাতুড়িপেটা করে বাসায় আগুন ধরিয়ে দেন। ওই ঘটনায় আহত ও অগ্নিদগ্ধ কৃষ্ণা কাবেরী পরে মারা যান। নিহত কৃষ্ণা কাবেরীর স্বামী বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) উপপরিচালক সিতাংশু শেখর বিশ্বাস। তিনি এ ঘটনায় বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন। ২০১৬ সালের ৩০ মে জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। অভিযোগপত্রে বলা হয়. সিতাংশু বিশ্বাস হাজী আহমেদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজের মাধ্যমে বিও অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন। সেখানে আট লাখ টাকা ছিল। শেয়ার ব্যবসার সূত্রেই জহিরুলের সঙ্গে সিতাংশুর পরিচয় হয়। সিতাংশুর শেয়ার আত্মসাৎ করার জন্য এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল আসামি জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলায় ২২জন সাক্ষী উপস্থাপন করেন।
1,573,073
2019-01-03
চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন শেখ হাসিনা
null
বাসস. ঢাকা
২৭
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573071/%E0%A6%9A%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%B9%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE
bangladesh
online
3
সরকার|শেখ হাসিনা|আওয়ামী লীগ|একাদশ সংসদ নির্বাচন
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা চতুর্থবারের মতো ও টানা তৃতীয়বার দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। আজ বৃহস্পতিবার তিনি সর্বসম্মতিক্রমে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। আজ বিকেল জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন. ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা. যিনি একজন জননন্দিত নেতা এবং আন্তর্জাতিক বিশ্বের একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ তিনি চতুর্থবারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। কেননা. আমরা সর্বসম্মতিক্রমে তাঁকে আমাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করেছি।’ তোফায়েল আহমেদ বলেন. আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বৈঠকে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা হিসেবে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করলে দলের জ্যেষ্ঠ সদস্য আমির হোসেন আমু তা সমর্থন করেন। সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচনের পরে সকল সংসদ সদস্য তুমুল করতালির মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান। আজ সকালেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠানে শুরুতে শপথ নেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। পরে সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। শপথ নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। এঁদের মধ্যে সাজেদা চৌধুরী. মতিয়া চৌধুরী. আমির হোসেন আমু. তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ ছিলেন। শপথ গ্রহণের পর আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংসদ ভবনের একটি কক্ষে এই বৈঠক হয়। সেখানে শেখ হাসিনাকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হয়। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পায় আওয়ামী লীগ। এর আগে ২০০৯ সালে নবম সংসদ ও ২০১৪ সালে দশম সংসদের পর এবার টানা তৃতীয় মেয়াদে সংসদ নেতা নির্বাচিত হলেন শেখ হাসিনা। তিনি ১৯৯৬ সালেও সপ্তম সংসদেও সংসদ নেতার ভূমিকায় ছিলেন।
1,573,071
2019-01-03
উড়োজাহাজের উড়ো চিঠি
null
শামীম শাহেদ
null
https://www.prothomalo.com/bondhushava/article/1573069/%E0%A6%89%E0%A7%9C%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%9C%E0%A7%8B-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A0%E0%A6%BF
bondhushava
online
3
গল্প
সঙ্গে বাচ্চা থাকলে অনেক সুবিধা। বিশেষ করে প্লেন জার্নিতে। এয়ারপোর্টে আপনি হয়তো দাঁড়িয়ে আছেন. সামনে লম্বা লাইন। বাচ্চাদের দেখলেই বলবে. আফটার ইউ। আফটার ইউ। ইউরোপের সব জায়গাতেই আমরা এটা দেখেছি। ভেবেছিলাম. আমাদের দেশে এটা হবে না। এখানে বাচ্চা কি আর বড় কি. সবাইকে ধাক্কাধাক্কি করে তার জায়গা নিতে হয়। কিন্তু বিস্মিত হয়ে লক্ষ করলাম. এখানেও বাচ্চাদের বিষয়টি সবাই বিশেষ যত্নের সঙ্গে দেখল। আমাদের আগে দিয়ে দিল। আমরা কাউন্টারের কাছাকাছি চলে এলাম। বাঁ দিকে কাচের দেয়ালের ঠিক ওপারেই কাতার এয়ারওয়েজের বিরাট একটি প্লেন দাঁড়ানো। আমরা সবাই বেশ উত্তেজিত। ইউরোপ যাচ্ছি। সুইডেন. সুইজারল্যান্ড. ডেনমার্ক. জার্মানি. ফ্রান্স. স্পেন. ইতালি। লম্বা প্ল্যান। ‘আপনারা কি প্রথমে সুইডেন যাচ্ছেন. নাকি কোপেনহেগেন?’ প্রশ্ন করলেন কাতার এয়ারওয়েজের কাউন্টারে বসে থাকা সাফকাত সাহেব। ভদ্রলোককে দেখে কেমন যেন চিন্তিত মনে হলো।‘কোপেনহেগেন। কেন. কোনো সমস্যা?’‘একটা সমস্যা আছে।’‘কী সমস্যা বলেন তো।’ভদ্রলোক একটু সময় নিয়ে বললেন. ‘আপনাদের ভিসা নাই।’আমি ঘামতে শুরু করলাম। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মতো অবস্থা। ‘বলেন কি। ভিসা নেই মানে? এত দূর এলাম কী করে? লাগেজ শিফট করলাম. বোর্ডিং পাস নিলাম. ইমিগ্রেশন করলাম. একটু পরে প্লেনে উঠব. আর আপনি এখন বলছেন ভিসা নেই। এটা কীভাবে সম্ভব?’মুন খুব একটা টেনশন নিতে পারে না। একটু টেনশনে পড়লেই তার চোখমুখ ফ্যাকাশে হয়ে যায়। বেশি টেনশনে পড়লে ফাম্বল করতে শুরু করে। এখনো ফাম্বল শুরু করে দিল। ‘উ...উ...উনি কী বলছেন এসব। আ...আ...আমাদের ভিসা নেই মানে!’ ‘এত টেনশনের কি আছে? দেখা যাক।’ আমি মুনকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করলাম।সাফকাত সাহেব আমাদের ইশারায় পাশে ডাকলেন। ‘আসুন আমার সঙ্গে. বিষয়টি বুঝিয়ে বলছি।’পাথরের মতো তাকে অনুসরণ করলাম। অরোরা দৌড়াতে দৌড়াতে এসে প্রশ্ন করল. ‘মা. আমরা কখন প্লেনে উঠব?’ কেউ কোনো উত্তর দিল না। মান–ইজ্জতের ব্যাপার। ‘দেখুন. ভুলটা আপনাদের না। ভুলটা সময়ের।’ সাফকাত সাহেব বলছেন. আমরা তার মুখের দিকে হাঁ করে তাকিয়ে আছি। ‘আপনাদের পাঁচজনের ভিসা শুরু ২৪ জুলাই থেকে। একজনের ২৫ জুলাই। আপনারা যখন কোপেনহেগেন নামবেন. তখন সেখানে থাকবে ২৪ জুলাই। তার মানে আপনাদের মধ্যে একজন এন্ট্রি নিতে পারছেন না। দোষটা আপনাদের না। দোষটা সময় এবং গন্তব্যের।’‘তা...তা...তাহলে আমরা এখন কী করব?’ প্রশ্ন করল মুন। সে বেশি টেনশন করছে।মুনের এ বিষয়টি আমার খুব ভালো লাগে। মুন যখন বেশি টেনশনে করে. ফাম্বল করতে শুরু করে. তখন ছোট ছোট ঘামের বিন্দু এসে তার নাকের ডগায় জড়ো হতে থাকে। সবকিছু ভুলে মুগ্ধ হয়ে আমি তখন তার দিকে তাকিয়ে থাকি। বাইপ্রডাক্ট হিসেবে দেখা যায় তার ফাম্বল করা থেমে যায়। এখনো মুন ফাম্বল করছে আর ঘামছে। আমি তার দিকে তাকিয়ে রইলাম। ‘ঢং রাখো। এখন কী করব সেটা বলো’—ধমকের সুরে বলে মুন। তার ফাম্বল করা থেমে গেছে। আমি হাসি হাসি মুখে সাফকাত সাহেবের দিকে ঘুরে দাঁড়ালাম. ‘এখন আমরা কী করব?’‘চিন্তার কিছু নেই। আমি সব ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। আপনারা পরের ফ্লাইটে যাবেন।’এরপর থেকে বিদেশ যাওয়ার পরিকল্পনা হলেই আমরা চিন্তায় পড়ে যাই. নতুন কোনো সমস্যা হবে না তো? অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে. প্রতিবারই একটা না একটা সমস্যা হয়. আবার সেটা কেটেও যায়। একবার তো তিনটি লাগেজই হারিয়ে গেল। সেবারও ইউরোপ ট্যুর ছিল। এটা পরে বলছি। আগে দাওয়াত আর মুনের কাহিনি বলি। বিয়ের পরপর মুন একটি কাজ করত। খাবারদাবার রান্না করে সামনে বসে থাকত। খেতে শুরু করলে বলত. ‘ভালো হয়েছে না?’‘হ্যাঁ’ ছাড়া উত্তরের আর কোনো অপশন নেই।নিতান্ত অভদ্র না হলে কারও পক্ষে কি বলা সম্ভব. না ভালো হয়নি। খুবই বাজে হয়েছে।আমি ভদ্রলোক। আমি হাসি হাসি মুখে বললাম. চমৎকার হয়েছে। আর মনে মনে ভাবলাম. বাকি জীবন খাব কীভাবে? এখন অবশ্য মুন চমৎকার রাঁধে। একবার বাসায় ফিরছি. রাতে তখন প্রায় ১২টা বাজে। মুন টেবিলে খাবার সাজিয়ে বসে আছে। আমি খেতে বসলাম। মুন যত্ন করে তুলে দিচ্ছে. আমি খাচ্ছি।‘আরেকটা চিকেন নাও।’ বলে জোর করে দ্বিতীয় টুকরাটা আমার প্লেটে তুলে দিল মুন। আমি খুবই খুশি হলাম. মেয়েটা এখনো আমাকে কত ভালোবাসে।ভাবতে না ভাবতেই আরেকটি চিকেন আমার প্লেটে তুলে দিল সে। নাও না. খাও। আমি হাসি হাসিমুখে এটাও মেনে নিলাম। চতুর্থ টুকরাটা দিতে যাবে. আমি বিনয়ের সঙ্গে বাধা দিলাম। আর পারব না। সঙ্গে সঙ্গে খেপে গেল সে. ‘নাও না। তা না হলে আবার ফ্রিজে তোলার ঝামেলা।’ মুন খাওয়াতে পছন্দ করে। খুব একটা খেতে পছন্দ করে না। তাই কোথাও বেড়াতে গেলে আমরা সাধারণত দাওয়াত খাওয়াটা এড়িয়ে চলি। এবার পারা গেল না। রেজা-ফারাহদের বাসায় দাওয়াত খাওয়া দিয়ে শুরু হলো। আর শেষ হলো সাদাত-শার্লীনদের দিয়ে। মাঝখানে আরমান. ধ্বনি. স্বর্ণালী. সৈকত. নবী. ইমরান. ইমরুল. শফিক ভাই. ভাবি—এরা তো আছেই। আর আমাদের সব সময়ের যন্ত্রণার সর্বংসহা সঙ্গী হচ্ছে সোহেল আর পিংকি। সুইডেনের লুন্ড শহরের কেন্দ্রে চমৎকার খোলা জায়গায় শার্লীনদের বাড়ি। সামনে বিশাল খোলা প্রান্তর। একটি ছোট লেক। দূরে একটা খামারবাড়ি। সেখানে ঘোড়া চরছে। আমাদের আড্ডা যখন শেষ হলো. তখন রাত দুইটা বাজে। পুরো এলাকায় আমরাই শুধু চিৎকার–চেঁচামেচি করছি। শার্লীন বললেন. ইউরোপিয়ানরা এমনই। একটু আলাদা থাকতে পছন্দ করে। এ প্রতিযোগিতায় আরও একটু এগিয়ে থাকে সুইডিশরা। তারা চমৎকার করে বাড়িঘর সাজাবে. টেবিল লাইট জ্বালাবে. ডিম লাইট জ্বালাবে. মোমবাতি জ্বালাবে। টেবিলের ওপর এক তোড়া ফুল রাখবে। এরপর দুজন বসে চুপচাপ কফি খেতে থাকবে।বাঙালিদের সঙ্গে এটা একেবারেই যায় না। বাঙালি হলো আড্ডাবাজ এবং দলবদ্ধ। সেই জোকটা আবারও বলি। একবার এক রেস্টুরেন্টে পাঁচ বন্ধু গিয়ে চায়ের অর্ডার করল. এক কাপ চা দেন আর চারটা খালি কাপ দেন। খাওয়ার পর কাউন্টারে গিয়ে জিজ্ঞাসা করল. বিল কত। কাউন্টারে বসা ম্যানেজার বলল. বিল লাগবে না. কাপগুলো ধুয়ে দিয়ে যান।গল্পটা শুনে শার্লীন বললেন. আমরা এখানে এটাই মিস করি শামীম ভাই।(আমেরিকা থেকে)
1,573,069
2019-01-03
ইউমিডিজি ওয়ান ও ওয়ান প্রোতে তরুণদের আগ্রহ
null
অনলাইন ডেস্ক
null
https://www.prothomalo.com/technology/article/1573068/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%93-%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A3%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9
technology
online
3
মোবাইল ফোন
দেশের বাজারে সম্প্রতি উন্মোচন হওয়া ইউমিডিজি ব্র্যান্ডের নতুন দুই স্মার্টফোন পাওয়া যাচ্ছে রবিশপে। ‘ইউমিডিজি ওয়ান’ এবং ‘ওয়ান প্রো’ নামের ফোন দুটি এখন রবিশপে ফরমাশ দিলে ডেটা বান্ডেল অফার পাওয়া যাবে। এমনকি ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক সুবিধাও পেতে পারেন। এর আগে রাজধানীতে ফোন দুটি উন্মোচন করে গ্রাহকদের জন্য অফার ঘোষণা করে ইউমিডিজি ও রবি। ইউমিডিজি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম ওবায়দুল্লাহ বলেন. নতুন বছরে নতুন স্মার্টফোনের প্রতি তরুণের বরাবর আগ্রহ থাকে। সাইড ফিঙ্গারপ্রিন্ট. দ্রুতগতির ওয়্যারলেস চার্জার এবং এনএফসি সুবিধাসহ মিডরেঞ্জ বাজেটে পাওয়া যাচ্ছে ইউমিডিজি ওয়ান সিরিজের স্মার্টফোনগুলো। দুটি ডিভাইসেই ডিজাইনে বেশ নতুনত্ব আনা হয়েছে। ইউমিডিজি ওয়ান প্রো ফোনে রয়েছে ৫.৯ ইঞ্চি আইপিএস ডিসপ্লে এবং ৪ডি কার্ভ গ্লাস বডি। ১.৫ গিগাহার্টজ হেলিও অক্টাকোর পি২৩ ফোরএক্স কর্টেক্স-এ ৫৩ চিপসেটের প্রসেসর রয়েছে এতে। ৪ গিগাবাইট র‍্যামের পাশাপাশি এতে রয়েছে ৬৪ গিগাবাইট ইন্টারনাল মেমোরি। চাইলে মাইক্রো এসডি কার্ড দিয়ে ২৫৬ গিগাবাইট পর্যন্ত বাড়িয়ে নেওয়া যাবে। ছবি তোলার জন্য পেছনে রয়েছে ১২ ও ৫ মেগাপিক্সেল ডুলায় রিয়ার ক্যামেরা ও ফ্ল্যাশ। রয়েছে প্যানারোমা. ফেস রিকগনিশন ও রিয়েলটাইম ফিল্টার ফিচার। সেলফি ও ভিডিও চ্যাটের জন্য সামনে রয়েছে এফ/২.০ অ্যাপারচারসহ ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। ফোনটিতে ওয়্যারলেস চার্জিং ও ফাস্ট চার্জিং সুবিধাসহ রয়েছে দীর্ঘ ব্যাকআপ দিতে ৩৫৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। রয়েছে সাইড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর. ফোরজি. ব্লুটুথ. ডুয়েল সিম ব্যবহারের সুবিধা। ডিভাইসটিতে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে রয়েছে স্টক অ্যান্ড্রয়েড ৮.১। ইউমিডিজি ওয়ান ফোনে রয়েছে ৫.৯ ইঞ্চি আইপিএস ডিসপ্লে এবং ৪ডি কার্ভ গ্লাস বডি। ১.৫ গিগাহার্টজ হেলিও অক্টাকোর পি২৩ ফোরএক্স কর্টেক্স-এ ৫৩ চিপসেটের প্রসেসর রয়েছে এতে। ৪ গিগাবাইট র‍্যামের পাশাপাশি এতে রয়েছে ৩২ গিগাবাইট ইন্টারনাল মেমোরি। চাইলে মাইক্রো এসডি কার্ড দিয়ে ২৫৬ গিগাবাইট পর্যন্ত বাড়িয়ে নেওয়া যাবে। ছবি তোলার জন্য পেছনে রয়েছে ১২ ও ৫ মেগাপিক্সেল ডুলায় রিয়ার ক্যামেরা ও ফ্ল্যাশ। রয়েছে প্যানারোমা. ফেস রিকগনিশন ও রিয়েলটাইম ফিল্টার ফিচার। সেলফি ও ভিডিও চ্যাটের জন্য সামনে রয়েছে এফ/ ২.০ অ্যাপারচারসহ ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। ডিভাইসটিতে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে রয়েছে স্টক অ্যান্ড্রয়েড ৮.১। ফোনটিতে ফাস্ট চার্জিং সুবিধাসহ রয়েছে দীর্ঘ ব্যাকআপ দিতে ৩৫৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। এ ছাড়া ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর. ফোরজি. ব্লুটুথ. ডুয়েল সিম সুবিধা মিলবে ফোনটিতে। ইউমিডিজি ওয়ান ফোনের দাম ১৫ হাজার ৯৯০ এবং ওয়ান প্রোর দাম পড়বে ১৯ হাজার ৯৯০ টাকা।
1,573,068
2019-01-03
যেখানে জয়াসুরিয়ার সঙ্গে মাশরাফি
null
খেলা ডেস্ক
১০
https://www.prothomalo.com/sports/article/1573067/%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BF
sports
online
3
মাশরাফি বিন মুর্তজা|ক্রিকেট|রংপুর রাইডার্স|বিপিএল টি২০
নড়াইল-২ আসন থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েই মাশরাফি বিন মুর্তজা চলে এসেছেন ঢাকায়. বিপিএলকে সামনে রেখে পুরোদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। ক্রিকেট ইতিহাসে মাশরাফিই কি একমাত্র ক্রিকেটার যিনি খেলাকে পুরোপুরি বিদায় না জানিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন? ২৮ তারিখ পর্যন্ত নিজ এলাকায় জনসংযোগ করলেন। ৩০ তারিখের নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক ভোটে নড়াইল-২ আসনের সাংসদ হলেন। সাংসদ হয়েই ৫ তারিখ থেকে শুরু হতে যাওয়া বিপিএলের জন্য ঢাকায় চলে এলেন. পুরোদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন. জিম করলেন। আবার আজ সাংসদ হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য সংসদে পা রাখলেন তিনি। ৩০ তারিখের পর থেকে এভাবেই চলছে দেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার জীবন। কখনো তিনি ক্রিকেটার. কখনো তিনি জাতীয় সংসদে নিজ এলাকার নির্বাচিত প্রতিনিধি।ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়ার উদাহরণ আছে অনেক গুলিই। পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খান তো রাজনীতি করতে করতে গত বছর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীই হয়ে গেলেন। ক্রিকেটের পিচ থেকে রাজনীতির ‘স্পিচে’ আগ্রহী হয়ে ওঠার তালিকায় আরও রয়েছেন শ্রীলঙ্কার অর্জুনা রানাতুঙ্গা. সনৎ জয়াসুরিয়া. হাসান তিলকরত্নে. ভারতের মনসুর আলী খান পতৌদি. মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন. নভজোৎ সিং সিধু. বিনোদ কাম্বলি. মনোজ প্রভাকর. কীর্তি আজাদ. পাকিস্তানের সরফরাজ নাওয়াজ. আমির সোহেল প্রমুখ। ভারতের রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে নাম লিখিয়েছিলেন শচীন টেন্ডুলকারও। আমাদের দেশেও কিন্তু মাশরাফিই প্রথম ক্রিকেটার নন যিনি রাজনীতির ময়দানে পা রেখেছেন। ২০১৪ সাল থেকে মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ হিসেবে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় দেশের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক নাইমুর রহমান।কিন্তু এক দিকে সনৎ জয়াসুরিয়া ছাড়া বাকি সবার থেকে মাশরাফি কিন্তু আলাদা। সেটি কোন জায়গায়?সবাই রাজনীতির মাঠে নেমেছিলেন ক্রিকেটের ময়দান থেকে পুরোপুরিভাবে অবসর নেওয়ার পর। মাশরাফি আর জয়াসুরিয়াই এ ক্ষেত্রে উজ্জ্বল ব্যতিক্রম. খেলোয়াড় হিসেবে ক্রিকেটকে পুরোপুরি বিদায় জানানোর আগেই তাঁরা সংসদ সদস্য হয়েছেন। ২০১০ সালে নিজের এলাকা মাতারা থেকে শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টের সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন জয়াসুরিয়া। সাংসদ হওয়ার পরেও ২০১১ সাল পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার হয়ে টি-টোয়েন্টি আর ওয়ানডে খেলে গেছেন তিনি। খুলনা রয়্যাল বেঙ্গলস. রুহুনা রাইনোস ও কান্দুরাতা ওয়ারিয়র্সের হয়ে খেলেছেন ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি। এদিকে নড়াইল-২ আসন থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েই বিপিএলের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছেন মাশরাফি। এই টুর্নামেন্টে তিনি তো রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক।রাজনীতিতে নেমেই বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক। তবে এখনো ক্রিকেটার পরিচয়টাই অগ্রাধিকার পাচ্ছে মাশরাফির কাছে। নির্বাচনের মাত্র দুই দিনের মধ্যে নিজ এলাকা আর ভোটারদের ছেড়ে ঢাকায় ফেরার সেটিই কারণ। ঢাকা ফেরার পথে কাল মুঠোফোনে মাশরাফি বলছিলেন. ‘কাল (আজ) থেকে বিপিএলে আমাদের অনুশীলন শুরু হওয়ার কথা। আমি চাচ্ছি অনুশীলনের শুরু থেকে দলের সঙ্গে থাকতে। খেলাটাই তো আমার পেশা।’বিপিএলের অনুশীলনে জাতীয় দলের মতো কড়াকড়ি নেই। মাশরাফি তাতে এক-দুই দিন পর যোগ দিলেও কারও কিছু বলার ছিল না। কিন্তু খেলার মাঠে সেরাটা দিতে হলে যে অনুশীলনের বাইরেও কিছু করতে হয়! মাশরাফি যেমন এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন নিজের খেলাকেই। তা ছাড়া একজন খেলোয়াড় মাঠ থেকে কত দিন আর দূরে থাকতে পারেন! মাশরাফির রক্তেও নির্বাচন শেষ হতেই ফুটতে শুরু করেছে ক্রিকেট. ‘আগে যেভাবে খেলেছি. অনুশীলন করেছি...এখনো সেভাবেই সময়মতো সবকিছু করব। ফিটনেসের ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। আমার শরীরের অবস্থা তো আর সবার মতো নয়। কাজেই এটার ওপর জোর দিতেই হবে।’
1,573,067
2019-01-03
ওমানে প্রবাসী ফুটবল টুর্নামেন্ট
চট্টগ্রাম এফসি চ্যাম্পিয়ন
বাবলু চৌধুরী. ওমান থেকে
null
https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1573066/%E0%A6%93%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80-%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%AC%E0%A6%B2-%E0%A6%9F%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F
durporobash
online
3
null
ওমানে প্রবাসীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত প্রবাসী সেভেন স্টার টুর্নামেন্টে বাংলাদেশি দল চট্টগ্রাম এফসি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ফাইনালে চট্টগ্রাম এফসি ৩-১ গোলে ভারতীয় প্রবাসীদের দল কালা এফসিকে পরাজিত করে এই গৌরব অর্জন করে। গত ২০ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) ওমানের প্রাচীন শহর ইস্কিতে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। চ্যাম্পিয়ন চট্টগ্রাম এফসির গোলরক্ষক ইমতিয়াজ ইসলাম সেরা খেলোয়াড় ও একই দলের স্ট্রাইকার রাহাদুল ইসলাম ৫ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। টুর্নামেন্টে দুটি গ্রুপে ভারতীয় প্রবাসীদের ছয়টি ও বাংলাদেশি প্রবাসীদের চারটি দল অংশ নেয়। দলগুলো হচ্ছে বেঙ্গল টাইগার এফসি. নিজুয়া এফসি. কারসা এফসি. সিরিয়া এফসি. বারকা আল মুজ ইয়ং স্টার. চট্টগ্রাম এফসি ওমান. কালা এফসি. চিটাগাং ফ্রেন্ডস গ্রুপ. জালান বুওয়ালি এফসি ও আল হামরা এফসি। দলের খেলোয়াড়েরা বেশির ভাগই ছিলেন প্রবাসী শিক্ষার্থী। ওমানপ্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ইবনে মিজান রুবেল প্রধান অতিথি ও ওমানী ব্যবসায়ী আহমেদ আলী সাইদ আল আমরি বিশেষ অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করেন। চ্যাম্পিয়ন দলকে ট্রফি ও নগদ ১৫০ ওমানী রিয়াল এবং রানার আপ দলকে ট্রফি ও নগদ ৫০ ওমানী রিয়াল দেওয়া হয়। অনুভূতি জানাতে গিয়ে চ্যাম্পিয়ন চট্টগ্রাম এফসির অধিনায়ক অন্তু চৌধুরীর বলেন. এই অর্জনের মধ্য দিয়ে প্রবাসে দেশ ও চট্টগ্রামের সুনাম বাড়াতে অবদান রাখতে পেরে আমরা খুব আনন্দিত। এই ধারা ধরে রাখতে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এই অর্জনের জন্য চট্টগ্রাম এফসিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে চট্টগ্রাম সমিতি ওমান। শুভেচ্ছা বার্তায় সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াছিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী তাপস বিশ্বাস বলেন. আমরা তাদের নিয়ে গর্ব করতে পারি। তারা চট্টগ্রামের মুখ উজ্জ্বল করেছে।... বাবলু চৌধুরী: প্রচার সম্পাদক. চট্টগ্রাম সমিতি ওমান।
1,573,066
2019-01-03
ইন্দোনেশীয় সেলুন ও পান দোকানি
null
নাঈম হাবিব. জার্মানি থেকে
null
https://www.prothomalo.com/durporobash/article/1573065/%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
durporobash
online
3
null
ইউরোপ থেকে এশিয়ার কোনো দেশে বেড়াতে গেলে সর্বপ্রথম যে কাজটা করি. তা হলো মাথার চুল ছাঁটানো। হয়তো বলবেন. কেন. ইউরোপে কি চুল ছাটানোর সেলুন নেই? আসলে ব্যাপারটা ঠিক তা নয়। আছে। আধুনিক. মডার্ন ও উন্নতমানের অনেক সেলুন আছে জার্মানিতে। আর যারা চুল কাটেন তারা যেমন তেমন কারিগর নন। রীতিমতো কয়েক বছর চুল কাটার প্রশিক্ষণ নিতে হয়। দলিল আছে সবার। এখানে এদের কারিগর. আর্টিস্ট ইত্যাদি ইত্যাদি বলা হয়ে থাকে। জার্মানিতে আমার প্রথম চুল ছাঁটানোর অভিজ্ঞতা ছিল খুবই খারাপ। সেলুনের মোটা করে সুন্দরী জার্মান নারী চুল কাটলেন আমার। কিছু সময় মেশিন দিয়ে আর কিছুক্ষণ কাঁচি দিয়ে কাটলেন। তবে চিরুনি ব্যবহার করলেন না। আর সেখানেই আমার যত সন্দেহের সৃষ্টি। চুল কাটলেন না তিনি আমার চুল ধরে টানাটানি করলেন? কিছুই বুঝতে পারলাম না। সর্বশেষ অবস্থা এতই করুণ ছিল যে কয়েক সপ্তাহ আয়নায় নিজের চেহারা পর্যন্ত দেখিনি। ইন্দোনেশিয়ায় ঘুরতে গিয়ে পরিচয় হলো ইদ্রিসের সঙ্গে। বুকিটিংগি শহরের সেলুন দোকানি ইদ্রিস। মানুষের চুল কাটেন প্রায় এক যুগ ধরে। নিজের দোকানের পাশেই নিজের বউকে করে দিয়েছেন পানের দোকান। জামাই বউ পাশাপাশি দোকানদার। আমি বাংলাদেশের শুনতেই ইদ্রিসের বউ নুরিয়ানী ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা পানি খাওয়ালেন। মূল্য নিতে চাইলেন না। সদা হাস্যোজ্জ্বল ইদ্রিস পরিবার। চুল ছাঁটতে ছাঁটতে অনেক গল্প হলো আমাদের। ইন্দোনেশিয়া. বাংলাদেশ ও জার্মানির সামাজিক রাজনৈতিক কোনো বিষয়ই বাদ পড়েনি গল্পে। ইদ্রিস–নুরিয়ানীর দুই সন্তান। বড় ছেলে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ে। ডিপ্লোম্যাটিক হতে চায়। ছোট ছেলে গিটারিস্ট। সারা দিন গিটার নিয়ে পড়ে থাকে। মিউজিশিয়ান হতে চায়। ছেলে দুইটাকে মানুষের মতো মানুষ করা ছাড়া ইদ্রিস ও নুরিয়ানীর আর তেমন কোনো বিশেষ চাওয়া নেই এই জীবনে। এক কথায় ইদ্রিস নুরিয়ানী সুখী দম্পতি। দুই সন্তানের একটি সুখী পরিবার। বকর আলী কফি বিক্রেতা। রাতে মোটরসাইকেলে করে ইন্দোনেশিয়ার রাস্তায় রাস্তায় কফি বিক্রি করেন। দিনের বেলা প্রাইভেট টুরিস্ট গাইড হিসেবে কাজ করেন। বকর ভাই ভালো ইংরেজি বলতে পারেন। নিজের বিজনেস কার্ড হাতে ধরিয়ে বললেন. আগ্নেয়গিরি দেখার ট্যুরে যেতে চাইলে কল দেবেন। বকর ভাইয়ের গরম কফি খেতে খেতে নানান কল্পনা জল্পনা মনে ধরল। এক যুগেরও বেশি সময় পার করে ফেললাম পরবাসে। কতবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি সব ছেড়ে চলে যাব দেশে। আপন দেশে বসবাস করব। আপন দেশে কাজকর্ম করে খাব। আপন দেশে শান্তিতে মরব। কিন্তু প্রতিবারই মনের মধ্যে প্রশ্ন জেগেছে. দেশে গিয়ে কী করব? কী খাব? কাজকর্ম পাব কি? জনসংখ্যা বহুল বাংলাদেশে যেখানে মানুষ দৈনন্দিন বিদেশ পালানোর পথ খুঁজছেন সেখানে জার্মানি ছেড়ে আপন দেশে শান্তি আছে কি?তারপরও ইন্দোনেশিয়ার ইদ্রিস পরিবার ও বকরের কাছে জীবনের কিছু অনুপ্রেরণা পেলাম।... নাঈম হাবিব: জার্মানি. ইমেইল: <[email protected]>
1,573,065
2019-01-03
মিরাজই রাজশাহী কিংসের অধিনায়ক
null
খেলা ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/sports/article/1573064/%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%95
sports
online
3
মেহেদী হাসান মিরাজ|ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|রাজশাহী কিংস
আগামী পরশু থেকে বিপিএল শুরু হলেও এত দিন অধিনায়কের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি রাজশাহী কিংস কর্তৃপক্ষ। আজ জানা গেল. এই মৌসুমে রাজশাহী কিংসের অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়েছে অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজকে। দলে দেশীয় তারকাদের মধ্যে রয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান. সৌম্য সরকার. মমিনুল হক। বিদেশি তারকাদের মধ্যে দলে আনা হয়েছে পাকিস্তানের মোহাম্মদ হাফিজ. নেদারল্যান্ডসের রায়ান টেন ডেসকাট. শ্রীলঙ্কার ইসুরু উদানা ও সেকুগে প্রসন্নেসহ বেশ কিছু ক্রিকেটারকে। তবে রাজশাহী কিংসের অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজকেই। মিরাজ যে নেতৃত্ব প্রদানে একদমই আনকোরা তা কিন্তু নন। বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ দলে নেতৃত্ব দিয়ে ইতিমধ্যেই বেশ নাম কামিয়েছিলেন তিনি। দেশের ভবিষ্যৎ অধিনায়ক হিসেবে বেশ কয়েক বছর ধরেই মিরাজকে তৈরি করা হচ্ছে। আসন্ন বিপিএলে রাজশাহী কিংসের মতো এক ফ্র্যাঞ্চাইজির অধিনায়ক হওয়াটা মিরাজের উন্নতির পক্ষে অনেক সহায়ক হবে. এমনটাই মনে করা হচ্ছে। দলের সহ অধিনায়ক করা হয়েছে সৌম্য সরকারকে। দলের কোচ হিসেবে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক বিধ্বংসী অলরাউন্ডার ল্যান্স ক্লুজনার। ক্লুজনার-মিরাজ জুটি এই মৌসুমে রাজশাহীকে কী এনে দেয়. দেখার বিষয় সেটাই।
1,573,064
2019-01-03
ইসিতে স্মারকলিপি দিল ঐক্যফ্রন্ট
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
৩২
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573062/%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B2-%E0%A6%90%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F
bangladesh
online
3
একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট|নির্বাচন কমিশন|আওয়ামী লীগ|বিএনপি
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে অবিলম্বে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) স্মারকলিপি দিয়েছ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে সাত সদস্যর একটি প্রতিনিধি দল আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ইসিতে স্মারকলিপি জমা দেয়। পরে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন. ‘নির্বাচনের নামে জাতির সঙ্গে তামাশা করা হয়েছে। দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’ ঐক্যফ্রন্টের জয়ীরা শপথ নেবেন কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন. ‘আমরা ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছি। শপথ নেওয়ার প্রশ্ন আসবে কেন?’ যেখানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন সেখানে কারচুপি হয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন. ‘সেগুলোতেও ডাকাতি হয়েছে. তবে তারা কুলিয়ে উঠতে পারেনি।’ পরে সাংবাদিকদের স্মারকলিপি পড়ে শোনান মির্জা ফখরুল। স্মারকলিপিতে তারা অভিযোগ করেছে. নির্বাচনের আগের রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের সহায়তার আওয়ামী লীগের কর্মী ও সন্ত্রাসী বাহিনী ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ ভোট কেটে ব্যালট বাক্স ভর্তি করে। এর আগে দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির মহাসচিব সাংবাদিকদের বলেন. একাদশ জাতীয় সংসদে যোগ দিচ্ছে না বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তখন তিনি বলেন. ‘শপথ তো পার হয়ে গেছে. শপথ নেব কোথায়? প্রত্যাখ্যান করলে আবার শপথ থাকে নাকি? আমরা শপথ নিচ্ছি না।’ তিনি অভিযোগ করেন. নির্বাচনের নামে নিষ্ঠুর প্রতারণা ও প্রহসন করা হয়েছে। এ কারণে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছে। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পায় আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসনে জয়লাভ করে। আওয়ামী লীগ একাই জিতেছে ২৫৭টি আসনে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় দলটি টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭টি আসন। বিএনপি এককভাবে পেয়েছে ৫টি। নির্বাচনে এককভাবে ২২টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হয়েছে জাতীয় পার্টি। আজ সকালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠানে শুরুতে শপথ নেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। পরে সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। শপথ নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা। এঁদের মধ্যে সাজেদা চৌধুরী. মতিয়া চৌধুরী. আমির হোসেন আমু. তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ ছিলেন। পরে সাংসদেরা শপথের কাগজে সই করেন। আওয়ামী লীগের সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর জাসদ. ওয়ার্কার্স পার্টি. তরিকত ফেডারেশন. জাতীয় পার্টি-জেপির সদস্যরা শপথ নেন। এরপর জাতীয় পার্টির সদস্যরা শপথ নেন। আরও পড়ুন:বৈঠক শেষ. বিকেলে ইসিতে যাবে ঐক্যফ্রন্ট
1,573,062
2019-01-03
বিপিএলে কার হাতে কেমন অস্ত্র?
null
খেলা ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/sports/article/1573061/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%A8-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0
sports
online
3
ক্রিকেট|বিপিএল টি২০|মাশরাফি বিন মুর্তজা
বিপিএল মানেই ঢাকার রাজত্ব। বর্তমানে ডায়নামাইটস নামে খেলা এ ফ্র্যাঞ্চাইজি বিপিএলের শিরোপা জিতেছে তিনবার। গতবার হয়েছে রানার্সআপ। আর যেবার সেরা দুইয়ে থাকতে পারেনি. সেবারও প্লে অফ খেলেছে এ দলটি। ব্যক্তিগতভাবে মাশরাফি বিন মুর্তজা অবশ্য আরও সফল। তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মাশরাফি। তাই বিপিএলে সাফল্য পেতে চাইলে দুটি বিষয় নিশ্চিত করা ভালো—হয় দলের নামের সঙ্গে ঢাকা শব্দটা জুড়ে দিতে হবে. অথবা দলে থাকতে হবে একজন মাশরাফি! ভাগ্যিস. এভাবে ভাবছে না বিপিএলের বাকি ফ্র্যাঞ্চাইজি গুলি। ষষ্ঠ বিপিএল জয়ের জন্য সবাই দল গড়েছেন নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী। এবারের বিপিএলে মহাতারকার সংখ্যাও তাই বেড়েছে। ক্রিস গেইল তো প্রথম বছর থেকেই বিপিএলের সঙ্গী। এ বছর এবি ডি ভিলিয়ার্স ও ডেভিড ওয়ার্নার থাকছেন বিপিএলে। ষ্টিভেন স্মিথকে নিয়ে প্রথমে কিছুটা শঙ্কা থাকলেও বিপিএলের বৃহত্তর স্বার্থে তাঁর বিলম্বিত অন্তর্ভুক্তিও মেনে নেওয়া হয়েছে। যাদের এমন মহা তারকা নেই তারা দেশি তারকা ও বিদেশি কার্যকর খেলোয়াড় নিয়ে নামছে শিরোপার লড়াইয়ে। চলুন দেখে নেওয়া যাক এবারের বিপিএলে কোন দল কেমন হলো— রংপুর রাইডার্স: * বর্তমান চ্যাম্পিয়ন. পঞ্চমবারের মতো অংশ নিচ্ছে* অধিনায়ক: মাশরাফি* দলের শক্তিশালী দিক: টপ অর্ডার ও পেস বোলিং ব্যাটসম্যান: ক্রিস গেইল. এবি ডি ভিলিয়ার্স. অ্যালেক্স হেলস. মেহেদী মারুফ. মোহাম্মদ মিঠুন. রাইলি রুশো. নাদিফ চৌধুরী. ফারদীন হাসান।পেসার: মাশরাফি বিন মুর্তজা. আবুল হাসান. শেলডন কটরেল. শফিউল ইসলাম. ওশান থমাস।স্পিনার: নাজমুল ইসলাম অপু. নাহিদুল ইসলাম. সোহাগ গাজী।অলরাউন্ডার: রবি বোপারা. ফরহাদ রেজা. বেনি হাওয়েল. শন উইলিয়ামস। ঢাকা ডায়নামাইটস: * বর্তমান রানার্সআপ. তিনবারের চ্যাম্পিয়ন. ষষ্ঠবারের মতো অংশ নিচ্ছে* অধিনায়ক: সাকিব* দলের শক্তিশালী দিক: অলরাউন্ডার ব্যাটসম্যান: ইয়ান বেল. হজরতউল্লাহ জাজাই. মিজানুর রহমান. মোহাম্মদ নাইম. নুরুল হাসান সোহান. রনি তালুকদার।পেসার: অ্যান্ড্রু বার্চ. মোহর শেখ. রুবেল হোসেন. কাজী অনিক. শাহাদাত হোসেন। স্পিনার: আসিফ হাসান. সুনীল নারাইন।অলরাউন্ডার: সাকিব আল হাসান. কাইরন পোলার্ড. রোভম্যান পাওয়েল. আন্দ্রে রাসেল. শুভাগত হোম। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস: * একবার চ্যাম্পিয়ন. চতুর্থবারের মতো অংশ নিচ্ছে* অধিনায়ক: তামিম* দলের শক্তিশালী দিক: টপ অর্ডার ও অলরাউন্ডার ব্যাটসম্যান: স্টিভ স্মিথ. তামিম ইকবাল. এনামুল হক. ইমরুল কায়েস.এভিন লুইস. মেহেদি হাসান. শামসুর রহমান।পেসার: আবু হায়দার. মোহাম্মদ শহীদ. ওয়াকার সালামখিল। স্পিনার: লিয়াম ডসন. মোশাররফ হোসেন. সনজিত সাহা।অলরাউন্ডার: শহীদ আফ্রিদি. শোয়েব মালিক. আমির ইয়ামিন. মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন. থিসারা পেরেরা. জিয়াউর রহমান। খুলনা টাইটানস: * সেরা সাফল্য: প্লে অফ (তিনবার). পঞ্চমবারের মতো অংশ নিচ্ছে* অধিনায়ক: মাহমুদউল্লাহ* দলের শক্তিশালী দিক: বোলিং ব্যাটসম্যান: আল আমিন. জহুরুল ইসলাম. জুনায়েদ সিদ্দিক. ডেভিড মালান. নাজমুল হোসেন শান্ত. মাহিদুল ইসলাম. পল স্টারলিং. ব্রেন্ডন টেলর। পেসার: আলী খান. লাসিথ মালিঙ্গা. শরিফুল ইসলাম. সুবাশিষ রায়।স্পিনার: তাইজুল ইসলাম. ইয়াসির শাহ. তানভীর ইসলাম. জহীর খান।অলরাউন্ডার: মাহমুদউল্লাহ. কার্লোস ব্রাফেট. আরিফুল হক. ডেভিড ভিসে। সিলেট সিক্সারস: * সেরা সাফল্য: প্লে অফ. পঞ্চমবারের মতো অংশ নিচ্ছে* অধিনায়ক: ওয়ার্নার* দলের শক্তিশালী দিক: টপ অর্ডার ও পেস বোলিং ব্যাটসম্যান: ডেভিড ওয়ার্নার. লিটন দাস. আফিফ হোসেন. আন্দ্রে ফ্লেচার. জাকের আলী. সাব্বির রহমান. নিকোলাস পুরান. তৌহিদ হৃদয়।পেসার: আল আমিন হোসেন. প্যাট ব্রাউন. এবাদত হোসেন. গুলবাদিন নাইব. মেহেদী হাসান রানা. মোহাম্মদ ইরফান. সোহেল তানভীর. তাসকিন আহমেদ।স্পিনার: ফ্যাবিয়ান অ্যালেন. ইমরান তাহির. সন্দীপ লামিচানে. নাবিল সামাদ।অলরাউন্ডার: অলক কাপালি. মোহাম্মদ নওয়াজ. নাসির হোসেন। রাজশাহী কিংস: * সেরা সাফল্য: রানার্সআপ. পঞ্চমবারের মতো অংশ নিচ্ছে* অধিনায়ক: মিরাজ* দলের শক্তিশালী দিক: টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান: সৌম্য সরকার. লরি ইভানস. ক্রিস্টিয়ান ইয়ংকার. ফজলে মাহমুদ. মুমিনুল হক. মার্শাল আইয়ুব. জাকির হাসান।পেসার: কামরুল ইসলাম. মোস্তাফিজুর রহমান. ইসুরু উদানা।স্পিনার: আরাফাত সানী. কায়েস আহমেদ।অলরাউন্ডার: আলাউদ্দীন বাবু. মেহেদী হাসান মিরাজ. সেকুগে প্রসন্ন. মোহাম্মদ হাফিজ. রায়ান টেস ডেসকাট। চিটাগং ভাইকিংস: * সেরা সাফল্য: রানার্সআপ. ষষ্ঠবারের মতো অংশ নিচ্ছে* অধিনায়ক: মুশফিক* দলের শক্তিশালী দিক: টপ অর্ডার ও অলরাউন্ডার ব্যাটসম্যান: মুশফিকুর রহিম. মোহাম্মদ আশরাফুল. মোহাম্মদ শেহজাদ. নজীবুল্লাহ জাদরান. লুক রনকি. মোসাদ্দেক হোসেন. সাদমান ইসলাম. ইয়াসির আলী।পেসার: আবু জায়েদ রাহী. রবিউল হক. খালেদ আহমেদ।স্পিনার: নিহাদুজ্জামান. নাঈম হাসান. সানজামুল ইসলাম।অলরাউন্ডার: ক্যামেরন ডেলপোর্ট. রবি ফ্রাইলিঙ্ক. সিকান্দার রাজা. দাসুন শানাকা।
1,573,061
2019-01-03
পিপলস লিজিংয়ের সাবেক দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
null
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573060/%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%B8-%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%B9-%E0%A7%AB-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87
bangladesh
online
3
আইন ও বিচার|দুদক|মামলা|অপরাধ|দুর্নীতি
আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিংয়ের সাড়ে ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক পরিচালকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় মামলাটি করেন সংস্থার সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক। দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য প্রথম আলোকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। প্রণব ভট্টাচার্য বলেন. অন্যায়ভাবে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিয়ম-নীতি অমান্য করে কোনো জামানত ছাড়াই ওই অর্থ তুলে নেওয়া হয়। এ ছাড়া ঋণচুক্তিপত্রের শর্ত ভঙ্গ করে পরস্পর যোগসাজশে ওই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। ২০০৫ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে জালিয়াতির এ ঘটনা ঘটে।মামলায় আসামি করা হয়েছে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের সাবেক পরিচালক বিশ্বজিৎ কুমার রায়. সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. হেলাল উদ্দিন. বিশ্বজিৎ রায়ের স্ত্রী শিল্পী রানী রায়. ভাই ইন্দ্রজিৎ কুমার রায় ও আত্মীয় রণবীর কুমার রায়কে।মামলার এজাহারে বলা হয়. দুদকের অনুসন্ধান ও পিপলস লিজিংয়ের নথিপত্র পর্যালোচনায় প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের যোগসাজশ প্রমাণ হয়েছে। তাঁরা নিজেরা লাভবান হওয়ার জন্য পরিচালকের যোগসাজশে ভুয়া এই ঋণ দিয়েছেন। এতে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. হেলাল উদ্দিন. সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক দলিল উল হক ও মহাব্যবস্থাপক আ ন ম তারিক চৌধুরী ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। তবে দলিল উল হক ও আ ন ম তারিক চৌধুরী মারা যাওয়ার কারণে তাঁদের মামলায় আসামি করা হয়নি।
1,573,060
2019-01-03
নৌকাটা কেমন আছে?
null
অনলাইন ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/international/article/1573059/%E0%A6%A8%E0%A7%8C%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%9B%E0%A7%87
international
online
3
অস্ট্রেলিয়া|এশিয়া|ভ্রমণ
নয় বছর আগে সাগরপথে বিশ্বভ্রমণের বাসনা নিয়ে সাগরে নেমেছিল মার্কিন কিশোরী অ্যাবি সান্ডারল্যান্ড। তখন তার বয়স ছিল ১৬ বছর। তবে ঝড়ের মুখে পড়ে তার সেই স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ছোট যে পালতোলা নৌকা নিয়ে সে সাগরে নেমেছিল. সেটা ডুবে গিয়েছিল। মজার ব্যাপার হলো. গত সোমবার সেই ছোট নৌকাটির দেখা মিলেছে। পুলিশ জানিয়েছে. দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র ক্যাঙারু আইল্যান্ড থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে একটি উড়োজাহাজ থেকে কর্তৃপক্ষ নৌকাটি শনাক্ত করেছে। এক বিবৃতিতে বর্তমানে ২৫ বছর বয়সী সান্ডারল্যান্ড বলেন. ‘আমার হৃদয়টা কেমন যেন লাফিয়ে উঠছে। ভালো-খারাপ পুরোনো অনেক স্মৃতি মনে পড়ে গেল। তারপরও এত দিন পর নৌকাটা কেমন আছে. দেখতে মন চাইছে।’ সান্ডারল্যান্ড ২০১০ সালে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে সমুদ্রপথে যাত্রা করে। এর পাঁচ মাস পর তার নৌকা ভারত মহাসাগরের ৩০ ফুট উঁচু ঢেউয়ের তোড়ে ডুবে যায়। ওই কিশোরী তখন ২০ ঘণ্টা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন ছিল। এ সময় পার্থ থেকে উড়ে যাওয়া একটি উড়োজাহাজ তাকে সমুদ্রে দেখতে পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে উদ্ধারের ব্যবস্থা করে। অ্যাবি সান্ডারল্যান্ডকে আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া উপকূল থেকে ৩ হাজার ২২০ কিলোমিটারেরও দূর থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। একটি ফরাসি জাহাজ তাকে উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর তাকে মাদাগাস্কারের কাছে ফ্রান্সের অধীন রিইউনিয়ন দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে পরিবারের কাছে ফিরে যায় সে। এর আগে ২০০৯ সালে ১৭ বছর বয়সে সান্ডারল্যান্ডের ভাই জ্যাক সমুদ্রপথে একা বিশ্বভ্রমণ করেছিল। স্যান্ডারল্যান্ড সেই রেকর্ড ভাঙতে সমুদ্রপথে যাত্রা শুরু করেছিল। তবে তাকে এভাবে একা ভ্রমণের অনুমতি দেওয়ায় সে সময় তার পরিবারের কড়া সমালোচনা করেছিল অনেকে। সে বছর সান্ডারল্যান্ড ব্যর্থ হলেও ১৬ বছর বয়সী অস্ট্রেলিয়ার মেয়ে জেসিকা ওয়াটসন সমুদ্রপথে একা বিশ্বভ্রমণের রেকর্ড করেছিল।
1,573,059
2019-01-03
জ্বলে শুধু ধূপ
null
দিলারা সামস্ দিলু
null
https://www.prothomalo.com/bondhushava/article/1573063/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A7%E0%A7%81-%E0%A6%A7%E0%A7%82%E0%A6%AA
bondhushava
online
3
কবিতা
শব্দের আড়ালে জীবননিঃশব্দে খুঁজে ফিরি ভোরের শিশিরগাঁথি মালা ঝিনুক স্বপ্নের ধূপছায়া আঁধারে জোনাক চাদর জড়িয়েনিঃসঙ্গ একা চলি পায়ে পায়েঅনুভবে কাছে পাই আনন্দ সুখলিপি নক্ষত্রের গায়ে। স্মৃতির রণেুতে কার্তিকের ফসলি তাপ পুড়েকাঁচা পাকা সোনা ধানে অঘ্রানের মাঠজুড়েসাথি সোনাঝুরি একরাশ সুখ-কাঁদে নিশির শিশিরে ।
1,573,063
2019-01-03
হজা ভাই
প্রথম বেলা– ১
দন্ত্যস রওশন
null
https://www.prothomalo.com/bondhushava/article/1573054/%E0%A6%B9%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%87
bondhushava
online
3
গল্প
আমাদের বাড়ির সামনে হজা ভাইয়ের সঙ্গে দেখা হলো। হজা ভূঁইয়া। বাম হাতে লাঠি। তিনি তাঁর বাড়ির দিকে যাচ্ছেন। গায়ে সোয়েটার। তার ওপরে জ্যাকেট। চুল. দাড়ি. গোঁফ সবই কাঁচা-পাকা। আমরা যখন ছোট. তখন হজা ভাই নৌকা চালাতেন। নৌকার মাঝি। আমরা বলতাম. ‘কেরাই নাও।’ বিশেষ করে বর্ষায় নৌকা ছাড়া উপায় ছিলে না। তারপর আস্তে আস্তে বর্ষা কমে আসতে লাগল। কাশিয়াখালী নামক জায়গায় দেওয়া হলো বেড়িবাঁধ। পদ্মা নদীর মুখ বন্ধ হয়ে গেল। ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যেতে লাগল আমাদের প্রাণের ইছামতী নদী। বর্ষাকাল মানেই পুরো গ্রামে পানি। বাড়িগুলো যেন ছোট ছোট দ্বীপ। এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়ি যেতে লাগে নৌকা। আমাদের ছিল একটি ‘কোষা’ নৌকা। সেই নৌকায় আমরা এবাড়ি-ওবাড়ি যেতাম। সেই নৌকা নিয়ে যেতাম দাউদপুর বাজারে কিংবা বারুয়াখালী অথবা বান্দুরা হাটে। যাদের নৌকা ছিল. তাদের বড়লোকই বলা হতো। সচ্ছল। আর যাদের নৌকা ছিল না. বর্ষাকালে তারা একরকম বন্দীই থাকত বাড়িতে। অন্যের নৌকায় হাট-বাজারে যেত। আমরা চার–পাঁচজন মিলে নৌকা বেয়ে যেতাম শিকারীপাড়া স্কুলে। আমাদের গ্রাম বকচর থেকে চার কিলোমিটার দূরে। সবার হাতেই থাকত বইঠা। নৌকা নিয়ে নির্ধারিত সময়ে আমাদের স্কুলে পৌঁছাতে হতো। হজা ভাইয়ের সঙ্গে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বলছিলাম। তিনি আমার বাঁ হাত ধরে টেনে রাস্তার পাশে দাঁড় করালেন। আমাদের পাশ কেটে একটি ইজিবাইক চলে গেল। কিছুক্ষণ পরে আবার আমাদের পাশ দিয়ে ধুলো উড়িয়ে চলে গেল একটি নতুন মোটরসাইকেল। তারপর পাশ কেটে চলে গেল একটি দেড় টনি ট্রাক।মনে পড়ল আমার ছোটবেলার কথা। আমাদের বাড়ির সামনে এই রাস্তা দিয়ে রাখালেরা গরু-বাছুর চরাতে নিয়ে যেত দূরের মাঠে। আবার গরুর পাল নিয়ে ফিরে আসত গোধূলি বেলায়। গরুর পালের পেছনে পেছনে থাকত দু–চারটি ভেড়া। ওদের গলায় কোনো দড়ি থাকত না। ওরা নেচে নেচে গরুর পালের পেছনে ছুটত।সে সময় গ্রামের সরু রাস্তাগুলোকে বলতাম হালট। হালট শব্দটি ঢেঁকি শব্দের মতো বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এখন বলি রাস্তা। জানা গেল আমাদের বাড়ির সামনের রাস্তাটি পাকা হবে। ইট বিছানো হবে। এখন কেউ কেউ রাস্তাটিকে সড়ক বলে। একসময় সড়ক শব্দটিও হয়তো উঠে যাবে। রাস্তাটির নাম হবে হয়তোবা বকচর রোড। হজা ভাই আমাদের বাড়ির দিকে আঙুল তুলে বললেন. ‘বাড়িটা মেরামত করো। নতুন ঘরটর দেও। খারাপ দেখা যায়।’ আমাদের বাড়িটির নড়বড়ে অবস্থা। কখন যেন ভেঙে পড়ে!হজা ভাইয়ের কথা শুনে লজ্জা পেলাম। আধা ঘণ্টা আগেই আমি আমার ১০ বছরের ছেলেকে নিয়ে প্রায় পুরো গ্রাম চক্কর দিয়েছি। ৮০ শতাংশ বাড়িতেই পাকা ঘর। অ্যাটাচ বাথরুম। টয়লেট. ছোট একটি গ্রামে তিনটি দোতলা বাড়ি। আমার দেখা ছোটবেলায় সেই বাড়িগুলো ছিল শণ দিয়ে ছাওয়া বা টিনের ঘর। গ্রামে আমরা কয়েক ‘ঘর’ ছিলাম ভদ্রলোক। সেই সময়ের ভদ্রলোকের একটা ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন। যাঁরা চাকরি করতেন. তাঁদের বলা হতো ভদ্রলোক বা মিয়া। আমরা ছিলাম মিয়াদের দলে।আর যাঁরা ছিলেন দিনমজুর বা কামলা কৃষক. চাষি. তাঁদের সেই দলে ফেলা হতো না। হজা ভাইকে বললাম. ‘কেমন আছেন?’ ‘ভাই. দুই পায়ে ব্যথা. হাঁটতে পারি না। জানোই তো পাঁচ বছর ধইরা বইসা পেশাব করতে পারি না। দাঁড়াইয়া কাম সারতে অয়। কী করুম। কী অসুখ যে হইল। মিটফোর্ড হাসপাতালে গেছিলাম কয়েকবার। কাজ অয় নাই। বসতে পারি না।’ হজা ভাইয়ের স্ত্রী মারা গেছেন কয়েক বছর হলো। দুই ছেলে বিবাহিত। এক ছেলে মধ্যপ্রাচ্যে। আরেক ছেলে ঢাকার একটি ছোটখাটো হোটেলে কাজ করেন। বললাম. ‘থাকেন কার কাছে?’‘আর বইল না. ভাই। ভাতের অভাব নাই। যে বাড়িতেই যাই. খাওন দেয়। কিন্তু আমারে দেহার কেউ নাই।’ হজা ভাই লাঠি ভর দিয়ে বাড়ির দিকে গেলেন। আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে থাকলাম। কী সবল দেহ ছিল তাঁর। হাতে সেগুন কাঠের বইঠা নিয়ে নৌকা চালিয়ে আমাদের নিয়ে যেতেন বান্দুরা। বান্দুরা ছিল লঞ্চঘাট। সেই ঘাট থেকে লঞ্চ ছেড়ে যেত ঢাকার দিকে। আমি একের পর এক স্টেশনের নাম মুখস্থ করতাম। বান্দুরার পরই গোল্লাস্টেশন। তারপর ধাপারি. তারপর কলাকোপা. নবাবগঞ্জ. কক্সনগর. কোমরগঞ্জ. কৈলাইল। তারপর লম্বা যাত্রায় লঞ্চ পৌঁছে যেত ফতুল্লা স্টেশনে। আমরা রোমাঞ্চিত হতাম। সদরঘাটের দিকে চেয়ে। আহ কী মজা. ঢাকা শহরে পৌঁছে যাচ্ছি।একদিন লোকজনের শব্দে ঘুম ভেঙে গেল। চোখ মেলে বাইরে দেখি হজা ভাইয়ের মাথায় বিরাট এক বোঝা। বোঝাটি মাথা থেকে নামাতেই দেখি আমাদের বড় রেডিওটা।আমাদের গ্রামে প্রথম রেডিও আসে আমাদের বাড়িতেই। রেডিও নষ্ট হয়েছিল বলে সেটা সারাই করতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ঢাকায়। হজা ভাই ‘গয়নার নাও’–এ করে রেডিও নিয়ে গিয়েছিলেন ঢাকায়। আমাদের গ্রাম থেকে গয়নার নাও (বড় ছইওয়ালা নাও) ছাড়ত সন্ধ্যাবেলায়। সেটা সদরঘাট পৌঁছাতে পরের দিন সকালবেলা। আমরা বাড়ি থেকেই গয়নার নৌকার মাঝিদের হাঁকডাক শুনতাম. ‘এ্যাই ঢাকা। ঢাকা।’ সম্ভবত রেডিওতে সাপ্তাহিক নাটক হতো। নাটক হতো অনেক রাতে। সেই নাটক শোনার জন্য যে কত দিন রাত জাগার চেষ্টা করেছি। পারিনি। পরের দিন সকালে উঠে মাকে বলেছি কেন আমাকে জাগালে না।আব্বা চাকরি করতেন কলকাতায়। এক বছর. দেড় বছর পরপর বাড়িতে আসতেন। বাড়ির বারান্দায় বসে থাকতেন। গ্রামের ছোটরা অনেকে চিনতই না তাঁকে। জিজ্ঞেস করত. ‘লোকটা কে রে?’ আমি বেশ মজা পেতাম। আবার কষ্টও হতো। আবার কেউ কেউ জানত আমার বাবা নেই। মনে পড়ে বাবার হাত ধরে রথের মেলায় গিয়েছিলাম গউদপুর বাজারে। লটকন. চানাচুর. মুরালি ও সোলার বানর কিনে দিয়েছিলেন আব্বা। আমার কাকা চাকরি করতেন ঢাকায়। বাবার চাচাতো ভাই। চাকরি করতেন কুঠি বাড়িতে। সাহেব বাড়ির খানসামা হিসেবে। তিনি বাড়ি ফিরতেন ঢাকা থেকে লঞ্চে কালিগঙ্গা নদী দিয়ে। বালুখণ্ড ছিল লঞ্চঘাট। সেখান থেক‌ে ঘোড়ার পিঠে চড়ে বাড়িতে ফিরতেন প্রায় প্রতি মাসে। সঙ্গে নিয়ে আসতেন নানা রকম খাবার. বিস্কুট। আমরা ভাইবোনেরা কাকার উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতাম। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর আমাদের সবার হাতে চাচি তুলে দিতেন নানান রকম খাবার। আহা সে কী অমৃত!হজা ভাই অনেক দূরে চলে গেছেন। আমরা হাঁটছি গ্রামে। সঙ্গে আমার এক চাচাতো ভাই হীরক। আমি এক মহিলাকে দেখলাম লাউয়ের জাংলার নিচে বসে মোবাইলে কথা বলছেন। আমি হীরককে বললাম. ‘এত কী কথা কয় রে মহিলা।’হীরক উত্তর দিল. ‘ওনার স্বামী ইতালি থাকে। মনে হয় হের সঙ্গেই কথা কইতেছে।’মনে মনে বলি এ কী বিস্ময়। আমাদের গ্রামটা ইতালি পৌঁছে গেছে।
1,573,054
2019-01-03
শবরীমালা মন্দিরে নারীর প্রবেশকে ঘিরে সহিংসতায় নিহত ১
null
অনলাইন ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/international/article/1573053/%E0%A6%B6%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%98%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%A4
international
online
3
ভারত
ভারতের কেরালার বিখ্যাত শবরীমালা মন্দিরে ঋতুমতী দুই নারীর প্রবেশকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে সহিংসতা শুরু হয়েছে। এতে একজন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছে বলে এএফপির খবরে বলা হয়। কেরালা পুলিশের মুখপাত্র প্রমোদ কুমার এএফপিকে বলেন. নিহত ব্যক্তি বিজেপির সদস্য। গতকাল বুধবার বিক্ষোভের সময় পাথরের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। গতকাল রাতে তিনি মারা যান। গতকাল ভোরে কালো পোশাকে পুলিশের সাহায্যে মন্দিরে প্রবেশ করে প্রার্থনা শেষে নির্বিঘ্নে চলে যান ওই দুই নারী। এরপরই বন্ধ করে দেওয়া হয় ‘অপবিত্র’ হয়ে যাওয়া মন্দির। ধোয়ামোছার পর ‘পবিত্রতা’ ফিরিয়ে এনে ফের খোলা হয় মন্দির। শবরীমালা মন্দিরে হিন্দু দেবতা আয়াপ্পার অধিষ্ঠান। আয়াপ্পার পুরুষ ভক্তদের দাবি. ওই দুই নারী মন্দিরে ঢোকার চেষ্টা করলেও দেবতার দর্শন হয়নি। কেরালা হাইকোর্টের নির্দেশে ১৯৯১ সাল থেকে শবরীমালা মন্দিরে ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সী নারীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। এই প্রথা এবং লিঙ্গবৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করা হয়। গত বছরের সেপ্টেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট রায় দেন. ধর্মাচরণের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের মধ্যে ভেদাভেদ করা যায় না। রায় সত্ত্বেও গত চার মাসে কোনো ঋতুমতী নারী শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ করতে পারেননি। সেই অসাধ্য সাধিত হলো গতকাল ভোরে। দীর্ঘ গিরিপথ হেঁটে ভোররাত চারটার সময় চল্লিশোর্ধ্ব ওই দুই নারী—বিন্দু ও কনক দুর্গা—মন্দিরে প্রবেশ করেন। টেলিভিশন ভিডিওতে দেখা যায়. কালো কাপড়ে শরীর ঢেকে পুলিশের সাহায্যে দুই নারী মন্দিরে ঢুকছেন। বিন্দুর বয়স ৪৪। তিনি সিপিআই (এমএল) সমর্থক ও কর্মী। কনক দুর্গার বয়স ৪২। তিনি তামিলনাড়ুর অসামরিক সরবরাহ দপ্তরের কর্মী। গত ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে তিনি কেরালায় আসেন আয়াপ্পা দর্শনের ইচ্ছায়। গতকালের ঘটনার পর থেকে রাজ্যজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ জানিয়েছে. সহিংসতা যাতে আর ছড়িয়ে পড়তে না পারে. সে জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ গতকাল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের শেল. স্টান গ্রেনেড ও জলকামান থেকে জল ছোড়ে। রাজ্যের রাজধানী তিরুঅন্তপুরমে বিশৃঙ্খলা চলাকালে সাংবাদিকেরা হেনস্তার শিকার হন। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়. রাজ্যের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির কাছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল বিজেপির বিক্ষোভ আয়োজন মার খেয়েছে। শবরীমালা মন্দিরে নারীদের প্রবেশ বিষয়ে মোদি গতকাল বলেন. বিষয়টি ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। ভারতীয় গণমাধ্যমকে তিনি বলেন. কিছু কিছু মন্দির আছে. যাদের নিজস্ব ঐতিহ্য রয়েছে. যেখানে পুরুষেরাও যেতে পারে না এবং পুরুষেরা যানও না।
1,573,053
2019-01-03
পাকিস্তানকে গরু মেরে জুতো দান ট্রাম্পের
null
অনলাইন ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/international/article/1573051/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%81-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B0
international
online
3
পাকিস্তান|ডোনাল্ড ট্রাম্প|যুক্তরাষ্ট্র
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তানে ১৩০ কোটি ডলারের আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছেন। তিনি মনে করেন. দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো শত্রুদের ঘর। ত্রাণ বন্ধ করে দিলেও ট্রাম্প পাকিস্তানের সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক চান। গতকাল বুধবার এই ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি। এ যেন অনেকটা গরু মেরে জুতো দানের মতো ব্যাপার। ইকোনমিক টাইমসের খবরে জানানো হয়. ট্রাম্প প্রশাসন তালেবান জঙ্গিদের সঙ্গে শান্তি আলোচনার উদ্যোগ নিয়ে খুব বেশি ভাবছে না। তবে পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে খুব শিগগির বৈঠক করবেন ট্রাম্প। এর আগে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ হিসেবে দাবি করা দক্ষিণ ক্যারোলাইনার সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম এক সাক্ষাৎকারে সিএনএনকে জানান. পাকিস্তান তালেবান জঙ্গিদের আলোচনার টেবিলে বসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করছে। এরপর যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাস ও আইএস দমনে কাজ করবে। রিপাবলিকান সিনেটর গ্রাহাম চান. আফগানিস্তানের যুদ্ধ অবসানে তালেবান জঙ্গিদের শান্তি আলোচনায় আনার প্রচেষ্টা হিসেবে পাকিস্তানকে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রস্তাব দিক যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন. ‘আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাই। তবে দেশটি শত্রুদের ঘর। তারা শত্রুদের লালন করে। আমরা সেটা করতে পারি না।’ ট্রাম্প আরও বলেন. ‘এ কারণে পাকিস্তানের নতুন নেতার সঙ্গে আমি বৈঠক চাই। তবে আমি পাকিস্তানে ১৩০ কোটি ডলারের সহায়তা বন্ধ করেছি। আমি মনে করি. এই অর্থ পানিতে পড়েছে। তাই আমি এটি বন্ধ করেছি।’ গত বছরের আগস্ট মাসে ইমরান খান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেন। ওই বছরের জানুয়ারি মাসে ইমরান খান বলেন. প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করবেন। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে ওঠা তালেবান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইমরান খানকে চাপ দেন পম্পেও।
1,573,051
2019-01-03
আমরা শপথ নিচ্ছি না: ফখরুল
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
১২৯
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573049/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A6%AA%E0%A6%A5-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AB%E0%A6%96%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2
bangladesh
online
3
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর|রাজনীতি|নির্বাচন কমিশন|বিএনপি|আওয়ামী লীগ|একাদশ সংসদ নির্বাচন
একাদশ জাতীয় সংসদে যোগ দিচ্ছে না বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন. ‘শপথ তো পার হয়ে গেছে. শপথ নেব কোথায়? প্রত্যাখ্যান করলে আবার শপথ থাকে নাকি? আমরা শপথ নিচ্ছি না।’ তিনি অভিযোগ করেন. নির্বাচনের নামে নিষ্ঠুর প্রতারণা ও প্রহসন করা হয়েছে। এ কারণে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দেওয়ার বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন. প্রার্থীদের প্রতিবাদ ও নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যানের চিঠি নিয়ে একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনে যাবে। এ ছাড়া প্রত্যেক প্রার্থী তাঁর নিজ নিজ এলাকার নির্বাচনী পরিবেশ উল্লেখ করে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করবেন। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী. ঐক্যফ্রন্ট নেতা সুব্রত চৌধুরী. মোস্তফা মোহসিন মন্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পায় আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮টি আসনে জয়লাভ করে। আওয়ামী লীগ একাই জিতেছে ২৫৭টি আসনে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় দলটি টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭টি আসন। বিএনপি এককভাবে পেয়েছে ৫টি। নির্বাচনে এককভাবে ২২টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হয়েছে জাতীয় পার্টি। আজ বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠানে শুরুতে শপথ নেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। পরে সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। শপথ নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা। এঁদের মধ্যে সাজেদা চৌধুরী. মতিয়া চৌধুরী. আমির হোসেন আমু. তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ ছিলেন। পরে সাংসদেরা শপথের কাগজে সই করেন। আওয়ামী লীগের সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর জাসদ. ওয়ার্কার্স পার্টি. তরিকত ফেডারেশন. জাতীয় পার্টি-জেপির সদস্যরা শপথ নেন। এরপর জাতীয় পার্টির সদস্যরা শপথ নেন।
1,573,049
2019-01-03
যৌন হেনস্তাকারীর সঙ্গে গওহর খান!
null
বিনোদন ডেস্ক
null
https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573048/%E0%A6%AF%E0%A7%8C%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%93%E0%A6%B9%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8
entertainment
online
3
বলিউড
বলিউডের চিত্রপরিচালক বিকাশ বহেলের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা কঙ্গনা রনৌত। গত বছর অক্টোবর মাসে হাফপোস্ট ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা রনৌত বলেছেন. ‘বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে আমাদের দেখা হতো। আমরা একে অপরকে আলিঙ্গন করে অভিবাদন জানাতাম। কিন্তু এই সুযোগে বিকাশ তাঁর মুখ আমার ঘাড়ে গুঁজে দেন। আমাকে বেশ জোরে চেপে ধরতেন আর আমার চুলের ঘ্রাণ নিতেন। ওই সময় তিনি বলেছেন. “তোমার শরীরের ঘ্রাণ আমার ভালো লাগে. কঙ্গনা।” ওই অবস্থা থেকে নিজেকে মুক্ত করতে আমাকে একটু বেগ পেতে হতো।’ এবার শোনা যাচ্ছে. বিতর্কিত এই চিত্রপরিচালকের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করছেন গওহর খান। শুরুটা মডেলিং দিয়ে হলেও গওহর খান ২০০৯ সাল থেকে চলচ্চিত্রে নিয়মিত অভিনয় করছেন। প্রথম ছবি ‘রকেট সিং: সেলসম্যান অব দ্য ইয়ার’। এই ছবিতে তিনি অভিনয় করছেন রণবীর কাপুরের সঙ্গে। এরপর অজয় দেবগনের সঙ্গে ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন মুম্বাই’ (২০১০). অভিষেক বচ্চন ও কঙ্গনা রনৌতের সঙ্গে ‘গেম’ (২০১১). অর্জুন কাপুর ও পরিণীতি চোপড়ার সঙ্গে ‘ইশাকজাদে’সহ (২০১২) ১১টি ছবিতে অভিনয় করেছেন। রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস সেভেন’-এ চ্যাম্পিয়ন হন তিনি। এ ছাড়া ‘ঝলক দিখলা যা থ্রি’ আর ‘খতরোঁ কে খিলাড়ি’তেও তিনি প্রতিযোগী ছিলেন। এদিকে পরিচালক বিকাশ বহেলের সঙ্গে গওহর খানের প্রেমের গুঞ্জন এখন বলিউডজুড়ে। এ ব্যাপারে গওহর খান কোনো মন্তব্য করেননি। তবে বন্ধুরা বলছেন. গওহর আর বিকাশ একে অপরের ভালো বন্ধু। তাঁদের ব্যক্তিগত কোনো সম্পর্ক নেই। তা মানতে চায়নি অনেকেই। কারণ. বিকাশ বহেল আর গওহর খানকে নাকি ঘনিষ্ঠভাবে দেখে গেছে। তা থেকে এই ধারণা এখন খুবই পোক্ত যে তাঁরা একে অন্যের প্রেমে বেশ ভালোই ডুবে আছেন। বিকাশ বহেল হিন্দি ছবি ‘চিলার পার্টি’. ‘কুইন’. ‘শান্দার’ আর ‘সুপার থার্টি’র পরিচালক। প্রযোজনা করেছেন আরও অসংখ্য ছবি। তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ নতুন নয়. কিন্তু এর কোনোটার ব্যাপারেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ কারণে বিকাশ বহেলের সাহস ক্রমেই বেড়ে যায়। সম্প্রতি তাঁর কুকর্মগুলোকে সামনে নিয়ে এসেছেন বলিউড তারকা কঙ্গনা রনৌতসহ আরও কয়েকজন। ‘কুইন’ ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফ্যান্টম ফিল্মসের একজন সাবেক কর্মীকে বিকাশ বহেলের যৌন হেনস্তা করার ঘটনা সামনে এনেছেন কঙ্গনা রনৌত। এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম অংশীদার ছিলেন বিকাশ বহেল। এই অভিযোগকে সত্যি বলেছেন প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম অংশীদার বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানে। প্রতিষ্ঠানটির অন্য দুজন অংশীদার অনুরাগ কাশ্যপ ও মধু মন্টেনা। তবে সম্প্রতি ফ্যান্টম ফিল্মস ভেঙে গেছে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে শেষ তৈরি হয়েছে ‘সুপার থার্টি’। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন হৃতিক রোশন। পরিচালনা করেছেন বিকাশ বহেল। ছবিটি ২০১৯ সালের ২৫ জানুয়ারি মুক্তি পাওয়ার কথা আছে। হাফপোস্ট ইন্ডিয়াকে বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানে বলেন. ‘এই ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। অনুরাগ কাশ্যপ আমাকে বিষয়টি জানান। এরপর মধু. আমি আর অনুরাগ ওই নারীর সঙ্গে বসেছি। তিনি আমাদের কাছে পুরো ঘটনা বলেছেন। ঘটনাটি শোনা আমাদের জন্য ভীষণ কঠিন ছিল. ভয়ংকরও বলতে পারেন।’ এর আগে ভুক্তভোগী এই নারী বলেছেন. ২০১৫ সালের অক্টোবরে তিনি অনুরাগ কাশ্যপের কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু তখন প্রতিষ্ঠান কিংবা এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারও কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাননি। এই প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার আগে পর্যন্ত বিকাশ বহেল তাঁকে যৌন হেনস্তা করেছেন। পরে তা জানতে পারেন কঙ্গনা রনৌত। ‘কুইন’ ছবির এই তারকা বললেন. ‘মেয়েটির কথা আমি বিশ্বাস করেছি। “কুইন” ছবির শুটিংয়ের সময় বিকাশের বিয়ে হয়। এরপরও তাঁর স্বভাবের কোনো পরিবর্তন হয়নি। নিত্যনতুন সঙ্গীর সঙ্গে তাঁকে দেখা যায়। আমি মেয়েটির পাশে দাঁড়িয়েছিলাম. ভেবেছিলাম বিষয়টা সামনে আসবে। কিন্তু ওই সময় ঘটনাটিকে সচেতনভাবে ধামাচাপা দেওয়া হয়। যেহেতু মেয়েটির পক্ষ নিয়ে আমি কথা বলেছি. তাই হরিয়ানার স্বর্ণপদক বিজয়ী এক নারীকে নিয়ে যে চলচ্চিত্র তৈরির কথা ভাবা হয়েছিল. তা থেকে আমাকে বাদ দেওয়া হয়।’
1,573,048
2019-01-03
শেখ হাসিনা আবার সংসদ নেতা
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
১৭
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573047/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE
bangladesh
online
3
নির্বাচন|শেখ হাসিনা|একাদশ সংসদ নির্বাচন|আওয়ামী লীগ
প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করেছে একাদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আওয়ামী লীগ। আজ বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের প্রথম বৈঠকে শেখ হাসিনাকে দলটির নেতা নির্বাচিত করা হয়। এবার টানা তৃতীয় মেয়াদে জাতীয় সংসদ নেতা হলেন তিনি। সকালেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠানে শুরুতে শপথ নেন স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। পরে সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী। শপথ নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা। এঁদের মধ্যে সাজেদা চৌধুরী. মতিয়া চৌধুরী. আমির হোসেন আমু. তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ ছিলেন। শপথ গ্রহণের পর আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংসদ ভবনের একটি কক্ষে এই বৈঠক হয়। সেখানে শেখ হাসিনাকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হয়। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পায় আওয়ামী লীগ। এর আগে ২০০৯ সালে নবম সংসদ ও ২০১৪ সালে দশম সংসদের পর এবার টানা তৃতীয় মেয়াদে সংসদ নেতা নির্বাচিত হলে শেখ হাসিনা। তিনি ১৯৯৬ সালেও সপ্তম সংসদেও সংসদ নেতার ভূমিকায় ছিলেন।
1,573,047
2019-01-03
পেলে-ম্যারাডোনার সমান নন মেসি!
null
খেলা ডেস্ক
২৫
https://www.prothomalo.com/sports/article/1573046/%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF
sports
online
4
ফুটবল|মেসি|ডিয়েগো ম্যারাডোনা|আন্তর্জাতিক ফুটবল
বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়ের খেতাব জিতেছেন পাঁচ-পাঁচবার। নিজের ক্লাব বার্সেলোনার হয়ে প্রতিনিয়ত গড়ে যাচ্ছেন নতুন নতুন ইতিহাস। কিন্তু আর্জেন্টিনার হয়ে খেলতে নামলেই লিওনেল মেসির সব অর্জন যেন ফিকে হয়ে যায়। আর্জেন্টিনার মূল দলের হয়ে এখনো যে কিছুই জেতেননি তিনি! সেই ব্যর্থতার দিকে আঙুল তুলেই ব্রাজিল কিংবদন্তি জিকো জানালেন. পেলে-ম্যারাডোনা হতে এখনো অনেকটুকু পথ পাড়ি দিতে হবে মেসিকে। ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার দৌড়ে ম্যারাডোনার কাছাকাছি থাকলেও পেলেকে এখনো ধরতে পারেননি মেসি. এমনটাই ভাবছেন জিকো. ‘মেসিকে বড়জোর ম্যারাডোনার কাছাকাছি বলা যায়। তার মানে পেলের সঙ্গে মেসির তুলনা হওয়ার প্রশ্নই আসে না। কেননা আমার মতে পেলে সবার চেয়ে সেরা।’ একজন সফল ও সম্পূর্ণ ফুটবলারের যেসব গুণাবলি থাকা দরকার. তার সবকিছুই পেলের ছিল মনে অভিমত জিকোর. 'একজন সম্পূর্ণ ফুটবলারের সকল বৈশিষ্ট্য ও গুণ পেলের ছিল। ঈশ্বর যখন পেলেকে বানিয়েছিলেন. তাঁর মধ্যে একজন পরিপূর্ণ ফুটবলারের সকল গুণাবলিই দিয়ে দিয়েছিলেন— গতি. ড্রিবলিং করার ক্ষমতা. শট নেওয়ার দক্ষতা. হেড করার ক্ষমতা. শক্তি. যেকোনো পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরতে পারার যোগ্যতা. সবকিছু। বিশ্বের খুব কম ফুটবলারই আছে যে পেলের মতো হেড করতে পারত। তিনি ছিলেন ১৭০ সেন্টিমিটার লম্বা. অর্থাৎ ভালোভাবে হেড করতে তাঁর কোনো সমস্যাই হতো না। বল নিয়ে কারিকুরি করতে পারা বা দলকে নিজের কাঁধে বয়ে নিয়ে যাওয়া— সম্ভাব্য সব দিকেই পেলে নিজেকে উন্নত করেছিলেন।’ মেসির মধ্যেও এসব গুণ কমবেশি আছে মানলেও মেসিকে পেলে-ম্যারাডোনার সমান ভাবতে নারাজ জিকো. ‘হ্যাঁ. মেসিও ভালো. তবে পেলের মতো নয়। সে এখনো আর্জেন্টিনার হয়ে একটা বিশ্বকাপও জিততে পারেনি. এটাই অনেক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দেয়।’ এই এক ক্ষেত্রে ব্যর্থ হওয়ার কারণে মেসি ম্যারাডোনার সমানও নাকি হতে পারেননি. ‘মেসি এখন যেমন ক্লাব পর্যায়ে সবকিছু জিতছে. ম্যারাডোনার তেমন জিতেছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের হিসাব করলে ম্যারাডোনা একজন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন যেটা এখনো মেসি হতে পারেনি। ম্যারাডোনা সব সময় জাতীয় দলের হয়ে খেলতে এসে নিজের কাঁধে দায়িত্ব তুলে নিত। আন্তর্জাতিক যেকোনো প্রতিযোগিতায় সব সময় নিজের সেরাটা ঢেলে দিত। এমনকি ভালো দল না নিয়েও সে নিজে জানপ্রাণ দিয়ে লড়ত। মেসি তো তাও সতীর্থ হিসেবে ইনিয়েস্তা. জাভি. নেইমার. সুয়ারেজ. পিকেদের পেয়েছে।’সত্তর-আশির দশকে ব্রাজিলের হয়ে মাঠ কাঁপিয়েছিলেন ‘সাদা পেলে জিকো। জিকোর এই বক্তব্য মেসিকে তাতিয়ে দিতে বাধ্য. আর এর মধ্যেই লিগের ১৫ ম্যাচে ১৫ গোল করা মেসি যদি আরও খেপে যান. তা আর্জেন্টিনা আর বার্সেলোনা. দুই দলের জন্যই ভালো!
1,573,046
2019-01-03
সিডনির প্রথম দিনেও নায়ক পূজারা
null
খেলা ডেস্ক
১৩
https://www.prothomalo.com/sports/article/1573045/%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE
sports
online
4
ভারত|অস্ট্রেলিয়া|ক্রিকেট|টেস্ট ক্রিকেট
চেতেশ্বর পূজারার অপরাজিত ১৩০ রানে সিডনি টেস্টের প্রথম দিনে ভালো অবস্থানে ভারত। টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দিনশেষে তারা স্কোরবোর্ডে তুলেছেন ৪ উইকেটে ৩০৩ রান। পূজারার যোগ্য সঙ্গী হয়ে ছিলেন মৈনাক আগারওয়াল চেতেশ্বর পূজারার অপরাজিত ১৩০ রানে সিডনি টেস্টের প্রথম দিনে ভালো অবস্থানে ভারত। টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দিনশেষে তারা স্কোরবোর্ডে তুলেছেন ৪ উইকেটে ৩০৩ রান। পূজারার যোগ্য সঙ্গী হয়ে ছিলেন মৈনাক আগারওয়াল সিডনি টেস্টের শুরুটা হলো চেতেশ্বর পূজারার ব্যাটিং-প্রদর্শনী দিয়েই। তাঁর অনবদ্য. অপরাজিত সেঞ্চুরিতে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামা ভারত প্রথম দিন শেষে স্কোরবোর্ডে তুলেছে ৪ উইকেটে ৩০৩ রান। পূজারা দিন শেষে অপরাজিত ছিলেন ১৩০ রান করে।দিনের দ্বিতীয় ওভারে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন পূজারা। ওপেনার লোকেশ রাহুলের আরও একটি ব্যর্থতার পর। ব্যক্তিগত ৯ রানে যখন জস হ্যাজলউডের বলে শন মার্শের ক্যাচ হয়ে রাহুল ফিরলেন স্কোরবোর্ডে তখন ভারতের রান মাত্র ১০। মোটামুটি বিপর্যয়ের মুখ দাঁড়িয়ে পূজারা অস্ট্রেলীয় বোলারদের সামনে যেন দেয়াল তুলে দাঁড়ালেন। অপর ওপেনার মৈনাক আগারওয়ালের সঙ্গে ১১৬ রানের জুটি গড়েন। মৈনাক খেলেছেন দারুণ। ১১২ বলে ৭৭ রান করে নাথান লায়নের বলে ফেরেন তিনি। এরপর অধিনায়ক বিরাট কোহলির সঙ্গে পূজারা জুটি গড়েন ৫৪ রানের। কোহলি অবশ্য নিজের ইনিংসটি খুব বড় করতে পারেননি। ২৩ রানে হ্যাজলউডের বলে উইকেটের পেছনে টিম পেইনের হাতে ধরা পড়েন তিনি। এরপর দিনের বাকিটা সময় পূজারা পর করেছেন আরও দুটি জুটির অংশ হয়ে। অজিঙ্কা রাহানের সঙ্গে জুটিটা ৪৮ রানের বেশি হয়নি। তবে দিন শেষে হনুমা বিহারির সঙ্গে যুগলবন্দীটা অবিচ্ছিন্ন ৭৫ রানের। রাহানে ১৮ রান করে মিচেল স্টার্কের বলে পেইনের হাতে ক্যাচ দিলেও বিহারি দিন শেষে অপরাজিত আছেন ৩৯ রানে।পূজারা ২৫০ বল খেলে ১৩০ রানে অপরাজিত। তাঁর ইনিংসে বাউন্ডারি ১৬টি। কাল তাঁর টিকে থাকার ওপর ভারতের ইনিংসের দৈর্ঘ্য অনেকটাই নির্ভর করবে। অস্ট্রেলিয়ার হ্যাজলউড নিয়েছেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন স্টার্ক ও কামিন্স।
1,573,045
2019-01-03
চাঁদের অন্ধকার দিকের প্রথম ছবি পাঠাল চীনা নভোযান
null
অনলাইন ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/technology/article/1573042/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE-%E0%A6%9B%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8
technology
online
4
মহাকাশ
চাঁদের অন্ধকার দিকে একটি রোবটিক যানের সফল অবতরণ করিয়েছে চীন। চাঁদের অদেখা অংশে প্রথমবারের মতো রোবটযান পাঠানো হলো। মানুষবিহীন চাং’ই-৪ নামের ওই রোবটযান দক্ষিণ গোলার্ধের এইটকেন বেসিনে অবতরণ করেছে। এটি চাঁদের ডার্ক সাইড বা অন্ধকার অংশ। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে। চাঁদে প্রাণের রহস্য নিয়ে গবেষণার জন্য এই চন্দ্রযান পাঠানো হয়েছে। এটি চাঁদের ওই অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি ও বায়োলজিক্যাল পরীক্ষা চালাবে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে একে মহাকাশ গবেষণায় বড় ধরনের পদক্ষেপ বলা হচ্ছে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়. মহাকাশ গবেষণায় চীনের এই চন্দ্রযানের অবতরণকে মাইলফলক হিসেবে দাবি করছে চীনা কর্তৃপক্ষ। বলা হচ্ছে. আগের যেসব চন্দ্রযান পাঠানো হয়. সেগুলো অবতরণ করেছিলে চাদের পৃথিবীমুখী অংশে। কিন্তু চাং’ই-৪ প্রথম কোনো চন্দ্রযান. যেটি চাঁদের পৃথিবীর বিপরীত দিকের অংশে অবতরণ করেছে. যে অংশকে চাঁদের অন্ধকার অংশ বলেও অভিহিত করা হয়। চাঁদের ওই অংশ পৃথিবী থেকে খুব কম সময় দেখা যায় বলে অন্ধকার অংশ বলা হয়। চাঁদের ওই পৃষ্ঠের ছবিও পাঠিয়েছে নভোযানটি। ফলে প্রথমবারের মতো চাঁদের অন্ধকার পৃষ্ঠের ছবি দেখল পৃথিবীবাসী। এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের মুলার্ড. স্পেস সায়েন্স ল্যাবরেটরির অধ্যাপক অ্যান্ড্রু কোওটস বলেন. চাঁদের অন্ধকার অংশ আরও বেশি রুক্ষ ও অনেক বেশি গর্তে ভরা। বিবিসি অনলাইনের তথ্য অনুযায়ী. চীনের মিশনের আরেকটি লক্ষ্য হচ্ছে চাঁদের অপর পাশে একটি বেতার যোগাযোগের পরিবেশ তৈরি করা এবং সেখানে ভবিষ্যতের টেলিস্কোপ স্থাপনের জন্য একটি ক্ষেত্র তৈরি করা। এ মিশনের মহাকাশযানটিতে করে তিন কেজি আলুর বীজ আর ফুলের বীজ নেওয়া হয়েছে. যা দিয়ে চাঁদে জীববিজ্ঞানের কিছু পরীক্ষা চালানো হবে। কৃত্রিম পরিবেশ তৈরির ‘চাঁদের ছোট জীবমণ্ডল’ নামের এই নকশা চীনের ২৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনায় করা হয়েছে। মহাকাশযানটি হচ্ছে চাং’ই-৩–এর পরবর্তী সংস্করণ। ২০১৩ সালে চাঁদে ওই যান পাঠিয়েছিল চীন। যানটিতে দুটি ক্যামেরা রয়েছে। একটি অংশ তেজস্ক্রিয়তা যাচাই করতে পারে এবং আরেকটি অংশ মহাকাশের স্বল্পমাত্রার তরঙ্গ পর্যালোচনা করতে পারে। চাঁদের ভূপৃষ্ঠের নিচে কী আছে. সেটি পরীক্ষা করে দেখার জন্য একটি রাডার রয়েছে। এমন কিছু যন্ত্র রয়েছে. যেটি খনিজ উপাদান শনাক্ত করে বিশ্লেষণ করতে পারে। চাঁদ নিয়ে গবেষণায় চীনের বিশাল কর্মসূচির অংশ হচ্ছে এই মিশন। প্রথম এবং দ্বিতীয় চাং–ই মিশনের উদ্দেশ্য ছিল কক্ষপথ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ। তবে তৃতীয় আর চতুর্থ মিশনের লক্ষ্য চাঁদের ভূপৃষ্ঠ। চাং’ই–৫ আর ৬–এর লক্ষ্য হবে চাঁদ থেকে সংগৃহীত পাথর আর মাটির নমুনা ফিরিয়ে এনে গবেষণাগারে জোগান দেওয়া।
1,573,042
2019-01-03
কোকেন হটাতে এককাট্টা যুক্তরাষ্ট্র-কলম্বিয়া
null
অনলাইন ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/international/article/1573041/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE
international
online
4
লাতিন আমেরিকা|যুক্তরাষ্ট্র|কলম্বিয়া
কলম্বিয়া মাদকদ্রব্য কোকেনের সবচেয়ে বড় উৎপাদক আর যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বড় গ্রাহক। এই দুই দেশ মিলে ভয়াবহ মাদকটি হটাতে একজোট হয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ইভান ডুইকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ কথা জানান। আজ বৃহস্পতিবার বিবিসি অনলাইনের খবরে জানানো হয়. বৈঠকে কলম্বিয়ায় কোকেনের মূল উপকরণ কোকাপাতার উৎপাদন বেড়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মাইক পম্পেও। তিনি বলেন. ২০২৩ সালের মধ্যে দুই দেশ কোকার উৎপাদন ৫০ শতাংশ কমিয়ে ফেলার চেষ্টা করবে। জবাবে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জানান. কলম্বিয়া ইতিমধ্যে কোকা নির্মূল কর্মসূচি শুরু করেছে। সম্প্রতি জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে. কলম্বিয়ায় রেকর্ড পরিমাণ কৃষিজমি কোকা চাষের জন্য ব্যবহৃত হয়। কোকেনের উৎপাদন কমানোর জন্য অনেক দিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি। কোকেনের উৎপাদন কমানো ও মাদক পাচারকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার বিষয় নিয়ে কাজ করার জন্য দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্র বছরে চার কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা দিয়ে থাকে। মাইক পম্পেও বলেন. কলম্বিয়ায় কোকেনের উৎপাদন কমানোর জন্য ২০১৩ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দুই দেশই এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন। তাই কোকেন নির্মূলে এক হয়ে কাজ করছে দুই দেশ। কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গত মাসে বলেন. ২০১৮ সালে ৮০ হাজার হেক্টর জমিতে কোকার উৎপাদন নির্মূল করা হয়েছে। এ বছর আরও এক লাখ হেক্টর জমি থেকে কোকার উৎপাদন নির্মূল করবে সরকার।
1,573,041
2019-01-03
আসামের বাঙালিদের বিপদ কমছে না
null
তরুণ চক্রবর্তী. আগরতলা
null
https://www.prothomalo.com/international/article/1573040/%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%A6-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE
international
online
4
ভারত|বাঙালি|আসাম
ভারতের আসাম রাজ্যে নাগরিক নিবন্ধনের (এনআরসি) চূড়ান্ত খসড়া তালিকায় নাম থাকলেও বিপদ কমছে না রাজ্যের বাঙালিদের। নতুন করে যাচাই হবে অনেকেরই নাগরিকত্ব। বিপন্ন হতে চলেছেন নয় লাখ আসামবাসী। এঁদের বেশির ভাগই বাঙালি। গত সোমবার ছিল আসামের এনআরসি–ছুটদের নাম তোলার আবেদনের পাশাপাশি চূড়ান্ত খসড়ায় নাম নথিভুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আপত্তি জানানোর শেষ দিন। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় এনআরসি সূত্রে খবর. ৪০ লাখ ৭ হাজার ৭০৭ জনের নাম বাদ পড়লেও দরখাস্ত জমা পড়েছে ৩১ লাখ। এর পাশাপাশি এনআরসির খসড়া তালিকায় নাম থাকলেও আপত্তি জানানোর শেষ দিন গত ৩১ ডিসেম্বর তিন লাখ নামের বিরুদ্ধে আপত্তি জমা পড়েছে। বাঙালিবিদ্বেষী বলে পরিচিত আসামের সংগঠন আসুর নেতৃত্ব ৩০টি সংগঠন এই আপত্তি জানানোর দায় স্বীকার করেছে। আসু নেতা লুরিন জ্যোতি গগৈ সাংবাদিকদের বলেন. ‘৩১ ডিসেম্বরের আগে মাত্র ৭৭০টি আপত্তি জমা পড়েছিল। কিন্তু আমরা উদ্যোগ নিয়ে শেষ দিনেই গোটা রাজ্যে এক দিনে তিন লাখ আপত্তি জমা করিয়েছি।’ ১৫ জানুয়ারি থেকে এসব আপত্তির মীমাংসা–প্রক্রিয়া শুরু হবে। জানা গেছে. বাঙালিদের বিরুদ্ধেই প্রায় সব আপত্তি জমা পড়েছে। তাই আসামের বাঙালিদের ফের দিতে হবে নাগরিকত্বের পরীক্ষা। এনআরসি তালিকাভুক্তদের বিরুদ্ধে হঠাৎ করে আপত্তি বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। আসুর এই ভূমিকার নিন্দা জানিয়েছে আসাম রাজ্য নাগরিক অধিকার রক্ষা সমন্বয় সমিতি (সিআরপিসিসি)। সংগঠনটির চেয়ারম্যান তপোধীর ভট্টাচার্য আজ বৃহস্পতিবার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন. ‘রাষ্ট্র কখনো প্রতিশোধের ভূমিকা নিতে পারে না। পুরোটাই তো সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে হওয়ার কথা। এখন সুপ্রিম কোর্ট আসুর এই বিদ্বেষের বিচার করুক।’একই সঙ্গে তিনি বলেন. ‘এক দিনে এত আপত্তি আসলে তো মানুষকে হয়রানি করার জন্যই। গোটা ঘটনার তদন্ত হওয়া জরুরি।’ গতকাল থেকে আবার শুরু হয়েছে এনআরসির খসড়ায় নামের বানানবিভ্রাট সংশোধন। ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই প্রক্রিয়া। অনলাইনে বা এনআরসি সেবাকেন্দ্রে গিয়ে সংশোধন করতে হচ্ছে ভুল নামের।
1,573,040
2019-01-03
বৈঠক শেষ. বিকেলে ইসিতে যাবে ঐক্যফ্রন্ট
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
৩৯
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573039/%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A0%E0%A6%95-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%90%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F
bangladesh
online
4
নির্বাচন|রাজনীতি|বিএনপি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট|নির্বাচন কমিশন
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফল বিপর্যয়ের পর ধানের শীষের প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠক শেষ হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই বৈঠক শুরু হয়। শেষ হয় বেলা দেড়টায়। বৈঠকের পর বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দিতে বিকেল তিনটায় বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের একটি প্রতিনিধি দল আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে যাবে। বৈঠক নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন. বৈঠকে ১৭৪ জন প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে বিজয়ী পাঁচজন প্রার্থীও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা হলেন. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর. হারুনুর রশীদ. আমিনুল ইসলাম. মোশারররফ হোসেন ও জাহিদুর রহমান। ২৯৮ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। বাকি দুটি আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম-১৪ আসনে ২০ দলীয় জোটের শরিক এলডিপির অলি আহমেদ নিজ দলের প্রতীক ছাতা এবং কক্সবাজার-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর হামিদুর রহমান আযাদ স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। বৈঠকের শুরুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাগত বক্তব্যে প্রার্থীদের কাছে তাঁদের নিজ নিজ এলাকার ভোটের পরিস্থিতি এবং পরবর্তী করণীয় কী হতে পারে. তা বিস্তারিতভাবে বলতে প্রার্থীদের প্রতি অনুরোধ করেন। বৈঠকে বিএনপির পাশাপাশি জেএসডি. গণফোরাম. খেলাফত মজলিশের প্রার্থীরা থাকলেও জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থী উপস্থিত হননি। বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর. স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন. মাহবুবুর রহমান. আবদুল মঈন খান. আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী. নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম উপস্থিত। এ ছাড়া জেএসডির আ স ম আবদুর রব. আবদুল মালেক রতন. শহীদউদ্দিন মাহমুদ. কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী. ইকবাল সিদ্দিকী. গণফোরামে সুব্রত চৌধুরী. মোস্তফা মহসিন মন্টু. আমসা আমিন. নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না. খেলাফত মজলিসের আহমেদ আবদুল কাদের. লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান. এনডিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ প্রমুখ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
1,573,039
2019-01-03
এক ওভারে ৩৪ রান!
null
খেলা ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/sports/article/1573035/%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%93%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A7%A9%E0%A7%AA-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8
sports
online
4
ক্রিকেট|শ্রীলঙ্কা|নিউজিল্যান্ড
এক ওভারে ৩৪ রান নিয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দারুণ আক্রমণাত্মক ছিলেন নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার জিমি নিশাম এক ওভারে ৩৪ রান নিয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দারুণ আক্রমণাত্মক ছিলেন নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার জিমি নিশাম ৬.৬.৬.৬.৩ (নো-বল).৬.১ - শেষ বলটা ঠিকমতো মারতে পারলে ওয়ানডেতে এক ওভারে সবচেয়ে বেশি রান নেওয়ার রেকর্ডটা আজকেই করে ফেলতে পারতেন জিমি নিশাম! কিংবা. শেষ বলে যদি ১ না হয়ে অন্তত চার রান হতো. তাহলে এবি ডি ভিলিয়ার্সকে হটিয়ে ওয়ানডেতে সবচেয়ে কম বল খেলে অর্ধশতক করার রেকর্ডটাও নিজের করে নিতে পারতেন এই কিউই! এমনই খুনে মেজাজে ছিলেন আজ তিনি। ৪৯ তম ওভারে ৩৪ রান নিয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে নিজের দলকে রানের পাহাড়ে চড়িয়েছেন তিনি।নিশামের পাশাপাশি মার্টিন গাপটিল. রস টেলর আর কেন উইলিয়ামসনের ব্যাটও হেসেছে আজ। সকলের মিলিত অবদানে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ের প্রথম ওয়ানডেতে প্রথমে ব্যাটিং করে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩৭১ রান তুলেছে নিউজিল্যান্ড। এটি কিউইদের ওয়ানডে ইতিহাসের সপ্তম সর্বোচ্চ স্কোর। ২০১৭ সালের জুন মাসের পর আর ওয়ানডে দলে ডাক পাননি নিশাম। বহুদিন পর আজকে দলে ফিরেই নিজের ফিরে আসার মুহূর্তকে রাঙিয়ে তুললেন এই বাঁ হাতি অলরাউন্ডার। আর তাতে কপাল পুড়েছে লঙ্কান অলরাউন্ডার থিসারা পেরেরার। ৪৯ তম ওভারটা করতে আসার আগে পেরেরার বোলিং পরিসংখ্যানটা মোটামুটি সম্মানজনক ছিল. ৯ ওভার বল করে ৪৬ রানে ২ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। ঝামেলাটা বাঁধল শেষ ওভারটা করতে এসেই। নিশামের কাছে পাঁচ ছক্কা খেয়ে ৩৪ রান দেওয়ার পর পেরেরার বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড়ায়. ১০-০-৮০-২!ওভারের প্রথম দুই বলে মিড উইকেটের ওপর দুই ছক্কা মেরে পেরেরাকে অভ্যর্থনা জানান নিশাম। দুই ছয় খেয়ে লাইন-লেংথের কথা ভুলে গিয়ে নিশামকে আবারও ফুল লেংথের বল করেন পেরেরা. ফলাফল একই। তৃতীয় ছয়টা বোলারের মাথার ওপর দিয়ে গিয়ে মাঠের সাইটস্ক্রিনে আছড়ে পড়ে। চতুর্থ বলে আবারও মিড উইকেটের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন নিশাম। টানা চার ছয় খেয়ে পেরেরা তখন রীতিমতো দিশেহারা। অধিনায়ক লাসিথ মালিঙ্গার সঙ্গে শলাপরামর্শ করেও লাভ হয়নি. পরের বলটা ফুলটস মারতে গিয়ে নো-বলের শিকার হন তিনি. যে বলে নিশাম আরও দুই রান তুলে নেন। ফ্রি-হিট পেয়ে ওভারের পঞ্চম ছক্কাটা মারেন নিশাম। মাঠে তখন তুমুল উত্তেজনা. ওভারের ৫ বলে ৩৩ রান নেওয়া নিশাম কি শেষ বলে অন্তত একটা বাউন্ডারি মারতে পারবেন? মারতে পারলেই একই সঙ্গে দুই দক্ষিণ আফ্রিকান তারকা ব্যাটসম্যানের কাছ থেকে দুটি রেকর্ড কেড়ে নিতে পারতেন তিনি— হার্শেল গিবসকে হটিয়ে এক ওভারে সবচেয়ে বেশি রান করার রেকর্ডটা নিজের করে নিতে পারতেন. আর ভিলিয়ার্সকে হটিয়ে সবচেয়ে কম বলে অর্ধশতক করার রেকর্ডটাও করে ফেলতেন। রেকর্ড হারানোর শঙ্কাতে ছিলেন থিসারা পেরেরা নিজেও। ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার পাল্লেকেল্লেতে দক্ষিণ আফ্রিকার রবিন পিটারসনের এক ওভারে ৩৫ রান নিয়ে এক ওভারে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তোলার রেকর্ডটা এই পেরেরারই!যাই হোক. শেষ পর্যন্ত কোনো রেকর্ডই ভাঙেনি. শেষ বলে এক রান নিয়ে ওভারে ৩৪ রান নিতে পারেন নিশাম। তবে একটা রেকর্ড কিন্তু ঠিকই করে ফেলেছেন তিনি. সেটি ন্যূনতম ১০ বল খেলা ইনিংসগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ স্ট্রাইক-রেটওয়ালা ইনিংসের রেকর্ড! ৩৬১.৫৪ স্ট্রাইক রেটে ১৩ বলে ৪৭ রান করেছেন নিশাম. পেছনে ফেলেছেন ৩৩৮.৬৪ স্ট্রাইক রেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষের ভিলিয়ার্সের ৪৪ বলে ১৪৯ রানের ইনিংসটাকে।নিশামের আগে কিউইদের হয়ে ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়েছেন মার্টিন গাপটিল (১৩৯ বলে ১৩৮). কেন উইলিয়ামসন (৭৪ বলে ৭৬) ও রস টেলর (৩৭ বলে ৫৪)। জবাব দিতে নেমে ডিকভেলা আর গুনাতিলাকার উইকেট দুটি হারিয়ে ২৩ ওভারে ২ উইকেটে ১৫৫ রান তুলেছে লঙ্কানরা। দিনটাকে পুরোপুরি নিজের করে নেওয়ার মিশনে নেমেছেন যেন নিশাম. উইকেট দুটিও যে তারই শিকার!
1,573,035
2019-01-03
কাদের খানকে দাফন
null
বিনোদন ডেস্ক
null
https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573034/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%A8
entertainment
online
4
বলিউড
বলিউডের প্রখ্যাত অভিনেতা কাদের খানকে দাফন করা হলো টরন্টোর মিডভেল সিমেট্রিতে। তাঁর ছেলে সরফরাজ খান জানিয়েছেন. কানাডার স্থানীয় সময় অনুযায়ী গতকাল বুধবার বেলা আড়াইটায় কাদের খানকে দাফন করা হয়। শেষ যাত্রায় আগা সম্প্রদায়ের স্থানীয় সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরাই চোখের জলে কাদের খানকে বিদায় জানান। কানাডার টরন্টোর একটি হাসপাতালে গত ৩১ ডিসেম্বর কাদের খান শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মরদেহ মুম্বাই আনতে চাননি তাঁর পরিবার। যদিও বার্তা সংস্থা পিটিআইকে সরফরাজ খান বলেছেন. ‘মুম্বাই নয়. বাবাকে টরন্টোতে দাফন করা হবে। এখানে আমাদের পুরো পরিবার রয়েছে। আমরা সবাই এখানেই থাকি। তাই বাবার শেষ কাজও এখানেই হবে।’ এর আগে বার্তা সংস্থা পিটিআইকে কাদের খানের মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করেন সরফরাজ খান। তিনি বলেন. ‘বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। কানাডার সময় অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ছয়টায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি বিকেলেই কোমাতে চলে যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসুস্থ। ১৭ সপ্তাহ ধরে তিনি হাসপাতালেই ছিলেন।’ কানাডার একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। স্ত্রী সাহিস্তাকে নিয়ে সরফরাজ খান কানাডায় আছেন। কাদের খানও দীর্ঘদিন তাঁদের কাছেই ছিলেন। মৃত্যুকালে কাদের খান স্ত্রী হাজরা. তিন ছেলে ও তাঁদের স্ত্রী এবং নাতি-নাতনি রেখে গেছেন। পিটিআই আগেই জানিয়েছে. কাদের খান শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। চিকিৎসকেরা তাঁকে নিয়মিত ভেন্টিলেটর থেকে বাইপ্যাপ ভেন্টিলেটরে স্থানান্তরিত করেন। দুই দিন আগে জানা যায়. তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। এই পুরো সময়টা কাদের খানের ছেলে সরফরাজ আর তাঁর স্ত্রী হাসপাতালেই ছিলেন। কাদের খান অনেক দিন থেকেই প্রোগ্রেসিভ সুপ্রানিউক্লিয়ার পলসিতে (পিএসপি) ভুগেছিলেন। এ সমস্যায় রোগীরা স্বাভাবিক ভারসাম্য ও স্মৃতি হারিয়ে ফেলেন। পিএসপির কারণে তিনি বাক্শক্তি হারিয়ে ফেলেন। ২০১৫ সালে মুম্বাইয়ে তাঁর হাঁটুতে একটি অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। কাদের খানের জন্ম আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে। বলিউডে তিন শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। ২৫০টি ছবির সংলাপ লিখেছেন। রাজেশ খান্না অভিনীত ‘দাগ’ ছবি দিয়ে ১৯৭৩ সালে বলিউডে অভিনয়জীবন শুরু করেন কাদের খান।
1,573,034
2019-01-03
নোয়াখালীতে ওই নারীকে গণধর্ষণের আলামত মিলেছে
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. নোয়াখালী
৪৩
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573033/%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%93%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A4-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87
bangladesh
online
4
নোয়াখালী|আইন ও বিচার|একাদশ সংসদ নির্বাচন|চট্টগ্রাম বিভাগ|আওয়ামী লীগ
সুবর্ণচরের সেই নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার পর গণধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. খলিল উল্যাহ। স্বামী-সন্তানদের বেঁধে রেখে ওই নারীকে (৪০) গণধর্ষণ করা হয়। মো. খলিল উল্যাহ প্রথম আলোকে বলেন. এখন প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে। বিকেল নাগাদ তা চূড়ান্ত হবে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক গতকাল প্রথম আলোকে বলেন. ডাক্তারি পরীক্ষাকালে নির্যাতনের শিকার শরীর থেকে সংগ্রহ করা আলামত পরীক্ষার জন্য গতকাল আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজের সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো হয়। নির্যাতনের শিকার নারীর অভিযোগ. তিনি গত রোববার সকালে এলাকার একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে যান। এ সময় কেন্দ্রে থাকা আওয়ামী লীগের কয়েকজন যুবক তাঁকে তাঁদের পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে বলেন। তিনি তাতে রাজি না হলে যুবকেরা তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। ওই দিন রাত ১২টার দিকে ছালা উদ্দিন. সোহেল. বেচু. মোশারফসহ ১০ থেকে ১২ জনের একদল যুবক ঘরে ঢুকে প্রথমে স্বামী-স্ত্রী দুজনকে মারধর করেন। পরে স্বামী ও সন্তানদের বেঁধে রেখে ওই নারীকে ঘরের বাইরে পুকুরপাড়ে এনে গণধর্ষণ করেন। এই নারীর দাবি. ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা সবাই একই এলাকার চর জুবলী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য রুহুল আমিনের লোক। আসামিরা কে কোথায় আছে—রুহুল আমিন সবই জানেন। পুলিশ এ ঘটনার ইন্ধনদাতা হিসেবে রুহুল আমিনসহ এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। সুবর্ণচরের চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন জানান. গতকাল রাতে রুহুল আমিনকে সুবর্ণচরের উত্তর ওয়াপদা এলাকার একটি মাছের খামার থেকে. আর মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি মো. বেচুকে সেনবাগ উপজেলার কেশাপাড় গ্রামের একটি ইটভাটা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার করা অপর তিনজন হলেন প্রধান আসামি মো. সোহেল (৪০). মো. স্বপন (৩৫) ও বাদশা আলম ওরফে কুড়াইল্যা বাসু (৪০)। নির্যাতনের শিকার ওই নারী (৪০) বর্তমানে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গতকাল দুপুরে হাসপাতালে তিনি প্রথম আলোকে বলেন. সারা শরীরে নির্যাতনের জায়গাগুলোতে রক্ত জমে কালো হয়ে গেছে। ব্যথার কারণে তিনি নড়াচড়া করতে পারছেন না। ওসি নিজাম উদ্দিন আজ বৃহস্পতিবার সকালে জানান. গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা প্রাথমিকভাবে গৃহবধূকে নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। গ্রেপ্তার হওয়া আসামি বাদশা আলমের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে। আরও পড়ুন:সুবর্ণচরের কালরাতনোয়াখালীতে গণধর্ষণের ঘটনায় আরেকজন গ্রেপ্তারসুবর্ণচরে নারী ধর্ষণের ঘটনায় মামলা. গ্রেপ্তার ১
1,573,033
2019-01-03
মৌসুমী চট্টোপাধ্যায় বিজেপিতে
null
প্রতিনিধি. কলকাতা
null
https://www.prothomalo.com/international/article/1573032/%E0%A6%AE%E0%A7%8C%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%9A%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87
international
online
4
ভারত|বিজেপি
ভারতের লোকসভা নির্বাচন সমাগত। আগামী মার্চ-এপ্রিলে এই নির্বাচন হওয়ার কথা। নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে তারকা টানার খেলা ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। বিজেপি. কংগ্রেস. তৃণমূল—সবাই চাইছে তারকাদের প্রার্থী করে দলকে জিতিয়ে আনতে। এবার এই খেলায় বলিউডের বাঙালি তারকা মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়কে দলে ভিড়িয়েছে বিজেপি। গতকাল বুধবার দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় মৌসুমীর হাতে তুলে দেন বিজেপির পতাকা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা মুকুল রায়. প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়. সায়ন্তন বসু প্রমুখ। মৌসুমী কংগ্রেসের টিকিটে ২০০৪ সালে কলকাতার লোকসভার একটি আসনে লড়ে পরাজিত হয়েছিলেন। তারপর তিনি রাজনীতি থেকে দূরে সরে যান। এবার মৌসুমীর বিজেপিতে যোগদানের পর রাজনৈতিক মহলে কথা ছড়ায় যে তিনি এবার লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের কোনো একটি আসনে প্রার্থী হচ্ছেন। মৌসুমী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন. দল যা চাইবে. তিনি তা–ই করবেন। মোদির উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তাঁর ভালো লেগেছে। তাই তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। মৌসুমী আশির দশকে কলকাতা ও মুম্বাইয়ে ছবি করে ঝড় তোলেন। ১৯৬৭ সালে ‘বালিকা বধূ’ ছবির মাধ্যমে তিনি প্রথম বাংলা চলচ্চিত্রে পা রাখেন। তখন তাঁর বয়স ছিল ১১ বছর। ২০১৫ সালে অভিনয় করেন বলিউডের ‘পিকু’ ছবিতে। সব মিলিয়ে মৌসুমী বাংলা-হিন্দি মিলিয়ে ১১০টি ছবিতে অভিনয় করেছেন। মৌসুমী অভিনয় করেছেন বলিউড তারকা রাজেশ খান্না. বিনোদ খান্না. শশী কাপুর. সঞ্জীব কুমারের মতো প্রথিতযশা তারকাদের সঙ্গে। তিনি নানা পুরস্কারও পেয়েছেন। প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক ও শিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের ছেলে জয়ন্ত মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী মৌসুমী। তাঁদের দুই মেয়ে পায়েল ও মেঘা। এই বাংলার তারকা রুপা গঙ্গোপাধ্যায়. লকেট চট্টোপাধ্যায়. বাবুল সুপ্রিয় প্রমুখ আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।
1,573,032
2019-01-03
পশ্চিম ইসলামবাগে পলিথিন কারখানায় আগুন
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573031/%E0%A6%AA%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%AE-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A5%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8
bangladesh
online
4
আগুন|দুর্ঘটনা|রাজধানী
রাজধানীর পশ্চিম ইসলামবাগে একটি পলিথিন কারখানায় আগুন লেগেছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে সেখানে আগুন লেগেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। আগুন নেভাতে ৯টি ইউনিট কাজ করছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের ডিউটি অফিসার এরশাদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন. আজ দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে পশ্চিম ইসলামবাগের ওই পলিথিন কারখানায় আগুন লাগে। এ আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট কাজ করছে। তবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি এরশাদুল ইসলাম।
1,573,031
2019-01-03
পোস্ট অফিস গ্রাহকদের জন্য কোনাকার্ড
null
অনলাইন ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/technology/article/1573030/%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%85%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B8-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1
technology
online
4
খবরাখবর
টেলিকমিউনিকেশন টেকনোলজি ডেভেলপার ‘থার্ড ওয়েভ টেকনোলজিস লিমিটেডের (টিডব্লিউটিএল) সঙ্গে সম্প্রতি চুক্তি করেছে কোনা সফটওয়্যার ল্যাব লিমিটেড। এ চুক্তির ফলে বাংলাদেশের পোস্ট অফিসের গ্রাহকেরা কোনাকার্ড প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। টিডব্লিউটিএল হলো বাংলাদেশ পোস্ট অফিসের জন্য ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস অপারেটর. যারা কোনাকার্ডের মাধ্যমে পোস্ট অফিসের ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করতে চায়। এর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সেবা হলো টাকা আদান-প্রদান. রেমিট্যান্স–সংক্রান্ত সেবা. টাকা পরিশোধ. ইউটিলিটি বিল পরিশোধ ইত্যাদি। প্রাথমিক ভাবে এ সেবাগুলো শুধু পোস্ট অফিসের গ্রাহকেরা পাবেন। বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ মার্কেটের বিষয়টি বিবেচনা করে কোনা তাদের প্ল্যাটফর্মটি সরবরাহ করতে যাচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্ম স্মার্টফোনের পাশাপাশি ফিচার ফোনেও ব্যবহার করা যাবে। কোনাকার্ড হলো কোরিয়ার প্রথম প্রি-পেইড. ওপেন মোবাইল. আইসি পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম. যা ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে। এটা দিয়ে কার্ড ইস্যু. অনুমোদন. পেমেন্ট এবং সেটেলমেন্ট করা যায়। এতে ইএমভি (ইউরোপে. মাস্টার কার্ড ‍ও ভিসা) প্রযুক্তি থাকায় পৃথিবীর যেকোনো দেশে এটা ব্যবহার করা যাবে। বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোয় এ ধরনের কার্ডের প্রচলন অনেক বেশি।
1,573,030
2019-01-03
নানার বারোটা বাজিয়ে ফিরে যাচ্ছেন তনুশ্রী
null
বিনোদন ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573029/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80
entertainment
online
4
বলিউড
এরই মধ্যে বলিউডের শক্তিমান অভিনেতা নানা পাটেকারের ব্যক্তিগত ইমেজের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছেন ২০০৪ সালের ‘ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ইউনিভার্স’ ও সাবেক বলিউড তারকা তনুশ্রী দত্ত। তিনি নানা পাটেকারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছেন। ভারতের টিভি চ্যানেল নিউজ এইটিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তনুশ্রী দত্ত অভিযোগ করেন. ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘হর্ন ওকে প্লিজ’ ছবি করতে গিয়ে নানা পাটেকার তাঁকে যৌন হেনস্তা করেছেন। এরপর অপ্রত্যাশিত নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে নানা পাটেকারকে। এ সময়ের তুমুল জনপ্রিয় কয়েকজন বলিউড তারকা তাঁর সঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে আপত্তি জানিয়েছেন। প্রখ্যাত এই অভিনেতার অভিনয়জীবনের ভবিষ্যৎ এখন প্রশ্নের মুখে পড়েছে। চুক্তি হয়েছে. এমন কয়েকটি ছবি থেকে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এদিকে তিনি খুব প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হন না। সাংবাদিক. টিভি ক্যামেরা ও সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে চলছেন। এবার বার্তা সংস্থা আইএএনএসকে তনুশ্রী দত্ত জানালেন. আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাচ্ছেন তিনি। বললেন. ‘আমি এখন ওখানেই থাকি। ছুটিতে মুম্বাই এসেছি। সুতরাং আমাকে ফিরতেই হতো। নানা কারণে এবার ছুটিটা একটু লম্বা হলো। তবে আমি সবাইকে খুব মিস করব। আমার পুরো পরিবার কিন্তু ভারতেই থাকে।’ বিশ্বের অনেক দেশেই যখন হ্যাশট্যাগ মি টু আন্দোলন ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে. ভুক্তভোগীরা মুখ খুলছেন. অপরাধীদের মুখোশ খুলে পড়ছে. মানুষ এর সঙ্গে একাত্মতা জানাচ্ছে. ঠিক তখন প্রায় ১০ বছর আগে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা সামনে এনে ভারতে এই আন্দোলনের সূচনা করেন তনুশ্রী দত্ত। তিনি মুখ খোলার পর চরম বিরোধিতার মুখে পড়েন। কিন্তু দমে যাননি। যা বলার দরকার ছিল. ঠিকই বলেছেন। নিজের ওপর বিশ্বাস রেখে এগিয়ে গেছেন। একই সময় বলিউডের আরও কয়েকজন অনেক দিন আগে তাঁদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ন্যক্কারজনক ঘটনা সামনে এনেছেন। তাঁরা বলিউডের এমন সব ব্যক্তির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করেছেন. যাঁদের এত দিন সমাজে সম্মানের চোখে দেখা হতো। অল্প দিনেই ভারতে এই আন্দোলন শক্তিশালী রূপ নেয়। ভারতে হ্যাশট্যাগ মি টু আন্দোলনের সূচনার শতভাগ কৃতিত্ব দেওয়া হয় তনুশ্রী দত্তকে। তবে আইএএনএসকে তিনি বলেন. ‘একজন সাধারণ মানুষের জার্নিকে মিডিয়া হিরোইন বানিয়ে দিয়েছে। আমি মোটেও তেমন কিছু না. বরং আমি একটা মাধ্যম. যার মধ্য দিয়ে সমাজে পরিবর্তন ও সচেতনতার প্রসার হয়েছে।’ তনুশ্রী দত্ত জানালেন. আজ তাঁর হারানোর ভয় নেই। তবে এক দশক আগের ওই ঘটনা তাঁর ক্যারিয়ারকে শেষ করে দেয়। বললেন. ‘তাই আমাকেও একদিন না একদিন তার জের কাটিয়ে বের হতেই হতো।’ তনুশ্রী দত্ত মনে করেন. এরই মধ্যে ভারতে হ্যাশট্যাগ মি টু আন্দোলন যতটা শক্তশালী হয়েছে. সাধারণ মানুষের সমর্থন পেয়েছে. এর ফলে সেই অসৎ চরিত্রের মানুষগুলো ভয় পেয়ে গেছে। তারা নিজেদের কর্মকাণ্ড ঢাকার চেষ্টা করবে। কিন্তু যারা নির্যাতিত হচ্ছে. তারা অবশ্যই মুখ খুলবে। এই আন্দোলনে তিনি ভূমিকা রেখেছেন মাত্র. কিন্তু এই আন্দোলন তাঁর ওপর নির্ভরশীল নয়। এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে. এগিয়ে যাবে আপন গতিতে। বললেন. ‘এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য গুরুত্বপূর্ণ। কোনো আন্দোলন যদি ব্যক্তিনির্ভর হয়ে যায়. তখন এর সাফল্যের সম্ভাবনা সীমিত হয়ে যায়।’
1,573,029
2019-01-03
গুলশানে জড়ো হচ্ছে বিএনপি-ঐক্যফ্রন্ট
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
১০
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573027/%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A7%9C%E0%A7%8B-%E0%A6%B9%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF-%E0%A6%90%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AB%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F
bangladesh
online
4
নির্বাচন|রাজনীতি|বিএনপি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট|নির্বাচন কমিশন
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ও নির্বাচিত সদস্যরা গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জড়ো হচ্ছেন। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিভিন্ন নির্বাচিত এলাকার প্রার্থী ও নির্বাচিত ব্যক্তিরা গুলশানে আসতে শুরু করেছেন। আজ বেলা ২টার পর সেখান থেকে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে যাবেন তাঁরা। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বিভিন্ন দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর. জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রবসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত হয়েছেন। সেখানে উপস্থিত একাধিক নেতা প্রথম আলোকে বলেন. মূলত এখানে যে প্রার্থীরা আসছেন. তাঁরা ভোটের দিনের অনিয়মের প্রমাণসহ বিভিন্ন তথ্য নিয়ে আসছেন। সেগুলো এক জায়গায় করে. নির্বাচন কমিশনে জমা দেবেন তাঁরা। তাদের মূল দাবির মধ্যে থাকছে. নির্বাচন বাতিল করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে পুনর্নির্বাচন দেওয়া। বিএনপির এক নেতা বলেন.নির্বাচিত নতুনেরা শপথ নিয়ে ফেলেছেন. কমিশন তাদের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে. তারপরও আমরা কমিশনকে বলব. এ ভোটকে অনুমোদন না দিতে। লিখিত আকারে অভিযোগ সেখানে জমা দেব। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন. প্রহসন ও কারচুপির নির্বাচনের বিরুদ্ধে তাদের প্রথম কর্মসূচি হচ্ছে নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দেওয়া। এ জন্য বিভিন্ন প্রার্থীর কাছ থেকে তথ্য নিচ্ছেন তারা। পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। ক্ষমতাসীনেরা সবকিছু গায়ের জোরে করছে। সাধারণ মানুষ ভোট দেখেছে। তারাই এর প্রতিবাদ করবে। সামনে কী করণীয়. তখন সেটি নির্ধারণ হবে।
1,573,027
2019-01-03
যুব উদ্যোক্তা সম্মেলন ‘জিইবি-২০১৮’ অনুষ্ঠিত
null
অনলাইন ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/technology/article/1573023/%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%AC-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%A8-%E2%80%98%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%87%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AE%E2%80%99-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%A4
technology
online
4
খবরাখবর
সম্প্রতি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে যুব উদ্যোক্তাদের আসর গ্লোবাল এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ বুটক্যাম্প বা জিইবি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক উদ্যোক্তাদের এ আয়োজনে বিশ্বের ৪০টি দেশ থেকে সফল উদ্যোক্তা ও ১৫০ জন মেধাবী তরুণ অংশগ্রহণ করেন। এমআইটি স্লোগান স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের লিঙ্কন ইউনিভার্সিটি কলেজ এবং এশিয়া স্কুল অব বিজনেস (এএসবি) যৌথভাবে বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করে। দল গঠন. আলোচনা. স্টার্টআপ ওয়ার্কআউট. ব্যবসায়িক মডেল গঠন. উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক ধারণার মতো নানা আয়োজন ছিল এতে। এ আয়োজনে বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণ করে লিডসাস গ্লোবাল অ্যাকশন (এলজিএ)। এলজিএর প্রতিষ্ঠাতা সাদিক আল সরকার বলেন. জিইবি তরুণ উদ্যোক্তাদের প্ল্যাটফর্ম। এখানে ধারণা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়. যা সফল উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে সাহায্য করে। গ্লোবাল এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ বুটক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান খগেন্দ্র আচার্য বলেন. শুরু থেকেই জিইবি যুব উদ্যোক্তা এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ সেশন ও নেটওয়ার্কিং নিয়ে কাজ করেছে। এ ছাড়া বিনিয়োগকারীরা বুটক্যাম্পে অংশগ্রহণকারীদের উত্থাপিত সম্ভাবনাময় বিভিন্ন উদ্যোগের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছেন এবং এটা ভবিষ্যতে তাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য খুবই ইতিবাচক।
1,573,023
2019-01-03
টেন্ডুলকার ভুলবেন কীভাবে আচরেকার স্যারকে?
null
খেলা ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/sports/article/1573022/%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%80%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87
sports
online
4
ক্রিকেট|শচীন টেন্ডুলকার|ভারত
শচীন টেন্ডুলকার ক্রিকেট শিখেছিলেন রমাকান্ত আচরেকারের কাছে। তিনি খুব বিখ্যাত ক্রিকেটার বলতে যা বোঝায় সেটি ছিলেন না। কিন্তু তিনি পরিণত হয়েছেন ক্রিকেট ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা কোচে। মুম্বাইয়ের ময়দানে তিনি টেন্ডুলকারের মতোই ক্রিকেটের স্বপ্ন জাগিয়ে দিয়েছিলেন অজস্র ছেলের মধ্যে। তাঁর মৃত্যুতে মুম্বাইই কেবল নয় ভারতীয় ক্রিকেট অঙ্গনও শোকস্তব্ধ শচীন টেন্ডুলকার ক্রিকেট শিখেছিলেন রমাকান্ত আচরেকারের কাছে। তিনি খুব বিখ্যাত ক্রিকেটার বলতে যা বোঝায় সেটি ছিলেন না। কিন্তু তিনি পরিণত হয়েছেন ক্রিকেট ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা কোচে। মুম্বাইয়ের ময়দানে তিনি টেন্ডুলকারের মতোই ক্রিকেটের স্বপ্ন জাগিয়ে দিয়েছিলেন অজস্র ছেলের মধ্যে। তাঁর মৃত্যুতে মুম্বাইই কেবল নয় ভারতীয় ক্রিকেট অঙ্গনও শোকস্তব্ধ ক্রিকেটার হিসেবে খুব বিরাট কিছু তিনি কখনোই ছিলেন না। ষাটের দশকে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার হয়ে হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের বিপক্ষে খেলা একটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচই তাঁর ক্যারিয়ারের সম্বল। কিন্তু কোচ হিসেবে রমাকান্ত আচরেকার সম্ভবত ক্রিকেট ইতিহাসেরই অংশ। তাঁর হাতেই যে গড়ে উঠেছিলেন ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার—শচীন টেন্ডুলকার। আচরেকারের মৃত্যুর পর তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত শিষ্য শোকস্তব্ধ। সারদাশ্রম বিদ্যামন্দিরে ক্রিকেট শেখার সে দিনগুলি চোখের সামনে যে বারবার ভেসে উঠছে ক্রিকেট কিংবদন্তির। গুরুর মৃত্যুর পর তাই তাঁর আবেগমথিত প্রতিক্রিয়া. ‘তাঁর কাছ থেকেই আমার ক্রিকেটের হাতেখড়ি। আমার জীবনে তাঁর অবদান বলে শেষ করা যাবে না। স্যার ছোট থেকে যে ভিত তৈরি করে দিয়েছিলেন. আমি দাঁড়িয়ে আছি সে ভিতের ওপরই। তিনি আমাদের শিখিয়েছিলেন সোজা খেলতে ও জীবন এগিয়ে নিয়ে যেতে।’সেই ছোট্ট বেলায় রমাকান্ত আচরেকারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল টেন্ডুলকারকে। বোলার হতে চাওয়া টেন্ডুলকারকে বানিয়েছিলেন ব্যাটসম্যান। শিখিয়েছিলেন ব্যাটিংয়ের কেতা। বাকিটা তো ইতিহাস! সেই ছোট্ট টেন্ডুলকার পরের ৩০ বছরে পরিণত হলো বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান। সর্বকালের অন্যতম সেরাও। ক্রিকেটের এমন কোনো ব্যক্তিগত রেকর্ড বাদ থাকল না. যেটি নিজের মালিকানায় নেননি টেন্ডুলকার। কিন্তু কী আশ্চর্য. ক্রিকেটীয় উৎকর্ষের চূড়ায় অবস্থান করেও টেন্ডুলকার নিজের প্রেরণা. নিজের বাজে সময়ের আশ্রয়স্থল হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন সেই আচরেকারকেই। গুরুর সঙ্গে কথা বলেই যেন নতুন উদ্যম খুঁজে পেতেন। শক্তি পেতেন প্রতিপক্ষের বোলারদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার।টেন্ডুলকার কাল গুরুর মৃত্যুর পর একটা দারুণ কথা লিখেছেন। আবেগী হলেও সেই কথাটিই সবাইকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে কোচ রমাকান্ত আচরেকার আসলে কী ছিলেন। টুইটারে টেন্ডুলকার লিখেছেন. ‘এবার হয়তো স্বর্গে গিয়েও ক্রিকেটের উৎকর্ষ বাড়িয়ে তুলবেন আচরেকার স্যার।’আচরেকারের আরেক শিষ্য বিনোদ কাম্বলি। ক্রিকেটীয় ক্যারিয়ারটা তাঁর কোনো দিনই টেন্ডুলকারের ধারেকাছে যেতে পারেনি। সেটি নিয়ে আচরেকার স্যারের ক্ষোভ বা দুঃখ ছিল কিনা. সেটির ধার না ধেরেই কাম্বলির টুইট. ‘আমার ক্রিকেটীয় সত্তার জন্ম হয়েছে আচরেকার স্যারের হাতেই। আপনার অভাব অনুভব করব সব সময়ই। ওপরেও শান্তিতে থাকুন. ভালো থাকুন স্যার।’মুম্বাইয়ের ক্রিকেট মহলে অন্য চোখেই দেখা হয় আচরেকার স্যারকে। কয়েক দশকে প্রায় হাজার খানিক ছাত্র তৈরি করেছেন তিনি। সবাই যে ‘শচীন টেন্ডুলকার’ হতে পেরেছে. এমনটি হয়তো নয়. কিন্তু তিনি ক্রিকেটের যে উন্মেষ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন. সেটির প্রভাব অনেক বিস্তৃত। ভারত সরকারও তাঁর অবদানকে স্বীকৃতি দিয়েছে শ্রদ্ধার সঙ্গেই। তিনি পেয়েছেন পদ্মশ্রী পুরস্কার। গুরু হিসেবে তিনি সত্যিই ছিলেন পুরোপুরি অন্যরকম। তাঁর কাছে ক্রিকেট ছিল নিছক এক খেলা নয় বিধাতার আরাধনাও।২০১৩ সালের নভেম্বরে ২৪ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ইতি টানেন টেন্ডুলকার। নিজের বিদায়ী বক্তৃতার একটা বড় অংশ জুড়েই ছিল স্যার আচরেকার. ‘১১ বছর বয়স থেকে আমার জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন আচরেকার স্যার। স্যার কোনো দিন বলেননি . “ভালো খেলেছ”। পাছে আমি আত্মতুষ্টিতে ভুগতে থাকি। ভালো খেললে তাঁর চেহারার দিকে তাকিয়েই বুঝতে পারতাম. তিনি কতটা খুশি। খুব উজ্জ্বল হয়ে উঠত তাঁর চোখ-মুখ। চেহারার মধ্যেই একটা আনন্দ ঝিলিক দিত। না চাইতেই মিলত ভেলপুরি. ফুচকা।’টেন্ডুলকারই কেবল নয়. অন্য ছাত্রদের মনেও নিশ্চয়ই ভিড় করছে স্যার আচরেকারকে নিয়ে অজস্র স্মৃতি। সে সব স্মৃতি আনন্দের. বেশির ভাগই বাকিটা জীবন রোমন্থন করে যাওয়ার।
1,573,022
2019-01-03
নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত চায় এইচআরডব্লিউ
null
অনলাইন ডেস্ক
১২
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573021/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%80-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%A6%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%9A%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%A1%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%89
bangladesh
online
4
নির্বাচন|একাদশ সংসদ নির্বাচন|এইচআরডব্লিউ
সদ্য শেষ হওয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে ‘নিরপেক্ষ’ ও ‘স্বাধীন’ কমিশন গঠনের আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। গতকাল বুধবার দেওয়া এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানায় নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠনটি। গত ৩০ ডিসেম্বর ছিল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের দিন। এইচআরডব্লিউ ভোটের আগে ও ভোটের দিন বিরোধী দলের কর্মীদের ওপর হামলা. ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো. ভোট জালিয়াতি এবং নির্বাচন কর্মকর্তাদের একপেশে দলীয় আচরণের তদন্ত চায়। এইচআরডব্লিউয়ের এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামস বলেন. ‘নির্বাচনের প্রচারণার সময় বিরোধী পক্ষের ওপর সহিংসতা ও ভয়ভীতি দেখানো. তাদের নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা এবং মতপ্রকাশে বাধা সৃষ্টি করার জন্য আইনের অপব্যবহার হয়েছে।’ অ্যাডামস আরও বলেন. ‘নির্বাচনের দিন জোর করে ব্যালটে সিল মারা. ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। ভোটকেন্দ্রেও ক্ষমতাসীন দলের আধিপত্য ছিল। তাই এসব ঘটনার তদন্তে নিরপেক্ষ ও স্বাধীন কমিশন গঠন করা উচিত।’ বিবৃতিতে বলা হয়. নির্বাচনের আগে বিরোধী দলের কয়েক হাজার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাংবাদিকেরা দাবি করেছেন. গ্রেপ্তার ও হামলার ভয় দেখিয়ে তাঁদের প্রতিবেদন লিখতে. কাটছাঁট করতে বাধ্য করা হয়েছে। নির্বাচনের আগে বিটিআরসি মোবাইলের থ্রিজি ও ফোরজি সুবিধা বন্ধ করে দেয়। নির্বাচনের দিন সহিংসতায় অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছে। এইচআরডব্লিউয়ের বিবৃতিতে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক নারীর গণধর্ষণের ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়। বিরোধী পক্ষে ভোট দেওয়ার কারণে ওই নারীকে ধর্ষণ করার অভিযোগের কথা উঠে আসে বিবৃতিতে। এ ছাড়া খুলনার সাংবাদিক হেদায়তে হোসেন মোল্লা ও রাশিদুল ইসলামের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়।
1,573,021
2019-01-03
সুবর্ণচরের কালরাত
null
নিশাত সুলতানা
৪৭
https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573017/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%9A%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A4
opinion
online
4
নির্বাচন|নারী নির্যাতন|ধর্ষণ|রাজনীতি|একাদশ সংসদ নির্বাচন
সুবর্ণচর! কী সুন্দর একটি নাম! কিন্তু আজ দুদিন হলো সুবর্ণচর নামটি আমার মনের চোখে আর সুজলা-সুফলা-শস্য-শ্যামলা রূপে ধরা দিচ্ছে না; বরং ধরা দিচ্ছে এক বিভীষিকা হিসেবে। চোখ বন্ধ করলেই আমি দেখতে পাচ্ছি সুবর্ণচরের এক নিভৃত গ্রামের আঙিনায় এক নারীকে নেকড়ের মতো ঘিরে ধরেছে ১০-১২ জন পুরুষ. তারা অট্টহাসি হাসছে আর নারীটিকে ধর্ষণ করছে নিষ্ঠুর উল্লাসে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ আবার মোবাইল ফোনে নারীটির ধর্ষিত. থেঁতলানো শরীরের ছবি তুলছে। ঘরের মধ্যে বন্দী করে রাখা হয়েছে নারীটির স্বামী ও শিশুসন্তানদের। স্বামী আর্তচিৎকার করছেন তাঁর অসহায়ত্বে। কিন্তু তাঁর চিৎকার শুনতে পাবেন এমন কেউ নেই সেই তল্লাটে। সন্তানদের চোখে ভয়ার্ত দৃষ্টি. তারা কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না। তারাও ছটফট করছে. বারবার বাবার কাছে প্রশ্ন করছে কী অন্যায় করেছেন তাদের মা? কখন মুক্তি মিলবে তাঁর? তাদের মা আদৌ কখনো ফিরতে পারবেন তো তাদের কাছে? তারা একের পর এক প্রশ্ন করে চলেছে। সেই প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তর জানা নেই বাবার। তিনি শুধু আর্তনাদ করে চলেছেন। অবোধ শিশুগুলো আর কিছুই চায় না; শুধু ফিরে পেতে চায় তাদের মাকে। তারা নিশ্চিন্তে ঘুমাতে চায় মায়ের বুকে। সুবর্ণচর নোয়াখালী জেলার একটি উপজেলার নাম। সুবর্ণচরে সম্প্রতি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার ঠিক পরের রাতে গণধর্ষণ করা হয়েছে এক নারীকে। ‘গণধর্ষণ’ শব্দটির ভার এতটাই বেশি যে তা লিখতে গেলেও কেন জানি আঙুল সরতে চায় না. ভারী হয়ে আসে। কিন্তু সেই গণধর্ষণের নিষ্ঠুর অভিজ্ঞতার গুরুভার সারাটা জীবন বয়ে বেড়াতে হবে সুবর্ণচরের সেই নারীকে। তবে গত দুদিনে ধর্ষণের শিকার সেই নারীর আর্তনাদ নির্জন সুবর্ণচর ছাপিয়ে পৌঁছে গেছে গোটা বাংলাদেশের মানুষের কানে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা গেছে. নারীটির অপরাধ হলো তিনি ভোটকেন্দ্রে এলাকার প্রভাবশালীদের পছন্দের প্রতীকে ভোট দেননি। তাই তাঁকে ভোটকেন্দ্রেই হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং সে রাতেই সেই হুমকিকে বাস্তবে পরিণত করা হয়েছে। গণধর্ষণের মাধ্যমে সেই নারীকে তাঁর ‘স্পর্ধা’র জন্য চরম শাস্তিও দেওয়া হয়েছে। যেহেতু জানা গেছে বেশ কিছু রাজনৈতিক পরিচয়ধারী ব্যক্তির সম্পৃক্ততা রয়েছে এই জঘন্য ঘটনাটিতে. তাই স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করেছে। অপরাধের গুরুত্বের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয়ের মারপ্যাঁচ। এরই মধ্যে অপরাধের ভয়াবহতা তার গুরুত্ব হারাতে শুরু করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে ঘটনাটি গুজব না বাস্তব. নির্বাচনের সঙ্গে এটির সম্পৃক্ততা আছে কি নেই. কিংবা অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয়ের সত্যতা আর অসত্যতার বিষয়টি। এই সব আলোচনার আড়ালে বরাবরের মতোই ঢাকা পড়ে যাচ্ছে অপরাধীদের দ্রুত আইনের আশ্রয়ে নেওয়ার বিষয়টি। কয়েকজন অপরাধীকে ইতিমধ্যেই ধরা হয়েছে। বাকিরা এখনো পলাতক। যারা ধরা পড়েছে. তারা আইনের আওতায় আসবে তো; নাকি প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় আইনের ফাঁক গলে বাইরে বেরিয়ে আসবে. তা সময়ই বলতে পারবে। তবে আমাদের সামনে নেই ভরসা করার মতো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির তেমন কোনো উদাহরণ। সুবর্ণচরের নারীটি কি পাবেন তাঁর প্রতি হওয়া অন্যায়ের সুবিচার? বাংলাদেশ নাকি বিশ্বের বুকে বিস্ময় জাগানিয়া নারীর ক্ষমতায়নের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। প্রায় দুই দশক ধরে নারী নেতৃত্বের হাত ধরে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। কদিন আগে অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছেন ৬৮ জন নারীনেত্রী। তাঁরা কি কেউ সুবর্ণচরের নারীটির পাশে দাঁড়িয়েছেন? খোঁজখবর নিয়েছেন তাঁর? যে দেশে মোট ভোটারের প্রায় অর্ধেক নারী. সেই দেশে নিজ ইচ্ছায় প্রার্থীকে ভোটদানের অপরাধে একজন নারীকে গণধর্ষণের শিকার হতে হয়। এর চেয়ে লজ্জা আর কী হতে পারে! বাংলাদেশ কি দিন দিন ধর্ষণের অভয়ারণ্যে পরিণত হতে চলেছে? যে দেশে বছরে গড়ে দেড় থেকে দুই হাজার নারী ধর্ষণের শিকার হন. সে দেশ নারী ক্ষমতায়নের কথা গর্বভরে বলা যায় কি! এ তো গেল রিপোর্টকৃত ধর্ষণের পরিসংখ্যান। তবে এই সংখ্যার কয়েকগুণ বেশি ঘটনা রয়ে যায় পর্দার অন্তরালে; যেহেতু ধর্ষণের অধিকাংশ ঘটনাই অপ্রকাশিত থাকে। সুবর্ণচরে ধর্ষণের শিকার নারীটির শিশুসন্তানেরা তাদের মায়ের ওপর হওয়া অত্যাচারের বিচার চায়। তাদের নিষ্পাপ চোখগুলো কেন এই মধ্যযুগীয় বর্বরতার সাক্ষী হলো. সেই প্রশ্নের উত্তর চায় তারা। তারা জানতে চায়. এই নির্বাচন তাদের জীবনে কী পরিবর্তন নিয়ে এল। এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে পাওয়া খুব জরুরি। সুবর্ণচরের ঘটনাটির সঙ্গে সম্পৃক্ত কাপুরুষদের রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়টি যদি সত্য হয়ে থাকে. তবে তা মেনে নিতে দ্বিধা কোথায়! একজন ধর্ষণকারীর সবচেয়ে বড় পরিচয়. সে একজন ধর্ষক। অপরাধী কোনো দলের হতে পারে না. তার কোনো পরিচয় থাকতে পারে না। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য. এই অপরাধীদের রাজনৈতিক দলগুলো বড় চাপ তৈরি না হলে কখনো ত্যাজ্য করে না। একজন খুনি কিংবা ধর্ষক একটি রাজনৈতিক দলের আদর্শকে যে কতটা ভূলুণ্ঠিত করে. তা কি আদৌ ভেবে দেখে রাজনৈতিক দলগুলো! কোনো মুখোশের আড়ালে প্রকৃত অপরাধকে কখনো ঢাকা যায় না। যা সত্য তা দিবালোকের মতো প্রকাশ হবেই। আর জনতার আদালতে কোনো কিছুই অজানা থাকে না। নিশাত সুলতানা: লেখক ও গবেষক[email protected]
1,573,017
2019-01-03
প্রিমো এক্সফাইভ বাজারে
null
অনলাইন ডেস্ক
null
https://www.prothomalo.com/technology/article/1573016/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%8B-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87
technology
online
4
মোবাইল ফোন
বাজারে এসেছে ওয়ালটনের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ‘প্রিমো এক্সফাইভ’। দেশে তৈরি ৬ জিবি র‍্যামের প্রথম স্মার্টফোন এটি। ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত ফোনটির দাম ২৪ হাজার ৯৯৯ টাকা। ফোনে এক বছরের রেগুলার ওয়ারেন্টির সঙ্গে রয়েছে ৩০ দিনের ইনস্ট্যান্ট রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি। ওয়ালটন সেল্যুলার ফোন বিক্রয় বিভাগের প্রধান আসিফুর রহমান খান জানান. ‘প্রিমো এক্সফাইভ’ মডেলের ফোনটি তৈরি হয়েছে গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ কারখানায়। গত মাসে ফোনটির প্রি-অর্ডার বা আগাম ফরমাশ নেওয়া হয়েছিল। প্রিমিয়াম মেটাল ফ্রেম ডিজাইনের ‘প্রিমো এক্সফাইভ’ ফোনে ব্যবহৃত হয়েছে ৫.৯৯ ইঞ্চির ইন-সেল আইপিএস প্রযুক্তির ফুল এইচডি প্লাস ১৮: ৯ রেশিওর ফুলভিউ ডিসপ্লে। পর্দার রেজ্যুলেশন ২১৬০ বাই ১০৮০ পিক্সেল। অ্যান্ড্রয়েড ৮.১ ওরিও অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত ফোনটিতে আছে ৬৪ বিটের ২ গিগাহার্টজ অক্টাকোর প্রসেসর। গ্রাফিকস হিসেবে রয়েছে মালি-জি ৭১। এর ইন্টারনাল স্টোরেজ ৬৪ জিবি. যা মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে ২৫৬ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। নতুন এই ফোনের পেছনে রয়েছে এলইডি ফ্ল্যাশযুক্ত পিডিএএফ প্রযুক্তির এফ ২.০ অ্যাপারচারসমৃদ্ধ ডুয়াল বিএসআই ক্যামেরা. যার একটিতে আছে ১৩ মেগাপিক্সেল লেন্স. অন্যটিতে ৫ মেগাপিক্সেল লেন্স। এতে নিখুঁত ছবির পাশাপাশি ধারণ করা যাবে ফুল এইচডি ভিডিও। আকর্ষণীয় সেলফির জন্য এই ফোনের সামনে রয়েছে সফট এলইডি ফ্ল্যাশযুক্ত এফ ২.০ অ্যাপারচার সাইজের ১৬ মেগাপিক্সেল বিএসআই ক্যামেরা। এতে আছে ৩ হাজার ৪৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি। দুটি ন্যানো সিম ব্যবহারের সুবিধাসম্পন্ন ফোনটি থ্রিজি এবং ফোরজি নেটওয়ার্ক সমর্থন করে। মেমোরি কার্ডের জন্য রয়েছে আলাদা স্লট। ফোনের তথ্য সুরক্ষায় রয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা। এর ফেস আনলক ফিচার ০.৩ সেকেন্ডে ব্যবহারকারীর মুখাবয়ব রিড করতে পারবে। রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর. প্যাটার্ন লক এবং পাসওয়ার্ডও। কানেকটিভিটি ফিচার হিসেবে রয়েছে ওয়াই-ফাই. ব্লুটুথ ভার্সন ৪. ইউএসবি টাইপ-সি. ওটিজি. ওটিএ এবং ডব্লিউ ল্যান হটস্পট। ফোনটিতে ফুল এইচডি ভিডিও প্লেব্যাক করা যাবে। রয়েছে রেকর্ডিংসহ এফএম রেডিও।
1,573,016
2019-01-03
শপথ নিলেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
৩৪
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573008/%E0%A6%B6%E0%A6%AA%E0%A6%A5-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A7%A8%E0%A7%AF%E0%A7%A7-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6-%E0%A6%B8%E0%A6%A6%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF
bangladesh
online
4
সরকার|শেখ হাসিনা|বিএনপি|একাদশ সংসদ নির্বাচন|প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা|জাতীয় সংসদ|জাতীয় পার্টি
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠানে শুরুতে শপথ নেন স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন।পরে সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী। শপথ নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা। এঁদের মধ্যে সাজেদা চৌধুরী. মতিয়া চৌধুরী. আমির হোসেন আমু. তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ ছিলেন।পরে সদস্যদের শপথের কাগজে স্বাক্ষর করতে বলেন। পরবর্তী কার্যক্রম হিসেবে সাংসদদের রেজিস্ট্রারে স্বাক্ষর করতে বলা হয়।আওয়ামী লীগের সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর জাসদ. ওয়ার্কার্স পার্টি. তরিকত ফেডারেশন. জাতীয় পার্টি-জেপির সদস্যরা শপথ নেন। এরপরই জাতীয় পার্টির সদস্যরা শপথ নেবেন। তবে শপথ নেননি বিএনপির ৫ ও গণফোরামের ২ নির্বাচিত প্রতিনিধি। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পায় আওয়ামী লীগ।
1,573,008
2019-01-03
কুমিল্লা ও মেহেরপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. কুমিল্লা ও প্রতিনিধি. মেহেরপুর
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573006/%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E2%80%98%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87%E2%80%99-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%A4-%E0%A7%A8
bangladesh
online
5
অপরাধ|মেহেরপুর|কুমিল্লা|বন্দুকযুদ্ধ
কুমিল্লা ও মেহেরপুরে দুটি পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার রাতে এ দুটি ঘটনা ঘটে। কুমিল্লায় পুলিশ ও পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যদের সঙ্গে এবং মেহেরপুরে মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে ‘গোলাগুলিতে’ দুজন নিহত হন। দুটি ঘটনায়ই পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে. নিহত দুজন মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন। কুমিল্লা: কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার মনা গ্রাম এলাকায় ডিবির ও থানা-পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশ বলছে. নিহত সাইফুল মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন। গতকাল রাত ১২টায় এ ঘটনা ঘটে। কুমিল্লা ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা প্রথম আলোকে বলেন. সাইফুলের কাছে থেকে একটি রিভলবার ও ৩০০ পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। সাইফুলের বাড়ি আদর্শ সদর উপজেলার জোড়ামেহের গ্রামে। পুলিশ সূত্র জানায়. ডিবি পুলিশ ও থানা-পুলিশের একটি দল মনা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করতে গেলে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের ওপর গুলি ছোড়েন। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এ সময় মাদক ব্যবসায়ী সাইফুল গুলিবিদ্ধ হন। সাইফুলকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ওসি নাসির উদ্দিন মৃধা জানান. সাইফুলে বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় অস্ত্র ও মাদকসংক্রান্ত পাঁচটি মামলা আছে। জেলা পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন সাইফুল। মেহেরপুর: মেহেরপুরের সদর উপজেলায় দুই পক্ষের গোলাগুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। পুলিশ জানায়. গতকাল দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার বুড়িপোতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আবু মুসায়েদ (৩২) । মেহেরপুর পৌর এলাকার বেড়পাড়ায় তাঁর বাড়ি। আজ বৃহস্পতিবার সকালে মেহেরপুর সদর থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন. গতকাল রাত দুইটার দিকে সদর উপজেলার বুড়িপোতা গ্রামে গোলাগুলির খবর পেয়ে টহল পুলিশ সেখানে গিয়ে তল্লাশি চালায়। সেখানে একটি লিচুবাগান থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে নিয়ে আসে। রবিউল ইসলাম বলেন. ‘মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে বলে আমাদের ধারণা। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান ও ৩০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।’
1,573,006
2019-01-03
মোদিকে চার প্রশ্ন রাহুলের
null
অনলাইন ডেস্ক
null
https://www.prothomalo.com/international/article/1573005/%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0
international
online
5
ভারত|নরেন্দ্র মোদি|রাহুল গান্ধী
পার্লামেন্টে বিতর্ক ও সংবাদ সম্মেলনের পর রাফালে যুদ্ধবিমান নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দিকে চার প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন কংগ্রেস দলের প্রধান রাহুল গান্ধী। গতকাল বুধবার টুইটে রাফালে যুদ্ধবিমানের সংখ্যা ও দাম নিয়ে মোদিকে চারটি প্রশ্ন করেন রাহুল। রাহুল টুইটে এও লেখেন. প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মতো সাহস নেই মোদির। রাফালে ইস্যুতে মুখোমুখি ২০ মিনিট মোদির সঙ্গে কথাও বলবেন বলে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন রাহুল। টুইটে মোদিকে করা রাহুলের চার প্রশ্ন হলো—১. ১২৬টির বদলে ৩৬টি যুদ্ধবিমান কেন? ২. প্রতিটি যুদ্ধবিমানের জন্য ৫৬০ কোটির বদলে ১ হাজার ৬০০ কোটি রুপি কেন? ৩. এইচএএলের বদলে এএ কেন? ৪. মোদি কি এগুলো দেখাচ্ছেন? নাকি এই রাফালেগুলো বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে? প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারাম অবশ্য রাহুলের পাল্টা টুইটে লিখেছেন. ফেল করা একজন ছাত্র ক্লাসের বাইরে থেকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন। ফ্রান্সের কাছ থেকে অত্যাধুনিক রাফালে যুদ্ধবিমান কেনাবেচার প্রসঙ্গটি বেশ কিছুদিন ধরেই বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে দাখিল হয়েছে একাধিক জনস্বার্থ মামলা। বিরোধীদের অভিযোগ. চুক্তি সইয়ের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী মোদি পক্ষপাতিত্ব করেছেন। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার পরিবর্তে সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন বেসরকারি সংস্থাকে। সুপ্রিম কোর্টে তাঁদের আবেদন. এ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হোক। অবশ্য রাফালে চুক্তি নিয়ে সন্দেহের কোনো কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন দেশের শীর্ষ আদালত। তদন্তের দাবিও খারিজ করে দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। পাশাপাশি অনিল আম্বানির সংস্থাকে সুবিধা পাইয়ে দিতে দাসোর সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে বলে যে অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস. তাও খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে পুনর্বিবেচনার আরজি জানিয়েছেন সাবেক মন্ত্রী অরুণ শৌরী. যশোবন্ত সিনহা এবং আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। রাফালের প্রস্তুতকারী সংস্থা দাসো তার ‘অফসেট’ পার্টনার হিসেবে বেছে নিয়েছে ভারতীয় শিল্পপতি অনিল আম্বানির এক সংস্থাকে। অভিযোগ. সরকারি সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেডকে (হ্যাল) বঞ্চিত করে আম্বানির সংস্থার সঙ্গে দাসোকে চুক্তিবদ্ধ হতে প্রভাব খাটিয়েছে মোদি সরকার।
1,573,005
2019-01-03
যাঁর দিকে আঙুল তিনি গ্রেপ্তার
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. নোয়াখালী
৩৯
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573003/%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E2%80%99-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A6%A6%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%B2
bangladesh
online
5
নোয়াখালী|ধর্ষণ|আইন ও বিচার|চট্টগ্রাম বিভাগ|আওয়ামী লীগ
নোয়াখালীর সুবর্ণচরের একটি গ্রামে স্বামী-সন্তানদের বেঁধে রেখে এক নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলো। সবশেষ গতকাল বুধবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয় চরজুবলী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য রুহুল আমিন ও মো. বেচুকে। পুলিশ জানায়. ঘটনার ইন্ধনদাতা হিসেবে রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে মো. বেচুকে গ্রেপ্তার করা হয়। চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন. সুবর্ণচরের উত্তর ওয়াপদা এলাকার একটি মাছের খামার থেকে রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মো. বেচুকে সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় এলাকার একটি ইটভাটা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওসি নিজাম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন. রুহুল আমিন ও মো. বেচুকে থানা হাজতে আনা হয়েছে। তাঁরা প্রাথমিকভাবে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আগে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা হলেন মো. স্বপন. মো. সোহেল ও বাদশা আলম ওরফে কুড়াইল্যা বাসু। স্বপনকে গত মঙ্গলবার রাতে এবং সোহেলকে গতকাল গ্রেপ্তার করা হয়। সোহেল এই মামলার প্রধান আসামি। নির্যাতনের শিকার নারী গত রোববার সকালে এলাকার একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে যান। এ সময় কেন্দ্রে থাকা আওয়ামী লীগের কয়েকজন যুবক তাঁকে তাঁদের পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে বলেন। তিনি তাতে রাজি না হলে যুবকেরা তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। ওই দিন রাত ১২টার দিকে ছালা উদ্দিন. সোহেল. বেচু. মোশারফসহ ১০ থেকে ১২ জনের একদল যুবক ঘরে ঢুকে প্রথমে স্বামী-স্ত্রী দুজনকে মারধর করেন। পরে স্বামী ও সন্তানদের বেঁধে রেখে ওই নারীকে ঘরের বাইরে পুকুরপাড়ে এনে গণধর্ষণ করেন। নির্যাতনের শিকার নারীর অভিযোগ. ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা সবাই চরজুবলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য রুহুল আমিনের লোক। মামলার এজাহারে মো. সোহেল (৩৫). মো. হানিফ ৩০). মো. স্বপন (৩৫). মো. চৌধুরী (২৫). মো. বেচু (২৫). বাদশা আলম ওরফে কুড়াইল্যা বাসু (৪০). আবুল (৪০). মোশারফ (৩৫) ও ছালা উদ্দিনের (৩৫) নাম উল্লেখ করা হয়। নির্যাতিত নারী প্রথম আলোকে বলেন. তাঁর সারা শরীরে নির্যাতনের স্থানে রক্ত জমে আছে। তিনি নড়াচড়া করতে পারছেন না। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. খলিল উল্যাহ প্রথম আলোকে বলেন. ডাক্তারি পরীক্ষাকালে নির্যাতনের শিকার শরীর থেকে সংগ্রহ করা আলামত পরীক্ষার জন্য গতকাল আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজের সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার প্রতিবেদন পাওয়া যেতে পারে। চরজব্বার থানার ওসি নিজাম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন. এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া বাদশা আলম ও স্বপনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কিন্তু তাঁরা ঘটনার বিষয়ে কিছু স্বীকার করেননি। আদালতে বাদশা আলমের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন. নোয়াখালীতে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের কেউ ছাড় পাবে না। এ ধরনের ঘটনা অবশ্যই নিন্দনীয় ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ব্যাপারে সরকার কঠোর অবস্থানে আছে। সুবর্ণচরে গৃহবধূকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন সংগঠন। তারা এই ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দায়ী ব্যক্তিদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে। চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) খন্দকার গোলাম ফারুক গতকাল সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি নির্যাতনের শিকার নারীর সঙ্গে কথা বলেন। গতকাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পরিচালক (অভিযোগ ও তদন্ত) আল-মাহামুদ ফয়জুল কবিরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সেলিনা আক্তারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আরেকটি দলও ঘটনার তদন্তে নোয়াখালীতে যায়।
1,573,003
2019-01-03
যত দোষ চীনের!
null
অনলাইন ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/technology/article/1572999/%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%9C-%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%B2
technology
online
5
খবরাখবর
বেশ কিছুদিন ধরেই বাজার বিশ্লেষকেরা আইফোন বিক্রি কমে যাচ্ছে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছিলেন। বিষয়টি মার্কিন প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল কর্তৃপক্ষ স্বীকার করে নিয়েছে। আইফোন বিক্রি কমে যাওয়ার বিষয়টি বিনিয়োগকারীদের বিচলিত করে তুলেছে। কিন্তু কী কারণে আইফোন বিক্রি কমছে বা দোষ কার? অ্যাপল কর্তৃপক্ষ মনে করছে. এ দোষ চীনের। বিবিসি অনলাইনের খবরে জানানো হয়. আইফোন বিক্রি কমার কারণ হিসেবে চীনের অর্থনৈতিক দুর্বল অবস্থাকে দায়ী করেছে অ্যাপল। অ্যাপল কর্তৃপক্ষ বলেছে. গত ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসের হিসাব ধরলে তাদের সম্ভাব্য রাজস্বের পরিমাণ ৮ হাজার ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার। কিন্তু গত নভেম্বর মাসে প্রতিষ্ঠানটি ৮ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলার রাজস্বের পূর্বাভাস দিয়েছিল। ওই রাজস্বের পূর্বাভাস বিনিয়োগকারীদের হতাশ করেছিল। অ্যাপলের সম্ভাব্য রাজস্ব কমার খবরে তাদের শেয়ারের দাম ৭ শতাংশ পড়ে গেছে. যা গত নভেম্বর মাস থেকে ২৮ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ার ঘটনা ঘটল। সাধারণত গত প্রান্তিকের উৎসবের সময়টিকে অ্যাপলের জন্য শক্তিশালী প্রান্তিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু ৮ হাজার ৪০০ কোটি মার্কিন ডলারের রাজস্বের হিসাব গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ শতাংশ কম. যা ২০১৬ সালের পর থেকে বছরওয়ারি হিসাবে প্রথমবার কোনো প্রান্তিকে রাজস্ব কমার ঘটনা। গতকাল বুধবার বিনিয়োগকারীদের কাছে লেখা এক চিঠিতে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) টিম কুক বলেছেন. বৃহত্তর চীন অঞ্চলে আইফোন বিক্রিতে সমস্যা হয়েছে। এর মধ্যে হংকং ও তাইওয়ান রয়েছে। এ অঞ্চল থেকে অ্যাপলের রাজস্ব আসে প্রায় ২০ শতাংশ। তবে উন্নয়নশীল বাজারের পাশাপাশি উন্নত দেশের বাজারেও সমস্যা রয়েছে বলে জানান কুক। তিনি বলেন. অনেক গ্রাহক নতুন আইফোন হালনাগাদ করার পক্ষে নন। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন. আইফোন বিক্রি কমার আরেকটি কারণ হচ্ছে এর দাম। চড়া দামের আইফোন অনেকেই কিনতে আগ্রহী নন। আটলান্টিক ইকুইটিসের বিশ্লেষক জেমস কর্ডওয়েল বলেন. বিনিয়োগকারীরা প্রশ্ন তুলবেন অ্যাপলের আগ্রাসী দামের বিষয়টির কারণেই এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছ কি না. তা নিয়ে। বিশ্লেষকেদের ভাষ্য. চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্যযুদ্ধের প্রভাব পড়েছে অ্যাপলের ওপর। অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি বলেছেন. বাণিজ্য–দুশ্চিন্তা ক্রেতাদের আস্থায় আঘাত করেছে।টিম কুক আরও বলেন. গ্রাহকদের আস্থা ফেরাতে আইফোন কেনার প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি গ্রাহকসেবার বিষয়টি আরও জোরদার করা হবে। আরও পড়ুন:আইফোনের চাহিদা আরও কমছে
1,572,999
2019-01-03
শেখ হাসিনাকে ইরানের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন
null
বাসস. ঢাকা
১২
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572996/%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%A8
bangladesh
online
5
নির্বাচন|সরকার|শেখ হাসিনা|আওয়ামী লীগ|একাদশ সংসদ নির্বাচন|প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা|ইরান
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ে দলের সভাপতি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো এক বার্তায় রুহানি বলেন. ‘আপনার নেতৃত্বে সফল সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং আওয়ামী লীগের বিজয়ে আমি আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।’ রুহানি বলেন. ‘বাংলাদেশের বিভিন্ন শ্রেণির অংশগ্রহণে অর্জিত এই সাফল্য আপনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থার বহিঃপ্রকাশ।’ ইরান ও বাংলাদেশের মধ্যকার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের বিষয়টি উল্লেখ করে রুহানি আশা প্রকাশ করেন. মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরও বিস্তৃত হবে। রুহানি বলেন. ‘দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থে আমাদের সম্পর্ক ভবিষ্যতে প্রতিটি ক্ষেত্রে আরও সম্প্রসারিত হবে।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য এবং বাংলাদেশের জনগণের সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন রুহানি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ে দলের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশ্ব নেতারা অভিনন্দন জানিয়ে আসছেন। এই তালিকায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি. ভারতের বিরোধী দল ভারতীয় কংগ্রেসের সংসদীয় দলের চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী. রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন. চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং. শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা ও প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে প্রমুখ আছেন।
1,572,996
2019-01-03
উইন্ডোজ ১০ এখন সবচেয়ে জনপ্রিয়
null
অনলাইন ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/technology/article/1572994/%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%8B%E0%A6%9C-%E0%A7%A7%E0%A7%A6-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F
technology
online
5
খবরাখবর|মাল্টিমিডিয়া
আপনার কম্পিউটারে কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করছেন? বিশ্বজুড়ে অধিকাংশ পিসি ব্যবহারকারী এখন উইন্ডোজ ১০ ওএস ব্যবহার করছেন। বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট তিন বছর আগে উন্মুক্ত করেছিল উইন্ডোজ ১০ সংস্করণ। উইন্ডোজ ৭ সংস্করণকে ছাড়িয়ে যেতে ৩ বছর সময় লেগেছে উইন্ডোজ ১০-এর। এর আগে সবচেয়ে জনপ্রিয় উইন্ডোজ সংস্করণ ছিল উইন্ডোজ এক্সপি। অবশ্য ২০১৩ সালের আগে থেকেই উইন্ডোজ ৭ জনপ্রিয় হতে শুরু করে। ২০১৫ সালে উইন্ডোজ ৭ এর জনপ্রিয়তা বেশি থাকলেও উইন্ডোজের নতুন সংস্করণ ছাড়ে মাইক্রোসফট। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান নেট অ্যাপ্লিকেশনসের তথ্য অনুযায়ী. বর্তমানে অপারেটিং সিস্টেমের বাজার দখলের হিসেবে উইন্ডোজ ১০ এগিয়ে গেছে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী. উইন্ডোজ ১০ এর দখলে রয়েছে বাজারের ৩৯ দশমিক ২২ শতাংশ আর উইন্ডোজ ৭ এর দখলে রয়েছে ৩৬ দশমিক ৯ শতাংশ। এক দশক আগে উইন্ডোজ ৭ উন্মুক্ত করেছিল মাইক্রোসফট। গত বছর মাইক্রোসফট ঘোষণা দিয়েছিল. এখন পর্যন্ত পিসি. এক্সবক্স. ট্যাবলেট কম্পিউটার ও ফোন মিলিয়ে ৭০ কোটি যন্ত্রে উইন্ডোজ ১০ ইনস্টল করা হয়েছে। ২০১৯ সালের মধ্যে ১০০ কোটি যন্ত্রে উইন্ডোজ ১০ ইনস্টল করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ সফটওয়্যারের সর্বশেষ হালনাগাদ ছিল উইন্ডোজ ১০ অক্টোবর আপডেট সংস্করণ। এতে বিভিন্ন যন্ত্রের মধ্যে সিনক্রোনাইজ করার সুবিধা ক্লাউড ক্লিপবোর্ড. আপডেটে স্নাইপিং টুল. ডার্ক ফাইল এক্সপ্লোরার. এজের উন্নত সংস্করণের মতো নতুন বেশ কিছু ফিচার এসেছিল। এতে সার্চের প্রিভিউ দেখা এবং ফোল্ডার টাইটেল দেওয়ার মতো নতুন সুবিধাও এসেছিল। তবে উইন্ডোজের নতুন আপডেট যন্ত্র থেকে তথ্য মুছে দিচ্ছে এমন অভিযোগ ওঠার পর মাইক্রোসফট নতুন সংস্করণ বন্ধ করে দেয়। পরে ওই সমস্যা সমাধান করে তা আবার উন্মুক্ত করা হয়।
1,572,994
2019-01-03
সাকিব-মুশফিক-জিমি হতে চাইলে...
null
রাশেদুল ইসলাম
https://www.prothomalo.com/sports/article/1572990/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%AD%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A7%87
sports
online
5
বিকেএসপি|ভর্তি পরীক্ষা|খেলা
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী চলতি মাসের ১৬ তারিখ থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ( বিকেএসপি) ভর্তি বাছাই প্রক্রিয়া। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী চলতি মাসের ১৬ তারিখ থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ( বিকেএসপি) ভর্তি বাছাই প্রক্রিয়া। গত শতাব্দীর শেষ দিকেও বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে পেশাদারির ছোঁয়া ছিল না বললেই চলে। ভালো লাগা বা শরীরচর্চার অংশ হিসেবে খেলাতে নাম লেখাতেন সবাই। এ ছাড়া কোনো মা-বাবা শখের বশেই সন্তানদের হাতে তুলে দিতেন ব্যাট অথবা ফুটবল। আবার যে ছেলেটার পড়ার টেবিলে মন বসে না. তার বাঁধভাঙা আগ্রহের কাছেও হার মানতেন অভিভাবকেরা। সময়ের পালাবদলে ক্রীড়া এখন অন্যতম সেরা সম্মানজনক পেশা। ভালো খেলতে পারলেই অর্থকড়ির সঙ্গে যশ-খ্যাতি! ফলে বর্তমানে অভিভাবকেরাও চান তাঁর সন্তান খেলোয়াড় হোক। আর এ জন্য চাই সঠিক গাইডলাইন। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকদের প্রথম পছন্দ বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)। যেখান থেকে উঠে এসে বিশ্ব ক্রিকেট মাতাচ্ছেন সাকিব আল হাসান. মুশফিকুর রহিম. নাসির হোসেন. আবদুর রাজ্জাকদের মতো ক্রিকেটার। তাই অনেকেই ভেবে থাকেন. ছেলেকে একবার বিকেএসপিতে দিতে পারলেই সে-ও বুঝি হয়ে গেল মস্ত বড় ক্রিকেটার। বিকেএসপিতে ভর্তি হতে পারলে ভালো একটা গাইডলাইন পাওয়া যাবে নিশ্চয়ই। কিন্তু ব্যক্তিগত মেধা ও পরিশ্রম ছাড়া ক্রীড়ায় সাফল্য পাওয়া যায় না বললেই চলে। আবার সঠিক উপায়ে পরিশ্রমের পথটা জানা উচিত। সে পথটা দেখিয়ে দিতে পারে বিকেএসপি। শুধু ক্রিকেট নয়. সব খেলাতেই আছে খেলোয়াড় তৈরির এ কারখানার ছাত্রছাত্রীদের প্রাধান্য। ফুটবলে উঠে এসেছেন মাসুদ রানা. হাসান আল মামুন. ফিরোজ মাহমুদ টিটু. জাহিদ হাসান এমিলির মতো তারকারা. যাঁরা দীর্ঘ সময় দেশের ফুটবলে পতাকা বহন করেছেন। হকিতে আছেন মামুনুর রশিদ .রাসেল মাহমুদ জিমিরা। এ ছাড়া একক খেলাগুলোতে তৈরি হয়েছেন শুটার আসিফ হোসেন. আবদুল্লাহ হেল বাকি. সাঁতারু মাহফুজার আক্তার শিলার মতো তারকারা। ভর্তির সময়১৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে চারদিন ব্যাপী বাছাই প্রক্রিয়া। আর্চারি. অ্যাথলেটিকস. বাস্কেটবল. বক্সিং. ক্রিকেট. ফুটবল. হকি. জুডো. শুটিং. সাঁতার. টেনিস. টেবিল টেনিস. তায়কোয়ান্দো. কারাতে. উশু ও ভলিবল—এই ১৭টি খেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে বিকেএসপিতে। ভর্তির নিয়মকানুনসাধারণত চতুর্থ. পঞ্চম. ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা ভর্তির সুযোগ পাবে। প্রতিবছর একেকটি খেলায় যে কটি আসন খালি হয়. তার বিপরীতে শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হয়। বিকেএসপির প্রশিক্ষণকেন্দ্রে নির্দিষ্ট দিনে প্রশিক্ষণার্থীদের চূড়ান্ত ভর্তির জন্য বাছাই করা হয়। প্রাথমিক বাছাইয়ে সাধারণত স্বাস্থ্য ও বয়স দেখা হয়। প্রাথমিক বাছাইয়ের দ্বিতীয় পর্বে দেখা হয় শারীরিক সক্ষমতা। তৃতীয় পর্বে শিক্ষার্থীকে মাঠে পাঠানো হয়। সেখানে আবেদন অনুযায়ী নেওয়া হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। প্রাথমিক বাছাইয়ে উত্তীর্ণদের পরবর্তী সময় সাত দিনের বাছাই ক্যাম্পে ডাকা হয়। সপ্তাহব্যাপী সকাল-বিকেল অনুশীলনের পর নেওয়া হয় লিখিত পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষা হয় ১০০ নম্বরে। বিষয় বাংলা. ইংরেজি. গণিত ও সাধারণ জ্ঞান। স্বাস্থ্য পরীক্ষা (প্রথম ধাপ)প্রথমেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা। সেখানে প্রতিষ্ঠানটির চিকিৎসকেরা নির্ধারণ করে থাকেন আবেদনকারীর বয়স. উচ্চতা. ওজন ও শারীরিক কোনো ত্রুটি আছে কি না। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ‘ইয়েস’ কার্ড পেলেই আবেদনকারী নিজ নিজ খেলার মাঠে গিয়ে শারীরিক সক্ষমতা ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে। অর্থাৎ যে ক্রিকেটে আবেদন করেছে. সে যাবে ক্রিকেট মাঠে। যে ফুটবলে. সে যাবে ফুটবল মাঠে। শারীরিক সক্ষমতা ( দ্বিতীয় ধাপ)আবেদন অনুযায়ী নিজ নিজ মাঠেই হয়ে থাকে শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা। সাধারণত দেখা হয় স্পিড (গতি). স্ট্রেংথ (শক্তি). অ্যান্ডুরেন্স (দম). এজিলিটি (ক্ষিপ্রতা). ব্যালান্স (ভারসাম্য). ফ্লেক্সিবিলিটি (নমনীয়তা)। ব্যবহারিক পরীক্ষা (তৃতীয় ধাপ)সাত দিনব্যাপী দ্বিতীয় দফায় চূড়ান্ত লড়াইয়ে জায়গা করে নেওয়ার জন্য ব্যবহারিক পরীক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আবেদনকারীদের খেলা অনুযায়ী নেওয়া হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। যেমন ক্রিকেটে ভর্তি-ইচ্ছুকদের জন্য ব্যাটিং-বোলিং ড্রিল ও ফুটবলারদের জন্য স্কিল-গেম। প্রাথমিক বাছাইয়ের জন্য এই তিনটি ধাপই অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে এক দিনে। এখান থেকে বাছাই করে নেওয়া হয় সাত দিনব্যাপী বাছাই পরীক্ষায়। সাত দিনব্যাপী বাছাইপর্বসপ্তাহব্যাপী বাছাইপর্বের ধাপটি পুরোপুরি আবাসিকভাবে পরিচালনা করা হয়। ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের বিকেএসপির নিজস্ব হোস্টেলে রেখে আয়োজন করা হয় চূড়ান্ত নির্বাচনী পরীক্ষা। সপ্তাহব্যাপী সকাল-বিকেল অনুশীলনে তাদের মেধা ও দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ। সঙ্গে লক্ষ্য করা হয় আবেদনকারীর আচার-আচরণ। শেষ দিনে অনুষ্ঠিত হয় লিখিত পরীক্ষা। ১০০ নম্বরের পরীক্ষার বিষয় বাংলা. ইংরেজি. গণিত ও সাধারণ জ্ঞান। সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হতে চাইলে তার জন্য ষষ্ঠ শ্রেণির সিলেবাসে পরীক্ষা হবে। আবার যে প্রতিযোগী ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক. তার জন্য পঞ্চম শ্রেণির সিলেবাস। নিয়মকানুন তো সব জানাই হলো। তাহলে এবার ছেলে বা মেয়েকে দাঁড় করিয়ে দিন পরীক্ষার লাইনে—যদি ইচ্ছে থাকে ছেলে বা মেয়েটিকে সাকিব. মুশফিক. আসিফ. এমিলি বা শিলার মতো তারকা হিসেবে দেখার। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ও আরও খবর জানত এখানে দেখুন:
1,572,990
2019-01-03
টিভিতে আজকের খেলা সূচি
null
খেলা ডেস্ক
null
https://www.prothomalo.com/sports/article/1572989/%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%9C%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%9A%E0%A6%BF
sports
online
5
আজকের খেলা|ক্রিকেট|ফুটবল
টেলিভিশনের পর্দায় আজ যেসব খেলা দেখবেন: ৪র্থ টেস্ট-১ম দিন সনি সিক্স অস্ট্রেলিয়া-ভারত ভোর ৫-৩০ মি. ১ম ওয়ানডে স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১ নিউজিল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা সকাল ৭টা ২য় টেস্ট-১ম দিন সনি ইএসপিএন দক্ষিণ আফ্রিকা-পাকিস্তান বেলা ২-৩০ মি. ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১ ম্যানচেস্টার সিটি-লিভারপুল রাত ২টা লা লিগা সনি টেন ২ ভিয়ারিয়াল-রিয়াল মাদ্রিদ রাত ২-৩০ মি. টেনিস সনি টেন ২ ব্রিসবেন ইন্টারন্যাশনাল সকাল ৭টা ও বেলা ৩টা হপম্যান কাপ সনি টেন ২ এইচডি গ্রেট ব্রিটেন-যুক্তরাষ্ট্র সকাল ৮টা গ্রিস-সুইজারল্যান্ড বেলা ৩-১৫ মি. এনবিএ সনি টেন ১ মেম্ফিস-ডেট্রয়েট সকাল ৭টা এলএ লেকার্স-ওকলাহোমা সকাল ৯-৩০ মি. মেয়েদের বিগ ব্যাশ সনি সিক্স রেনেগেডস-হারিকেনস সকাল ৯-৫০ মি. বিগ ব্যাশ লিগ সনি সিক্স রেনেগেডস-স্ট্রাইকার্স বেলা ২-১৫ মি. টেনিস স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২ মহারাষ্ট্র ওপেন বেলা ৩-১৫ মি. ব্যাডমিন্টন স্টার স্পোর্টস ১ প্রিমিয়ার ব্যাডমিন্টন লিগ সন্ধ্যা ৭-২০ মি.
1,572,989
2019-01-03
জয়ের ধারায় ফেরা ম্যানচেস্টারের বছর শুরু জয় দিয়েই
null
খেলা ডেস্ক
null
https://www.prothomalo.com/sports/article/1572987/%E0%A6%9C%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81-%E0%A6%9C%E0%A7%9F-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%87
sports
online
5
ফুটবল|ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ|ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে নিউক্যাসলের বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ম্যানইউর হয়ে একটি করে গোল করেন লুকাকু ও রাশফোর্ড। মরিনহোর বিদায়ের পর অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ওলে গানার সোলসকায়ের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল ম্যানইউকে জয়ের ধারায় ফেরানো। মনে করিয়ে দেওয়া ম্যানইউ জিততে পারে। সেটা তিনি ভালোই পেরেছেন। ম্যানইউর কোচ হিসেবে নিজের প্রথম ম্যাচে কার্ডিফ সিটিকে হারিয়ে নিজে করলেন উড়ন্ত সূচনা। ইপিএলের সফলতম দল ফিরল জয়ের ধারায়। বুধবার রাতে সেটা অব্যাহত রাখল ইংলিশ ক্লাবটি। লুকাকু ও রাশফোর্ডের গোলে নিউক্যাসলের বিপক্ষে পেয়েছে ২-০ গোলের জয়। যে দল জয় কি জিনিস সেটা প্রায় ভুলেই গেছে। সে দলের হয়েই দায়িত্ব নেওয়ার পর ওলে গানার সোলসকায়ের এটা টানা চতুর্থ জয়। নিউক্যাসলের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকে শেষ—আধিপত্য ধরে রাখে ম্যানইউ। বলের দখল নিয়ে একের পর এক আক্রমণে ওঠা পগবারা গোলের দেখা পাচ্ছিল না কোনোমতেই। প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধের ৬৪ মিনিটে এসে গোলের দেখা পায় ম্যানইউ। সেই অর্থে. ‘জয়ের জন্য ঘাম ঝরাতে হয়েছে ম্যানইউকে’ এটা বলা যেতেই পারে। দ্বিতীয়ার্ধে অতিথিদের রক্ষণে কাঁপন তোলে স্বাগতিকেরাই। ৬৩তম মিনিটে ম্যানইউর কোচ মার্শিয়ালকে তুলে নিয়ে লুকাকুকে মাঠে নামান। কোচের আস্থার প্রতিদান দিতে খুব বেশি দেরি করেননি বেলজিয়ান এই স্ট্রাইকার। প্রথম ছোঁয়াতেই খুঁজে পান প্রতিপক্ষের জাল। খেলা শেষের মিনিট দশেক আগে স্বাগতিকদের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন রাশফোর্ড। ৬৪তম মিনিটে এই রাশফোর্ডের ফ্রি-কিক ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে না পারার খেসারতই দিয়েছিলেন নিউক্যাসলের গোলরক্ষক। ৮০তম মিনিটে রাশফোর্ড নিজেই প্রতিপক্ষ জালের দেখা পান। ডি-বক্সের মধ্যে সানচেজের বাড়ানো বল নিখুঁত শটে জালে পাঠান রাশফোর্ড। ২১ ম্যাচে ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে মৌসুমে তালিকার ৬ নম্বরে আছে ম্যানইউ। সমান ম্যাচ খেলে ১৫ নম্বরে অবস্থান করা নিউক্যাসলের সংগ্রহ ১৮ পয়েন্ট। আর এক ম্যাচ কম খেলেও তালিকার শীর্ষে থাকা লিভারপুলের ঝুলিতে জমা আছে ৫৪ পয়েন্ট।
1,572,987
2019-01-03
নির্বাচনকে সত্তরের নির্বাচনের সঙ্গে তুলনা শেখ হাসিনার
null
বাসস. ঢাকা
৫৫
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572986/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96
bangladesh
online
5
নির্বাচন|শেখ হাসিনা|আওয়ামী লীগ|প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা|একাদশ সংসদ নির্বাচন|ভারত
প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনকে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি বলেন. দেশের জনগণ এবার প্রতীক দেখে ভোট দিয়েছে. প্রার্থী দেখে নয়। তিনি বলেন. ‘এটা ছিল ১৯৭০ সালের নির্বাচনের মতো. জনগণ কেবল প্রতীক দেখেই তাদের ভোট দিয়েছে. তারা এটাও দেখেনি প্রার্থী কে ছিল। তারা নৌকাতে ভোট দিয়েছে. যেহেতু তারা উন্নয়নের সুফল লাভ করেছে।’ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। সাক্ষাতের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন. এটা বিশেষ করে বেসামরিক প্রশাসন এবং সশস্ত্র বাহিনী. পুলিশ. বিজিবি. আনসার. কোস্টগার্ডসহ সবার সহযোগিতার কারণেই সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন. সব দলও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন. বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্ত সমস্যা এবং সমুদ্রসীমার সমস্যাসহ বিভিন্ন সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধান করতে পেরেছে। তিনি বলেন. প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি অন্যদের জন্য একটি উদাহরণ। ভারতের হাইকমিশনার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন. নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয় ছিল বাংলাদেশের বিগত ১০ বছরের চমকপ্রদ উন্নয়নের প্রতিফলন। এ প্রসঙ্গে শ্রিংলা বলেন. বাংলাদেশের জনগণ সন্ত্রাস এবং হরতাল চায় না এবং তারা শান্তিতে বসবাস করতে চায়। হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন যে বাংলাদেশের নির্বাচন সম্পর্কে ভারতীয় গণমাধ্যমে সর্বোপরি ইতিবাচক সংবাদই পরিবেশিত হয়েছে এবং সম্পাদকীয়গুলোতে নির্বাচনের প্রশংসা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করে শ্রিংলা বলেন. আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন এই অঞ্চলের একটি পরিবর্তিত শক্তি। তিনি বলেন. বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এবং নারীর ক্ষমতায়নে গত কয়েক বছরের মধ্যে ব্যাপক উন্নয়ন প্রত্যক্ষ করেছে এবং এটা খুবই দ্রুততার সঙ্গে সংঘটিত হয়েছে। বাংলাদেশে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রসঙ্গ টেনে শ্রিংলা প্রধানমন্ত্রীর স্লোগান ‘ধর্ম যার যার. কিন্তু উৎসব সবার’-এর প্রশংসা করেন। তিনি এ দেশে তাঁর মেয়াদকালীন অবস্থানের স্মরণীয় স্মৃতি রোমন্থন করেন এবং বলেন. এ দেশের জনগণ খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ। ভারতের হাইকমিশনার বলেন. তিনি তাঁর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ‘ডকুড্রামা’ হাসিনা: এ ডটারস টেল দেখেছেন এবং এতে তিনি গভীরভাবে আলোড়িত হয়েছেন। তিনি এখানে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরও পরিদর্শন করেছেন। বৈঠকে ভারতের হাইকমিশনার এবং প্রধানমন্ত্রী উভয়েই বাংলাদেশ এবং ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী. মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান. সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন এবং হাইকমিশনারের সহধর্মিণীও উপস্থিত ছিলেন।
1,572,986
2019-01-03
বিএনপির বিপর্যয়ের কারণ ‘মনোনয়ন বাণিজ্য’
null
বাসস. ঢাকা
৬৬
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1572985/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3-%E2%80%98%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E2%80%99
bangladesh
online
5
সরকার|শেখ হাসিনা|রাজনীতি|বিএনপি|আওয়ামী লীগ
সংসদ নির্বাচনে ‘মনোনয়ন বাণিজ্য’ বিএনপির বিপর্যয়ের প্রধান কারণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন. কিছুসংখ্যক বিএনপি প্রার্থী তাদের দলের শীর্ষ নেতাদের কথামতো দুবাইয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করতে গিয়েছিলেন। দূতাবাস তাদের মনোনয়নপত্র গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে তাদের রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে অথবা অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বলেন। ৩০ ডিসেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাতে বুধবার সন্ধ্যায় গণভবনে যায় বাংলাদেশ ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন ও ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) প্রতিনিধি দল। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন ও বাংলাদেশ ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে তাঁর ওপর অগাধ আস্থা রাখা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যবসায়ীসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। ওই প্রতিনিধি দলকে শেখ হাসিনা বলেন. ‘আমি সব সময় মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ আমার ওপর যে আস্থা স্থাপন করেছে. আমি যেন তার প্রতিদান দিতে পারি।’ শেখ হাসিনা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটকে বিপুল সমর্থন দেওয়ার জন্য দেশের ব্যবসায়ী সমাজকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন. ‘আপনাদের সমর্থন আমাদের জনসমর্থন পেতে সহায়তা করেছে।’ নির্বাচনে মহাজোটে নিরঙ্কুশ বিজয় সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন. এবার জনগণ নৌকা ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থীকে ভোট দেয়নি। কেননা তারা নৌকাকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রতীক বলে মনে করে। তিনি বলেন. ‘এবার জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে খুবই আগ্রহী ছিল। এমনকি অনেক ভোটার কেবল প্রতীক দেখেই ভোট দিয়েছে। জনগণ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নৌকায় ভোট দেওয়ার জন্য যে রকম আবেগ দেখিয়েছিল এবারও তারা সেই একই আবেগ দেখিয়েছে।’ শেখ হাসিনা নির্বাচনে বিএনপির বিপর্যয়ের জন্য ‘মনোনয়ন বাণিজ্য’কে প্রধান কারণ উল্লেখ করে বলেন. দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিরোধী দলের আচরণ ছিল খুবই অদ্ভুত। বিজয়ী হবে—এমন প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়নি তারা। তিনি বলেন. ‘তারা প্রতিটি আসনে টাকা নিয়ে তিন থেকে চারজন প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। তারা নির্বাচনকে বাণিজ্য হিসেবে নিয়েছে. প্রতিযোগিতায় জিততে চায়নি।’ শেখ হাসিনা বলেন. কিছু সংখ্যক বিএনপি প্রার্থী তাদের দলের শীর্ষ নেতাদের কথামতো দুবাইয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করতে গিয়েছিল। দূতাবাস তাদের মনোনয়নপত্র গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়ে তাদের রিটার্নিং অফিসারের কাছে অথবা অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন. দলের নেতাদের প্রতি বিরক্ত হয়ে তাঁরা প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন. মনোনয়ন কেনার জন্য টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করে। তিনি বলেন. গণতন্ত্রের জন্য একটি শক্তিশালী বিরোধী দল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমরা একটি শক্তিশালী বিরোধী দল পেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা যদি মনোনয়ন বাণিজ্যের মতো হীন কাজে জড়িয়ে পড়েন তাহলে আপনি বিরোধী দল কোথায় পাবেন। শেখ হাসিনা বলেন. তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন ছাড়া আর কিছু পাওয়ার আশা করেন না। তিনি বলেন. ‘আমি চাই বাংলাদেশের মানুষ বাসস্থান পাক. তাদের সন্তানেরা শিক্ষা. স্বাস্থ্য ও খাদ্যের অধিকার পাক. যাতে তাদের জীবন সুন্দর সমৃদ্ধ হয়। তিনি ব্যবসায়ীদের নিজ-নিজ এলাকার জনগণকে সহায়তার আহ্বান জানিয়ে বলেন. তাদের সাহায্য সহযোগিতা তাদের এলাকার প্রচুর মানুষের জীবন পাল্টে দিতে পারে। আর তখন বাংলাদেশের কোনো মানুষ দারিদ্র্যের কবলে নিপতিত থাকবে না।
1,572,985
2019-01-04
শিল্পমালিকদের আবারও বড় কর-সুবিধা
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
https://www.prothomalo.com/economy/article/1573174/%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%AC%E0%A7%9C-%E0%A6%95%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BE
economy
print
1
বাণিজ্য সংবাদ
• গত সেপ্টেম্বরেই উৎসে কর কমিয়ে দিয়েছিল সরকার• চার মাসের মাথায় আবার কর কমল অর্ধেকের বেশি• কর-সুবিধা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত থাকবে • গত সেপ্টেম্বরেই উৎসে কর কমিয়ে দিয়েছিল সরকার• চার মাসের মাথায় আবার কর কমল অর্ধেকের বেশি• কর-সুবিধা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত থাকবে নতুন সরকার শপথ নেওয়ার আগেই শিল্পমালিকদের বড় কর-সুবিধা দেওয়া হলো। এখন থেকে পাট ছাড়া যেকোনো পণ্য রপ্তানি করলে উৎসে কর দশমিক ২৫ শতাংশ দিলেই চলবে। গত সেপ্টেম্বরে এই হার আগের চেয়ে কমিয়ে দশমিক ৬০ শতাংশ করা হয়েছিল। এখন সেই উৎসে কর অর্ধেকের বেশি কমিয়ে দেওয়া হলো। গত বুধবার অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই কর-সুবিধা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত থাকবে। এরপর আগের অবস্থায় মানে. ১ শতাংশ হারে উৎসে কর দিতে হবে। দেশ থেকে যত পণ্য রপ্তানি হয়. এর ৮৩ শতাংশের বেশি হয় তৈরি পোশাক। ফলে নতুন কর-সুবিধা সবচেয়ে বেশি পাবেন পোশাকমালিকেরাই। উৎসে কর ছাড়া পোশাক উৎপাদক ও রপ্তানিকারকদের বার্ষিক আয়ের ওপর ১২ শতাংশ হারে করপোরেট কর দিতে হবে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সবুজ কারখানা হলে ওই মালিককে ১০ শতাংশ হারে কর দিলেই হবে। এ দুটি সুবিধাই আগামী বছরের জুন মাস পর্যন্ত থাকবে। সরকারের হঠাৎ দেওয়া এই কর-সুবিধার ফলে পোশাকসহ রপ্তানি খাতের শিল্পমালিকদের মুনাফার হার বাড়বে। আর শিল্পমালিকেরা বলছেন. এতে রপ্তানি খাত উৎসাহিত হবে. তাতে রপ্তানির পরিমাণও বাড়বে। তবে অর্থবছরের মাঝখানে এভাবে বাড়তি সুবিধা দেওয়ায় সরকারের রাজস্ব আদায় কিছুটা কমবে। উৎসে কর কমানো প্রসঙ্গে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন. তৈরি পোশাক খাত ভালো করছে. রপ্তানি প্রবৃদ্ধিও বাড়ছে। অন্য অনেক খাতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তাই পোশাক খাতকে নতুন করে কর প্রণোদনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি আরও বলেন. ‘গত চার দশকে পোশাক খাতে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। এত বছর পরও যদি এই খাতকে কর-সুবিধা দিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে হয়. তবে তা দুঃখজনক। আমি মনে করি. সরকার ব্যবসায়ীদের চাপের মুখে নতি স্বীকার করে কর কমিয়েছে।’ বছর ধরে তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন খাতের রপ্তানিকারকদের উৎসে কর দিতে হচ্ছে। এনবিআরে আয়কর অধ্যাদেশে তৈরি পোশাক খাতে উৎসে কর ১ শতাংশ। কিন্তু তিন বছর ধরে প্রতিবছর প্রজ্ঞাপন দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকের উৎসে করহার দশমিক ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হতো। এক বছর করে অর্থাৎ জুলাই থেকে জুন মাস পর্যন্ত এই সুবিধা দেওয়া হতো। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে নতুন করে আর এ সুবিধা দেওয়া হয়নি। ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতি অর্থবছরের জুলাই মাস থেকে উৎসে করহার ১ শতাংশ হয়ে যায়। বাজেটের পর প্রতিক্রিয়ায় তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক ও উৎপাদকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা দেন. ‘সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে কথা বলে করপোরেট কর ও উৎসে কর কমিয়ে আনব।’ আর এ কথার তিন মাস পরে সরকার ঠিকই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছিল। আর চার মাস পরে আরক দফা পরিবর্তন করা হলো। গত সেপ্টেম্বর মাসে ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী উৎসে কর কমিয়ে দশমিক ৬ শতাংশ করা হয়। তাতেও মন ভরেনি ব্যবসায়ীদের। তাঁরা উৎসে কর পুরোপুরি প্রত্যাহারের দাবি জানান। শেষ পর্যন্ত তৈরি পোশাকসহ অন্য রপ্তানি পণ্যের উৎসে কর কমিয়ে দশমিক ২৫ শতাংশ করা হয়। বিজিএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ নাছির প্রথম আলোকে বলেন. রপ্তানি পোশাকের দাম ধারাবাহিকভাবে কমে যাচ্ছে। এই অবস্থায় টিকে থাকতে হলে উৎপাদনদক্ষতা বাড়াতে হবে। আবার চলতি মাসে শ্রমিকদের মজুরি বেড়েছে। এই সময়ে কিছুটা কর-সুবিধা পেলে এই খাত ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। মোহাম্মদ নাছির আরও বলেন. সবাই (সব রপ্তানিকারক) সুবিধা চায়. কিন্তু সাফল্য দেখাতে পারে না। যেহেতু তৈরি পোশাক খাতটি রপ্তানিতে বড় ভূমিকা পালন করছে. আবার আর্থ সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছে-তাই এই খাতটি বাড়তি সুবিধা পেতেই পারে। চলতি অর্থবছরে ৩ হাজার ২৬৮ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এনবিআর সূত্রে জানা গেছে. চলতি অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে উৎসে কর হিসেবে ২ হাজার কোটি টাকা কর আদায়ের লক্ষ্য রয়েছে। উৎসে কর কমানোর ফলে ৪০০-৫০০ কোটি টাকার রাজস্ব কমতে পারে।
1,573,174
2019-01-04
মার্কিন বাহিনী সরিয়ে আনা কতটা যুক্তিযুক্ত হবে?
সিরিয়া
জেফরি ডি স্যাক্স
https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573173/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%80-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87
opinion
print
1
আন্তর্জাতিক
সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনাবাহিনী সরিয়ে নিয়ে আসার ঘোষণাকে ডেমোক্রেটিক ও রিপাবলিকান—উভয় দলের সমর্থকেরা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন। দুই দলের সমর্থকেরাই মনে করেন. বিশ্বের সব গুরুত্বপূর্ণ জায়গাতেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি থাকা অপরিহার্য। তাঁরা মনে করেন. যেসব জায়গায় মার্কিন সেনা মোতায়েন করা আছে. সেখান থেকে সরে এলে সেই শূন্যস্থান প্রতিপক্ষ দখল করে নেবে এবং তাতে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি জটিল পরিস্থিতির মুখে পড়ে যাবে। তাঁরা মনে করছেন. সিরিয়া থেকে মার্কিন বাহিনী সরিয়ে আনার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে ভয়ানক অস্থিরতা তৈরি হবে। মার্কিন অনুপস্থিতির সুযোগে সেখানে রাশিয়া. তুরস্ক ও ইরানের আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতা শুরু হবে। এতে নতুন করে সংঘাতের সূচনা হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর গোড়া থেকেই সিরিয়ায় সেনা মোতায়েনকে ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে দাবি করে এসেছে। তারা বলে এসেছে সিরিয়ায় আইএস জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াই চালানোর অংশ হিসেবে সেখানে মার্কিন সেনা মোতায়েন অপরিহার্য। এখন সেখানে আইএস পরাজিত হয়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে। ফলে ট্রাম্প মনে করছেন সেখানে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি অর্থহীন। তিনি মনে করছেন এখন আর তাদের সেখানে থাকার কোনো প্রয়োজন নেই। কিন্তু এটি বোঝা কঠিন নয়. ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের কারণে লাভবান হবেন সিরিয়ার বাশার আল–আসাদ. রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন ও ইরানের আলী খামেনি। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের কারণে ইসরায়েল সেখানে একা হয়ে পড়বে। কুর্দিদের সঙ্গে স্পষ্ট প্রতারণা করা হবে। এ ছাড়া এমন সব জটিলতা তৈরি হবে. যা আঞ্চলিক অস্থিরতাকে বাড়িয়ে দেবে। যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতিবিদেরা যে চরম সত্য কথাটি কখনোই বলতে পারবেন না বা স্বীকার করবেন না. সেটি হলো মার্কিন বাহিনী আসলে সিরিয়ায় (একইভাবে ইরাক. আফগানিস্তান. ইয়েমেন. হর্ন অব আফ্রিকা. লিবিয়া এবং আশপাশের আরও অনেক এলাকায়) আইএস দমনের উদ্দেশ্য নিয়ে যায়নি। এসব এলাকায় মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতির ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার জন্য আইএস একটি মোক্ষম অজুহাত মাত্র। যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক আধিপত্য ধরে রাখাই মূলত সেখানে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতির মূল কারণ। সিরিয়ায় বাশার আল–আসাদকে সরিয়ে সেখানে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা উচিত এবং সেটি করার জন্যই সেখানে মার্কিন সেনা থাকা দরকার—এমন কথা বলার নৈতিক অধিকার আমেরিকার নেই। এর কারণ হলো মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে যে দেশটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে সেই সৌদি আরবের গণতন্ত্র নিয়ে আমেরিকার মাথাব্যথা নেই। সেই সৌদি আরবের রাজতন্ত্রকে আমেরিকা প্রথম থেকেই সমর্থন দিয়ে আসছে। এটি মনে করার কোনো কারণ নেই. গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার তাগিদ থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ২০১১ সালে সিরিয়ায় সেনা পাঠিয়েছিল। এর একমাত্র কারণ ছিল বাশার আল–আসাদ মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে চলে গিয়েছিলেন। বাশারের ‘পাপ’ হলো তিনি রাশিয়ার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন এবং ইরানের কাছ থেকে সহায়তা নিয়েছেন। এই একমাত্র ‘পাপ করায়’ তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ঘোষণা করেছিলেন. ‘বাশারকে উৎখাত করতেই হবে।’ বাশারকে সরানোর জন্য তখন আমেরিকা এবং ইসরায়েল. তুরস্ক. সৌদি আরব. সংযুক্ত আরব আমিরাত. কাতারসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক অংশীজন আসাদবিরোধীদের অস্ত্র. সরঞ্জাম. প্রশিক্ষণ এবং আনুষঙ্গিক সব সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ওবামা সে সময় ‘অপারেশন টিম্বার সাইক্যামোর’ নামের একটি প্রেসিডেন্সিয়াল তদন্তপত্রে সই করেছিলেন। তাতে বাশারকে উৎখাত করার জন্য সিআইএকে সৌদির সহায়তা নিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ওবামা চেয়েছিলেন সিরিয়ায় মার্কিন সেনা পাঠানো নিয়ে মার্কিন নাগরিকদের দিক থেকে যেন কোনো ধরনের বিরোধিতা না আসে। সে কারণেই তখন বলা হয়েছিল আইএস দমন করতেই সেখানে মার্কিন বাহিনী যাচ্ছে। তবে তারা সেখানে গিয়ে মূলত বাশারবিরোধী জিহাদিদের সব ধরনের সহায়তা করেছে। সেখানে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতির কিছুদিনের মধ্যেই সব স্পষ্ট হয়ে গেল। আমেরিকা. ইসরায়েল ও সৌদি আরব একযোগে বাশারকে সরিয়ে দিতে কাজ শুরু করল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিআইএর বাশারকে উৎখাত করার পরিকল্পনা সফল হলো না. কারণ সিআইএর এই তৎপরতার মধ্যেই দৃশ্যপটে রাশিয়া চলে এল। পুতিন বাশারকে সামরিক সহায়তা দিলেন। ইরান তো আগে থেকেই বাশারের সঙ্গে ছিলেন। এতে সিরিয়ায় প্রক্সি যুদ্ধ লেগে গেল। এই যুদ্ধে সেনা ও সাধারণ মানুষ মিলে মোট নিহত হয়েছে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ। সিরিয়া থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছে এক কোটি লোক। এই বাস্তুচ্যুত সিরীয়রা ইউরোপে বন্যার পানির মতো ধেয়ে গেছে এবং গোটা ইউরোপের রাজনীতিকে এটি একটি ঝাঁকুনি দিয়েছে। আইএস নৃশংস ভূমিকায় এসে বেশ কয়েকজন আমেরিকানকে শিরশ্ছেদ করার পর ২০১৪ সালে ওবামা সিরিয়ায় বিমান হামলার নির্দেশ দেন। কুর্দি বিদ্রোহীদের সহায়তা করতে তারা ব্যাপক হামলা চালায়। এখন ট্রাম্পের যুক্তি হলো. সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল–আসাদকে উৎখাত করে সেখানে যদি যুক্তরাষ্ট্র পাপেট সরকার বসানো বা সেখান থেকে রাশিয়া ও ইরানকে বিতাড়িত করার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার কোনো সম্পর্ক নেই। ফলে সেখানে মার্কিন সেনা মোতায়েন রেখে খরচ বাড়ানোর কোনো মানে হয় না। কিন্তু বাস্তবতা হলো মার্কিন সেনা এখন সেখান থেকে সরিয়ে নিলেই আরও বড় বিপর্যয় দেখা দেবে। কুর্দিদের নিশ্চিহ্ন করতে উত্তর সিরিয়ায় তুরস্ক অভিযান চালাবে। এখানকার আধিপত্য নিয়ে রাশিয়া ও তুরস্ক ভয়ানক বিবাদে জড়িয়ে পড়তে পারে। সিরিয়ায় ইরানের বাহিনীর বিরুদ্ধে ইসরায়েল তুমুল আক্রমণ শুরু করতে পারে। ইতিমধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে তৎপরতা চালাতে ইসরায়েল ও সৌদি আরব জেটবদ্ধ হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সিরীয় যুদ্ধ পুরোদস্তুর মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। এখন হুট করে সিরিয়া থেকে মার্কিন বাহিনীর চলে আসাটা এসব ঝুঁকি অনেক গুণ বাড়িয়ে দেবে। গোটা অঞ্চলে অস্থিরতা ছড়াবে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র এত দিন যেভাবে ভূমিকা রেখে এসেছে. তা থেকে সরে আসাটাও দেশটির ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। ইংরেজি থেকে অনূদিত। স্বত্ব: প্রজেক্ট সিন্ডিকেটজেফরি ডি স্যাক্স কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক
1,573,173
2019-01-04
জনশক্তি রপ্তানি কমলেও প্রবাসী আয়ে সুসময়
null
সামছুর রহমান. ঢাকা
https://www.prothomalo.com/economy/article/1573169/%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80-%E0%A6%86%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%9F
economy
print
1
বিদেশের খবর
• ২০১৮ সালে জনশক্তি রপ্তানি কমলেও বেড়েছে প্রবাসী আয়• গবেষণা সংস্থা রামরু বলছে. গত বছর নতুন কোনো শ্রমবাজার উন্মোচিত হয়নি• প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৫৫৩ কোটি ডলার• আগের বছরের চেয়ে প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি • ২০১৮ সালে জনশক্তি রপ্তানি কমলেও বেড়েছে প্রবাসী আয়• গবেষণা সংস্থা রামরু বলছে. গত বছর নতুন কোনো শ্রমবাজার উন্মোচিত হয়নি• প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৫৫৩ কোটি ডলার• আগের বছরের চেয়ে প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি ২০১৮ সালে জনশক্তি রপ্তানি কমলেও বেড়েছে প্রবাসী আয়। আলোচ্য সময়ে জনশক্তি রপ্তানি ২৭ শতাংশ কমেছে। তার বিপরীতে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ১৫ শতাংশ। অভিবাসন–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন. ২০১৭ সালে রেকর্ডসংখ্যক জনশক্তি রপ্তানি হয়েছিল. মূলত এর প্রভাবে বেড়েছে প্রবাসী আয়। এর পাশাপাশি ডলারের বিপরীতে টাকা দুর্বল হওয়ায় এবং হুন্ডি প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ায় প্রবাসী আয় বেড়েছে। জনশক্তি রপ্তানিবিষয়ক গবেষণা সংস্থা রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু) বলছে. আগের বছরগুলোর মতো গত বছরেও নতুন কোনো শ্রমবাজার উন্মোচিত হয়নি। ২০১৮ সালে নারীশ্রমিকদের বিদেশ যাওয়ার হার গত বছরের তুলনায় ২০ শতাংশ কমেছে। গত বছর আট শতাধিক নারীশ্রমিক নির্যাতিত হয়ে দেশে ফিরেছেন। এদিকে ২০১৮ সালে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৫৫৩ কোটি ডলার. যা আগের বছরের চেয়ে প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি। বিএমইটির তথ্য অনুযায়ী. ২০১৮ সালে মোট ৭ লাখ ৩৪ হাজার ১৮১ জন বাংলাদেশি কর্মী বিদেশে যান। সেখানে ২০১৭ সালে জনশক্তি রপ্তানি হয়েছিল ১০ লাখ ৮ হাজার ৫২৫ জন। সেই হিসাবে ২০১৭ সালের তুলনায় প্রায় ২৭ দশমিক ২০ শতাংশ জনশক্তি রপ্তানি কমেছে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির প্রায় ৬৩ শতাংশ হয়েছে উপসাগরীয় এবং অন্যান্য আরব দেশে। বাকি ৩৭ শতাংশের বেশির ভাগ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে। সবচেয়ে বেশিসংখ্যক কর্মী গেছেন সৌদি আরবে। এরপর মালয়েশিয়া.কাতার. ওমান ও সিঙ্গাপুরে। তবে গত বছরের নভেম্বরে সৌদি আরব সরকার ‘সৌদিকরণ কর্মসূচির (প্রতি কারখানায় ২০ শতাংশ সৌদি নাগরিক থাকা বাধ্যতামূলক)’ শুরু করেছে। এর মাধ্যমে প্রবাসীদের জন্য ১২ ধরনের চাকরি বন্ধ ঘোষণা করেছে সৌদি সরকার। এতে সে দেশের শ্রমবাজার আস্তে আস্তে বাংলাদেশিদের জন্য সংকুচিত হয়ে আসছে। ইতিমধ্যে এসব কাজে জড়িত বাংলাদেশিরা দেশে ফিরতে শুরু করেছে। এ বিষয়ে রামরুর প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান তাসনিম সিদ্দিকী প্রথম আলোকে বলেন. নারী-পুরুষ উভয়ে যেসব দেশে যাচ্ছে সেটির সামগ্রিক মূল্যায়ন করলে দেখা যায়. দেশের শ্রমবাজারে বরাবরই একটি বা দুটি দেশের আধিপত্য। কখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত. কখনো মালয়েশিয়া বা সৌদি আরব। এক দেশকেন্দ্রিক বাজার ব্যবস্থার অসুবিধা হলো সেই দেশে কোনো সমস্যা বা বিপর্যয় দেখা দিলে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারও বিপদের মুখে পড়ে। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে. প্রায় ছয় বছর পর বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের শ্রমবাজার খুলেছে। প্রকৃতপক্ষে পুরুষ শ্রমিকদের জন্য বাজার বন্ধই রয়েছে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে আরব আমিরাত শুধু নারী গৃহকর্মী গ্রহণ করছে। ২০১৮ সালে মাত্র ৩ হাজার ২৩৫ জন সংযুক্ত আরব আমিরাতে গেছেন. যাঁদের অধিকাংশই নারী। দুই দেশের মধ্যকার সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী. ধীরে ধীরে ১৯টি পেশায় পুরুষ কর্মী নেবে দেশটি। গত বছর বিদেশে সবচেয়ে বেশি কর্মী যান কুমিল্লা জেলা থেকে। তবে আগের বছরগুলোর মতো গত বছরেও পার্বত্য জেলাগুলো থেকে বিদেশে শ্রম রপ্তানি হয়নি বললেই চলে। কমেছে নারী অভিবাসন ২০১৫ সাল থেকে দেশের নারীশ্রমিকদের বিদেশ যাওয়া ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল। ২০১৭ সালে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চসংখ্যক নারীশ্রমিক বিদেশে যান। কিন্তু ২০১৮ সালে বিদেশগামী নারী কর্মীর সংখ্যা আবারও কমে এসেছে। ২০১৮ সালে নারীশ্রমিকদের বিদেশ যাওয়া গত বছরের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে। রামরু বলছে. চলতি বছর কমপক্ষে আট শতাধিক নারীশ্রমিক নির্যাতিত হয়ে দেশে ফিরেছেন। ২০১৮ সালে বিদেশ যান ১ লাখ ১ হাজার ৬৯৫ জন নারী কর্মী। এর বড় অংশই যায় সৌদি আরবে। বাংলাদেশি অভিবাসী মহিলা শ্রমিক অ্যাসোসিয়েশনের (বমসা) চেয়ারম্যান লিলি জাহান প্রথম আলোকে বলেন. সৌদি আরব থেকে নারীরা নির্যাতিত হয়ে ফিরে আসায় মানুষ ভয় পাচ্ছেন। তাই প্রশিক্ষণ নিয়েও অনেকে যাচ্ছেন না।
1,573,169
2019-01-04
দীপিকার নতুন বছরের ভাবনা
null
বিনোদন ডেস্ক
https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573168/%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BE
entertainment
print
1
বলিউড
গত বছরজুড়েই বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন ছিলেন আলোচনায়। বছরের শুরুর দিকে পদ্মাবত ছবি দিয়ে তিনি উঠে আসেন শিরোনামে। বছরের শেষটি ছিল বিয়ের আলোয় উজ্জ্বল। নতুন বছর শুরু হলো মাত্র কদিন। নতুন বছরে দীপিকার ভাবনা কী? তা–ই জানালেন একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্টে। ২ জানুয়ারি ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেন দীপিকা। সেখানে দেখা যায় কতগুলো বালিশের ছবি। তার ওপরে লেখা কিছু ইংরেজি শব্দ। শব্দগুলোর বাংলা করলে দাঁড়ায়—‘সুস্থতা’. ‘ভারসাম্য’ ও ‘অনন্য’। তার মানে দাঁড়ায় নতুন বছরের সব পরিকল্পনার কেন্দ্রে থাকছে এই তিনটি শব্দ। কাজের মধ্যেও নিজের সুস্থতার দিকে খেয়াল রাখবেন তিনি। তা হতে পারে শারীরিক কিংবা মানসিক। কারণ হতাশা নিয়ে দীপিকার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা আছে। আর এই বছরে সবকিছুর মধ্যেই ভারসাম্য রেখে চলতে চান পদ্মাবত অভিনেত্রী। এ ছাড়া কাজের বেলায় নিজেকে উচ্চতায় নিতে হলে থাকতে হবে অনন্য। এই তিনটি বিষয় ধরেই নতুন বছরের কাজগুলো সাজাতে পারেন বলিউড এই অভিনেত্রী। বিয়ের রেশ কাটিয়ে ইতিমধ্যেই কাজ করার পরিকল্পনা শুরু হয়ে গেছে। অ্যাসিড–সন্ত্রাসের শিকার লক্ষ্মী আগারওয়ালের জীবনী নিয়ে সিনেমায় কাজ করতে যাচ্ছেন তিনি। সিনেমাটি পরিচালনা করবেন মেঘনা গুলজার। সিনেমার নাম ছাপাক। ডেকান ক্রনিকল।
1,573,168
2019-01-04
আমার ব্যান্ডটি নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই: আরমীন মুসা
null
হাবিবুল্লাহ সিদ্দিক. ঢাকা
https://www.prothomalo.com/entertainment/article/1573167/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%BE
entertainment
print
1
আলাপন
তরুণ সংগীতশিল্পী আরমীন মুসার ক্যারিয়ারে ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আজ নিকেতনের জংশন নামের একটি মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছে গানের অনুষ্ঠান। গাইবেন তিনি ও তাঁর দল ‘দ্য আরমীন মুসা ব্যান্ড’। সেই অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির ফাঁকে গতকাল কথা বললেন প্রথম আলোর সঙ্গে। তরুণ সংগীতশিল্পী আরমীন মুসার ক্যারিয়ারে ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আজ নিকেতনের জংশন নামের একটি মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছে গানের অনুষ্ঠান। গাইবেন তিনি ও তাঁর দল ‘দ্য আরমীন মুসা ব্যান্ড’। সেই অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির ফাঁকে গতকাল কথা বললেন প্রথম আলোর সঙ্গে। ১০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি কেমন? কয়েক দিন ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। ২০১৮ সালে আমার ক্যারিয়ারের ১০ বছর পূর্ণ হওয়ার পর একটা অনুষ্ঠান করেছিলাম। সেই অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় কিস্তি হবে আগামীকাল (আজ)। সেখানে আমার নিজের জনপ্রিয় গানগুলো গাইব। এ ছাড়া নতুন গান. আমার গাওয়া সিনেমা–নাটকের গান. অর্ণবের গাওয়া কিছু গান এবং একটা লোকগান গাইব। আড়াই ঘণ্টার একটা অনুষ্ঠান। আসলে আমার ১০ বছরের একটা জার্নি শেয়ার করব দর্শকের সঙ্গে। ১০ বছর কোন সময়টা থেকে শুরু হয়েছে? আমার প্রথম অ্যালবাম বের হওয়ার সময়টাই আমার ক্যারিয়ারের শুরু। আমার প্রথম অ্যালবামের নাম আয় ঘুম ভাঙাই। ওই সময় থেকেই আমার শ্রোতারা আমাকে খুঁজে নিয়েছেন। ১০ বছরে আপনার অর্জন কী? খুব বেশি কিছু না। গান গাইছি। একটা শ্রোতাশ্রেণি তৈরি হয়েছে. যাঁরা আমাকে নতুন গান গাওয়ার জন্য নিয়মিত উৎসাহ দেন। আমার দুটো অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। আগে নিয়মিত অনুষ্ঠানে গান গাইতাম। এই তো। আর গান নিয়ে পড়াশোনা করেছি। তবে এটাও সত্যি. আমি যে ধরনের গান গাই. সে ধরনের গানের শ্রোতা কমে গেছে। আগে অর্ণব. তপু ভাইয়েরা এ ধরনের গান গাইতেন। কিন্তু এখন দুজনই কমিয়ে দিয়েছেন। ‘অপরাধী’ গানটা যদি আমাদের দেশের সবচেয়ে হিট গান হয়. তাহলে বুঝে নিতে হবে শ্রোতারা বলে দিয়েছেন তাঁরা কী গান পছন্দ করেন। আপনাদের ঘাসফড়িং নামের একটা উদ্যোগ আছে। সেটা কত দূর কী? এটা আমাদের ১৬ জনের একটা প্ল্যাটফর্ম। আমরা এখানে গানের চর্চা করি। আমরা পশ্চিমা ধাঁচের বাংলা গান করার চেষ্টা করি। বড় কিছু এখনো শুরু করিনি। তবে করব। আপনার সামনের পরিকল্পনা কীআমার ‘দ্য আরমীন মুসা’ ব্যান্ডটি নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। আর নতুন একটা বাংলা অ্যালবাম করব। শেষ তিন প্রশ্নআপনার আলমারিতে কতগুলো শাড়ি আছে? আমার নিজের আছে ৪০টার মতো। আম্মুর (শিল্পী নাশিদ কামাল) আছে শত শত। সেগুলোও আমি পরি। বিয়ের জন্য পাত্রের কী গুণ থাকতে হবে? তাঁকে সৎ হতে হবে। কোন খাবার সামনে পেলে ডায়েটের কথা ভুলে যান? ভাত আর মাছ।
1,573,167
2019-01-04
কাজী আনোয়ার হোসেনের ভুবনে
null
মন্তব্য
https://www.prothomalo.com/onnoalo/article/1573182/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%80-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87
onnoalo
print
1
অন্য আলো
পাঠকনন্দিত মাসুদ রানার স্রষ্টা কাজী আনোয়ার হোসেন। প্রায় এক হাতেই আমাদের দেশে দাঁড় করিয়েছেন রহস্য–রোমাঞ্চ গল্পের জনপ্রিয় সাহিত্যধারা। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সেবা প্রকাশনী পাঠক তৈরিতে বিরাট ভূমিকা রেখেছে এখানে। কিন্তু কাজী আনোয়ার হোসেন. পাঠকদের কাছে যাঁর পরিচয় কাজীদা নামে. তিনি কি কেবলই একজন জনপ্রিয় লেখক? বছরের শুরুতে এই আয়োজনে থাকছে কাজী আনোয়ার হোসেনের বিভিন্ন ভুবনের খোঁজখবর। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শিবব্রত বর্মন ও রওশন জামিল পাঠকনন্দিত মাসুদ রানার স্রষ্টা কাজী আনোয়ার হোসেন। প্রায় এক হাতেই আমাদের দেশে দাঁড় করিয়েছেন রহস্য–রোমাঞ্চ গল্পের জনপ্রিয় সাহিত্যধারা। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সেবা প্রকাশনী পাঠক তৈরিতে বিরাট ভূমিকা রেখেছে এখানে। কিন্তু কাজী আনোয়ার হোসেন. পাঠকদের কাছে যাঁর পরিচয় কাজীদা নামে. তিনি কি কেবলই একজন জনপ্রিয় লেখক? বছরের শুরুতে এই আয়োজনে থাকছে কাজী আনোয়ার হোসেনের বিভিন্ন ভুবনের খোঁজখবর। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শিবব্রত বর্মন ও রওশন জামিল প্রশ্ন: থ্রিলারধর্মী সাহিত্যকে অনেকে সাহিত্য হিসেবে খুব গুরুত্ব দিতে চান না. লঘু মনে করেন। মনে করেন এগুলো শুধুই জনচাহিদা মেটায়। এ ব্যাপারে আপনার কী মত? কাজী আনেয়ার হোসেন: থ্রিলার আমার ভালো লাগে। সেই কৈশোরে. আজ থেকে ৭৩ বছর আগে. কলকাতা থেকে প্রকাশিত শ্রী হেমেন্দ্র কুমার রায়ের লেখা ঘটোৎকচ. যকের ধন. আবার যখের ধন. নৃমুণ্ডু শিকারী ইত্যাদি থ্রিলার বইগুলো আমাকে মন্ত্রমুগ্ধ করে ফেলে। তার পরপরই হাতে পেলাম রবিন হুড। লেখকের নাম জানি না. সেসব খেয়াল করার বয়স ছিল না সেটা—বইটি অনেক খুঁজেও হাতে পাইনি আর। অপূর্ব লেগেছিল। রবিনের মৃত্যুতে কেঁদেকেটে বুক ভাসিয়েছিলাম; তার বীরত্ব. সাহস. নেতৃত্ব. বিপদগ্রস্ত ও ভাগ্যাহতদের প্রতি দুর্বলতা. গরিবদের সাহায্য-সহযোগিতা. নারীর প্রতি সম্মান—এই সব গুণের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম। এই বইগুলো আমাকে এতটাই প্রভাবিত করেছিল যে আজও সে মোহের জাল কেটে বেরোতে পারিনি. চির কিশোর রয়ে গেছি। লঘু বলেন বা বলেন অকিঞ্চিৎকর সাহিত্য; আমি আমার ভালোবাসার জগতে দিব্যি আরামে ও আনন্দে বিচরণ করছি আজীবন। প্রশ্ন: প্রবল জনপ্রিয় মাসুদ রানার স্রষ্টা আপনি। ৫০ বছরেরও বেশি আগে লিখতে শুরু করেছিলেন এই সিরিজ। এখন তো দুনিয়া পাল্টে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। আজ থেকে ৩০ বছর পর মানুষ কি আর মাসুদ রানা পড়ব? পড়লে কেন পড়বে বলে আপনার মনে হয়? কাজী আনোয়ার হোসেন: সুদীর্ঘ ৫৫ বছর ধরে পাঠক মাসুদ রানা পড়েছে এবং মজা পেয়েছে। এখনো সেই প্রথম বই কুয়াশা-ধ্বংস পাহাড়–এর মতোই নতুন বইগুলো যারা সাগ্রহে কিনে পড়ছে. তাদের মধ্যে নিত্যনতুন কিশোর আছে. তাদের স্বপ্নের বাগান ফুলে-ফলে সমৃদ্ধ করে দিচ্ছে সেবা প্রকাশনী; আগামী ৩০ বছরেই তাদের সব আগ্রহ শেষ হয়ে যাবে. এটা আমি মনে করি না। নিজে থাকব না. কিন্তু যাদের গড়ে-পিটে দায়িত্ব দিয়ে যাচ্ছি. আমি জানি. তারা আরও বহুদিন টিকিয়ে রাখবে সেবা ও তার সিরিজগুলোকে। তা ছাড়া. আমার খাতিরে বা আমার মুখ চেয়ে পাঠকেরা এসব বই কিনে পড়ছেন. ব্যাপারটা তা তো নয়. নিশ্চয়ই এসব কাহিনির ভেতর অন্তর্নিহিত বিশেষ কিছু আকর্ষণ ও আবেদন রয়েছে. যেগুলো সমালোচকদের চোখ এড়িয়ে গেছে। তা না হলে যেসব সুসাহিত্যিক এত দিন মাসুদ রানার প্রতি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য প্রকাশ করে নিজেদের অনেক উঁচুতে তুললেন. এতগুলো বছর চেষ্টা করেও তাঁরা কি পাঠকদের এসব বাজে লেখা থেকে সরিয়ে নিজেদের লেখার প্রতি টানতে পেরেছেন? না। তাঁদের বিচরণক্ষেত্র ভিন্ন. কৈশোর পেরিয়ে তবেই না পরিণত বয়সে পৌঁছাবে মানুষ। আমিই কি কিশোর পাঠকদের চিরকৈশোরে ধরে রাখতে পারছি. ঠেলে দিচ্ছি না তাদের দিকে? ৩০ কেন. আগামী ৬০ বছরেও সেবার প্রয়োজন ফুরাবে বলে মনে করি না। প্রশ্ন: শুরুর কয়কেটি উপন্যাস বাদ দিলে আপনার মাসুদ রানার কাহিনিগুলো সবই ধার করা। বিদেশি কাহিনির ছায়া অবলম্বন। মৌলিক মাসুদ রানা লিখলেন না কেন? কাজী আনোয়ার হোসেন: মূল কারণ. আমার অভিজ্ঞতার অভাব। মাসুদ রানা বইয়ে যেসব দেশের কথা. অভিজ্ঞতার কথা. ঘটনার কথা. জটিল পরিস্থিতির কথা থাকে. সেসব সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা একজন মধ্যবিত্ত বাঙালির পক্ষে অর্জন করা প্রায় অসম্ভব। তাই বিদেশি কাহিনির সাহায্য আমাকে নিতেই হয়েছে। কিন্তু বিদেশি সবকিছু আমাদের এখানে মানায়ও না। মাসুদ রানার ৪৫৭তম সংখ্যা প্রকাশিত হতে চলেছে এখন। ৪৫৭! ভাবুন একবার। প্রথম দিকে মৌলিক রানা লেখার চেষ্টা করেছি। তারপরেই বুঝে গেলাম. বিদেশি কাহিনির ছায়া না নিয়ে কোনো উপায় নেই। সবটা নেওয়া যাবে না; রগরগে যৌনতা আমাদের সংস্কৃতিতে গ্রহণযোগ্য নয়. যে বিষয়গুলো চলবে. ততটুকুর ছায়া নিয়ে নিজের মতো করে রচনা করতে হবে বাঙালি মাসুদ রানার চরিত্র। এই একই সমস্যায় পশ্চিম বাংলার বড় বড় সাহিত্যিকও পড়েছিলেন বলে অকাতরে স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের শার্লক হোমস. লেসলি চার্টারিসের দ্য সেইন্ট. অ্যান্থনি হোপের দ্য প্রিযনার অভ—এমন আরও অসংখ্য বিদেশি লেখকের বই আত্তীকরণে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি। প্রশ্ন: অনুবাদের মাধ্যমে বিশ্বসাহিত্যের ভান্ডার বাঙালি পাঠকের কাছে তুলে ধরার কাজ দীর্ঘদিন ধরেই করছে আপনার সেবা প্রকাশনী। এর অনুবাদগুলোর ঝরঝরে ভাষা। কিন্তু অনেকে বলেন. এখন সেবা প্রকাশনী থেকে ভালো অনুবাদ পাওয়া যাচ্ছে না। এর কারণ কী? কাজী আনোয়ার হোসেন: আপনি ঠিক কী বলতে চাইছেন পরিষ্কার বুঝতে পারলাম না। সেবা আর অনুবাদ ছাপছে না? নাকি. ছাপছে কিন্তু সেগুলো ভালো হচ্ছে না? যাকগে. এ প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে নেই। আমি তো ভালো জেনেই ছাপছি। যাঁরা এ কথা বলেন. কারণটাও নিশ্চয়ই আমার চেয়ে তাঁরাই ভালো বলতে পারবেন। ব্যাপারটা বনফুলের ‘পাঠকের মৃত্যু’ গল্পের মতোও হতে পারে। যাঁরা আগে একসময়ে মুগ্ধ হয়েছেন. এখন তাঁদের কাছে ভালো না লাগারই তো কথা। তাঁরা তো আর সেই মানুষটি নেই. বয়স হয়েছে. মন-মানসিকতা ও বুদ্ধির বিকাশ হয়েছে. বদলে গেছেন। তিনি কেন এখন পড়তে যাবেন এসব? প্রশ্ন: স্পাই থ্রিলার ঘরানায় ইংরেজি ভাষায় অনেক সফল লেখকের দেখা মেলে। যেমন: ইয়ান ফ্লেমিং. জেমস হেডলি চেজ. টম ক্লেনেসি. ল্যাডলাম বা কিছু পরিমাণে জন লে কারে। কিন্তু বাংলায় কাজী আনোয়ার হোসেন ছাড়া আর সফল কাউকে দেখা যায় না। কারণ কী? কাজী আনোয়ার হোসেন: কী বলব। মনে হয় আমাদের লেখকেরা ঘাপটি মেরে থাকেন ভ্রুকুটির ভয়ে। সুসাহিত্যিকেরা যদি এসব লেখাকে ছোট নজরে না দেখতেন. তাহলে হয়তো ইতিমধ্যেই আরও কয়েকটা কাজী আনোয়ার হোসেন গজিয়ে যেত। প্রশ্ন: একজন প্রকাশক হিসেবে পাণ্ডুলিপি সম্পাদনার কাজটিকে আপনি কতটা গুরুত্ব দেন? সেবা প্রকাশনী এই কাজটি কীভাবে সম্পাদন করে? কাজী আনোয়ার হোসেন: সম্পাদনার কাজটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করি। কারণ. একটি বই কেবল আনন্দই দিচ্ছে না. পাঠককে নানা ধরনের শিক্ষাও দিচ্ছে। তবে সম্পাদনা যিনি করবেন. তাঁর সে কাজের যোগ্যতা থাকা অপরিহার্য। প্রায় সব লেখকের লেখাতেই ভুল থাকে। বিদেশের মতো আমরাও যদি সুশিক্ষিত. উপযুক্ত সম্পাদক নিয়োগ দিতে পারতাম. তাহলে ভালো হতো। কিন্তু আমাদের বাজার ছোট বলে পারি না। শ্রদ্ধেয় চিত্তরঞ্জন সাহা তাঁর প্রকাশনী মুক্তধারায় এই চেষ্টা করে দেখেছেন. কিন্তু তেমন ভালো ফল পাননি। একজন উপযুক্ত সম্পাদককে যে পরিমাণ সম্মানী দেওয়া উচিত. তার দশ ভাগের এক ভাগও তো আমরা দিতে পারি না। প্রশ্ন: আপনার বাবা বিখ্যাত সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন। আপনাদের পরিবার মূলত গানের পরিবার। আপনি নিজেও একসময় গান করতেন। সিনেমায়ও গান করেছেন আপনি। আপনার সংগীতজীবনের এই পর্বটি সম্পর্কে আমাদের কিছু বলুন। কাজী আনোয়ার হোসেন: শিক্ষা ও সংস্কৃতির চর্চা আমাদের পরিবারের মজ্জাগত। বাবা শিক্ষক ছিলেন. আমার বেশির ভাগ বোনই শিক্ষকতাকেই পেশা হিসেবে নিয়েছেন। সেই সঙ্গে চলেছে গানবাজনার চর্চা। বোনেরা গেয়েছেন রবীন্দ্রসংগীত; আমার বাবা. সেজ কাকা আর ছোট ভাই কাজী মাহবুব হোসেন বাজিয়েছেন সেতার। প্রশ্ন: গানের ক্ষেত্রেও দেখা গেল. পরিবারের অন্যদের চেয়ে ভিন্নপথে হাঁটলেন আপনি। রবীন্দ্রসংগীত গাইলেন না। গাইলেন সিনেমার গান। কাজী আনোয়ার হোসেন: হ্যাঁ. একটু ভিন্ন পথই আমার পছন্দ। রেডিও-টিভিতে আমি গেয়েছি আধুনিক. নজরুলগীতি ও পল্লিগীতি; সিনেমার প্লেব্যাকে গেয়েছি বাংলা ও উর্দু গান। প্রশ্ন: সংগীতজীবন থেকে সরে গেলেন কেন? কাজী আনোয়ার হোসেন: ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৮ সাল—১০টা বছর তো গান গাইলাম. আর কত? তা ছাড়া. তত দিনে লেখালেখি ও প্রকাশনা ব্যবসাকে পেশা হিসেবে নিয়ে ফেলেছি—দুটোই পূর্ণাঙ্গ চাকরির মতো। একজীবনে সবকিছু তো আর হয় না। প্রশ্ন: সিরিয়াস বনাম পপুলার কালচার—বাংলা দেশের বাস্তবতায় বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখেন? কাজী আনোয়ার হোসেন: আমি এ নিয়ে তেমন একটা ভাবনার সুযোগ বা অবকাশ পাইনি। আমার যা ভালো লাগে তা-ই পড়ি। যা ইচ্ছে করে তা-ই করি। আমার মনে হয়. এই দুই ধারা মোটেই সাংঘর্ষিক নয়. সব রকম কালচারেরই প্রয়োজন আছে। প্রশ্ন: আপনার পরিবারে বরাবর ছিল সিরিয়াস সাহিত্যের চর্চা। আপনি গেলেন পপুলার সাহিত্যের দিকে। সিরিয়াস বনাম পপুলার কালচার পরিবারের মধ্যে কি এই বিরোধের মুখে পড়তে হয়েছিল? কাজী আনোয়ার হোসেন: না. কখনোই না। আমার বাবা কাজী মোতাহার হোসেন প্রবন্ধ রচনা করতেন. বোন সন্​জীদা খাতুন আত্মজীবনীমূলক সরস লেখার পাশাপাশি কঠোর ভাষায় পাঠ্যপুস্তক ধাঁচের বইও লিখেছেন. বড় বোন যোবায়দা মির্যা আত্মজীবনীর মতো করে লিখেছেন সেই যে আমার নানা রঙের দিনগুলি। আমার ভাই আর আমি লিখেছি রহস্য-রোমাঞ্চের বই। এ নিয়ে কারও বিরোধিতার মুখে পড়তে হয়নি আমাদের। বাবা তো রীতিমতো উৎসাহ দিয়েছেন। সন্​জীদা খাতুনও আমার প্রথম রচনা কুয়াশা ১ ও ২-এর পাণ্ডুলিপি পড়ে যথেষ্ট উৎসাহ দিয়েছেন। প্রশ্ন: বাংলাদেশে থ্রিলার সাহিত্যের ভবিষ্যৎ কী? কাজী আনোয়ার হোসেন: সব মিলিয়ে শিল্প-সংস্কৃতির ভবিষ্যৎ খুব ভালো—এমনটি বলতে পারছি না. দুঃখিত। শুধু থ্রিলার সাহিত্য কেন. এ দেশের শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চা. নাচ-গান-বাজনা-সিনেমা-ছবি-ভাস্কর্য. অর্থাৎ যা কিছু সুন্দর. সব ধরনের শিল্পসৃষ্টির ধারা ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হয়ে আসছে ক্রমে। কিসের করাল গ্রাস গিলে খাচ্ছে আমাদের সৌন্দর্যবোধ. সেটা বাঙালিকে বুঝতে হবে। আমি তো চলেই যাব. যাঁরা এখানে থাকবেন তাঁদের সতর্ক হওয়ার কিন্তু এখনই সময়। প্রশ্ন: আপনার এপিটাফে কী লেখা দেখতে চান? কাজী আনোয়ার হোসেন: কিছু না। লাশটা ঢাকা মেডিকেল কলেজকে দিয়ে যেতে চাই। নিয়মকানুন জানার চেষ্টা করছি।
1,573,182
2019-01-04
আটার দাম বেড়েছে কেজিতে ২ টাকা
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
https://www.prothomalo.com/economy/article/1573166/%E0%A6%86%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A7%9C%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A7%A8-%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE
economy
print
1
বাণিজ্য সংবাদ
• চাল ও আটার দাম বাড়ল • চালের দাম প্রতি কেজিতে বেড়েছে ২–৩ টাকা• খুচরায় মোটা চাল ৩৭–৩৮ টাকা• সরু চাল ৫৫–৫৬ টাকা• মাঝারি চাল ৪৪–৪৮ টাকা • চাল ও আটার দাম বাড়ল • চালের দাম প্রতি কেজিতে বেড়েছে ২–৩ টাকা• খুচরায় মোটা চাল ৩৭–৩৮ টাকা• সরু চাল ৫৫–৫৬ টাকা• মাঝারি চাল ৪৪–৪৮ টাকা কয়েক মাস কমতির দিকে থাকার পর দেশে চালের দাম বেড়েছে। রাজধানীর কয়েকটি বাজারের পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা বলছেন. গত কয়েক দিনে সব ধরনের চালের দাম কেজিপ্রতি দুই থেকে তিন টাকা বেড়েছে। বেড়েছে আটা ও ময়দার দামও। বাজারে আটা কিনতে গেলে ক্রেতাকে দুই টাকা বাড়তি দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। চালকলের মালিকদের দাবি. প্রতিবছর আমন মৌসুম এলে চালের দাম কিছুটা বাড়ে। সরকারিভাবে এখন ৩৬ টাকা কেজি দরে মোটা চাল সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। তাঁরা বলছেন. চালের দাম এত দিন কম ছিল। ফলে কৃষকেরা ধানের ভালো দাম পাচ্ছিলেন না। গম আমদানিকারক ও আটা বিপণনকারীদের দাবি. বিশ্ববাজারে গমের দাম বেশ বেড়েছে। সে অনুপাতে দেশে আটার দাম বাড়েনি। পুরান ঢাকার বাবুবাজার–বাদামতলীর চালের আড়তমালিকেরা জানান. প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) চালের দাম ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেড়েছে। মোটা চালের পাইকারি দর উঠেছে কেজিপ্রতি ৩৫ টাকার আশপাশে। অন্যদিকে মাঝারি চাল বিক্রি হচ্ছে মানভেদে কেজিপ্রতি ৩৮–৪২ টাকায়। এ ছাড়া ভালো মানের সরু মিনিকেট চাল কেজিপ্রতি ৫২–৫৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জানতে চাইলে বাদামতলীর চালের আড়ত শিল্পী রাইস এজেন্সির স্বত্বাধিকারী কাওসার রহমান প্রথম আলোকে বলেন. ভোটের কয়েক দিন আগে ও পরে মিলিয়ে চালের দামটা কিছুটা বাড়ল। মোটা চাল কেজিপ্রতি ৩২–৩৩ টাকায় নেমে গিয়েছিল যা ২০১৭ সালের শেষ দিকে কেজিপ্রতি ৪৫ টাকার বেশি ছিল। ঢাকার কাজীপাড়া ও কারওয়ান বাজারের খুচরা দোকানে ভালো মানের সরু মিনিকেট চাল কেজিপ্রতি ৫৫–৫৬ টাকা. মাঝারি বিভিন্ন চাল ৪৪–৪৮ টাকা এবং মোটা গুটি ও স্বর্ণা চাল ৩৭–৩৮ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা যায়। অবশ্য বাজারে এর বাইরে আরও কম দামের মোটা চাল রয়েছে. যা সব বাজারে পাওয়া যায় না। আবার মানও তেমন ভালো না। কারওয়ান বাজারের চাল ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন বলেন. দাম বাড়িয়েও চাল সরবরাহে মিলমালিকেরা গড়িমসি করছেন। নগদ টাকা পাঠিয়েও তিনি চালের সরবরাহ পাননি। মিলমালিকেরা বলছেন. চাল সরবরাহে দেরি হবে। ওই ব্যবসায়ী জানান. সুগন্ধি চালের দাম দুই দফায় কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ৯০ টাকায় উঠেছে। এটা খুচরা দোকানে আরও বেশি পড়বে। চালের দামের সবচেয়ে অস্বস্তিকর সময় ছিল ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর–অক্টোবর মাস। ওই সময় খুচরা বাজারে মোটা চালের দর কেজিপ্রতি ৫০ টাকায় উঠেছিল। আর সরু চাল উঠেছিল কেজিপ্রতি ৬৫ টাকায়। এরপর বাড়তি আমদানি ও ২০১৮ সালের শুরুতে বোরোর মৌসুমের ভালো ফলনে চালের দাম কমে। বছরের শেষ দিকে আমনের ভালো ফলন হলেও কৃষকেরা ভালো দাম পাননি বলে অভিযোগ রয়েছে। চালকল মালিকদের বড় সংগঠন বাংলাদেশ অটো. মেজর ও হাসকিং মিলমালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক লায়েক আলী প্রথম আলোকে বলেন. সরকার পুরোদমে চাল কেনা শুরু করার পর দাম কিছুটা বেড়েছে। এতে ধানের দামও মণে ৫০ টাকার মতো বাড়তি। এখন প্রতি মণ ধান ৬৫০–৬৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন. এটা কমপক্ষে ৭৫০ টাকায় ওঠা দরকার। কারওয়ান বাজারের বিক্রেতারা জানিয়েছেন. আটা ও ময়দার দাম কেজিপ্রতি ২ টাকা করে বেড়েছে। আটা প্রতি দুই কেজির প্যাকেট ৬৮ টাকা ও ময়দা ৯২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জানতে চাইলে খাদ্যপণ্য বিপণনকারী একটি বড় কোম্পানির একজন কর্মকর্তা বলেন. বিশ্ববাজারে গমের দাম ঊর্ধ্বমুখী। দেশে প্রতিযোগিতা বেশি বলে বিশ্ববাজারের মতো দাম বাড়ছে না।
1,573,166
2019-01-04
অপরাধীর বিচার চাই
অভিমত
রাশেদা কে চৌধূরী
https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573165/%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87
opinion
print
1
রাজনীতি
নির্বাচনের পরপর নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক নারীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনাটি শুধু অনাকাঙ্ক্ষিতই নয়. এটি বর্বরোচিত একটি ঘটনা। এটি সবার মনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। কঠিন বাস্তবতা হলো. ঘটনাটি রাজনৈতিক রূপ নিয়েছে বলে বড় করে সামনে এসেছে। কিন্তু গণমাধ্যম যে সারাক্ষণ নারী নির্যাতনের ঘটনা তুলে ধরে. সেটা কিন্তু অতটা গুরুত্ব পায় না. সে বিষয়টিও দেখতে হবে। তবে নোয়াখালীর বর্বরোচিত এই ঘটনা আলোড়ন জাগানোর মতোই ঘটনা। এ বিষয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন আছে। কারণ. অনেক সময় দেখা যায় অপরাধীরা রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে পার পেয়ে যায়। এখানে যেন সেটি না ঘটে। বিষয়টি দেখার দায়িত্ব শুধু সরকার বা গণমাধ্যমের নয়. আমাদের সবার দায়িত্ব। আরেকটি বাস্তবতা হলো অতীতে দেখা গেছে. এ ধরনের ঘটনা নিয়ে বেশ কিছুদিন আলোচনা চলে. পরে তা হারিয়ে যায়। সেই কারণে মানবাধিকারের জায়গা থেকে দাবি করব. যেন বিষয়টি কখনো হারিয়ে না যায়. অপরাধীদের যেন অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা হয়. সে যে–ই হোক। অর্থ প্রতিপত্তি ও রাজনৈতিক প্রভাব যা–ই থাকুক না কেন. অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতেই হবে। গণমাধ্যমেই উঠে এসেছে. নারী নির্যাতনের ঘটনার অধিকাংশের বিচার হয় না। এ বিষয়ে নীতিনির্ধারক ও আদালতকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে। এখনো তো ৮০ শতাংশের মতো নারী নিজের ঘরেই নির্যাতনের শিকার হন। এগুলোও আদালতের দৃষ্টিতে নিতে হবে। নোয়াখালীর সুবর্ণচরের ঘটনাটিও প্রথমে সেভাবে সামনে আসেনি। তাই আমি বলব. এসব নারী নির্যাতন প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বড় ভূমিকা রয়েছে। অভিযোগকারীর অভিযোগটি যাতে ঠিকমতো তদন্ত হয় এবং অভিযোগটি যাতে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়. সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ. অভিযোগটি সঠিকভাবে তদন্ত করে আদালতে উপস্থাপন না করলে আদালতও নিরুপায় হয়ে থাকেন। তাই তদন্তকাজটি সঠিকভাবে করতে হবে। আমি মনে করি. নারী নির্যাতন বন্ধে উপজেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদেরও বড় ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন কর্মকর্তাদের তৎপরতা আরও বাড়াতে হবে। ওই সব কর্মকর্তা যদি আরও তৎপর হন. তাহলে এ ধরনের ঘটনা কমে যাবে। লেখক: সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা
1,573,165
2019-01-04
২০১৯ সালে পাঠকপ্রিয় হবে যে ছয়টি উপন্যাস
null
null
null
https://www.prothomalo.com/onnoalo/article/1573180/%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%AF-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%95%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%9B%E0%A7%9F%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8
onnoalo
print
1
অন্য আলো
প্রতিবছরের মতো ২০১৯ সালেও বিশ্বজুড়ে প্রকাশিত হবে রাশি রাশি বই। এর মধ্য থেকে এই ছয়টি উপন্যাস সাড়া ফেলেছে প্রকাশের আগেই। প্রতিবছরের মতো ২০১৯ সালেও বিশ্বজুড়ে প্রকাশিত হবে রাশি রাশি বই। এর মধ্য থেকে এই ছয়টি উপন্যাস সাড়া ফেলেছে প্রকাশের আগেই। দ্য টেস্টামেন্টস কানাডার স্বনামখ্যাত সাহিত্যিক মার্গারেট অ্যাটউডের ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত উপন্যাস দ্য হ্যান্ডমেইডস টেল-এর পাঠক জানেন যে উপন্যাসটির শেষ দৃশ্য অমীমাসিংত। ‘ডিসটোপিয়ান’ ধাঁচের এ গল্পের শেষে কেন্দ্রীয় চরিত্র অফরেড একটি ভ্যানে উঠে বসে। সেটা তাকে মুক্তির দিকে নিয়ে যেতে পারে অথবা মৃত্যুর দিকেও। কিন্তু নিশ্চিত করে শেষ দৃশ্যে কিছু বলা নেই। অ্যাটউডের কল্পনায় গড়া সেই জগৎ নিয়ে পাঠকদের আজও অনেক জিজ্ঞাসা। ত্রিশ বছরের বেশি সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর অ্যাটউড বইটির সিক্যুয়েল লিখেছেন. যার নাম দ্য টেস্টামেন্টস। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত হবে এই বই। দ্য ফলকনার ২০১৯ সালে প্রকাশিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের ডানা জ্যাপনিকের প্রথম উপন্যাস দ্য ফলকনারকে তুলনা করা হচ্ছে জে ডি স্যালিনজারের বিখ্যাত উপন্যাস ক্যাচার ইন দ্যা রাইয়ের সঙ্গে। সতেরো বছরের লুসি অ্যাডলারের জীবন–জগৎ ও তার দেখাকে নিয়ে গড়ে উঠেছে উপন্যাসটির গল্প। ১৯৯৩ সালে নিউইয়র্কে বসবাসরত এই তরুণীর মধ্য দিয়ে সমসাময়িক প্রজন্মের আশা. আকাঙ্ক্ষা. হতাশা মূর্ত হয়ে উঠেছে বইটিতে। ব্ল্যাক লেপার্ড. রেড উলফ ২০১৫ সালের ম্যানবুকারজয়ী উপন্যাস আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব সেভেন কিলিংস-এর রচয়িতা জ্যামাইকার মার্লন জেমসের নতুন বই ব্ল্যাক লেপার্ড. রেড উলফ প্রকাশিত হবে আসন্ন ফেব্রুয়ারিতে। আফ্রিকায় অপহৃত এক বালককে অনুসন্ধান নিয়ে এর কাহিনি। মূল চরিত্রের নাম ট্র্যাকার. যাকে একজন দাস ব্যাবসায়ী নিযুক্ত করেছে বালকটিতে খুঁজতে। কিন্তু বালকটির পরিচয়সহ আরও নানা বিষয় ট্র্যাকারের কাছে রহস্যাবৃত। আফ্রিকার সমৃদ্ধ সংস্কৃতির পরতে পরতে নিয়ে যাওয়া তার অনুসন্ধান পাঠককেও রোমাঞ্চের মুখোমুখি করবে। মেশিনস লাইক মি বুকারজয়ী আমেরিকান ঔপন্যাসিক ইয়ান ম্যাকইউয়ানের মেশিনস লাইক মি প্রকাশিত হবে এপ্রিল মাসে। নতুন এই বিজ্ঞান কল্পকাহিনিতে একজন যন্ত্রমানব ও ত্রিভুজ প্রেমের ঘটনার মধ্য দিয়ে কিছু চিরাচরিত মৌলিক প্রশ্ন আলোচিত হয়েছে। কোন বৈশিষ্ট্যের জন্য আমরা মানুষ. কিংবা মানুষেরৃই তৈরি যন্ত্র আদৌ কি তার হৃদয়কে বুঝতে সক্ষম—এসব জিজ্ঞাসার কিছুটা হদিস এর মধ্য দিয়ে দিতে চেষ্টা করেছেন ঔপন্যাসিক। দ্য পরপস এ বছরের মে মাসে প্রকাশিত হবে ইংরেজ সাহিত্যিক মার্ক হ্যাডনের দ্য পরপস। টায়ারের রাজপুত্র পেরিক্লিসের মহাকাব্যিক কাহিনির ছায়া রয়েছে উপন্যাসটিতে। পরপস একটি জাহাজের নাম। পৌরাণিক সময়ের অনুরণন পাওয়া যাবে উপন্যাসের চরিত্র অ্যাঞ্জেলিকের পরিক্রমায়. যার মা বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে এবং বাবা তাকে আগলে রেখে বড় করছে। কিন্তু এই আপাতসরল আখ্যানের ভেতরেই রয়েছে আরও অনেক জটিল হিসাব–নিকাশ। ফ্রাঙ্কিসটাইন ২০১৯ সালের আরেকটি আলোচিত উপন্যাস ফ্রাঙ্কিসটাইন। মেরি শেলির বিখ্যাত বিজ্ঞান কল্পকাহিনি ফ্রাঙ্কেনস্টাইনকেই পুনরায় যাপনের একটি প্রচেষ্টা এই উপন্যাস। লিখেছেন ইংরেজ সাহিত্যিক জেনেট উইনটারসন। দ্য গার্ডিয়ানের দৃষ্টিতে ২০১৮–এর সেরা ছয় উপন্যাস ১. ইংরেজ ঔপন্যাসিক প্যাট বার্কারের দ্য সাইলেন্স অব দ্য গার্লস ২. উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাহিত্যিক অ্যানা বার্নসের মিল্কম্যান ৩. ইংরেজ সাহিত্যিক সারাহ পেরির মেলমথ ৪. পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখক মোহাম্মদ হানিফের রেড বার্ডস ৫. যুক্তরাষ্ট্রের ঔপন্যাসিক টমি অরেঞ্জের রচনা দেয়ার দেয়ার ৬. যুক্তরাষ্ট্রের ঔপন্যাসিক ক্যাটরিওনা ওয়ার্ডের লিটল ইভ সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান. বিবিসি. ফোর্বস ও গুডরিডস গ্রন্থনা: নুসরৎ নওরিন
1,573,180
2019-01-04
দুই কবির দুই শহর
null
আখতার হোসেন খান
null
https://www.prothomalo.com/onnoalo/article/1573179/%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A6%B0
onnoalo
print
1
অন্য আলো
সম্প্রতিক কালে পিয়াস মজিদের সম্পাদনায় দুটি চমৎকার বই বেরিয়েছে প্রথমা প্রকাশন থেকে। একটি শামসুর রাহমানের আমার ঢাকা. অন্যটি বেলাল চৌধুরীর আমার কলকাতা। বই দুটি বাইরে থেকে দেখতে অনেকটা বড় স্মার্টফোনের মতন—সুমুদ্রিত. পরিপাটি এবং বলা ভালো. দুটি বইয়েরই নান্দনিক প্রচ্ছদ এঁকেছেন শিল্পী রফিকুন নবী। প্রথমটি—আমার ঢাকা বইয়ে স্থান পেয়েছে কবি শামসুর রাহমানের ঢাকা-আসক্তি নিয়ে কিছু সুসংগৃহীত নিবন্ধ ও কবিতা। আর দ্বিতীয়টি—আমার কলকাতা শিরোনামের বইয়ে রয়েছে আমাদেরই আরেক ‘বোহেমিয়ান’ কবি বেলাল চৌধুরীর কলকাতা-প্রেমের গদ্য ও কবিতার সংগ্রহ। প্রথমটি পড়লে মনে হবে ঢাকা শহর না থাকলে শামসুর রাহমানের কবি-জন্ম হতো না. ঢাকা শহরের মাটি থেকেই তিনি গড়ে উঠেছেন ধীরে ধীরে। আর দ্বিতীয়টিতে বেলাল চৌধুরী দিশেহারা যৌবনে অনেকটা ভাগ্যান্বেষণে ভিন্ন রাষ্ট্রের এক শহরে গিয়ে তাঁর পুরো প্রেম উগরে দিচ্ছেন। রাষ্ট্র ভিন্ন হলেও শহর কলকাতা তো বাংলা ভাষার নাড়ির সঙ্গে যুক্ত। ঢাকা শামসুর রাহমানের জন্য ‘ভালোবাসার শহর। এ শহর ছেড়ে পৃথিবীর অন্য কোনো শহরে বেশি দিন থাকতে পারব না।’ আমার ঢাকার ‘আমার জন্মশহর. স্মৃতির শহর’ নিবন্ধে রাহমান যেমন জানাচ্ছেন: ‘পুরানো ঢাকায় আমি পুরানো ইতিহাসের নিশ্বাস ও দীর্ঘশ্বাস শুনতে পাই।’ এই বইয়ের পনেরোটি নিবন্ধের মধ্যে পাওয়া যাবে কবির গড়ে ওঠার একটা ধারাবাহিক চিত্র। তিনি এই শহরেই মানুষ হয়েছেন বলে আমরা তাতে পাই নগুরে বৈদগ্ধ. ইট–সুরকির গন্ধ. পাই ‘বিউটি বোর্ডিং’-এর কথা. পাই ‘শরৎ চক্কোত্তি রোডে. মাহুতটুলীর খোলা ছাদে’ চলে যাওয়ার আহ্বান (‘দুঃসময়ে মুখোমুখি’)। চক্রবর্তীর প্রাকৃত-তদ্ভব ‘চক্কোত্তি’র ব্যবহার মনে রাখার মতো। আর ‘বিউটি বোর্ডিং’ জানাচ্ছে ‘চায়ের পেয়ালা সামনে রেখে/উঠতাম মেতে/পাউন্ড. স্পেংলার. টোয়েনবি. মার্ক্স. উত্তর-রৈবিক/কবিতার দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে প্রত্যাগত/নাবিকের ধরনে।’ এ রকম কাব্যিক বর্ণনায় সুধীন্দ্রনাথ দত্তের ‘সংবর্তে’র কথা মনে পড়বে কারও কারও। বেলাল চৌধুরীর কলকাতা-প্রেম বাংলা সাহিত্যের একটা অভূতপূর্ব ঘটনা। নানান কারণে দাউদ হায়দার বা তসলিমা নাসরীনের মতো যাঁরা দেশ ছেড়ে বিদেশবিভুঁইয়ে গেছেন. বেলাল চৌধুরী তাঁদের থেকে ভিন্ন। পঁচিশ বছর বয়সে জাপানি মাছ ধরার ট্রলারে কাজ নিয়ে পকেটে কাঁচা টাকা ভরে কলকাতায় নামেন তিনি। আর এক যুগ সেখানকার নগরজীবনের সঙ্গে. বিশেষ করে কবিকুলের সঙ্গে দারুণভাবে মিশে যান। বেলাল প্রসঙ্গে কলকাতার কবি কবিতা সিংহ বলেছেন. তাঁর জন্য ‘আমাদের সকলের ঘরেই চাল মাপা থাকত’। আর সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বেলালকে ঠাউরিয়েছিলেন ‘ছদ্মবেশী রাজকুমার’ বলে। আমার কলকাতা গ্রন্থে স্থান পেয়েছে ছয়টি নিবন্ধ আর সাতটি কবিতা। এর প্রথমটি ‘আমার কলকাতা’। তবে এ বইয়ের সবচেয়ে বড় লেখাটি ‘কলকাতার দিনরাত্রি’; আছে ‘কফি হাউস: চন্দ্রাহত এক রাতে’। তা ছাড়া কলকাতায় যেহেতু বেলাল চৌধুরী পুরো ১৯৭১ সাল কাটিয়েছেন. তাই ‘কলকাতায় একাত্তর’ তো প্রাসঙ্গিকভাবেই থাকবে। ‘কলকাতাকে’ কবিতায় বেলাল লিখেছেন: ‘প্রাচীন আর্য কিংবা দ্রাবিড় সভ্যতার দান নও/ফিরিঙ্গি বণিকের উদগ্র লালসায় লালিত তুমি/লাস্যময়ী নটীর মতো ডাগর হয়েছ দিনে দিনে/তুমি আমার বিনাশ ও বেদনা তুমি আমার ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখ—/তুমি আমার উত্থান-পতনের স্বর্গনরক’। আমার ঢাকা ও আমার কলকাতার সুলিখিত ভূমিকাতেই পাওয়া যাবে বই দুটির সারবত্তা। দুই কবির কেউই ঢাকা কিংবা কলকাতা নিয়ে এ ধরনের বই লিখবেন. এটা ভাবা যায়নি। তবে দুজনই বিভিন্নভাবে এবং নানা সময়ে. ঢাকা ও কলকাতা সম্পর্কে তাঁদের হৃদয়ের ভাব ও ভাবনা প্রকাশ করে গেছেন। একজন ঢাকায়. বিশেষ করে পুরানো ঢাকায়. ‘ইতিহাসের দীর্ঘশ্বাস’ শুনতে পান. অন্যজনের কাছে কলকাতা তাঁর ‘বিনাশ ও বেদনা’. ‘ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখ’। সম্পাদক পিয়াস মজিদ দুজনের বিস্তৃত সাহিত্য থেকে সেসব সামগ্রী উদ্ধার করে দুটি বইয়ের আকৃতি দিয়ে একটা বিরাট দায়িত্ব সমাপন করলেন। আর প্রথমা প্রকাশনকেও ধন্যবাদ জানাতে হবে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করে তা সুপাঠ্য হিসেবে পাঠকের কাছে উপস্থাপনের জন্য। এ–জাতীয় প্রকাশনা এ জন্যই প্রয়োজনীয় যে ভবিষ্যতের কোনো একদিন যদি বাংলাভাষীদের অসমাপ্ত রেনেসাঁ পরিপূর্ণতা পায়. তখন ঢাকা ও কলকাতাই তার প্রধান ঐতিহাসিক কেন্দ্র হিসেবে সমাদৃত হবে। আমার ঢাকা শামসুর রাহমান প্রচ্ছদ: রফিকুন নবী. প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন. ঢাকা. প্রকাশকাল: নভেম্বর ২০১৮. ১৩৬ পৃষ্ঠা. দাম: ২৮০ টাকা। আমার কলকাতা বেলাল চৌধুরী প্রচ্ছদ: রফিকুন নবী. প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন. ঢাকা. প্রকাশকাল: নভেম্বর ২০১৮. ১৪৫ পৃষ্ঠা. দাম: ২৮০ টাকা।
1,573,179
2019-01-04
ঠিক দুপুরবেলা
এই সময়ের গল্প
লুনা রুশদী
https://www.prothomalo.com/onnoalo/article/1573178/%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE
onnoalo
print
1
অন্য আলো
গোরস্থানে বসে ভেজি বার্গার খাইতেছি। আচ্ছা. আমি তো সেমেটারি বলতে পারতাম অথবা কবরস্থান...গোরস্থান কেন বললাম? এর মধ্যে একটা গা ছমছম করা ভয় ভয়–টাইপ ভাব আছে. না? এই জায়গাটা অন্য রকম। বহু আগে এই এলাকার কবরস্থান ছিল এইখানে. ছড়ানো–ছিটানো কবরগুলি আছে। মাঝে মাঝে গাছ. দুই–একটা বেঞ্চ। এই অক্টোবরের শুরুতে মেলবোর্ন শীত থেকে ঝাড়া দিয়ে উঠতে শুরু করছে. অফিশিয়ালি যদিও বসন্ত শুরু হয় সেপ্টেম্বর মাসে। গাছগুলিতে নতুন পাতা. এলোমেলোভাবে মৌসুমি ফুলের বীজ ছিটানো হইছিল. এখন রং–বেরঙের ফুল ফুটে আছে শেওলা ধরা প্রাচীন কবরগুলিকে ঘিরে. দেখলেই ফররুখ আহমদের কবিতার লাইন মনে পড়ে ‘কাফনের পাশ দিয়ে বেজে চলে দৃঢ় পাখোয়াজ...’। রাস্তার কাছাকাছি ঠিক ঢোকার মুখে বাচ্চাদের পার্কমতন. বিকালের দিকে আসে ওরা। দুপুরবেলায় কেউ আসে না। এটা বলতেছি গত তিন সপ্তাহের অভিজ্ঞতা থেকে। চাকরিটা ছাড়ার পরে বাসার কাউকেই বলি নাই. হুদাই অনেকগুলি কথা বলতে হবে. ভাল্লাগে না। তাই রোজ রোজ ঠিকঠাক তৈরি হয়ে বাসা থেকে বের হই। উল্টাপাল্টা চক্কর দিতে থাকি। কিন্তু দুপুরবেলায় আমার বর্তমান স্থায়ী ঠিকানা এইখানে। হাংরি জ্যাকস থেকে একটা ভেজি বার্গার আর এক কাপ কফি নিয়ে এইখানে এসে বসি. গাছের কচি সবুজ পাতার ফোকর থেকে দুপুরের রোদ ছেঁকে আসে আর কবরের চিড় ধরা সিমেন্টের ওপরে গড়াগড়ি খায়. পাতার ছায়া পড়ে. ঘাসের ওপর দিয়ে বাতাস সরতে থাকে. পাখিরা ঘোরেফেরে. ওড়ে. দোল খায়। এই সবই ভালো লাগে। মাটির ওপরের মানুষ থেকে মাটির নিচের মানুষেরা অনেক আরামদায়ক। বোঝা বয়ে তিন মণ ওজনের একটা বই নিয়ে আসছি যদিও. কিছুই পড়ি নাই। ঘাসের ওপরে বই. তার ওপরে কফির টেক অ্যাওয়ে কাপ। টুং টাং করে মেসেজ আসতেছে ফেসবুক মেসেঞ্জারে। আমার অল্প পুরান প্রেমিক বেড়াতে গেছে অতি পুরান প্রেমিকের বাড়িতে—নিউইয়র্ক থেকে নিউ জার্সি। এরা দুইজনেই কবি। অতি পুরান এত দিনে বিয়ে করে সংসারি এবং এক বাচ্চার বাপ। অল্প পুরানও সেই পথে পা বাড়াইছে. আংটিবদল হয়ে গেছে। দেখলাম আমার প্রেমের এই একটা আছর আছে। প্রেম ছোটার সাথে সাথেই এরা একনিশ্বাসে বিয়ে করে ফেলে। আমি তাই নিজের পরিচয় দিতে পারি সমাজসেবী হিসেবে। যাদেরই বিবাহযোগ্য ছেলেরা বিয়ের বিষয়ে গাঁইগুঁই করতেছে. অথবা বিদ্রোহী হয়ে উঠতে চাইতেছে. তাদের আমার হাতে ছেড়ে দিলেই ঠিক করে দেব একদম। অল্প পুরানের সাথে আমার যোগাযোগ মোটামুটি অব্যাহত. অবশ্য ফর্ম বদলাইছে। এখন বেশির ভাগ সময় তার বিয়ে নিয়ে আলাপ হয়. ফিঁয়াসের ছবি দেখি. বিবাহিত জীবন সম্পর্কে অভয় দিই; যেহেতু সে জীবনও আমি কাটাইছি কয়েক বছর। অতি পুরানের সাথে সরাসরি কথা না হইলেও একে অপরের ফেসবুক পোস্টে মাঝে মাঝে লাইক দিই। অল্প পুরান লিখছে. অতি পুরান ঘরে ঢুকল। লিখলাম. ওরে একটা চুমা দাও। একটা হাসিমুখের ইমো দিলাম. আসলে হাসলাম না। ফোনটা নামায়ে রাখলাম. এর সাথে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেমনে কথা বলতাম? এখন তো নাম দেখলেই হাই আসে! কফির কাপ থেকে ধোঁয়া উঠতেছে। সাধারণত হাংরি জ্যাকসের কফি হয় কুসুম গরম। আমি অর্ডার দেওয়ার সময় বলি এক্সট্রা হট দিতে. সেটাও অনেকেই পারে না। কফিতে চুমুক দিলাম. খুবই ভালো বানাইছে। তারপরে মুখের সামনে কাপ নিয়ে দেখলাম ধোঁয়ার আড়ালে দুনিয়া কেমন কাঁপতে থাকে. যেন তরল. বাষ্প হয়ে মিলাইতে চাইতেছে। হঠাৎ দেখি একটু দূরে. চার–পাঁচটা কবরের ওই পাশে ঝোপের আড়াল থেকে একটা অবয়ব নড়তে নড়তে বড় হইতেছে. তখনো কফির ধোঁয়ার আড়াল থেকে দেখতেছিলাম বলে মনে হচ্ছিল চেরাগের দৈত্য বের হয়ে নিজের সাথেই ডিবেট করতেছে যে রূপ বদলায়ে কঠিন হবে. নাকি বায়বীয়ই থাকবে। কাপ নামায়ে খেয়াল করলাম একজন হেঁটে আসতেছে. মাঝে মাঝেই লম্বা গাছের আড়ালে চলে যাইতেছে. সূর্যের দিক থেকে আসতেছিল বলে চেহারা স্পষ্ট হচ্ছিল না। আরেকটু কাছে আসলে বুঝলাম গায়ের চামড়া বাদামি. তবে পোশাক রীতিমতো পশ্চিমা ফর্মাল অ্যাটায়ার—সাদা শার্ট আর কালো রঙের থ্রিপিস স্যুট. একটা বো টাইও আছে। এত সেজেগুজে এই দুপুরবেলায় কই থেকে আসতেছে সে? এ রকম কাপড় তো লোকে বিয়েতে পরে. নয়তো ফিউনেরালে। কাছেই অবশ্য একটা চার্চ আছে। তার চলাফেরায় একটা হারায়ে যাওয়া ভাব। একটু দুলে দুলে আলতো হাঁটতেছে. যেন সে একটা পাখি. যেন মাত্র হাঁটতে শিখছে। হাঁটার ভঙ্গিতে জামিকে মনে পড়ল। একবার. তখনো তার সাথে প্রেম হয় নাই। ওর লেটেস্ট প্রেমিকার সাথে বেড়াতে গেছিল। গাড়ির ভেতরে সিগারেট ধরাইছে. প্রেমিকা তাকে আলটিমেটাম দিল. ‘আমি. না সিগারেট?’. জামি যথারীতি জবাব দিল. ‘সিগারেট।’ তত দিনে ওর এই সব কীর্তিকলাপে মেয়েটা যথেষ্টই অতিষ্ঠ। ওরে গাড়ি থেকে নামায়ে দিল সেই জিলংয়ের কাছে। শহর থেকে গাড়িতে এক ঘণ্টার রাস্তা. আমাদের বাসা থেকে দেড় ঘণ্টা। শীতের রাত্রি আর ততক্ষণে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বন্ধ হয়ে গেছে। জামি এদিক–সেদিক কয়েক ঘণ্টা চক্কর দিয়েও বের হওয়ার পথ না পেয়ে রাত দুইটার দিকে ফোন করে বলে. ‘জেবা. আমি তো হারায়ে গেছি. আমার বাসা কোথায়?’ তখন ওরেই ঠিকমতন চিনি না. ওর বাসা চিনব কেমনে? অথচ মাত্র ঘুম ভেঙে ওর কণ্ঠস্বর শুনেই মনে মনে দেখতেছিলাম ও সেই পড়ে যাওয়ার ভঙ্গিতে হাঁটতে হাঁটতে হয়রান হয়ে রাস্তার মাঝখানে বসে পড়তেছে। ড্রাইভার হিসেবে আমি বেশ খারাপ. কোনোমতে চোখেমুখে পানি ছিটায়ে বের হলাম তারে উদ্ধার করতে। তখন তো আর জিপিএস ছিল না. আমি ম্যাপও দেখতে জানতাম না। এক শবার হারায়ে যখন ওরে খুঁজে পেলাম. তখন প্রায় ভোর. মহা আরামে একটা বাসস্টপের বেঞ্চে শুয়ে ঘুমাচ্ছিল। ডাক দিতেই চরম বিরক্ত মুখে চোখমুখ কুঁচকায়ে বলল. ‘ব্যাক্কল নাকি তুই? কাঁচা ঘুম থেকে এমনে উঠাইতে হয়? যাহ্​ চা নিয়া আয়!’ আমি টাশকি খেয়ে কতক্ষণ ওর দিকে তাকায়ে থেকে যখন সত্যিই চায়ের খোঁজ করতে রওনা দিছি. সে হাসতে হাসতে আমার হাত ধরে টেনে পাশে বসায়ে এক হাতে বেড় দিয়ে জড়ায়ে ধরল। মনে হচ্ছিল ওর কাঁধ আর গলার মাঝের খালি জায়গাটুকুতে আমার মাথাটা জিগ-স পাজলের মতন ক্লিক করে বসে গেছে। আমার পিঠে আলতো হাত বোলাচ্ছিল আর কপালে ওর খোঁচা খোঁচা দাড়ির ঘষা লেগে একটা গা শিরশির ভাব। শীতের সকালের শিশির আর ধুলা মেশানো অদ্ভুত একটা গন্ধ থাকে. যেন বহু আগের কোনো সময় বয়ে নিয়ে আসতেছে. সেই সাথে ওর গায়ের গন্ধ মিলে বেহুঁশ–বেহুঁশ লাগতেছিল। আত্মা কাঁপতেছিল আর তা সারা শরীরে ছড়ায়ে যাচ্ছিল...। মনে মনে ভাবলাম. এরে আমি সারা জীবন দেখেশুনে রাখব. হাঁটার সময় ধরে রাখব। অনেক পরে বুঝতে পারছি. আমার ভাবনাগুলি আমারই ছিল. যার যার হাঁটা সে নিজেই হাঁটে। এতক্ষণে আমার একদম সামনে এসে দাঁড়াইছে লোকটা। দেখলাম ওয়েস্ট কোটে চেইন লাগানো একটা পকেটঘড়ি। এ রকম ঘড়ি শুধু সাদা–কালো ইংরেজি সিনেমায় দেখেছি। খুব বিনীত ভঙ্গিতে একদম পুরোনো দিনের ইংলিশে বলল. ‘আমি কি কিছুক্ষণ আপনার পাশে বসে আপনার সঙ্গলাভের আনন্দ পেতে পারি।’ আমি হেসে দিয়ে বললাম. ‘পেতে পারেন।’ বসতে বসতে তার নজর গেল আমার পাশে রাখা বইয়ের মলাটে. স্পষ্ট বাংলায় পড়ল মধ্যরাতের অশ্বারোহী। একটু চমকায়ে তাকাইলাম. ‘আপনি বাঙালি নাকি?’ ‘হা হা. অর্ধেক. আমার মা ছিলেন কলকাতার আর বাবা পাঞ্জাবের। আমি বড় হইছি অমৃতসরে।’ একটু কোনাকোনিভাবে আমার পাশে বসছে। খুব পরিচ্ছন্ন দেখতে. ঘাসে হাত বুলাইতে থাকা আঙুলগুলি লম্বা লম্বা. সুন্দরভাবে নখ কাটা. কোথাও ময়লা নাই। গায়ের সাদা শার্টটা এতটাই ধবধব করতেছে যে মনে হয় লন্ড্রি ডিটারজেন্টের বিজ্ঞাপন। বসছে যেন ভাসতেছে. যেন তারে ভেদ করেই ওইপাশের গাছগাছালি নজরে আসবে। তার কাছ থেকে ঘাস. ফুল আর শেওলা মেশানো অদ্ভুত জলজ একটা গন্ধ পাইতেছিলাম। ‘তোমার নাম কী?’ লোকটা জানতে চাইল বাংলায়। কাছ থেকে দেখে বুঝলাম যত কম বয়সী মনে হইছিল ততটা না. অন্তত পঁয়তাল্লিশের ওপরেই হবে। চুলও পাকতে শুরু করছে. সল্ট অ্যান্ড পেপার। সে আমারে তুমি বলাতে বেশ ভালো লাগল। ‘জেবুন্নেসা. সবাই জেবা ডাকে।’ ‘বাহ্. বাহ্শাহজাদী জেবুন্নেসা! কে ছিল জানো তো?’ ‘আওরঙ্গজেবের মেয়ে।’ ‘হ্যাঁ. আরেকটা পরিচয়ও ছিল তাঁর—কবি ছিলেন. সুফিয়ানা কবিতা লিখতেন।’ ‘তাই নাকি? আপনি কবিতা পড়েন?’ ‘পড়তাম তো. জেবুন্নেসার কবিতাও পড়েছি।’ ‘বলেন তো...’ ‘তাহলে একটা ঘটনা দিয়ে শুরু করি. এটা সেই মিড ১৬০০–এর কথা। তখনকার পারস্যদেশে কবিরা মুখে মুখে শায়েরি লিখত। মাঝে মাঝে একজনের শুরু করা মিসরা বা লাইন আরেকজন শেষ করতেন...’ ‘হ্যাঁ এই রকম শুনছিলাম. মসজিদে কবিতার লাইন লিখে রেখে আসত. না?’ ‘রাইট. তো একটা এ রকম লাইন ঘুরতে ঘুরতে জেবুন্নেসার কাছে চলে এল—দোররে আবলাক কিসি কাম দিদা মওজুদ...’ ‘মানে?’ ‘আবলাক একরকমের মুক্তা. বলা হচ্ছে. এত সুন্দর আর কী আছে পৃথিবীতে...। জেবুন্নেসাও মনে মনে লাইনটা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখছেন—এ রকম ভাবতে ভাবতেই একবার স্নান শেষে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চোখে সুরমা পরছিলেন. এক ফোঁটা পানি গড়িয়ে পড়ল গালে. আর তিনি পরের লাইন লিখলেন—মাগার আশেক বোতানে সুরমা আলুত...।’ ‘সুরমা তো বুঝলাম...মাগার মানে কিন্তু...আর?’ ‘সুরমা মেশানো প্রেমিকার চোখের পানি তার চেয়েও সুন্দর...’ ‘হা হা. নিজেই নিজেরে দেখে মুগ্ধ? এইটা কি সত্যি ঘটনা?’ ‘হতেই পারে। তাঁর পেন নেম ছিল মাখফি. মানে যে লুকানো থাকে। একবার তাঁর সাথে দেখা করার জন্য একদল কবি আসলেন সম্রাটের দরবারে। জেবুন্নেসা ছিলেন পর্দানশিন. তাঁদের সাথে দেখা না করে লিখে পাঠালেন. ‘দার সাকুনে মাখফি মানাম/ চুঁ বুঁয়ে গুল দার বুর্গে গুল/হার কে খাহি দিদারে মান/হার সাকুন দিদা মোরা/ জেব ও জিনাত বাস হামি নাম/নামে মান জেবুন্নেসাস্ত...।’ ‘অর্থ বলেন।’ ‘যেভাবে গোলাপের খুশবু লুকিয়ে থাকে ফুলের ভেতর. আমিও আমার কবিতার ভেতর আছি. যে আমায় দেখতে চায়. সে আমার কবিতা দেখুক। রূপ ও যৌবন মানেই আমি. আমার নাম জেবুন্নেসা!’ ‘পুরাই তো দেখি আমার মতন কথাবার্তা।’ ‘নামের কিছু ইম্প্যাক্ট তো থাকেই!’ হাসতে হাসতে বলল লোকটা। ততক্ষণে প্রায় বিকাল. আমি হাঁ করে দেখতেছিলাম তার চোখ কী সুন্দর ঝিকমিক করে. লম্বা চোখের পাপড়ি! ‘আপনার নাম কী?’ ‘মহেন্দ্র. তবে এই দেশে লোকে আমার মিডল নেম ধরে ডাকত. কুমার।’ ‘কই থাকেন আপনি?’ ‘এখানেই তো।’ ‘এত ড্রেসড আপ যে?’ ‘হা হা. তোমার সাথে দেখা হবে জানতাম তো!’ ‘বলছে! কী করেন আপনি এমনিতে?’ ‘কিছুই না!’ ‘বাহ. আমিও তো! হাত মিলান!’ সে একটু হেসে আমার হাত ধরল. ধরেই থাকল। কী ঠান্ডা আর নরম হাত. তার স্পর্শ শান্তির মতন আমার রক্তের ভেতরে মিশতেছিল। ‘আপনার বউ নাই?’ ‘ছিল তো...অন্য আরেক জীবনে। অমৃতসরে ছিলাম তখন। তোমার কথা বলো।’ ‘আমারও. সে অনেক অনেক দিন আগের কথা।’ ‘তখন মানুষ কাঁচা মাংস খেত?’ ‘না না. তার চেয়ে আরেকটু পরে. এই ধরেন জেবুন্নেসা মানে আমাকে তো আমার বাবা আওরঙ্গজেব বন্দী করে রাখছিলেন. না? তো আমি লুকায়ে লুকায়ে চলে আসলাম মেলবোর্ন...।’ ‘তারপরে?’ ‘মহা প্রেমে পড়লাম. বিয়ে করলাম...আমরা খুব গরিব ছিলাম. মানুষের ফেলে দেওয়া জিনিসপাতি নিয়ে এসে ঘরে তুলতাম। একটা টিভি ছিল এমন ঘোলা. ওইটাতে কিছুই ঠিকমতন বোঝা যাইত না। একবার জামির মামার বাসায় নরমাল টিভি দেখে পুরা তাজ্জব হয়ে গেছিলাম. আরে টিভি এমন হয়?’ ‘১৬০০ সালে টিভি কোথায় পেলে?’ ‘আহ্​ হা. নেভার লেট ট্রুথ গেট ইন দ্য ওয়ে অব অয়া গুড স্টোরি। আপনার বউয়ের কথা বলেন।’ ‘তাকে ঠিকঠাক চেনার সুযোগই পাই নাই। ধরো সময়টা ছিল ১৯৩০–এর এদিক–সেদিক। তখনো ভারতে ইংরেজদের রাজত্ব। আমি মাত্র ডাক্তারি পাস করেছি. মহুয়া ছিল বাঙালি. আমার মায়ের বাচপানের বন্ধুর মেয়ে। তোমার মতোই দেখতে ছিল. এইরকম আহ্লাদি গোলগাল চেহারা. বড় বড় চোখ...সুন্দর হাসি...।’ ‘আপনি বউয়ের কথা বলতেছেন না আমার সাথে ফ্লার্ট করতেছেন?’ ‘এক ঢিলে দুই পাখি. হা হা! মহুয়াকে আমার খুব ভালো লাগত. তবে প্রেম বলতে যা বোঝায়. সে রকম কিছু ছিল না। তত দিনে আমার বাবা গত হয়েছেন। মায়ের উৎসাহে বিয়ে হলো। এক মাস অনেক রকম পারিবারিক আচার পালন করতে করতেই কাটল। এত লোকের মধ্যে নিজেরা কাছে আসার সুযোগই হচ্ছিল না।’ ‘তারপর?’ ‘একবার গেলাম মানালিতে. ওইখানে গুরুদুয়ারা আছে. সেখানে প্রার্থনার জন্য। সেই প্রথম আমাদের একসাথে কোথাও যাওয়া। তিনটা দিন স্বপ্নের মতন ছিল. সারা দিন ঘুরতাম. সারারাত প্রেম করতাম। মানালিতে শেষ দিনটা ভীষণ ঘোরাঘুরি করে দুজনেই ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরে শুয়ে পড়লাম। মহুয়ার মাথা আমার কাঁধে. আমি ওর চুলে বিলি কাটছিলাম. ওর গায়ে লেবুর গন্ধের মতন একটা গন্ধে আমাকে আচ্ছন্ন করছিলাম। কখন ঘুমিয়ে পড়লাম. জানি না। সে–ই আমাদের একসাথে শেষ ঘুম...।’ ‘মানে?’ ‘মহুয়া আর উঠল না। ঘুমের ভেতর কখন চলে গেছে. আমি টের পাইনি. আমার ডাক্তারি বিদ্যা ওকে ধরে রাখতে পারল না...সেই সকালের প্রতিটা ঘটনা. প্রতিটা দৃশ্য এখনো আমি পরিষ্কার দেখতে পাই। আমি তার মুখের দিকে তাকায়ে ছিলাম. কী রকম দুঃখী চেহারাটা. কিছুই বলতে পারলাম না আমি।’ ‘বহু কষ্টে একটা গাড়ি জোগাড় করতে সারা দিন গেল। মানালি থেকে অমৃতসর বারো ঘণ্টার পথ গাড়ির পেছনের সিটে ওর মাথা কোলে নিয়ে আমি এসেছি। মনে হচ্ছিল ও ঘুমাচ্ছে আমার কোলে। চাঁদ ছিল. ওর মুখে আলো পড়ছিল...সব মনে আছে আমার।’ ‘তারপরে?’ খুব অস্পষ্ট করে হাসল মহেন্দ্র. ‘এই তো. আমার মা বেঁচে ছিলেন আরও দশ বছর. আমিও তাঁর কাছে ছিলাম। তারপরে চলে আসলাম। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে. আমি ডাক্তার. আমাকে এদের দরকার ছিল।’ এতক্ষণে মনে পড়ল আমরা তো গল্প গল্প খেলতেছিলাম। সত্যি সত্যি এ রকম হয় নাকি? ‘শোনেন. বিকাল কিন্তু হয়ে যাইতেছে. এখন দলে দলে বাচ্চারা আসবে। চলেন উঠি। কালকে আসবেন?’ ‘চেষ্টা করব. এই সব তো আমার হাতে না।’ ‘আপনার ফোন নম্বরটা লিখে দেন এইখানে।’ বইটা আগায়ে দিলাম কলমসহ. সে–ও লিখল। তারপরে আমার হাত ধরে টেনে তুলল। একসাথে হেঁটে কিছুদূর গিয়েই মনে পড়ল ফোনটা আনতে ভুলে গেছি। ‘একটু দাঁড়াবেন. ফোনটা আনি।’ মাথা ঝাঁকায়ে হাসল। আমি দৌড়ায়ে ফোন তুলে নিয়ে ফিরে দেখি কেউ নাই। আরে কই গেল? এদিক–ওদিক খুঁজলাম। বই খুলে নম্বর নিতে গিয়ে দেখি লেখা. ‘আমি ক্লান্ত প্রাণ এক...’। ওই দিক থেকে আসছিল না? হেঁটে গেলাম। এইখানেও একটা কবর? এইটা তো দেখি নাই আগে! ঝোপঝাড়ে দূর থেকে দেখা যায় না। দেখি নামের ফলকে লেখা ‘এম কে সিং (১৮৯০—১৯৪৬)।
1,573,178
2019-01-04
ইসলামের আলোকে শিক্ষক–শিক্ষার্থী সম্পর্ক
ধর্ম
শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী
null
https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573161/%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%95%E2%80%93%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95
opinion
print
1
ধর্ম
শিক্ষকতা একটি মহান পেশা। শিক্ষার জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত শিক্ষকের। একজন ছাত্রকে কেবল শিক্ষিতই নয়. বরং ভালো মানুষ করে গড়ে তোলার গুরুদায়িত্বটাও থাকে শিক্ষকের ওপরই। তাই একজন শিক্ষককে হতে হয় অনেক বেশি সচেতন. অনেক বেশি ধৈর্যশীল। একজন আদর্শ শিক্ষক হতে হলে আপনাকে বিশেষ কিছু গুণের অধিকারী হতে হবে। শিক্ষাদানের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো শিক্ষার্থীর পরিপূর্ণ জীবন বিকাশে সহায়তা প্রদান করা। এ লক্ষ্য অর্জনের পূর্বশর্ত হলো উপযুক্ত শিক্ষক। শিক্ষক-শিক্ষিকার পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি. জ্ঞানের সমন্বয় সাধন. উন্নতি ও সঠিক পন্থায় বিতরণের জন্য প্রশিক্ষণ অপরিহার্য। আদি শিক্ষক হলেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা। তাই ফেরেশতারা বলেছিলেন. ‘হে আল্লাহ. আপনি পবিত্র! আপনি যা শিখিয়েছেন তা ছাড়া আমাদের কোনোই জ্ঞান নেই; নিশ্চয় আপনি মহাজ্ঞানী ও কৌশলী।’ (সুরা-২ বাকারা. আয়াত: ৩২)। আমাদের প্রিয় নবী (সা.)–এর প্রতি ওহির প্রথম নির্দেশ ছিল. ‘পড়ো তোমার রবের নামে. যিনি সৃষ্টি করেছেন. সৃষ্টি করেছেন মানব “আলাক” থেকে। পড়ো. তোমার রব মহা সম্মানিত. যিনি শিক্ষাদান করেছেন লেখনীর মাধ্যমে। শিখিয়েছেন মানুষকে. যা তারা জানত না।’ (সুরা-৯৬ আলাক. আয়াত: ১-৫)। ‘দয়াময় রহমান (আল্লাহ)! কোরআন শেখাবেন বলে মানব সৃষ্টি করলেন; তাকে বর্ণনা শেখালেন।’ (সুরা-৫৫ রহমান. আয়াত ১-৪)। আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন ও উন্নয়ন সাধনই শিক্ষার উদ্দেশ্য। নৈতিক শিক্ষার সঙ্গে যেসব বিষয় সরাসরি সম্পর্কিত: সুশাসন. ন্যায়বিচার. মানবাধিকার. দুর্নীতি দমন. অর্থনৈতিক উন্নয়ন. প্রবৃদ্ধি. সন্ত্রাস দমন. শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা। আচরণে (কর্মে) অভীষ্ট ইতিবাচক পরিবর্তন ও উন্নয়ন সাধনের জন্য নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে তথ্য প্রদান বা জ্ঞান দান করাকে শিক্ষা বলে। খলিফা হজরত উমর (রা.)-এর এক প্রশ্নের জবাবে হজরত উবায় ইবনে কাআব (রা.) বলেন. ‘ইলম হলো তিনটি বিষয়—আয়াতে মুহকামাহ (কোরআন). প্রতিষ্ঠিত সুন্নত (হাদিস) ও ন্যায় বিধান (ফিকাহ)।’ (তিরমিজি)। হজরত ইব্রাহিম (আ.) দোয়া করলেন. ‘হে আমাদের প্রভু! আপনি তাদের মধ্যে পাঠান এমন রাসুল. যিনি তাদের সমীপে আপনার আয়াত উপস্থাপন করবেন. কিতাব ও হেকমত শিক্ষা দেবেন এবং তাদের পবিত্র করবেন। নিশ্চয় আপনি পরাক্রমশালী স্নেহশীল ও কৌশলী।’ (সুরা-২ বাকারা. আয়াত: ১২৯)। ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। মানুষের ইহকালীন ও পরকালীন জীবনের যাবতীয় ক্ষেত্র এবং শিক্ষা–সম্পর্কিত দিকনির্দেশনা দেয় ইসলামের পবিত্র গ্রন্থ আল কোরআন। এই মহান গ্রন্থের নির্দেশনাকে বাস্তব ক্ষেত্রে রূপ দিয়েছেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। তিনি জগৎ ও জীবনের পার্থিব ও আধ্যাত্মিক সব সমস্যার সমাধান নিজ জীবনে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেখিয়ে গিয়েছেন। এমন কোনো সমস্যা নেই. যা তিনি (হজরত মুহাম্মদ সা.) স্পর্শ করেননি এবং তিনি যা স্পর্শ করেছেন তা পরিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করেছেন। ইসলামে বিশেষ করে আল–কোরআন ও হাদিসে জ্ঞানার্জনের প্রতি কী নির্দেশ আছে. তা জানা আবশ্যক। পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধানের উৎস পবিত্র কোরআন হলো মুসলিম বিশ্বের মূল শিক্ষাগ্রন্থ। এ গ্রন্থের বিধান থেকে শিক্ষাও বাদ যায়নি; বরং এ গ্রন্থের প্রথম আয়াত অবতীর্ণ হয় শিক্ষার দুটি দক্ষতা উল্লেখ করে; তা হলো পড়া ও লেখা। কোরআনে রয়েছে. ‘হে প্রভু! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দাও।’ (সুরা-২০ তহা. আয়াত: ১১৪)। শিক্ষা গ্রহণ ছাড়া জ্ঞান বৃদ্ধি পেতে পারে না। মানবাত্মার সঠিক বিকাশের প্রধান উপায় হলো শিক্ষালাভে জ্ঞান বৃদ্ধির মাধ্যমে নিজের সত্তা উপলব্ধি করে জীবন সমস্যা সমাধানে দক্ষতা অর্জন করা। আল্লাহ তাআলা নবী ও রাসুলদের শিক্ষক হিসেবে পাঠিয়েছেন। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও তাঁর পূর্বে প্রেরিত নবীরা সবাই ছিলেন মহান শিক্ষক। শেষ নবী (সা.)–কে জগতের উজ্জ্বল আলোকবর্তিকাস্বরূপ প্রেরণ করা হয়। আল্লাহ তাআলা স্বয়ং তাঁকে শিক্ষার বিষয়বস্তু ও পদ্ধতি শিক্ষা দিয়েছেন। শেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) নিজের পরিচয় দিয়ে বলেন. ‘আমাকে শিক্ষক হিসেবেই পাঠানো হয়েছে।’ এ ক্ষেত্রে হজরত আদম (আ.)-এর শিক্ষাপদ্ধতিও উল্লেখ করা যায়। হজরত আদম (আ.) সরাসরি আল্লাহর তত্ত্বাবধানে প্রত্যক্ষভাবে প্রকৃতি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করেন এবং ফেরেশতাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে প্রথম হয়ে মানবের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেন। হজরত আদম (আ.) ছিলেন বিশ্বের প্রথম শিক্ষক। ধরায় অবতীর্ণ হয়ে তিনি আল্লাহর কাছ থেকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে লব্ধ জ্ঞান দ্বারা তাঁর পরিবার-পরিজনকে শিক্ষা দান করেন। তাঁর স্রষ্টা ও শিক্ষকের গুণাবলি ও নির্দেশনা প্রচার করেন। হজরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন বিশ্বশিক্ষক। মুফতি মাওলানা শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী. বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির যুগ্ম মহাসচিব ও আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফিজমের সহকারী অধ্যাপক[email protected]
1,573,161
2019-01-04
এই সময়ের কবিতা
পদাবলি
null
null
https://www.prothomalo.com/onnoalo/article/1573175/%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE
onnoalo
print
1
অন্য আলো
নির্মলেন্দু গুণ অনুভব আবিষ্ট করে রাখে যে হৃদয়খানি শান্তিতে কভু সে কাজ হয় না সাধা. কিছুই আমার হয় না সহজে জানি; নিয়ত শ্রমেই আমার নিয়তি বাঁধা। অন্যেরা তবু মাতে উল্লাস নিয়ে শান্তিতে কাজ সাঙ্গ হয়েছে ব’লে মুক্ত করে সে নিজেকে বাহবা দিয়ে. প্রার্থনা শেষে ধন্যবাদের ছলে। আমি তো দ্বন্দ্বে জড়ানো অহর্নিশ. উত্তেজনায়. স্বপ্ন অনিঃশেষে জীবনের সাথে আমার হয় না মিশ যায় না ইচ্ছা গড্ডলিকায় ভেসে। স্বর্গকে ভাবি হৃদয়ভুক্ত হেন বিশ্বকে আমি টানি আপনার মাঝে; ভালোবাসা আর ঘৃণা দিয়ে চাই যেন ভাগ্য আমাতে জ্বলুক দীপ্ত সাজে। আমি চাই সব জয় করে নিতে. তাই ঈশ্বরঢালা সকল আশিস দল. সুপ্ত সকল জ্ঞান লভিতে চাই. খুঁজে পেতে চাই সুর শিল্পের তল। চিরতরে আমি চূর্ণ করেছি ধরা. যেহেতু নিজের বিশ্ব পারিনি বানাতে. মোর আহ্বান কখনো শোনেনি ওরা. ব্যস্ত জাদুর মন্ত্রে বধির হানাতে। মৃত ও বধির পালায় পলকে দূরে অবজ্ঞা ছুড়ে আমাদের কৃতি দ’লে; মোদের মতোই মোদের কর্ম পোড়ে— বেপরোয়া ওরা ওদের পথেই চলে। ওদের ভাগ্যে বখরা নিইনি তবু— কখনো তেমন জোয়ার-ভাটায় ভেসে. নিরর্থতায় ধাবিত হয়নি কভু. ঘটাও যবে গিয়েছি মুচকি হেসে। পতন ঘটেছে. ধ্বংস হয়েছে ঢের পালাক্রমে কত কক্ষ দুর্গদ্বার; শূন্যে মিলিয়ে যেতে না যেতেই ফের. জন্ম নিয়েছে নবীন রাজ্য আর। এমনি চলেছে বর্ষ বর্ষ ধরে. শূন্য হইতে সর্বস্বের পানে. দোলনা হইতে শববাহী খাট ’পরে. শত উত্থান শত পতনের বানে। আত্মাও তাই নিজের পথেই চলে যতক্ষণ না সে সরাসরি পায় ক্ষয়. ঈশ্বর আর মানব দম্ভ দ’লে যদি না তাদের নির্মূল করা হয়। তাহলে এসো না দুঃসাহসীর মতো ছিঁড়ে ফেলি সেই ঈশ্বর আঁকা বৃত্ত. ভাগ করে নিই সুখ ও দুঃখ যত ভাগ্যমাপনী যেহেতু দোলায় মত্ত। অতএব এসো ঝুঁকি নিই সমুদয়. বিশ্রামহীন. বিরক্তিহীন চিতে; নিরানন্দে নীরব বিষাদে নয়. নয় কর্ম ও কামনার বিপরীতে। আপন গহনে গুম হয়ে বসে নয় দুখের জোয়ালে বশ্যতা মানা চুপে. ইচ্ছা স্বপ্ন কর্ম সমুদয় থেকে গেল বলে অসম্পূর্ণরূপে। মহাদেব সাহা জ্ঞানসূত্র ওয়ান্স ইজ ফর এভার—হেগেল [যাহা দেখিতেছ. তাহা পূর্বের দেখা ও শোনা বিষয়. অথবা পূর্বের দেখা ও শোনা বিষয়ের সদৃশ] যাজ্ঞবল্ক্য দার্শনিক তত্ত্বে কত জ্ঞান. কত আলো. তারও পরে প্রশ্ন থেকে যায়. পরম মেলে না। এই পরম কোথায় মেলে. কেউ বলতে পারে না; আমি তাই জিজ্ঞাসার দ্বার খুলে রাখি. স্মৃতিতে যা আসে তা নতুন জ্ঞান নয়. পুরাতন বিজ্ঞানেরই পুনরাবির্ভাব এত তত্ত্ব. এত জ্ঞান. মন তবুও ভরে না; যাজ্ঞবল্ক্য. উদ্দালকের কাছে যাই. কী বলেন সনৎকুমার? আমি. মীমাংসা জানি না. বলি জ্ঞান শ্রেষ্ঠ. তৃষ্ণা মেটে না। কামরুজ্জামান কামু বাইরে যাব আমরি বাংলা ভাষা তোমাকে পাওয়ার আশায় আকাশে চিৎকারিব আমাদের গানের গলা গোঙানির ধ্বনির মতো গড়ায়ে পড়ল হেসে কে যেন ডাকল মা গো আমি কি বাইরে যাব সাদেকের রক্ত খাব এ রকম নোনতা দিনে জানালায় গড়গড়াব খোদা অই পাশের ঘরে মায়েদের বাচ্চা মরে আমি মূক স্বামীর মতো অসীমের অন্ধকারে আমরি বাংলা ভাষা ভাষাহীন ভূমণ্ডলে আমাকে উপড়ে ফেলে কেটে দে শিকড়-বাকড় কবিতা লেখব না আর মা. আমি বাইরে যাব টোকন ঠাকুর পাহাড়ি অনুচর ও আমাদের ভালোবাসা মানুষ পাহাড়ে যায়. পাহাড় আসে না। যে কথা অপ্রকাশিত. লেখাও হবে না. শুনবে না কেউ. সেই কথা কুড়িয়ে নিতে শীত আসে অঘ্রানের শেষে। কথার পালক নিয়ে চলে যায় শীত. পাহাড়ের দিকে। মানুষের গোপন কথা জমিয়ে পাহাড় দাঁড়িয়ে থাকে. অনড়। তার বহুদিন পর আমাদের হারানো নিশ্চুপ কথার কথা মনে পড়ে গেলে আমরা হইহই করতে করতে দল বেঁধে পাহাড়ে বেড়াতে যাই। আমরা পাহাড়ের দিকে তাকিয়ে থাকি. বুঝতে চেষ্টা করি. উপত্যকার কোন ভাঁজে আমাদের সেই কথা লুকিয়ে আছে. যা আমরা কাউকে বলিনি বলেই একদিন শীত এসে নিয়ে গেছে সংগোপন শ্বাসপ্রশ্বাস! যাকে বলি বিহ্বলতা. নির্ঝর নৈকট্য কামনা. যাকে বলি ভালোবাসা. অন্তরঙ্গতা. তাকে আমরা হারিয়ে ফেলি একদিন। তারপর হারানোকে খুঁজে পেতে পাহাড়ে গিয়ে দেখি. পাহাড় রহস্য করছে. থমকে থাকা কুয়াশার সঙ্গে জমিয়ে গপ্পো করছে। পাহাড় ভ্রুক্ষেপই করছে না. কে আমরা. কোথা থেকে এসেছি. কী আমাদের চাওয়া. আমাদের কী হারানো গেছে? আবারও শীত আসছে. পাহাড়ের অনুচর হয়ে। এবং পাহাড় আসবে না. হারানো কথার সন্ধানে আমাদেরই রহস্য-বাঁকের পাহাড়ে যেতে হবে। মুয়িন পারভেজ আকিরা কুরোসাওয়ার প্রতি আজও দস্যু আসে পউষ মাসে. ফসল কাটার দিনে ধানসবজি সবই যে নেয় ন্যায্যদামে কিনে ওরা জোর করে না ওরা জোর করে না. বেচাকেনা খুবই পরিপাটি ওজনে নেই কারচুপি. ভাই. মানুষ ওরা খাঁটি নেই ছলচাতুরী নেই ছলচাতুরী. বাহাদুরি. কেবল নেশার ঘোরে একটু গালিগালাজ বা কান ম’লে দেওয়া জোরে তাই পলে পলে তাই পলে পলে আজ সকলে ওদের আশায় ঘামে নইলে ভালো কাপড়-খাবার জোটে না গেরামে বলি আসল কথা বলি আসল কথা. এমন প্রথা-দস্যুতা চায় চাষি বউ-ঝিরাও ভালোবাসে দস্যুরাজের বাঁশি তবু কয়েকজনে তবু কয়েকজনে সংগোপনে শহরপথে যাই দেখেশুনে খুঁজে আনি সপ্ত সামুরাই ওদের চুল পেকেছে ওদের চুল পেকেছে. বেড়ে গেছে বয়েস যেন শীতে দিনে ওরা থাকে মাঠে. রাত্তিরে ছাউনিতে ওরা ঢাল-তলোয়ার ওরা ঢাল-তলোয়ার ফেলে এবার কাস্তে হাতে নিয়ে কালি মেখে ভূত সাজবে শিশুর দলে গিয়ে ওদের নেই অপমান ওদের নেই অপমান. নেই পিছুটান; হয়তোবা চুপ মেরে খড়ের গাদায় শুয়ে শুয়ে শুনবে. ‘হা রে রে রে’ এ আয়োজনে দুটি অলংকরণ করেছেন: সব্যসাচী মিস্ত্রী
1,573,175
2019-01-04
অ্যাপে চলা. অ্যাপে খাওয়া
নগরজীবন
সাদিকুর রহমান. ঢাকা
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573159/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%87-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE
bangladesh
print
1
রাজধানী|ঢাকা|মোবাইল অ্যাপ|ই কমার্স
• অ্যাপভিত্তিক হোম ডেলিভারি সেবার চাহিদা বাড়ছে• ঢাকায় বেশ কয়েকটি অ্যাপভিত্তিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান• ঢাকায় নিবন্ধিত অ্যাপভিত্তিক ২০টি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান• গৃহস্থালি থেকে শুরু করে অনেক সেবা নিমেষেই মেলে • অ্যাপভিত্তিক হোম ডেলিভারি সেবার চাহিদা বাড়ছে• ঢাকায় বেশ কয়েকটি অ্যাপভিত্তিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান• ঢাকায় নিবন্ধিত অ্যাপভিত্তিক ২০টি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান• গৃহস্থালি থেকে শুরু করে অনেক সেবা নিমেষেই মেলে কারওয়ান বাজারে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন জুনায়েদ আজিম। কাজের ফাঁকে অফিসে বসেই সেরে নেন দুপুরের খাবার। অথচ কিছুদিন আগেও খাবার খেতে অফিসের বাইরে যেতে হতো তাঁকে। মুঠোফোনের একটি অ্যাপ তাঁর এই কাজ সহজ করে দিয়েছে। অর্ডার দিলে খাবার এখন অফিসে চলে আসে। নভেম্বরে মিরপুর থেকে আজিমপুরে বাসা স্থানান্তর করেছেন রোকসানা আক্তার। নতুন বাসায় বৈদ্যুতিক কাজের জন্য মিস্ত্রি খোঁজার ঝামেলা পোহাতে হয়নি তাঁকে। মিস্ত্রি মিলেছে মুঠোফোনের অ্যাপে। জুনায়েদ ও রোকসানা বলেছেন. হোম ডেলিভারিভিত্তিক অ্যাপস ব্যবহার করে গৃহস্থালি থেকে শুরু করে অনেক সেবা নিমেষেই পাওয়া যায়। শহরের যানজট. মানুষের ব্যস্ততা আর অল্প সময়ে সেবা পাওয়ার চাহিদা থাকায় গত কয়েক বছরে ঢাকাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি অ্যাপভিত্তিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। গৃহস্থালির কাজ সারানো. মালামাল স্থানান্তর. বাসায় বা অফিসে খাবার পৌঁছানো. এমনকি রূপচর্চার সুবিধাও মিলছে অ্যাপগুলোতে। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) তথ্যানুযায়ী. শুধু ঢাকায় নিবন্ধিত অ্যাপভিত্তিক ২০টি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান আছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা বলছেন. অ্যাপেই সেবার বিভিন্ন ধরন. খরচ. ডেলিভারির সময়সহ বিস্তারিত দেওয়া থাকে। গ্রাহকেরা ঘরে বা অফিসে বসেই অর্ডার করতে পারেন। এতে খোঁজাখুঁজির ঝামেলা পোহাতে হয় না। আবার অ্যাপগুলোর সঙ্গে যুক্ত থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছেন। অ্যাপের মাধ্যমে বাসার ফ্রিজ. এসি. বাথরুমের কল. ক্লিনার. বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি. রেস্টুরেন্টের খাবার. লন্ড্রি. রূপচর্চাকারী থেকে গাড়ির চালক সরবরাহসহ ৮৬ ধরনের সেবা দেয় সেবা ডট এক্সওয়াইজেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ড অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন কর্মকর্তা বৃতি সাবরিন বলছেন. গ্রাহকেরা সুবিধা তো পাচ্ছেনই. পাশাপাশি মিস্ত্রিদেরও এখন পথে ঘুরে কাজ খুঁজতে হয় না। অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই তাঁদের গ্রাহক মিলছে. আয়ও বেড়েছে। ২০১৩ সালে ঢাকায় প্রথম অ্যাপভিত্তিক খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে ‘হাংরি নাকি’। নিজেদের ২৫০ জন কর্মী দিয়ে বর্তমানে শুধু ঢাকায় ৯০০টি রেস্তোরাঁর খাবার সরবরাহ করে প্রতিষ্ঠানটি। এর উপ-প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইব্রাহীম বিন মহিউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন. ‘অফিসে কাজ করার সময় নিজেদের খাওয়ার জন্য রেস্তোরাঁ থেকে ড্রাইভার বা অফিস সহকারীকে দিয়ে খাবার আনাতে হতো। সেখান থেকেই চিন্তা মাথায় আসে যে একটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কীভাবে বাসায় বা অফিসে খাবার সরবরাহ করা যায়।’ তিনি বলেন. খাবার অর্ডার করা বেশির ভাগ গ্রাহকই তরুণ পেশাজীবী ও শিক্ষার্থী। ধানমন্ডির একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রকল্প ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেন মাহফুজ সালেকিন। যাতায়াতের ভোগান্তি এড়াতে বিভিন্ন সময় অ্যাপের মাধ্যমে পণ্য সংগ্রহ করেন তিনি। ‘এই সেবায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ডেলিভারি চলে আসে। অনলাইনেই পণ্যের দাম পরিশোধের পর যে ডেলিভারি চার্জ আসে. সেটিও অনেক কম থাকে। এ ছাড়া ছাড়ও দেয় প্রতিষ্ঠানগুলো।’ বলছিলেন মাহফুজ। তরল ও পচনশীল দ্রব্য বাদে অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্য সরবরাহের কাজ করে ই-কুরিয়ার। ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটির প্রধান গ্রাহকসেবা কর্মকর্তা সানজিদা কামাল বলছেন. ওয়েবসাইটের মাধ্যমে গ্রাহকেরা অর্ডার করেন। এরপর প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা গ্রাহকের নির্ধারিত স্থান থেকে পণ্য নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে দেন। পণ্য গ্রহণ করার সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অ্যাপের সাহায্য নিতে হয়। সেখানে গ্রাহকের বিশেষ কোড দেওয়া থাকে। পণ্য পরিবহনে পরিবেশবান্ধব যান হিসেবে বাইসাইকেল ব্যবহার করা হয়। রাইড শেয়ারিংয়ের পাশাপাশি উপহার. খাবার. কাগজপত্র সরবরাহের সেবা দেয় পাঠাও। এ ছাড়া ভাগো বিডি. ই-পোস্ট. বিদ্যুৎ. অ্যারামেক্স. পেপার ফ্লাই. শপ আপ. টিকটক. গোগো বাংলা. আই-এক্সপ্রেস. এনআরবি এক্সপ্রেস. সুন্দরবন. এসএ পরিবহন. কন্টিনেন্টাল. ডেলিভেরো. ই-ম্যান. স্টিড ফাস্ট কুরিয়ার নামের প্রতিষ্ঠানগুলোও রাজধানীতে হোম ডেলিভারি সেবায় জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
1,573,159
2019-01-04
‘অনেকেই ছাত্রজীবনের কাজ সারা জীবন করে যাচ্ছেন’
সৈয়দ জাহাঙ্গীরের অপ্রকাশিত সাক্ষাৎকার
null
null
https://www.prothomalo.com/onnoalo/article/1573172/%E2%80%98%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8%E2%80%99
onnoalo
print
1
অন্য আলো
২৯ ডিসেম্বর মারা গেছেন বাংলাদেশের অগ্রজ চিত্রকর সৈয়দ জাহাঙ্গীর। পঞ্চাশের দশকের যে শিল্পীরা এ দেশের চিত্রকলাচর্চার ভিত্তিভূমি তৈরিতে ভূমিকা রেখেছিলেন. তিনি ছিলেন তাঁদের একজন। তাঁর এই সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর। এখানে তিনি সবিস্তার তুলে ধরেছেন নিজের শিল্পচিন্তা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নাসির আলী মামুন ২৯ ডিসেম্বর মারা গেছেন বাংলাদেশের অগ্রজ চিত্রকর সৈয়দ জাহাঙ্গীর। পঞ্চাশের দশকের যে শিল্পীরা এ দেশের চিত্রকলাচর্চার ভিত্তিভূমি তৈরিতে ভূমিকা রেখেছিলেন. তিনি ছিলেন তাঁদের একজন। তাঁর এই সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর। এখানে তিনি সবিস্তার তুলে ধরেছেন নিজের শিল্পচিন্তা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নাসির আলী মামুন নাসির আলী মামুন: আমাদের দেশের অগ্রজ চিত্রকরদের মধ্যে আপনি অগ্রগণ্য। প্রথমে আপনার কাছে জানতে চাই শিল্পের ভাষার পরিবর্তনটা কীভাবে ঘটে? সৈয়দ জাহাঙ্গীর: শিল্পের নিজস্ব ভাষা আছে। রং লেখার আঁচড়ে যাঁরা শিল্পকলার চর্চা করেন. তাঁরাই তৈরি করেন আর সময় এই ভাষা পরিবর্তন শিল্পীকে উসকে দেয়। সময় বা কাল কিন্তু শিল্পীর জীবনে প্রভাব বিস্তার করে। সময়ের আবদারকে অবশ্যই আমলে নিতে হয়। মামুন: শিল্পীরা কি সময়ের কাছে অনেক সময় অসহায় হয়ে যান না? জাহাঙ্গীর: হ্যাঁ. হতেও পারেন। কিন্তু যিনি নিজেকে তৈরি করে দীর্ঘকাল শিল্পসাধনায় সক্রিয়. তিনি অসহায় হতে পারেন না। দেখবে যে শিল্পকলায় শিক্ষালাভ করেও অনেকেই ছাত্রজীবনের কাজ সারা জীবন করে যাচ্ছেন। তাঁরা কিন্তু বুঝতে পারেন না যে সব সময় ছাত্র হয়ে থাকতে নেই। শিক্ষাজীবনের পাঠ্যক্রম থেকে তিনি যেন আর বের হয়েই আসতে পারছেন না। এর কারণ কী? কারণ তাঁদের মেধা নেই। যা কিছু সেই ছাত্রজীবনে শিখেছিলেন. বার্ধক্যে এসেও তা-ই করে যাচ্ছেন। আমাদের দেশের এ ধরনের শিল্পীর সংখ্যা বেশি। কেবল দু-চারজনই নিজের কাজের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক মর্যাদা পেয়েছেন। আমি দেখেছি কয়েক বছর আগেও চারুকলার পঠনপদ্ধতি আধুনিক ছিল না. সেই ষাট-সত্তর দশকের পাঠদান চালু ছিল। একদম হাল আমলের কথা আমি জানি না। তবে আমার মনে হয়. খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। এটা বোঝা যায়। আমাদের জ্যেষ্ঠ শিল্পীদের ছবি ছাত্রাবস্থায় যেমনটা দেখেছি. এখনো একই রকম। এঁদের মধ্যে দু-একজন ছাড়া সবাই-ই পুরোনো ধাঁচে ক্যানভাসে যেন কিছু রঙের খেলা করে যাচ্ছেন। শিক্ষক বা জ্যেষ্ঠ শিল্পীরা যদি পরিবর্তন না আনতে পারেন তাহলে ছাত্ররা শিখবে কোত্থেকে! মামুন: জয়নুল. কামরুল এবং আরও অনেক খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী আপনাদের শিক্ষক ছিলেন...। জাহাঙ্গীর: তাঁদের সরাসরি ছাত্র হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। আবেদিন স্যার কলকাতা আর্ট স্কুলের ছাত্র এবং পরে শিক্ষক হয়েছিলেন। তিনি আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছিলেন তা ছিল তৎকালীন সময়ে সবচেয়ে আধুনিক শিক্ষা। কলকাতা আর্ট স্কুলের কারিকুলাম তিনি ব্যবহার করেছিলেন এবং তাঁর নিজস্ব কিছু চিন্তা আমাদের মধ্যে সংক্রমিত করতে পেরেছিলেন। আমাদের আদি সংস্কৃতি বা এই যে লোকশিল্প. এটা শিল্পাচার্যের হাত ধরে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জয়নুল-কামরুল দুজনেই লোকশিল্পের শিক্ষা দিয়ে গেছেন আমাদের। এখন কথা হলো. তাঁরা আমাদের লোকসংস্কৃতির যে স্টাইলটি শিখিয়ে গেছেন. আমরা কি ঠিক তাঁদের মতোই ছবি আঁকতে চেষ্টা করব? আমি তো সেটা মনে করি না। আবেদিন স্যার বলতেন লোকসম্পদ আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণ. এই ধারা যেন টিকে থাকে। তবে এ-ও বলতেন এই শিল্পকে মূল রেখে এটাকে আরও আধুনিক ঢঙে সাজাতে। কোন শিল্প-প্রকরণের একই জায়গায় দীর্ঘকাল আবদ্ধ থাকা তিনি পছন্দ করতেন না। মামুন: আপনারা কি শিল্পাচার্যের সব কথা মেনে চলতেন? জাহাঙ্গীর: অবশ্যই। তিনি না হলে আমরা কেউ শিল্পী হতে পারতাম কি না যথেষ্ট সন্দেহ হয়। তাঁর আঁকা চল্লিশের দুর্ভিক্ষের চিত্রমালা তৎকালীন সময়েই বিশ্বমানের। তিনি যখন আমাদের ক্লাস করাতেন. তখন আমরা মুগ্ধ হয়ে তাঁর কথা শুনতাম। তাঁর জীবনের শিল্পী হওয়ার যে অভিজ্ঞতা এমনটা আর কারও ছিল না। তিনি নিজে আমাদের প্রত্যেককে হাতে ধরে ধরে ড্রইং শিখিয়েছেন। আমরা যেন এক জায়গায় আটকে না থাকি সেটাও স্মরণ করিয়ে দিতেন। তাঁর কথা শুনেছি বলে আজকে আমরা ছবি আঁকার চেষ্টা করতে পারছি। তবে এর মধ্যে মাত্র দু-একজন আছেন. যাঁরা তাঁর সরাসরি ছাত্র ছিলেন. কিন্তু তাঁদের কোনো পরিবর্তন আসেনি। পুরোনো ধাঁচেই ছবি আঁকেন তাঁরা। এঁদের কাছ থেকে ছাত্ররা কীই-বা আশা করতে পারে। মামুন: তাহলে হাল আমলে ছাত্ররা চারুকলায় কীভাবে বিকশিত হবে? জাহাঙ্গীর: ছাত্ররা এখন সব জানে। তারা অনেক বুদ্ধিমান। নতুন প্রজন্ম যখন চারুকলায় বা আর্টের কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে আসে. তারা আগেই অনেক কিছু জেনে আসে। প্রত্যেকের বাড়িতে ইন্টারনেট আছে. ওটা বুদ্ধির দরজা খুলে দেয়। তারা জানে কী করতে হবে এবং কোথায় তাদের যেতে হবে। কিন্তু আমার কিছুটা দুঃখও হয় এ কারণে যে এখন এত সুযোগ থাকার পরও অনেক তরুণ তাদের তৈরি করার জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম করতে চায় না। আমরা প্রায় সবাই চারুকলা পাঠের প্রাথমিক সময়গুলোতে গ্রাম থেকে ঢাকায় এসেছিলাম। আমাদের না ছিল কোনো আর্টের শিক্ষা. না ছিল কোনো থাকা-খাওয়ার জায়গা। আমাদের মধ্যে মুর্তজা বশীর ও হামিদুর রহমান বনেদি পরিবার থেকে এসেছিলেন। বশীর কিন্তু এখনো সক্রিয়। মামুন: এস এম সুলতানের সঙ্গে আপনার দেখা হয়েছিল পুরান ঢাকায় হামিদুর রহমানের বাড়িতে। জাহাঙ্গীর: আগে একটু বলে নিই. এখনকার তরুণেরা যে ধরনের ছবি আঁকে তাতে কয়েকজনের ছবি দেখে আমি বিস্মিত হয়ে যাই। আমি নিয়মিত তরুণদের প্রদর্শনীতে যেতাম। এখন শরীর ভালো থাকে না. শ্বাসকষ্ট. তাই যাওয়া হয়ে ওঠে না। তাদের ছবির ফর্ম ও টেকনিক দুর্দান্ত। আলাপ করে জেনেছি ওরা নিজেরাই পাস করার পর নতুন পথ ও চিন্তা ছবিতে যুক্ত করেছে। এখন রঙের ব্যবহারটা এমনভাবে করে অনেক সময় ওয়াটার কালারটা বোঝা যায় না। এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা ওরা নিজেরাই করে। তরুণেরা আমার কাছে যখন আসে. তাদের সঙ্গে কথা বলে অনেক কিছু শিখি আমি। ছাত্রাবস্থায় আমাদের যে রকম মেধা ছিল তার চেয়ে অনেক জ্ঞান তাদের আছে। মামুন: নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা আপনার শিল্পকর্ম বোঝে? জাহাঙ্গীর: তারা যখন আমার ছবির ধরন. রং ও বিষয়ের বর্ণনা দিতে থাকে. আমি অবাক হই এই ভেবে যে আমার মতো বিচ্ছিন্ন এবং বয়োজ্যেষ্ঠদের কাজ ওরা যত্ন নিয়ে দেখে! একদল মেধাবী তরুণ শিল্পী আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখে. তারা আমাকে ফোন করে দেখা করতে চায়। তারা আমার ছবি পছন্দ করে. এটা আমি বুঝি। দেখবে. একই ধরনের বিষয় ধরে ছবি এঁকেছে আমার সমকালীন শিল্পীরা. কিন্তু আমার ছবির রং ব্যবহার. কম্পোজিশন এবং ফর্মটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। নদী ও নৌকার অনেক ছবি এঁকেছি আমি এবং আমারটায় কোনো মানুষ হয়তো নেই. তারপর আমার ছবি অন্যদের মতো নয়। ছাত্ররাই বলে. আমার ছবিতে একগুঁয়েমি নেই. নতুনত্ব আছে। আমার নীল ও হলুদ রঙের ব্যবহার আর সবুজের...ওদের ভাবায়. ওরা আমার ছবি দেখে। এই ছবিটা দেখো (একটি ছবি দেখিয়ে). ক্যানভাসটা শুধু সবুজ রঙের কিন্তু কত ধরনের সবুজ! সামনের শীতে একটা প্রদর্শনী করার জন্য এই ছবিগুলো আঁকছি। আমার স্টুডিওটা ছোট. বড় কাজ করতে পারি না। মামুন: এস এম সুলতানের সঙ্গে ওই যে দেখা হয়েছিল. মনে আছে? জাহাঙ্গীর: ১৯৫৬-এর দিকে হবে। আমার আত্মজীবনীতে এ ঘটনা লিখেছিও। হামিদুর রহমানের বাসায় সুলতান সাহেবের সঙ্গে প্রথম পরিচয় হয়েছিল আমার। তিনি তখন গেরুরা রঙের শাড়ির মতো একটা কাপড় জড়িয়ে খালি গায়ে ছিলেন। ধীরে কথা বলতেন. বেশ সুন্দর করে আস্তে আস্তে কথা বলতেন। মনে আছে. হামিদ তখনই বলেছিল বিখ্যাত শিল্পী। আমার স্টুডিও আছে জেনে হামিদের সঙ্গে তিনি একদিন এলেন আমার বাড়িতে। কোমর থেকে একটা পোঁটলা বের করে কলকিতে ভরে গাঁজা খেতে শুরু করলেন আমাদের সামনেই। আমি বললাম. আমাকে একটু দেন. তিনি দিলেন। খেয়ে আমার কোনো রকম নেশা ধরছিল না। তাই বললাম. কই কিছু তো হয় না। বললেন ঘণ্টাখানেক পরে ধরবে. অপেক্ষা করেন। এই ঘটনারও অনেক পরে আমি যখন শিল্পকলায় ছিলাম. সে সময় নড়াইল থেকে ঢাকায় এলে তিনি মাঝেমধ্যেই আমার অফিসে চলে আসতেন। কখনো কিছু কথা বলতেন. আবার কখনো উদাস মনে কোনো কথা না বলে দু-এক ঘণ্টা বসে থেকে কাউকে না বলে চলে যেতেন। তাঁর এই ধরন সম্পর্কে আমি আগেই জানতাম বলে আশ্চর্য হতাম না। কয়েক দিন আগে সুলতান সাহেবের ওপর তোমার আলোকচিত্র প্রদর্শনী দেখে এসে আমি কয়েক পাতা লিখেছি। সাদা-কালো ছবিতে তাঁকে জীবন্ত করে রেখেছ তুমি। আমি বিশ্বাস করি. এস এম সুলতান একজন বিশ্বমানের খাঁটি শিল্পী। তাঁর ছবি দেখে আমরা বুঝতে পারি. তাঁর মেধাটা কত ওপরে ছিল। শিল্পীকলা একাডেমিতে তাঁকে আমরা ‘রেসিডেন্ট আর্টিস্ট’ করেছিলাম। এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী এবং সমগ্র বাংলাদেশে ভ্রাম্যমাণ চারুকলা প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করেছিলাম আমি। মন্ত্রণালয় বাজেট বরাদ্দ দিতে চায়নি. তারপরও যুদ্ধ করে করেছি। এ ব্যাপারে ভালো কিছু মানুষের সহায়তা পেয়েছি। সুলতান সাহেব এসব ব্যাপারে বিশেষ করে ঢাকার বাইরের জেলাগুলোতে প্রদর্শনী নিয়ে যাওয়ার জন্য আমার প্রশংসা করতেন। এ ছাড়া গ্রামের কৃষকদের জন্য যেন শিল্পীদের ছবি দেখার সুযোগ করা যায়. সে ব্যাপারে তিনি আমাকে বলতেন। কিন্তু সেই সুযোগ সৃষ্টি করতে পারিনি। মামুন: জীবনের শেষ বাঁকে এসে কী করতে ইচ্ছে করে? জাহাঙ্গীর: আর তো কিছু পারি না। শুধু যত দিন পারি ছবি আঁকতে চাই। কিন্তু যখন নিজের কাছে মনে হবে আমার সৃষ্টি করার ক্ষমতা শেষ হয়ে এসেছে. তখন আর ছবি আঁকার চেষ্টা করব না। মামুন: কী করবেন তখন? জাহাঙ্গীর: যদি পারি লিখব। শিল্পকলা নিয়ে কিছু লেখার চিন্তা আছে। যদি থাকে লিখব। আমাদের সময়ের শিল্পকর্ম এবং বর্তমান সময়ের তরুণদের শিল্পকর্ম নিয়ে লিখতে চাই।
1,573,172
2019-01-04
ভুলটা কার?
null
নিজস্ব প্রতিবেদক. ঢাকা
১৫
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1573153/%E0%A6%AD%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0
bangladesh
print
1
নির্বাচন|আইন ও বিচার|একাদশ সংসদ নির্বাচন|সাংবাদিক
• খুলনার সাংবাদিক হেদায়েত জামিনে মুক্তি পেয়েছেন• ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে হেদায়েত• হেদায়েত গ্রেপ্তারের পর জোর আলোচনা—ভুলটা কার • খুলনার সাংবাদিক হেদায়েত জামিনে মুক্তি পেয়েছেন• ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে হেদায়েত• হেদায়েত গ্রেপ্তারের পর জোর আলোচনা—ভুলটা কার খুলনার সাংবাদিক হেদায়েত হোসেন মোল্লা গতকাল বৃহস্পতিবার ১১ দিনের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। এখন প্রশ্ন উঠেছে. ভুলটা আসলে কার। ৩০ ডিসেম্বর রাতে ভোটের ফল ঘোষণার সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত থাকা সাংবাদিকেরা বলছেন. ওই ভুলের সূত্রপাত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের ঘোষণা থেকে। সেদিনকার একটি ভিডিওতে দেখা যায়. জেলা প্রশাসক নিজের মুখে বলছেন. নৌকার প্রার্থী ২ লাখ ৫৩ হাজার ও ধানের শীষের প্রার্থী ২৮ হাজার ১৭০ ভোট পেয়েছেন। ওই দুই ভোটসংখ্যার যোগফল খুলনা-১ আসনের মোট ভোটারের চেয়ে ২২ হাজার বেশি। ঘণ্টাখানেকের পরে জেলা প্রশাসক চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে আবারও ওই আসনের ফল ঘোষণা করেন। তখন বলা হয়. ১ লাখ ৭২ হাজার ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের পঞ্চানন বিশ্বাস। খুলনা-১ আসনের মোট ভোটারের চেয়ে ২২ হাজার ভোট বেশি পড়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করে প্রশাসনের কোপে পড়েন ঢাকা ট্রিবিউন ও মানবজমিন–এর খুলনা প্রতিনিধি যথাক্রমে হেদায়েত হোসেন মোল্লা ও রাশিদুল ইসলাম। তাঁদের বিরুদ্ধে সোমবার রাতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা দেবাশীষ চৌধুরী। মামলায় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রকাশের অভিযোগ আনা হয়। সেই মামলায় মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তার করা হয় হেদায়েত হোসেনকে. তাঁকে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ছবিটি এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার পুলিশ তাঁকে আদালতে নিয়ে তিন দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা এবং সাংবাদিকদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিবাদের মুখে গতকাল সন্ধ্যায় জামিনে মুক্তি পান হেদায়েত। তাঁকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন জেলা দায়রা জজ আদালত। হেদায়েত গ্রেপ্তারের পর থেকেই জোর আলোচনা—ভুলটা কার। খুলনা ও ঢাকার অন্তত পাঁচজন সংবাদকর্মী বলছেন. জেলা প্রশাসকই প্রথম দফায় ভুল ঘোষণা দিয়েছেন। সাংবাদিকদেরই একজন মোট ভোটারের চেয়ে ঘোষিত ফলে ভোটার সংখ্যা বেশি বলে জেলা প্রশাসকের নজরে আনেন। কিন্তু এরপরেও জেলা প্রশাসক ওই ফলাফলটা বাতিল বা বিষয়টি বিবেচনাধীন—এ ধরনের কোনো ব্যাখ্যা না দিয়েই ঘণ্টাখানেক পরে আবারও একটি ফলাফল ঘোষণা করেন। এর মধ্যেই কোনো কোনো সাংবাদিক সেই ফলাফল তাঁদের প্রধান কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেন। সাংবাদিকদের তোলা একটি ভিডিওতে দেখা যায়. জেলা প্রশাসক বলছেন. ‘...ধানের শীষ ২৮ হাজার ১৭০ ভোট. নৌকা ২ লাখ ৫৩ হাজার ৬৬৯।’ তখনই একাধিক সংবাদকর্মী দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন. এর আগে যখন বলেছিলেন. তখন ধানের শীষের ভোট ২৯ হাজার বলে ঘোষণা এসেছিল। ওই কথা শুনে জেলা প্রশাসক জিবে কামড় দিয়ে হাতের কাগজটি ভালোভাবে দেখছিলেন। ওই কাগজ থেকে তিনি ভোটের ফল পড়ছিলেন। এর ঘণ্টাখানেক পরে জেলা প্রশাসককে বলতে শোনা যায়. ‘ভোটকেন্দ্র ১০৭. আমরা ফলাফলও পেয়েছি ১০৭। বিজয়ী ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৯ ভোটে. পঞ্চানন বিশ্বাস আর ওনার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ ২৮ হাজার ৪৩৭ ভোট।’ এ বিষয়ে খুলনার জেলা প্রশাসক ও নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হেলাল হোসেন গতকাল প্রথম আলোকে বলেন. ‘ওখানে অনেকগুলো আসনের ফলাফল আসছিল. আমি মনে হয় তখন অন্য কোনো আসনের ফল ঘোষণা করছিলাম। ওটা খুলনা-১–এর নয়। শুধুমাত্র দাকোপ উপজেলার ফল ঘোষণার সময় মনে হয় কয়েক শ ভোট এদিক-ওদিক হয়েছিল. ২৮ হাজার সামথিং আর ২৯ হাজার। এর বাইরে এ রকম হওয়ার কথা নয়।’ একটি ভিডিওতে তিনি ২ লাখ ৫৩ হাজার নৌকার ভোট ঘোষণা করছেন উল্লেখ করে জানতে চাওয়া হলে হেলাল হোসেন বলেন. ‘আসলে তখন কী বলেছি. সেটা তো এখন আর মনে নেই। ভিডিওটাও হাতের কাছে নেই।’ তিনি বলেন. ‘আমার স্বাক্ষর করা ফলাফলটা হলো আসল। যতক্ষণ না পর্যন্ত সেটা পাওয়া যায়. ততক্ষণ এভাবে বলা যাবে না।’ তাহলে একেবারে স্বাক্ষর করা ফলাফল হাতে হাতে দিলেই হয়. এ রকম মুখে বলে ফল ঘোষণার প্রয়োজনটা কী জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন. ‘দায়িত্বশীল সাংবাদিক হিসেবে তাঁদের উচিত ছিল বিষয়গুলো যাচাই করে নেওয়া। আমি যখন খাদ্যমন্ত্রীর পিএস ছিলাম. তখনো সাংবাদিকদের সঙ্গে কাজ করেছি। তখন ব্রিফিং শেষে সাংবাদিকেরা কোনো বিষয় অস্পষ্ট থাকলে সে বিষয়ে জেনে নিয়ে তারপর পরিবেশন করতেন।’ ৩০ ডিসেম্বর রাতে খুলনার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ছিলেন একাত্তর টিভির বিশেষ প্রতিনিধি পারভেজ নাদির রেজা। তিনি প্রথম আলোকে বলেন. রিটার্নিং কর্মকর্তা যখন ঘোষণা দিলেন. নৌকা ২ লাখ ৫৩ হাজার আর ধানের শীষ ২৮ হাজার. তখনই কয়েকজন সাংবাদিক তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন. ‘তাতে তো মোট ভোটারের চেয়ে ভোটসংখ্যা বেশি হয়।’ অসামঞ্জস্যটি ধরিয়ে দেওয়ার পর ‘তাই নাকি তাই নাকি’ বলে তখন রিটার্নিং কর্মকর্তা কাউকে ফোন করেন। মুখের সামনের মাইক্রোফোন চালু রেখেই তিনি মুঠোফোনে জেলা প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তাকে ইংরেজিতে বকাবকি করেন। কিন্তু তাঁর ঘোষিত ফলাফলটি সাংবাদিকেরা গ্রহণ করবেন কি না. সে বিষয়ে তিনি কিছুই বলেননি. কোনো ব্যাখ্যাও দেননি। ঘণ্টাখানেক পর তিনি চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বিবৃতিইউএনবি জানায়. অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল কানাডা শাখা গত রোববার অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংবাদিক ও রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মীদের ওপর হওয়া হামলার ঘটনা তদন্তে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। বুধবার অ্যামনেস্টির ওয়েবসাইটে এ আহ্বান জানিয়ে বাছবিচারহীনভাবে গ্রেপ্তার করা সাংবাদিক ও নেতা–কর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ারও আহ্বান জানায়। সিপিজের বিবৃতিসাংবাদিক হেদায়েত হোসেন মোল্লাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) গত বুধবার বলেছে. সরকারের উচিত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় তার প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করা এবং গণমাধ্যমের ওপর আক্রমণের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার থেকে বিরত থাকা।
1,573,153
2019-01-04
দুর্ভাবনার কুয়াশা সরিয়ে আলো আসুক
নতুন সরকার
আনিসুল হক
https://www.prothomalo.com/opinion/article/1573150/%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%95
opinion
print
1
আনিসুল হক|রাজনীতি
বছরের প্রথম দিনের সকালবেলা হাজির হয়েছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে. সেখানে ছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে বই উৎসব। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা এসেছিল. তাদের অভিভাবকেরা ছিলেন। শিক্ষার্থীরা বই পেল. রঙিন বই। পৌষের ভোরটা ছিল কুয়াশাঢাকা. তারপর হয়ে উঠল রোদ-ঝলমলে. আর রঙিন জামাকাপড় পরা ছেলেমেয়েদের মনে হচ্ছিল একঝাঁক পরি। রোদে কি বাচ্চারা কষ্ট পাচ্ছে? রসিকতা করে বললাম. শোনো. রোদে ভিটামিন ডি আছে। ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল তখন বললেন. এই যে দেখো. মঞ্চে আছেন সাকিব আল হাসান. তাঁরা যখন ক্রিকেট মাঠে খেলেন. তখন কি কেউ তাঁদের মাথায় ছাতা ধরে থাকে? আমি তো কিশোর আলোর কিশোর-কিশোরীদের বলি. এর সবই ট্রেনিং। এই যে তোমরা কিশোর আলোর অনুষ্ঠানগুলোয় আসো. তখন কি বাসে কিংবা রিকশায় কেউ তোমাদের জিজ্ঞেস করে. এ প্লাস বি হোল স্কয়ারে কী হয়? এই জ্ঞানগুলো কাজে লাগে. কাজে লাগে বলেই বিমান আকাশে ওড়ে. কিন্তু জীবন মানে কেবল বইয়ের জ্ঞান নয়। শক্তপোক্ত হয়ে বড় হও. বাইরের পৃথিবীর বিরূপ পরিবেশেও টিকে থাকতে শেখো। ছোটবেলায় কোনো দিনও নতুন বই পড়ার এবং নতুন জুতা পরার সুযোগ পাইনি। ৪ নম্বর ছিলাম ভাইবোনের মধ্যে. বড় ভাইবোনের ব্যবহৃত বই বছর শেষে পেতাম আর বড় ভাইদের ছোট হয়ে যাওয়া জুতা পরার সৌভাগ্য অর্জন করতাম। সেই বাংলাদেশ আজ কতটা সক্ষমতা অর্জন করল! এক দিনে ৩৩ কোটি বই বিলি করা হচ্ছে। ঝকঝকে নতুন বই। মুহম্মদ জাফর ইকবাল হিসাব করে বলেন. এই ৩৩ কোটি বই একটার পাশে আরেকটা রাখলে সারা পৃথিবীকে তিনবার প্রদক্ষিণ করতে পারবে! একজন টিভি সাংবাদিক আমাকে প্রশ্ন করলেন. ‘বইয়ে ছাপার ভুল থাকে. এ নিয়ে কিছু বলুন।’ বই সম্পাদনা করা. বই পরিমার্জনা করা. প্রুফ দেখা—এগুলো বিশেষায়িত কাজ. যাঁর কাজ. তাঁকেই যেন করতে দেওয়া হয়। পেশাদার সম্পাদক. সংশোধক নিয়োগ করতে খুব সামান্য টাকাই লাগবে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের এটা খুব সামান্য অংশ. কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটা যেন অবশ্যই করা হয়। ২. আজ থেকে কুড়ি বছর পরে বাংলাদেশ হবে একটা আলোকিত উন্নত বাংলাদেশ। এ আশার পেছনে অনেকগুলো গাণিতিক বাস্তবতা কাজ করে। এখন আমাদের প্রায় ৯৯ শতাংশ ছেলেমেয়ে স্কুলে যায়। আমরা যদি এদের ঝরে পড়া রোধ করতে পারি. এদের লেখা. পড়া. হিসাব কষা এবং ডিজিটাল সাক্ষরতা নিশ্চিত করতে পারি. বাকি কাজটা এরা নিজেরাই করে নিতে পারবে। মানুষ একটা আশ্চর্য সৃষ্টিশীল প্রাণী. অমিত সম্ভাবনার আকাশ প্রত্যেকের ভেতরে রাখা আছে। শিক্ষা হলো পরশপাথর। মানুষের সেই সম্ভাবনার দরজা শিক্ষা খুলে দেয়। মাটির মানুষ সোনার মানুষে পরিণত হয়। এখানে আমাদের কতগুলো চাওয়া আছে। মানসম্পন্ন শিক্ষা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। ছেলেমেয়েরা যেন স্কুলে যায় এবং শেখে। তারা লেখাপড়া করুক. খেলাধুলা করুক. নৈতিক শিক্ষা লাভ করুক এবং সংস্কৃতির চর্চা করুক। ২০ বছর পরে এই দেশের কৃষক হবেন শিক্ষিত কৃষক. শ্রমিক হবেন শিক্ষিত শ্রমিক। এখনই কিন্তু সেই শিক্ষিত কৃষক. শিক্ষিত শ্রমিকের সৃষ্টিশীল উদ্যোগের সুফল আমরা পাচ্ছি। কৃষিক্ষেত্রে. শিল্পক্ষেত্রে বিপ্লব আপনা–আপনি আসেনি। দুই নম্বর দাবিটা আবারও জোরের সঙ্গে করি। ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ অভিবাসী শ্রমিক বিদেশে গেছেন। আমাদের অভিবাসী জনশক্তি যাচ্ছে অদক্ষ শ্রমিক হিসেবে। পরিকল্পনা করে এই শ্রমজীবীদের পেশাজীবীতে উন্নীত করতে হবে। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় এই সূত্রটা প্রধান বিবেচ্য হওয়া উচিত। একই সঙ্গে আমাদের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিধি. দক্ষতা. যোগ্যতা আরও বাড়িয়ে প্রবাসীদের কল্যাণ ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের দূতাবাসগুলোতেও অভিবাসীদের কল্যাণ ও মর্যাদা হওয়া উচিত এক নম্বর অগ্রাধিকার। এখনই আমাদের প্রায় ১ কোটি মানুষ বিদেশে আছে। ১০ বছরে আরও ১ কোটি যাবে। গাণিতিক হারে না বেড়ে সংখ্যাটা জ্যামিতিক হারে বাড়লে ২০২৮ সালে ৩ কোটি মানুষের বিদেশে থাকার কথা। তারা বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাবে। এদিকে দেশেও যদি সবাই শিক্ষিত ও দক্ষ হয়. তাহলে অর্থনৈতিক কর্মপ্রবাহের বিপ্লব চলতে থাকবে। এই সময়টায় দরকার হবে সুশাসন। দুর্নীতিমুক্ত কর্মপরিবেশ। বিদ্যুৎ। ব্যাংকিং সেক্টরে শৃঙ্খলা এবং বিদেশে টাকার অবৈধ পাচার রোধ। দরকার হবে নিরাপত্তা এবং নিরাপত্তার বোধ। একটা বিষয় নিয়ে অগণিত গবেষণা হচ্ছে. অনেকগুলো গবেষণা প্রতিবেদন ইন্টারনেটেই পাওয়া যায়. তা হলো—সুশাসনের সঙ্গে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং মাথাপিছু আয়ের সম্পর্ক। সুশাসন ভালো হলে যেমন আয় বাড়ে. তেমনি মাথাপিছু আয় যেসব দেশে কম. সেসব দেশে সুশাসন আসে না। পশ্চিম লন্ডনের ব্রুনেই ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর পাবলিক হেলথ রিসার্চ বলছে. মাথাপিছু আয়ের সঙ্গে শুধু সুশাসনের সম্পর্ক আছে তা-ই নয়. জনস্বাস্থ্য. সুপেয় পানি ইত্যাদিরও সম্পর্ক আছে। আমরা আশা করি. ১০-২০ বছর পরে যখন আমাদের মাথাপিছু আয় আরও বাড়বে. তখন আমাদের দেশে সুশাসনও আরও আসবে। শঙ্কাও আছে কতগুলো। এবারের ভোটের পর সংসদে কার্যকরী বিরোধী দল থাকছে না। অমর্ত্য সেন বলেছিলেন. যে দেশে গণতন্ত্র এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে. সে দেশে দুর্ভিক্ষ হতে পারে না। কারণ. দেশের কোথাও খাদ্যাভাব দেখা দিলে তা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হবে আর সরকার যেহেতু জনগণের ভোট প্রত্যাশা করে. তারা দ্রুতই ব্যবস্থা নেবে। এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াটা অব্যাহত থাকবে তো? গণমাধ্যমে অপ্রিয় সত্য প্রকাশ করতে দেওয়া হবে তো? দেশের মানুষের প্রকৃত কোনো দুঃখ লাঘবে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে তো? দ্বিতীয় শঙ্কাটা পরিবেশ নিয়ে। প্রান্তিক মানুষকে নিয়ে। উন্নয়ন. প্রবৃদ্ধি. মুনাফা কিন্তু অন্ধ মত্ত হস্তীর মতো; তা পায়ের নিচে বন. জলাভূমি. মাটি. সবকিছু তছনছ করে ফেলে। আমরা যেন আমাদের পরিবেশকে উন্নয়ন এবং গৃধ্নুতার বলি না করি। আর সবকিছুর মূলে যেন থাকে মানুষ। বঙ্গবন্ধু সব সময় বলতেন. ‘আমার গরিব-দুঃখী মানুষ’। তাঁর কন্যা শেখ হাসিনাও সব সময় গরিব-দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর কথা বলেন। আমার এক স্থপতি বন্ধুর মুখে শুনেছি. তাঁরা যখন ঢাকার একটা সৌন্দর্য ও জলাশয় প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে গিয়েছিলেন. প্রধানমন্ত্রী একটা কথাই বলেছিলেন. গরিব মানুষের যেন ক্ষতি না হয়. তাদের যেন পুনর্বাসন করা হয়। এই নীতিটা যেন সর্বত্র বজায় থাকে। নতুন সরকার শিগগিরই শপথ নেবে। তারা যেন তাদের নির্বাচনী ইশতেহারটা ভুলে না যায়। ইশতেহারে আছে. ‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও চেতনাকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরা হবে এবং সংবিধান হবে রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বোচ্চ দলিল।’ ‘আইনের শাসনের মূল বক্তব্যই হচ্ছে আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান; কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।’ ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংরক্ষণ ও মর্যাদা সমুন্নত রাখা হবে।’ ‘সর্বজনীন মানবাধিকার সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করার ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা হবে।’ রোমান সম্রাট দার্শনিক মার্কেস অরেলিয়াস (১২১-১৮০) বলেছিলেন. ‘যদিও কেউই অতীতে ফিরে যেতে পারবে না. ব্র্যান্ড নিউ আরম্ভ করতে পারবে না; কিন্তু যে কেউই শুরু করতে পারবে এখনই. এবং রচনা করতে পারবে একটা ব্র্যান্ড নিউ সমাপ্তি।’ আজকের দিনটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আজ থেকেই নবোদ্যমে শুরু করুন. যাতে শেষটা সুন্দর হয়. ফলটা শুভ হয়। আর সে জন্য আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারই যথেষ্ট। আর আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনা. আছে অসমাপ্ত আত্মজীবনী. কারাগারের রোজনামচা। তাঁর অমূল্য বাণী ‘বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র হয় না’ এবং চিরদিনের অনুপ্রেরণা. ‘মানুষকে দাবায়া রাখতে পারবা না।’ পয়লা জানুয়ারির সকালটার মতো আমাদের দুর্ভাবনার কুয়াশা কেটে যাক. রোদে ঝলমল করে উঠুক আমাদের বর্তমান আর ভবিষ্যৎ। আনিসুল হক: প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক ও সাহিত্যিক
1,573,150
2019-01-04
লেখক রঙ্গ
null
মন্তব্য
https://www.prothomalo.com/onnoalo/article/1573171/%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%95-%E0%A6%B0%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97
onnoalo
print
1
অন্য আলো
জব্দ মোহিতলাল মজুমদার ১৩২৮ বঙ্গাব্দ। কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা তখন সদ্য প্রকাশ পেয়েছে। বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চারদিকে কবিতাটির জয়জয়কার। সবার মুখেই প্রশংসা। শুধু একজনই তখন ক্ষিপ্ত. তিনি কবি মোহিতলাল মজুমদার। সর্বত্র তিনি প্রচার করে বেড়াচ্ছিলেন. ‘বিদ্রোহী’ আদতে তাঁর ‘আমি’ শীর্ষক একটি ব্যক্তিগত রচনার পদ্যরূপ মাত্র। একদিন সন্ধ্যায় সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত. হেমেন্দ্রকুমার রায়. নলিনীকান্ত সরকারসহ আরও কয়েকজন সাহিত্যিক মিলে জম্পেশ আড্ডা দিচ্ছিলেন। সেখানে মোহিতলাল হঠাৎ এসে হাজির হয়ে নজরুল কীভাবে ও কী প্রকারে তাঁর লেখা ‘মেরে দিয়েছেন’ তা ক্রোধতপ্ত কণ্ঠে বয়ান করতে শুরু করেন। বিশেষ করে তাঁর নিবন্ধের দুটি শব্দের দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বললেন. ‘শব্দ দুটি হচ্ছে “মহামারী” আর “উন্মাদ”। আমার রচনার ওই দুটি শব্দ আছে নজরুলের “বিদ্রোহী”র মধ্যে। বলুন আপনারা এ চুরি কি না?’ বিরক্ত নলিনীকান্ত সরকার হঠাৎ বলে বসলেন. ‘ও রকম চুরি রবীন্দ্রনাথের লেখাতেও আছে!’ এ কথায় সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত চটে গিয়ে বললেন. ‘কোথায় দেখলেন আপনি?’ নলিনীকান্ত জানালে. ‘ঐ খ্যাপা শ্রাবণ ছুটে এলো আশ্বিনেরি আঙিনায় গানটি রবীন্দ্রনাথের চুরি।’ সত্যেন্দ্রনাথ রাগে চোখ লাল করে ফের বললেন. ‘কোত্থকে চুরি করেছেন?’ নলিনীকান্তের সোজা জবাব. ‘গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা থেকে। ওর মধ্যে শ্রাবণ আর আশ্বিন দুটো শব্দই আছে।’ সত্যেন্দ্রনাথসহ বাকিরা এবার হো হো করে হেসে উঠলেন। আর এভাবে নিদারুণ জব্দ হয়ে মোহিতলাল হয়ে পড়লেন গম্ভীর। সূত্র: শতদল গোস্বামীর সাত পুরুষের রম্য জগৎ প্রেমেন্দ্র মিত্রের থেকে লেখা আদায় করতে... কবি-কথাকার প্রেমেন্দ্র মিত্র লেখার ব্যাপারে ছিলেন অত্যন্ত খুঁতখুঁতে। তাই তাঁর কাছ থেকে সময়মতো লেখা আদায় করতে পত্রিকার সম্পাদকদের যারপরনাই বেগ পেতে হতো। একবার যুগান্তর পত্রিকার পূজাসংখ্যার জন্য তাঁর কাছে একটি ভালো গল্প বা কবিতা চেয়েছিলেন সংখ্যার দায়িত্বপ্রাপ্ত সম্পাদক পরিমল গোস্বামী। কিন্তু যথারীতি প্রেমেন্দ্র মিত্র লেখা দিতে দেরি করছিলেন। ওদিকে পূজাসংখ্যা প্রকাশের সময়ও এগিয়ে আসছিল। এমন সময় একদিন এক বন্ধুর বাড়িতে হঠাৎ তাঁর সঙ্গে দেখা হয়ে গেল। প্রেমেন্দ্র মিত্র তখনো মাথা নাড়ছেন. ‘না না. এবারে আর লেখাটা মনে হয় না হবে।’ হতাশ পরিমল গোস্বামী তখন প্রেমেন্দ্রর দিকে একটা খাতা এগিয়ে দিয়ে বললেন. ‘এটি আমার এক নাতনির অটোগ্রাফ বই। আপনি কিছু লিখে না দিলে ও মন খারাপ করবে।’ অগত্যা প্রেমেন্দ্র মিত্র ছয় লাইনের একটা পদ্য লিখে দিলেন ওই খাতায়। খাতাটা ফেরত নিয়ে এবারে পরিমল গোস্বামী তাঁর ব্রহ্মাস্ত্রটি ছাড়লেন. ‘তাহলে এবার আমার কথা শোনো। যদি পরশুর মধ্যে তোমার ভালো লেখাটি না পাই. তা হলে যুগান্তর–এর পূজাসংখ্যায় এই লেখাটাই ছেপে দেব।’ এ হুমকিতে কাজ হয়েছিল। পরে দিনকয়েকের মধ্যেই প্রেমেন্দ্র মিত্রের ‘ভালো’ লেখাটি পত্রিকার দপ্তরে পৌঁছে যায়। সূত্র: লীলা মজুমদারের খেরোর খাতা গ্রন্থনা: মুহিত হাসান
1,573,171